ঈদুল ফিতরকে ঘিরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জ অংশে বেড়েছে
যানবাহনের চাপ। এর ফলে মেঘনা সেতুর টোলপ্লাজায় বৃদ্ধি পেয়েছে টোল আদায়ও। গত ৮ এপ্রিল
রাত ১২টা থেকে ৯ এপ্রিল রাত ১২টা পর্যন্ত এ ২৪ ঘণ্টায় সেতুটিতে আদায় হয়েছে প্রায় সোয়া
কোটি টাকার টোল।
নারায়ণগঞ্জ সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের (সওজ) নির্বাহী প্রকৌশলী শাহানা
ফেরদৌস বিথী আজ বুধবার (১০ এপ্রিল) দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ২৪ ঘণ্টায়
মেঘনা সেতু দিয়ে ৫৯ হাজার ২১৪টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর মধ্যে ৩১ হাজার ৫২৮টি যানবাহন
চট্টগ্রাম রোডে প্রবেশ করেছে আর বাকি ২৭ হাজার ৬৮৬টি প্রবেশ করেছে ঢাকায়। এতে মোট টোল
আদায় হয়েছে ১ কোটি ১৩ লাখ ৩৪ হাজার ৫০১ টাকা।
এদিকে গত দুদিন ঈদকে কেন্দ্র করে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ঘরমুখো মানুষের
ঢল থাকলেও আজ অনেকটাই ফাঁকা। নেই যাত্রীর চাপও। বেশিরভাগ পরিবহন শ্রমিক তাই অলস সময়
পার করছেন।
মেঘনাঘাট টোলপ্লাজায় গিয়ে দেখা যায়, ১২টি বুথ দিয়ে গণপরিবহন ও পণ্যবাহী
ট্রাকসহ বিভিন্ন ব্যক্তিগত যানবাহন পাড়ি দিচ্ছে মেঘনা সেতু। টোলপ্লাজায় আসা মোটরসাইকেল
পর্যায়ক্রমে সারিবদ্ধভাবে টোল দিয়ে সেতুতে উঠছে। গাড়ির চাপ কম থাকায় টোল দিতে খুব একটা
অপেক্ষা করতে হচ্ছে না কাউকে।
নির্বাহী প্রকৌশলী শাহানা ফেরদৌস বিথী জানান, কয়েকদিনের তুলনায় গতকাল
রাত ১২টার আগের ২৪ ঘণ্টায় বেশি টোল আদায় হয়েছে। তবে যানবাহনের সংখ্যা অনুযায়ী তা কমই
বলা যায়। কেননা অন্যান্য সময় মালবাহী পরিবহন বেশি থাকায় যানবাহনের সংখ্যা অনুযায়ী বেশি
টোল আদায় হয়। কিন্তু ঈদে ছোট ও মাঝারি যানবাহনের সংখ্যাই বেশি হওয়ায় সংখ্যার তুলনায়
টোল আদায়ের পরিমাণ কমই।
তিনি আরো জানান, এর আগে সোমবার এ সেতু দিয়ে ৪৭ হাজার ৯১৪ টি যানবাহন
পারাপার হয়। এতে মোট টোল আদায় হয় ১ কোটি ৩ লাখ টাকা। সেখানে মঙ্গলবার মধ্যরাত পর্যন্ত
২৪ ঘণ্টায় ৫৯ হাজার ২১৪টি যানবাহন পারাপারে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ১৩ লাখ ৩৪ হাজার
৫০১ টাকা।