চাঁদ দেখা নিয়ে অনিশ্চয়তা

রেলের ১০-১২ এপ্রিলের টিকিট বিক্রি শুরু আজ সন্ধ্যায়

প্রতি বছর ঈদুল ফিতরের তারিখ নিয়ে থাকে বিভ্রান্তি। রোজা ২৯-এ হবে নাকি ৩০ দিনে হবে তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকে। এ কারণে আসন্ন ঈদের ১০, ১১ ও ১২ এপ্রিলের টিকিট বিক্রি করেনি রেলওয়ে। আজ সন্ধ্যায় চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে এ তিনদিনের মধ্যে যেকোনো দুদিনের টিকিট বিক্রি শুরু করবে বাংলাদেশ রেলওয়ে।

প্রতি বছর ঈদুল ফিতরের তারিখ নিয়ে থাকে বিভ্রান্তি। রোজা ২৯-এ হবে নাকি ৩০ দিনে হবে তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকে। এ কারণে আসন্ন ঈদের ১০, ১১ ও ১২ এপ্রিলের টিকিট বিক্রি করেনি রেলওয়ে। আজ সন্ধ্যায় চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে এ তিনদিনের মধ্যে যেকোনো দুদিনের টিকিট বিক্রি শুরু করবে বাংলাদেশ রেলওয়ে। 

রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, ঈদের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয় গত ২৪ মার্চ। মূলত রেলওয়ে ১১ দিন আগে অগ্রিম টিকিট দেয়। টিকিট ক্রয়ের দিন ও যাত্রার দিনসহ মোট ১১ দিন হিসাব করা হয়। এ কারণে ২৪ মার্চ দেয়া হয়েছে ৩ এপ্রিলের টিকিট। এভাবে ২৫ মার্চ ৪ এপ্রিলের টিকিট, ২৬ মার্চ ৫ এপ্রিলের টিকিট, ২৭ মার্চ ৬ এপ্রিলের টিকিট, ২৮ মার্চ ৭ এপ্রিলের টিকিট, ২৯ মার্চ ৮ এপ্রিলের অগ্রিম টিকিট এবং ৩০ মার্চ ৯ এপ্রিলের রেলের অগ্রিম টিকিট দেয়া হয়েছে। 

গত ৩ এপ্রিল দেয়া হয়েছে ঈদ-পরবর্তী যাত্রার টিকিট। এভাবে ১৪ এপ্রিলের টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে ৪ এপ্রিল, ৫ এপ্রিল বিক্রি শুরু হয়েছে ১৫ এপ্রিলের টিকিট, ৬ এপ্রিল ১৬ এপ্রিলের, ৭ এপ্রিল ১৭ এপ্রিলের, ৮ এপ্রিল ১৮ এপ্রিলের এবং আজ টিকিট বিক্রি শুরু হবে ১৯ এপ্রিলের অগ্রিম টিকিট। তবে ঈদযাত্রা ও ঈদফেরত যাত্রীদের বাড়তি চাহিদার বিবেচনায় ট্রেন ছাড়ার আগ মুহূর্তে ট্রেনের মোট আসনের (নন-কামরার) সংখ্যার ২৫ শতাংশ স্ট্যান্ডিং টিকিট বিক্রি করা হবে। 

রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তা (ডিসিও) তারেক মোহাম্মদ ইমরান বণিক বার্তাকে বলেন, ‘সাধারণত ঈদের দিন যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল করে না। নির্দিষ্ট একটি দিন ঈদ হওয়ার সম্ভাবনা ধরে নিয়ে টিকিট বিক্রি হলে যাত্রীরা ভোগান্তির মধ্যে পড়েন। এ কারণে কয়েক দিনের টিকিট বিক্রি বন্ধ রাখা হয়েছে। ৯ এপ্রিল সন্ধ্যার পর চাঁদ দেখা কিংবা না দেখা সাপেক্ষে স্থগিত থাকা ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হবে। ফলে ঈদযাত্রায় আরো অনেক টিকিট অবিক্রীত থাকায় সাধারণ যাত্রীদের ঈদযাত্রা এবারো স্বস্তির হবে।’ 


আরও