কয়লায় আমদানিনির্ভরতা কমাতে স্থানীয় বিনিয়োগ মিলবে কি

বিশ্বের গভীরতম কয়লা খনি ইউক্রেনের দনবাস অঞ্চলের শাখতারস্কায়া মাইন। খনিটির অবস্থান ভূপৃষ্ঠের ১ হাজার ৫৪৬ মিটার গভীরে। এটি চালু হয় সোভিয়েত আমলের সায়াহ্নকালে ১৯৮৬ সালে। চলমান রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর আগ পর্যন্ত এখানে অব্যাহতভাবে কয়লা উত্তোলন হয়েছে। খনিটির কল্যাণে বিশ্বের শীর্ষ কয়লা উত্তোলনকারী দেশগুলোর অন্যতম হয়ে উঠেছিল ইউক্রেন। ২০২০ সালে শুধু

বিশ্বের গভীরতম কয়লা খনি ইউক্রেনের দনবাস অঞ্চলের শাখতারস্কায়া মাইন। খনিটির অবস্থান ভূপৃষ্ঠের ১ হাজার ৫৪৬ মিটার গভীরে। এটি চালু হয় সোভিয়েত আমলের সায়াহ্নকালে ১৯৮৬ সালে। চলমান রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর আগ পর্যন্ত এখানে অব্যাহতভাবে কয়লা উত্তোলন হয়েছে। খনিটির কল্যাণে বিশ্বের শীর্ষ কয়লা উত্তোলনকারী দেশগুলোর অন্যতম হয়ে উঠেছিল ইউক্রেন। ২০২০ সালে শুধু শাখতারস্কায়া খনি থেকেই দেশটি কয়লা উত্তোলন করেছিল ২ কোটি ৪১ লাখ টন। স্বাভাবিক অবস্থায় খনিটিতে কর্মসংস্থান হয় ৫ লাখ মানুষের। 

এখান থেকে কয়লা উত্তোলন হয় ভূগর্ভস্থ পদ্ধতিতে। যুদ্ধের কারণে খনিটির কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট এলাকার স্থানীয় বাসিন্দাদের জীবনযাপন বা কৃষিতে নেতিবাচক প্রভাবও তেমন একটা দেখা যায়নি। বরং খনি এলাকার আশপাশ দেখে ভূগর্ভের কর্মযজ্ঞ সম্পর্কে আন্দাজ পাওয়া যায় খুবই কম। 

বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত কয়লার খনি আবিষ্কৃত হয়েছে পাঁচটি। এর মধ্যে উত্তোলন হচ্ছে শুধু দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়ায়। এখানে উত্তোলিত কয়লা ব্যবহার হচ্ছে বিদ্যুৎ কেন্দ্রে। উত্তোলন করা হচ্ছে ভূগর্ভস্থ পদ্ধতিতে। বাকি চারটি খনির কোনোটিতেই এখন পর্যন্ত উত্তোলন শুরুর জন্য সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ের কোনো বিনিয়োগ আসেনি।

দেশের সবচেয়ে গভীরতার খনি অবস্থিত জয়পুরহাটের জামালগঞ্জে—৬৪০ থেকে ১ হাজার ১৫৮ মিটার। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দীর্ঘদিন ধরে এর চেয়েও অনেক গভীর খনি থেকে লাভজনকভাবেই কয়লা উত্তোলন করা হচ্ছে। প্রতিবেশী ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমানে প্রায় সমগভীরতার চিনাকুরি কয়লা খনিতেও কয়লা উত্তোলন হয়েছে ভূগর্ভস্থ পদ্ধতিতে। কোল ইন্ডিয়া লিমিটেডের সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠান ইস্টার্ন কোল ফিল্ডস লিমিটেড এখানে যে প্রযুক্তি ব্যবহার করেছে, তা দিয়ে ৫৭ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড রক টেম্পারেচারে ১ হাজার ৭০০ মিটার গভীরতা থেকে কয়লা তুলে আনা সম্ভব। 

বাংলাদেশের কয়লা খনিগুলোয় বিনিয়োগ না আসার পেছনে এখানে মজুদ কয়লা সম্পর্কে তথ্যগত বিভ্রান্তিকেও অনেকাংশে দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা। এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কাছে নির্ভরযোগ্য ও সুস্পষ্ট তথ্যের অভাব রয়েছে। বরং কয়লার মজুদ নিয়ে সংস্থাগুলোর একটির সঙ্গে আরেকটির তথ্যে রয়েছে বড় ধরনের ব্যবধান। 

বাংলাদেশ খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরোর (বিএমডি) ২০২২-২৩ অর্থবছরের বার্ষিক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, সমীক্ষা চালিয়ে বাংলাদেশে মোট ২০৩ কোটি ৩০ লাখ টন (২ হাজার ৩৩ মিলিয়ন টন) কয়লার মজুদ চিহ্নিত করেছে বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জিএসবি)। আর বাংলাদেশ কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড (বিসিএমসিএল) তা হিসাব করেছে ৭৯৬ কোটি ২০ লাখ টন (৭ হাজার ৯৬২ মিলিয়ন টন)। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভিন্ন ভিন্ন বিদেশী সংস্থাকে দিয়ে করানো জরিপের ফল ভিন্ন ভিন্ন হলেও এ ব্যবধান দূর করতে পুনরায় সমীক্ষা চালানোর কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। উত্তোলনের মতো বিনিয়োগের ঘাটতি রয়ে গেছে অনুসন্ধানেও। এজন্য রাজনৈতিক সিদ্ধান্তহীনতা, বিদেশী বিনিয়োগনির্ভরতা, দরদামের ক্ষেত্রে বিদেশী কোম্পানির সঙ্গে বনিবনা না হওয়াকে দায়ী করছেন তারা। 

