যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি হওয়া অসম্ভব নয়, পুতিনকে বললেন ইরানের প্রেসিডেন্ট

২২ আপডেট
  • ১২ এপ্রিল, ২০২৬

    যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি হওয়া অসম্ভব নয়, পুতিনকে বললেন ইরানের প্রেসিডেন্ট

    ট্রাম্প প্রশাসন আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি সম্মান জানালে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের চুক্তি হওয়া অসম্ভব নয় বলে মনে করেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে আলাপকালে পেজেশকিয়ান এ মন্তব্য করেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম জানিয়েছে, পুতিনের সঙ্গে ফোনালাপে পেজেশকিয়ান এ মন্তব্য করেন। ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে প্রায় ২১ ঘণ্টার আলোচনা শেষ হয় আজ সকালে। ওই আলোচনা শেষ হওয়ার পর পুতিন ও পেজেশকিয়ানের মধ্যে এই ফোনালাপ হয়।

    সূত্র: আল–জাজিরা।

  • ১২ এপ্রিল, ২০২৬

    হরমুজ প্রণালি পার হতে পারল না পাকিস্তানের দুটি তেলবাহী ট্যাঙ্কার

    হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে না পেরে পাকিস্তানের পতাকাবাহী দুটি তেলবাহী ট্যাঙ্কার মাঝপথ থেকে ফিরে এসেছে। ইরানের বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ এ তথ্য জানিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খায়েরপুর ও শালামার নামের ওই ট্যাঙ্কার দুটি হরমুজ প্রণালি হয়ে যাওয়ার পথে ছিল। কিন্তু জলপথটি অতিক্রম করতে পারবে না, এমন আভাস পেয়ে সেগুলো পথ পরিবর্তন করে ফিরে আসে। তবে কী কারণে জাহাজ দুটি ফিরে এসেছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

  • ১২ এপ্রিল, ২০২৬

    ইরানকে অস্ত্র দিলে চীনা পণ্যে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের

    ইরানকে অস্ত্র দিলে চীনা পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, যেসব দেশ ইরানকে অস্ত্র দিচ্ছে, তাদের ওপর এ উচ্চহারে শুল্ক আরোপ করার যে হুমকি তিনি আগে দিয়েছিলেন, তার মূল লক্ষ্যই ছিল চীন।

    ফক্স নিউজের অনুষ্ঠান সানডে মর্নিং ফিউচারস-এ দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, চীন ইরানকে বিমান বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র দিচ্ছে বলে কিছু খবর তিনি শুনেছেন। যদিও চীন বর্তমানে ইরানকে এমন কোনও অস্ত্র সরবরাহ করার সম্ভাবনাকে তিনি খুব একটা জোরালো বলে মনে করছেন না। তবে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, যদি এমন কিছু ঘটে তবে চীনা পণ্যের ওপর চড়া কর আরোপ করা হবে।

  • ১২ এপ্রিল, ২০২৬

    হরমুজে মাইন অপসারণে ব্রিটেনসহ মিত্ররা জাহাজ পাঠাচ্ছে, দাবি ট্রাম্পের

    হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা বাড়ার মধ্যে মাইন অপসারণে ব্রিটেনসহ কয়েকটি মিত্র দেশ নৌযান পাঠাবে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

    ফক্স নিউজকে দেয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাজ্য এবং আরো কয়েকটি দেশ প্রণালিতে মাইন পরিষ্কারের জন্য মাইনসুইপার যুদ্ধজাহাজ পাঠাচ্ছে। তবে কোন কোন দেশ এতে অংশ নিচ্ছে, তা বিস্তারিত উল্লেখ করেননি তিনি।

    এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) শনিবার জানায়, হরমুজ প্রণালিতে মাইন অপসারণের প্রস্তুতি শুরু করা হয়েছে। তারা বলেছে, এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে।

  • ১২ এপ্রিল, ২০২৬

    শত্রুদের হরমুজে ‘মৃত্যুঘূর্ণিতে’ ফাঁসানোর হুঁশিয়ারি আইআরজিসির

    ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) হরমুজ প্রণালি ঘিরে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে। সংস্থাটি বলেছে, কোনো ভুল পদক্ষেপ নিলে শত্রুপক্ষকে প্রণালির ‘মৃত্যুঘূর্ণিতে’ আটকে ফেলা হবে।

    আইআরজিসির নৌ কমান্ড এক বিবৃতিতে জানায়, হরমুজ প্রণালিতে যেকোনো ভুল হিসাব বা শত্রুতামূলক পদক্ষেপ ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনবে। তাদের দাবি, প্রণালির পুরো নিয়ন্ত্রণ এখন ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে এবং সেখানে চলাচল নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

    এই হুঁশিয়ারি আসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালিতে নৌ অবরোধের নির্দেশ দেয়ার পরপরই। এর পরিপ্রেক্ষিতে আইআরজিসি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানায়, প্রণালিতে যেকোনো শত্রুতামূলক উদ্যোগ সরাসরি মোকাবিলা করা হবে।

  • ১২ এপ্রিল, ২০২৬

    একদিনেই ইরানকে ধ্বংস করে দিতে পারি: ট্রাম্প

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, প্রয়োজন হলে মাত্র একদিনেই ইরানকে সামরিকভাবে অচল করে দেয়া সম্ভব। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালি ঘিরে প্রস্তাবিত অবরোধের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেছেন তিনি।

    ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ইরান কোনোভাবেই ঠিক করে দিতে পারে না কোন জাহাজ হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল করবে। তার ভাষায়, হয় সব জাহাজ চলাচল করবে, না হলে কেউই করবে না—এটাই নিয়ম।

    তিনি আরো বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে এমন দেশগুলোর কাছে তেল বিক্রি করে অর্থ উপার্জনের সুযোগ দেবে না, যাদের সঙ্গে তেহরানের সম্পর্ক ভালো।

    একই সাক্ষাৎকারে ইরানের জ্বালানি অবকাঠামো ধ্বংসের হুমকিও পুনর্ব্যক্ত করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, আমি একদিনেই ইরানকে অচল করে দিতে পারি—তাদের পুরো জ্বালানি ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র—সবকিছু ধ্বংস করা সম্ভব।

    ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র–ইরান বৈঠক ভেঙে যাওয়ার পরপরই এই মন্তব্য আসে, যা দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

  • ১২ এপ্রিল, ২০২৬

    উপযুক্ত সময়েই ইরানকে শেষ করে দেয়া হবে, ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি

    যুক্তরাষ্ট্র–ইরান বৈঠক ব্যর্থ হওয়ার পর আবারো কড়া সামরিক হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া এক বার্তায় ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ‘লকড অ্যান্ড লোডেড অবস্থায় আছে এবং প্রয়োজন হলে ইরানকে শেষ করে দেয়া হবে।

  • ১২ এপ্রিল, ২০২৬

    ইরানকে টোল দিলে কোনো জাহাজকে নিরাপদ চলাচলের সুযোগ দেয়া হবে না: ট্রাম্প

    ইরানকে কোনো জাহাজ টোল দিলে সেই জাহাজকে উন্মুক্ত সমুদ্রে নিরাপদ চলাচলের সুযোগ দেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, প্রণালিতে প্রবেশ বা বের হতে চাওয়া সব জাহাজের বিরুদ্ধে অবরোধ কার্যক্রম শুরু করা হবে।

    নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেয়া এক বার্তায় ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী দ্রুতই হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশ বা বের হওয়ার চেষ্টা করা সব জাহাজকে অবরোধ করার প্রক্রিয়া শুরু করবে।

    তিনি দাবি করেন, একটি পর্যায়ে প্রণালিতে সব জাহাজের অবাধ যাতায়াত নিশ্চিত করার পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, কিন্তু ইরান তা হতে দিচ্ছে না।

    এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীকে নির্দেশ দেয়ার কথাও জানান ট্রাম্প। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক জলসীমায় যেসব জাহাজ ইরানকে টোল দিয়েছে, সেগুলোকে শনাক্ত ও আটকে দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

  • ১২ এপ্রিল, ২০২৬

    ইরানে পানি শোধনাগার ও অবকাঠামোতে হামলা হতে পারে: ট্রাম্প

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক লক্ষ্যবস্তু হিসেবে দেশটির পানি শোধনাগার, বিদ্যুৎ গ্রিড ও সেতুগুলোর কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, দীর্ঘ সংঘাতের পরও ইরানে এখনো কিছু গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো রয়েছে, যেগুলো লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।

    ফক্স নিউজের ‘সানডে মর্নিং ফিউচারস’ অনুষ্ঠানে দেয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ৪০ দিনেরও বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধে ইরানের সামরিক অবকাঠামো প্রায় সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। তার ভাষায়, আমরা মূলত তাদের পুরো দেশটাই ধ্বংস করে দিয়েছি।

    তবে তিনি ইঙ্গিত দেন, এখনো কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা অক্ষত রয়েছে। বিশেষ করে পানি শোধনাগারকে সম্ভাব্য লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, এখন আসলে যা বাকি আছে তা হলো তাদের পানি ব্যবস্থা, যেটিতে আঘাত হানা হলে তা অত্যন্ত বিধ্বংসী হবে।

    এ ছাড়া ইরানে এখনো কিছু ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্র সক্রিয় রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। ট্রাম্প বলেন, এসব স্থাপনার অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের জানা আছে এবং প্রয়োজন হলে সেগুলোতেও হামলা চালানো হতে পারে।

  • ১২ এপ্রিল, ২০২৬

    হরমুজ অবরোধে ট্রাম্পের ইঙ্গিত, বাড়ছে সামরিক পদক্ষেপের আশঙ্কা

    ইসলামাবাদ পর্বের পরও ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি চুক্তির কূটনৈতিক পথ পুরোপুরি বন্ধ হয়নি—এমনটাই ধারণা করা হচ্ছিল। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্টের হরমুজ প্রণালি অবরোধের সাম্প্রতিক ঘোষণায় নতুন করে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন এখন সামরিক পদক্ষেপের দিকেই অগ্রসর হচ্ছে।

    যদিও ট্রাম্পের পদক্ষেপকে সরাসরি তেহরানে তাৎক্ষণিক হামলার প্রস্তুতি হিসেবে দেখা যাচ্ছে না, তবু এর কৌশলগত তাৎপর্য গুরুত্বপূর্ণ। প্রণালি পুনরায় চালু করার লক্ষ্যে জলপথটি প্রথমে বন্ধ করার প্রস্তাবই ইঙ্গিত দিচ্ছে চাপ সৃষ্টির এক নতুন পদ্ধতির দিকে।

    ঘোষণার আরেকটি তাৎপর্যপূর্ণ দিক হলো, এ অবরোধে অন্য দেশগুলোর সম্পৃক্ততার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে কোন কোন দেশ এতে যুক্ত হতে পারে, সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি—যা পরিস্থিতিকে আরো অনিশ্চিত করে তুলছে।

    ট্রাম্প আরো বলেন, উপযুক্ত সময়ে ‘আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত এবং আঘাত হানতে প্রস্তুত’। বিশ্লেষকদের মতে, এ মন্তব্য সম্ভাব্য দ্বিতীয় ধাপের ইঙ্গিত, যেখানে পুনরায় বোমাবর্ষণসহ আরও কঠোর সামরিক পদক্ষেপ দেখা যেতে পারে।

    সব মিলিয়ে, পরিস্থিতিতে কিছু স্পষ্ট বার্তা উঠে আসছে। প্রথম ধাপে অবরোধের মাধ্যমে চাপ সৃষ্টি, এবং ইরান পিছু না হটলে পরবর্তী ধাপে আরো কঠোর সামরিক ব্যবস্থা নেয়া হতে পারে।

    সূত্র: আল জাজিরা

  • ১২ এপ্রিল, ২০২৬

    যুদ্ধে নিহত ৩ হাজার ৩৭৫ জনের পরিচয় শনাক্ত: ইরান

    যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের সঙ্গে সাম্প্রতিক যুদ্ধে নিহতদের সংখ্যা ও পরিচয় নিয়ে নতুন তথ্য প্রকাশ করেছে ইরান। দেশটির ফরেনসিক মেডিসিন সংস্থার প্রধান আব্বাস মাসজেদি আরানি জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত ৩,৩৭৫ জন নিহতের মরদেহ শনাক্ত করা হয়েছে।

