ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে নবগঠিত সরকারের সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত রাখার জন্য একটি আলাদা প্লাটফর্ম তৈরির কথা বলছে গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিপিডি। সংস্থাটির পক্ষ থেকে বলা হয়, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখা এবং ভারসাম্য ধরে রাখার জন্য অভ্যুত্থানকারী ছাত্রদের আলাদা একটি প্ল্যাটফর্ম দরকার। যারা ওয়াচডক হিসেবে ভারসাম্যপূর্ণ কাঠামো তৈরিতে কাজ করবে।
আজ বুধবার (১৪ আগস্ট) সকালে রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে সিপিডি আয়োজিত 'অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের চ্যালেঞ্জ ও করণীয়' শীর্ষক এক সংলাপে সংস্থাটির পক্ষ থেকে এমন প্রস্তাবনা তুলে ধরা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন। সংলাপে সুশীল সমাজের বিভিন্ন প্রতিনিধি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
ফাহমিদা খাতুন বলেন, সমাজের নানা শ্রেণির বঞ্চিত মানুষেরা ছাত্রদের এই আন্দোলনে যুক্ত হয়েছিল। এখন আন্দোলনের মূল দাবি বাস্তবায়নে ছাত্র নাগরিকের আলাদা একটি প্লাটফর্ম থাকা উচিত। অন্য কোনো রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় আসলে পরিস্থিতি আগের মতো হয়ে যেতে পারে। তাই ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য একটি প্লাটফর্ম তৈরি করতে হবে।
সিপিডির অনানারি ফেলো অধ্যাপক মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, ছাত্র-জনতার সংস্কার কার্যক্রম যেন হারিয়ে না যায় সেজন্য প্ল্যাটফর্ম থাকতে হবে। অনেকে বিভিন্ন কমিশন করার কথা বলছেন। কিন্তু মানবাধিকার কমিশন থেকে শুরু করে দুর্নীতি দমন কমিশন দেশে রয়েছে। অনেক আইনও আছে। কিন্তু এসব আইনের যথাযথ প্রয়োগ নেই। তাই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখতে অভ্যন্তরীণ পর্যবেক্ষণের জন্য আলাদা প্ল্যাটফর্ম খুবই প্রয়োজন।
শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে সমন্বয়ক নুসরাত তাবাসসুম বলেন, আন্দোলনের প্রথম পর্যায় শেষ হয়েছে। দেশের মানুষ যতদিন চাইবে, ততদিন আমাদের সংস্কার কার্যক্রম চলমান থাকবে।