নতুন সরকারের
দুর্নীতি প্রতিরোধের অঙ্গীকার বাস্তবায়নের জন্য সরকারি সকল অফিসে ন্যায়পাল নিয়োগ করার প্রস্তাব দিয়েছে গবেষণা
প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলেসি ডায়লগ (সিপিডি)। বুধবার (১৭ জানুয়ারি) সিপিডি বাংলাদেশের
ব্যবসায় পরিবেশ ২০২৩ শীর্ষক এক জরিপ প্রতিবেদন প্রকাশ
করেছে। ওই প্রতিবেদনেই এমন প্রস্তাব জানিয়েছে তারা।
ন্যায়পাল প্রসঙ্গ ছাড়াও তাদের প্রস্তাবের
মধ্যে রয়েছে ব্যাংকিং খাত কিংবা শেয়ার মার্কেটের জন্য আলাদা
খাত ভিত্তিক কমিশন গঠন করা, সকল দপ্তরের জন্য ১০০ দিনের
পরিকল্পনা প্রণয়ন করা এবং আউটপুটভিত্তিক ও সুনির্দিষ্ট
সময়ের মধ্যে তা
বাস্তবায়ন করা। আর্থিক লেনদেনের জন্য সমন্বিত ব্যবস্থাপনা চালু করা। যার মাধ্যমে
সকল লেনদেন চিহ্নিত করা যাবে। এক্ষেত্রে ভারতের আধার কার্ডকে একটি উদাহরণ হিসেবে
বর্ণনা করেছে সিপিডি।
এছাড়া সরকারি
ক্রয় ব্যবস্থাপনার আমল ও পরিবর্তন দাবি করেছে সিপিডি। এই প্রক্রিয়ারমেন্টের মধ্যে কোথাও
‘ভূত রয়েছে’ বলে মনে করছে তারা। আর
এর ফলেই একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী কাজ পাচ্ছে। এজন্য কিছু কমিশন প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়েছে সংস্থাটি।
ওই জরিপের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে বাংলাদেশে ব্যাবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধা ছিল
দুর্নীতি। ৬৭ শতাংশ ব্যাবসায়ী এমনটাই মনে করছেন। আর নতুন
করে ডলার সংকটকে ব্যাবসায়ী বাধা মনে করেছেন ৪৬ শতাংশ ব্যবসায়ী। অন্যদিকে পরবর্তী ২ বছরের জন্য জ্বালানি সংকটকে
সবচেয়ে বড় ঝুঁকি মনে করছেন ৬৬ শতাংশ ব্যবসায়ী।
২০২৩ সালের মে
থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদটি প্রস্তুত করা হয়েছে।
এতে সহায়তা করেছে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম।