চলমান ইরান যুদ্ধের কারণে নতুন করে অর্থনৈতিক সংকটের মুখে পড়েছে শ্রীলংকা। চাহিদার তুলনায় জ্বালানি তেলের সরবরাহ কম থাকায় ফুয়েল রেশনিং পদ্ধতিতে গেল দ্বীপরাষ্ট্রটি। খবর আল জাজিরা।
জ্বালানি চাহিদার ৬০ শতাংশ আমদানি করে শ্রীলংকা। হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে এর বড় অংশ আসে। চলমান যুদ্ধের কারণে এ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল অনেকটাই বন্ধ হয়ে আছে। ইরানের অনুমতিক্রমে অল্পকিছু নৌযান এ পথ পাড়ি দিতে পারছে।
সংঘাতপূর্ণ এ পরিস্থিতিতে পুনরায় কিউআর-ভিত্তিক জ্বালানি রেশন ব্যবস্থা চালু করেছে শ্রীলংকা। সাপ্তাহিক এ রেশনের আওতায় মোটরবাইক ৮ লিটার পেট্রল, তিন চাকার অটোরিকশা তুক-তুক ২০ লিটার, কার ২৫ লিটার, বাস ১০০ লিটার ডিজেল এবং লরি ২০০ লিটার ডিজেল কিনতে পারবে।
রেশনিং চালু করলেও সীমিত এ জ্বালানি শ্রীলংকায় এখন আর সুলভ নেই। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে দেশটিতে জ্বালানির দাম ৩৩ শতাংশ বেড়েছে।
শ্রীলংকায় এক মাসের চাহিদার বেশি জ্বালানি সংরক্ষণের সক্ষমতা নেই। এ কারণে অর্থনৈতিক চাপ আরো বাড়ছে।
এর আগে ২০২২ সালে অর্থনৈতিক সংকটের সময় একই ধরনের কিউআর-ভিত্তিক জ্বালানি রেশন ব্যবস্থা ব্যবহার করেছিল শ্রীলংকা সরকার।