    ইরানি গণমাধ্যমে দেয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, নিহতদের মধ্যে ২,৮৭৫ জন পুরুষ এবং প্রায় ৫০০ জন নারী রয়েছেন।

  • ১২ এপ্রিল, ২০২৬

    হরমুজ প্রণালিতে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ইরানের, টোল দিতে হবে রিয়ালে: ডেপুটি স্পিকার

    যুক্তরাষ্ট্র–ইরান আলোচনার পর হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে তেহরান। ইরানের ডেপুটি পার্লামেন্ট স্পিকার হাজি বাবাই বলেছেন, এ গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ সম্পূর্ণভাবে ইরানের নিয়ন্ত্রণে এবং এখানে চলাচলের জন্য টোল ইরানি মুদ্রা রিয়ালে পরিশোধ করতে হবে।

    পাকিস্তানে দীর্ঘ বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স হরমুজ প্রণালির বিষয়টি উল্লেখ না করলেও, আলোচনায় এটি ছিল অন্যতম প্রধান অচলাবস্থার কারণ। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এই প্রণালির মধ্য দিয়ে পরিবাহিত হয়, যা বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কার্যকর থাকা শর্তসাপেক্ষ যুদ্ধবিরতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল এই প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। তবে ইরানের অবস্থান অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালি তাদের জন্য ‘রেড লাইন’—এখানে আপসের সুযোগ নেই।

    মেহর নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে হাজি বাবাইয়ের বক্তব্য তুলে ধরে বলা হয়, প্রণালিটি পুরোপুরি ইরানের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং এখানকার যেকোনো অর্থনৈতিক কার্যক্রমে ইরানের শর্তই প্রাধান্য পাবে। খবর বিবিসি

  • ১২ এপ্রিল, ২০২৬

    ইরানের আস্থা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র: গালিবাফ

    ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্র–ইরান বৈঠক শেষে প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। তিনি বলেছেন, আলোচনায় ইরানি প্রতিনিধিদলের আস্থা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া একাধিক পোস্টে গালিবাফ জানান, আলোচনা শুরুর আগেই তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন যে ইরানের পক্ষ থেকে সদিচ্ছা ও আগ্রহ রয়েছে। তবে অতীতের দুইটি যুদ্ধের অভিজ্ঞতার কারণে প্রতিপক্ষের ওপর আস্থা রাখা সম্ভব নয়।

    তিনি বলেন, শেষ পর্যন্ত এ দফার আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র ইরানি প্রতিনিধিদলের আস্থা অর্জন করতে পারেনি, যা সমঝোতার পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    এ সময় আলোচনার আয়োজন ও সহায়তার জন্য পাকিস্তানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন গালিবাফ। তিনি বলেন, বন্ধুত্বপূর্ণ ও ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ হিসেবে পাকিস্তান যে ভূমিকা রেখেছে তার জন্য তিনি কৃতজ্ঞ এবং দেশটির জনগণের প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

  • ১২ এপ্রিল, ২০২৬

    ইসরায়েলি নিরাপত্তামন্ত্রী বেন-গভির আল-আকসা পরিদর্শন, জর্ডানের নিন্দা

    দখলকৃত জেরুজালেমের প্রাচীরঘেরা পুরোনো শহরের ‘স্পর্শকাতর স্থান’ আল-আকসা মস্ক কম্প্রাউন্ড পরিদর্শন করেছেন ইসরায়েলের কট্টর ডানপন্থী জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির।

    নিজ কার্যালয় থেকে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে বেন-গভির বিষয়টি নিশ্চিত করেন। সেখানে বলেন, ‘আজ এখানে এসে মনে হচ্ছে, জায়গাটা যেন আমারই। এখনো এখানে অনেক কিছু করার বাকি আছে, আরো উন্নতির সুযোগ আছে। আরো বেশি পদক্ষেপ নিতে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে চাপ দিয়ে যাচ্ছি। আমাদের আরো সামনে এগোতেই হবে।’

    মুসলমান ও ইহুদির কাছে গুরুত্বপূর্ণ এ স্থানে বেন-গাভির এ সফরের নিন্দা জানিয়েছে জর্ডানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বেন-গভিরের এ সফরকে ওই স্থানের বিদ্যমান ‘স্ট্যাটাস কো’ বা স্থিতাবস্থা চুক্তির লঙ্ঘন। যা ‘পবিত্রতার অবমাননা, নিন্দনীয় উত্তেজনা সৃষ্টি এবং অগ্রহণযোগ্য উসকানি’।

    কয়েক দশক ধরে চলে আসা স্থানটি জর্ডানের একটি ধর্মীয় সংস্থা দ্বারা পরিচালিত হয়। সেই ব্যবস্থা অনুসারে, ইহুদিরা সেখানে যেতে পারলেও প্রার্থনা করার অনুমতি নেই।

    সূত্র: আল জাজিরা

  • ১২ এপ্রিল, ২০২৬

    ইরানকে নৌ-অবরোধের মাধ্যমে কোনঠাসা করার ইঙ্গিত ট্রাম্পের

    পাকিস্তানের ইসলামাবাদে ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনা কোনো সমঝোতায় না পৌঁছনো নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেননি। তবে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে একটি নিবন্ধের লিঙ্ক শেয়ার করেছেন তিনি। ওই নিবন্ধের শিরোনাম, ইরান নতি স্বীকার না করলে প্রেসিডেন্টের হাতে থাকা ট্রাম্প কার্ড: নৌ-অবরোধ।

    প্রবীণ মার্কিন সাংবাদিক জন সলোমনের লেখা নিবন্ধটি জাস্ট দ্য নিউজে প্রকাশিত হয়। নিবন্ধে বিশেষজ্ঞদের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, ইরান যদি হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ না ছাড়ে, তবে ট্রাম্প পাল্টা বড় ধরনের নৌ-অবরোধের মাধ্যমে (হরমুজ প্রণালিতে) দেশটিকে কোণঠাসা করে ফেলতে পারেন।

    সূত্র- দ্য গার্ডিয়ান

  • ১২ এপ্রিল, ২০২৬

    যুদ্ধবিরতি অব্যাহত রাখার আহ্বান অস্ট্রেলিয়ার

    যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কোনো চুক্তি ছাড়াই আলোচনা শেষ হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতি অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়া।

    দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং এক বিবৃতিতে বলেছেন, এখন আমাদের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত যুদ্ধবিরতি বজায় রাখা এবং আবারও আলোচনায় ফেরা।

    কোনো চুক্তি ছাড়াই বৈঠক শেষ হওয়ায় হতাশা জানিয়ে পেনি ওং বলেন, এটি অত্যন্ত হতাশাজনক, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার ইসলামাবাদ আলোচনা কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়েছে।

    সূত্র- আল জাজিরা

  • ১২ এপ্রিল, ২০২৬

    পাকিস্তান ছাড়ল ইরানের প্রতিনিধিদল

    ইরানের মেহের নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, ইরানের প্রতিনিধিদল পাকিস্তান ছেড়ে চলে গেছে। এ দলে ছিলেন দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।

    সূত্র- আল জাজিরা

  • ১২ এপ্রিল, ২০২৬

    কিছু মতপার্থক্য থাকলেও আলোচনা চালিয়ে যাবে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র: তেহরান

    পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার আলোচনা শেষ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া এক পোস্টে ইরান সরকার জানিয়েছে, ইসলামাবাদে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শেষে দুই দেশের কারিগরি দল এখন বিস্তারিত প্রস্তাব ও ‘বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের খসড়া’ বিনিময় করছে।

    পোস্টে আরো বলা হয়, কিছু বিষয়ে এখনো মতপার্থক্য থাকলেও আলোচনা অব্যাহত থাকবে। এর মাধ্যমে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে, গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর দূরত্ব কমিয়ে আনতে আলোচনা এখন খসড়া তৈরির চূড়ান্ত পর্যায়ে প্রবেশ করেছে।

    সূত্র- জিও নিউজ

  • ১২ এপ্রিল, ২০২৬

    প্রথম বৈঠকেই চুক্তির আশা কেউ করেনি: বাগাই

    যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের বক্তব্যের পর ইরানের গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাগাই। তিনি বলেছেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র বেশ কিছু বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছালেও গুরুত্বপূর্ণ দুই-তিনটি বিষয়ে এখনো মতপার্থক্য রয়েছে।

    ইসমাইল বাগাই বলেন, এ আলোচনা হয়েছে ৪০ দিনের চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের পর, যেখানে চারদিকে শুধু অবিশ্বাস আর সন্দেহ। স্বাভাবিকভাবেই প্রথম বৈঠকেই কোনো চুক্তিতে পৌঁছানোর আশা আমাদের ছিল না। আর তেমনটা কেউ আশাও করেনি।

    এর আগে বাগাই বলেছিলেন, আলোচনার সফলতা নির্ভর করছে প্রতিপক্ষের ‘সততা ও সদিচ্ছার’ ওপর। পাশাপাশি ইরানের বৈধ অধিকার ও স্বার্থ স্বীকৃতি দেওয়ার ওপরও তিনি জোর দেন।

    সূত্র- আল জাজিরা

  • ১২ এপ্রিল, ২০২৬

    ইরানকে অস্ত্র দিলে ‘গুরুতর পরিণতি’ ভোগ করবে চীন: ট্রাম্প

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, চীন যদি ইরানকে অস্ত্র দেয়, তাহলে তাদের ‘গুরুতর পরিণতি’ ভোগ করতে হবে। ফ্লোরিডার উদ্দেশে হোয়াইট হাউস ছাড়ার সময় তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন। খবর সিএনএন।

    ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী চীন ইরানকে সহায়তা করছে। যদি এটি সত্য হয়, তাহলে চীন বড় সমস্যায় পড়বে।

    তিনটি সূত্রের বরাত দিয়ে সিএনএন জানায়, চীন আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ইরানকে একটি নতুন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এ গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী ধারণা করা হচ্ছে, যুদ্ধবিরতির সুযোগ নিয়ে ইরান তার গুরুত্বপূর্ণ মিত্রদের সহায়তায় আবারও অস্ত্র শক্তি বাড়ানোর চেষ্টা করছে।

    এদিকে আগামী মাসের শুরুতে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের জন্য ট্রাম্পের চীন সফরের পরিকল্পনাও রয়েছে।

  • ১২ এপ্রিল, ২০২৬

    ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রকে যুদ্ধবিরতি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছে পাকিস্তান

    যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার আলোচনার বিষয়ে একটি বিবৃতি দিয়েছেন পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ইসহাক দার। তিনি বলেছেন, উভয় পক্ষ যেন তাদের যুদ্ধবিরতির প্রতিশ্রুতি বজায় রাখে, তা অত্যন্ত জরুরি।

    তিনি আরো বলেন, আমরা আশা করি উভয় পক্ষই এই ইতিবাচক ধারা বজায় রাখবে যাতে পুরো অঞ্চল এবং এর বাইরেও টেকসই শান্তি ও সমৃদ্ধি অর্জন করা সম্ভব হয়। আগামী দিনগুলোয় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনা ও যোগাযোগ সহজতর করতে পাকিস্তান তার ভূমিকা পালন অব্যাহত রাখবে।

    এছাড়া, যুদ্ধবিরতি অর্জনে পাকিস্তানের প্রচেষ্টার প্রশংসা করায় উভয় পক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ইসহাক দার । তিনি আবারও আশা প্রকাশ করেন, উভয় পক্ষই টেকসই শান্তি অর্জনে ইতিবাচক মানসিকতা নিয়ে এগিয়ে যাবে।

    সূত্র- আল জাজিরা

  • ১২ এপ্রিল, ২০২৬

    যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় এমন সব দাবি করেছে, যা যুদ্ধেও পায়নি: ইরান

    পাকিস্তান সফররত ইরানের প্রতিনিধি দলের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্রের বরাত দিয়ে দেশটির ফার্স নিউজ এজেন্সি বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় এমন কিছু বিষয় দাবি করেছে, যা তারা যুদ্ধের মাধ্যমেও অর্জন করতে পারেনি।

    সংশ্লিষ্ট ওই সূত্র জানায়, হরমুজ প্রণালি, ইরানের শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক জ্বালানি কর্মসূচি ও আরও বেশ কিছু বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চাভিলাষী শর্তগুলো তেহরান মেনে নেয়নি।

