সারা দেশে মোবাইল ইন্টারনেটে ফোরজি সেবা বন্ধ

চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনের মধ্যে মোবাইল ইন্টারনেটে ধীরগতির অভিযোগ করছেন মোবাইল গ্রাহকরা। বুধবার (১৭ জুলাই) রাত থেকে মোবাইলে ফোরজি সেবা বন্ধ রাখা হয়েছে এবং মঙ্গলবার রাত থেকে ফেসবুক ও ম্যাসেঞ্জার ব্যবহারে নেটওয়ার্ক সংযোগ না পাওয়ার ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ তাদের।

চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনের মধ্যে মোবাইল ইন্টারনেটে ধীরগতির অভিযোগ করছেন মোবাইল গ্রাহকরা। বুধবার (১৭ জুলাই) রাত থেকে মোবাইলে ফোরজি সেবা বন্ধ রাখা হয়েছে এবং মঙ্গলবার রাত থেকে ফেসবুক ম্যাসেঞ্জার ব্যবহারে নেটওয়ার্ক সংযোগ না পাওয়ার ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ তাদের।

গ্রাহকরা বলছেন, বুধবার বিকেল থেকে মোবাইলে কথা বলা যাচ্ছে না, ফোরজি সংযোগে সমস্যার তৈরি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমও ধীরগতিতে চলছে। তবে বিটিআরসি বলছে, নেটওয়ার্ক সংযোগ স্বাভাবিক অবস্থায় রয়েছে।


গ্রাহকরা অভিযোগ করেছিলেন, রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন স্থানে হঠাৎ মোবাইল ইন্টারনেটের গতি কমে গেছে। ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে প্রবেশ করতে পারছেন না অনেকে। কেউ আবার প্রবেশ করতে পারলেও বার্তা বা ছবি পোস্ট করতে পারছেন না। এমনকি অন্যদের পোস্টে ক্লিক করে বার্তা বা ছবি দেখতে পারছেন না তারা। শুধু তাই নয়, ফেসবুকের হালনাগাদ পোস্ট খুঁজে পেতেও সমস্যা হচ্ছে অনেকের।

তবে বিটিআরসির কমিশনার প্রকৌশলী শেখ রিয়াজ আহমেদ বণিক বার্তাকে বলেন, মোবাইল নেটওয়ার্কে ধীরগতি বা বন্ধ করার মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি। যদি ধরনের ঘটত তাহলে আমি জানতাম। ধরনের কোনো নির্দেশনাও বিটিআরসি থেকে দেয়া হয়নি। ফেসবুক, টুইটার বা অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমও বন্ধ করার কোনো সুযোগ নেই। এগুলো আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান, বন্ধ করার সুযোগ আমাদের নেই।

তিনি বলেন, যেখানে লোক সমাগম বেশি হবে সেখানে নেটওয়ার্ক কনজেশন হবে, এটা স্বাভাবিক এবং সবসময়ের ঘটনা। কেউ যদি নেটওয়ার্ক ধীরগতির অভিযোগ করেন তার পেছনে ধরনের বিষয় থাকতে পারে।

এর আগে মঙ্গলবার সচিবালয়ে সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম আয়োজিত সংলাপে অংশ নিয়ে গুজব ছড়ালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ইউটিউবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ের সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ কিছু নেগেটিভ কনটেন্ট ছড়ানো হচ্ছে। সরকারের বিরুদ্ধে, রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ফেসবুক, টিকটক, ইউটিউব, ইনস্টাগ্রাম ইত্যাদি প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপতৎপরতা চালানো হচ্ছে।  এসব অপপ্রচার গুজব ঠেকাতে ফেসবুক ও টিকটকসহ অন্যান্য সোশাল মিডিয়া থেকে সহযোগিতা না মিললে সংশ্লিষ্ট মাধ্যমের বিরুদ্ধে প্রয়োজনে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরও