দেশের বিদ্যুৎ খাতের সম্প্রসারণ হিসেবে
ভবিষ্যতে নয় হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি
ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। আজ সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) দক্ষিণ
এশিয়া বিষয়ক মহাপরিচালক তাকেও কনিশির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এসব কথা জানা তিনি।
এনার্জি ট্রানজিশনে বেসরকারি সংস্থার
অংশগ্রহণ বাড়ানো কথা তুলে ধরে এডিবির মহাপরিচালকের সঙ্গে ইলেকট্রিক ভেহিক্যাল, জ্বালানি
দক্ষতা ও সোলার ইরিগেশনে রোডম্যাপ বাস্তবায়নে অর্থায়ন, আঞ্চলিক আন্তঃসংযোগ ও প্রকল্পের
রেডিনেস নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।
দেশে এডিবি সাহায্যপুষ্ট প্রকল্পের
সংখ্যা আরো বাড়ানো উচিত বলেও মনে করেন প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।
প্রতিমন্ত্রী জানান, পাওয়ার মার্কেট
তৈরি করতে এডিবি সাহায্য করতে পারে। যার মাধ্যমে প্রয়োজন মতো বিদ্যুৎ ক্রয়-বিক্রয় করা
যাবে। সেই সঙ্গে শীতকালে নেপাল বা ভুটানে বিদ্যুৎ রপ্তানি করা যেতে পারে। তাছাড়া ভবিষ্যতে
আমাদের প্রায় নয় হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির পরিকল্পনা রয়েছে। তবে জ্বালানির প্রকৃত
মূল্য নির্ধারণ করার জন্য একজন ভালো পরামর্শক প্রয়োজন। এডিবি এ বিষয়ে সহযোগিতা করতে
পারে। আমাদের সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহারের জন্য সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণকে বিশেষ গুরুত্ব
দেয়া হচ্ছে। সরকারের ভর্তুকি কমাতে বন্ড ইস্যু করা হচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী আরো জানান, ১৩ লাখ ডিজেল
পাম্পকে সোলার পাম্পে রূপান্তরিত করার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, প্রযুক্তির প্রসার
ও কমন ডাটা সেন্টার নির্মাণে একযোগে কাজ করতে পারলে ভালো ফল পাওয়া যাবে।
উল্লেখ্য যে বিদ্যুৎ খাতে ৭টি প্রকল্পে
এডিবির ২.৫৭ বিলিয়ন ডলার অর্থায়ন রয়েছে। ২০২৩ সালে ৩৬০ মিলিয়ন ডলার মূল্যমানের ২টি
প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগে এডিবির অর্থায়নে ৩টি প্রকল্প
চলমান এবং ৫টি প্রকল্প প্রস্তাবিত আকারে রয়েছে।
এ সময় অন্যান্যের মাঝে এশিয়ান উন্নয়ন
ব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর ইডিমন গিনটিং উপস্থিত ছিলেন।