    সূত্র- আল জাজিরা

কোনো চুক্তি ছাড়াই পাকিস্তান ছাড়লেন জেডি ভ্যান্স

দীর্ঘ সময় ধরে চলা আলোচনা কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়েছে। কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়ে পাকিস্তান ত্যাগ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পরপরই তিনি ইসলামাবাদ ছাড়েন। খবর ডন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তান সময় আজ রোববার সকাল ৭টা ৮ মিনিটে (জিএমটি ২টা ০৮ মিনিট) ভ্যান্স ‘এয়ারফোর্স টু’ উড়োজাহাজে চড়েন। উড়োজাহাজে ওঠার সময় সিঁড়ির ওপর থেকে তিনি দায়িত্বরত পাকিস্তানি কর্মকর্তাদের উদ্দেশে হাত নেড়ে বিদায় জানান।

ইরানের সঙ্গে আলোচনায় সমঝোতা হয়নি

এর আগে তিনি গণমাধ্যমকে জানান, পাকিস্তান সরকারের আতিথেয়তায় দুই দেশের প্রতিনিধি দল দীর্ঘ সময় ধরে গঠনমূলক আলোচনা চালিয়েছে। তবে আলোচনার এ ব্যর্থতার জন্য আয়োজক দেশ পাকিস্তানকে দায়ী করা যাবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, পাকিস্তান চমৎকার কাজ করেছে। তারা আমাদের এবং ইরানিদের মধ্যে ব্যবধান কমিয়ে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে সর্বাত্মক চেষ্টা করেছে। আমরা প্রায় ২১ ঘণ্টা ধরে তাদের সঙ্গে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করেছি। এটি একটি ইতিবাচক দিক যে আমরা সরাসরি কথা বলেছি।

তবে সমঝোতা না হওয়াকে যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে ইরানের জন্য বড় দুঃসংবাদ হিসেবে দেখছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, দুর্ভাগ্যজনক বিষয় হলো আমরা কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারিনি। এটি যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে ইরানের জন্য অনেক বেশি খারাপ খবর। আমরা আমাদের ‘রেড লাইন’ বা চূড়ান্ত সীমার বিষয়ে স্পষ্ট ছিলাম। কোন বিষয়ে আমরা ছাড় দেব এবং কোন বিষয়ে দেব না, তা তাদের পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ইরানি পক্ষ আমাদের শর্তগুলো মেনে না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

আলোচনায় কোন বিষয়গুলো ইরান প্রত্যাখ্যান করেছে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত না জানালেও ভ্যান্স প্রধান লক্ষ্যটি স্পষ্ট করেছেন। তিনি বলেন, আসল কথা হলো, আমাদের এমন একটি ইতিবাচক প্রতিশ্রুতি প্রয়োজন যে ইরান কোনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না। এমনকি পারমাণবিক অস্ত্র দ্রুত তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম বা প্রযুক্তিও তারা জোগাড় করবে না। এটিই মার্কিন প্রেসিডেন্টের মূল লক্ষ্য এবং আমরা আলোচনার মাধ্যমে এটিই অর্জনের চেষ্টা করেছি।

ইরানের বর্তমান পারমাণবিক কর্মসূচির অবস্থা তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, ‘তাদের যে সমৃদ্ধকরণ স্থাপনাগুলো আগে ছিল, সেগুলো ধ্বংস করা হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, ইরান কি দীর্ঘমেয়াদে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার বিষয়ে কোনো মৌলিক প্রতিশ্রুতি দেবে? শুধু এখন বা দুই বছরের জন্য নয়, দীর্ঘস্থায়ী সদিচ্ছার প্রমাণ আমরা এখনো তাদের কাছ থেকে পাইনি। আমরা আশা করি ভবিষ্যতে সেটি পাব।

জেডি ভ্যান্স জানান, আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র যথেষ্ট নমনীয়তা প্রদর্শন করেছে। তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট আমাদের বলেছিলেন সদুদ্দেশ্য নিয়ে আলোচনার টেবিলে যেতে এবং একটি চুক্তির জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে। আমরা সেটিই করেছি, কিন্তু কোনো অগ্রগতি হয়নি। তারা আমাদের শর্ত গ্রহণে রাজি ছিল না।

আরও