উত্তোলন খুবই সামান্য হলেও দেশে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুতের অন্তত সাত হাজার মেগাওয়াট সক্ষমতা গড়ে তোলা হচ্ছে। এক্ষেত্রে মূলত আমদানীকৃত কয়লার ওপর নির্ভর করা হচ্ছে। যদিও বিভিন্ন সমীক্ষার তথ্য অনুযায়ী দেশী কয়লা মানের দিক থেকে বেশ ভালো বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, মানে ভালো হলেও এখনো এগুলো উত্তোলনে স্থানীয় পর্যায়ে তেমন একটা বিনিয়োগ পাওয়া যায়নি। সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে বাংলাদেশে কয়লার প্রকৃত মজুদ চিহ্নিত করার পাশাপাশি এগুলোর উত্তোলন বাড়াতে বিনিয়োগ বাড়ানো গেলে এগুলোয় আমদানিনির্ভরতা অনেকাংশেই কাটিয়ে ওঠা যাবে। 

জিএসবির তথ্য অনুযায়ী, দেশে মজুদকৃত কয়লার পরিমাণ ২০৩ কোটি ৩০ লাখ টন (২ হাজার ৩৩ মিলিয়ন টন)। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি কয়লার মজুদ রয়েছে জয়পুরহাটের জামালগঞ্জে কয়লা খনিতে, যার পরিমাণ ১০৫ কোটি ৩০ লাখ টন। ১৯৫৯ সালে আবিষ্কৃত খনিটির গভীরতা ৬৪০ থেকে ১ হাজার ১৫৮ মিটার। এছাড়া দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে কয়লার মজুদের পরিমাণ ৩৮ কোটি ৭০ লাখ টন। বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিতে মজুদ রয়েছে ৩০ কোটি টন। একই জেলার দিঘীপাড়া কয়লা খনিতে রয়েছে ১৫ কোটি টন কয়লা। আর রংপুর জেলার খালাশপীর কয়লা খনিতে ১৪ কোটি ৩০ লাখ টন কয়লার মজুদ রয়েছে।

আর বাংলাদেশ কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের (বিসিএমসিএল) হিসাব অনুযায়ী, দেশে মজুদকৃত কয়লার পরিমাণ ৭৯৬ কোটি ২০ লাখ টন। এর মধ্যে জামালগঞ্জ খনিতে কয়লার মজুদ ৫৪৫ কোটি টন। ফুলবাড়ীতে আছে ৫৭ কোটি ২০ লাখ টন। এছাড়া বড়পুকুরিয়ায় ৩৯ কোটি টন ও দিঘীপাড়ায় সাড়ে ৮৬ কোটি ও খালাশপীরে সাড়ে ৬৮ কোটি টন।

বিদেশী ভিন্ন ভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জরিপের ভিত্তিতে গড়ে তোলা সংস্থা দুটির পরিসংখ্যানগত এ ব্যবধান দূর করতে নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান দিয়ে যাচাই হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। দেশের কয়লার পাঁচটি খনি থেকে শুধু বড়পুকুরিয়া খনি থেকে কয়লা উত্তোলন করা হচ্ছে। এ খনিটি পরিচালনা করছে বিসিএমসিএল। সংস্থাটি কয়লার অন্য খনিগুলো নিয়েও কাজ করছে।

দেশের কয়লা খনির মজুদগুলোর গভীরতা সবচেয়ে কম বড়পুকুরিয়ায়। এ খনি থেকে চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এক্সএমসি ও সিএমসির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়ে কয়লা উত্তোলন করছে। ২০০৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে চলতি বছরের জুন পর্যন্ত এ খনি থেকে কয়লা উত্তোলন করা হয়েছে ১ কোটি ৩৭ লাখ টন।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও ভূতত্ত্ববিদ অধ্যাপক বদরূল ইমাম বণিক বার্তাকে বলেন, ‘দেশের পাঁচটি খনিতে বিপুল পরিমাণ কয়লার মজুদ রয়েছে। কয়লার মজুদ ও মানের দিক বিবেচনা করলেও বাংলাদেশ অন্যতম জায়গায় থাকবে। কয়লা উত্তোলনে প্রযুক্তিগত জায়গায় বিনিয়োগ করা গেলে বৃহৎ আকারে কয়লা উত্তোলন সম্ভব। ভূগর্ভস্থ খনন (আন্ডারগ্রাউন্ড মাইনিং) পদ্ধতিতে খালাশপীর, ফুলবাড়ী থেকে কয়লা উত্তোলন করা যেতে পারে। এ পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলনে পরিবেশগত ও সোশ্যাল ইমপ্যাক্ট নেই।’

তার ভাষ্যে, ‘‌আমাদের দেশে বৃহৎ আকারে কয়লা উত্তোলন করা যায় না প্রধানত দুটি কারণে—একটি সামাজিক, অন্যটি রাজনৈতিক। তবে মোটা দাগে বলতে গেলে রাজনৈতিক সিদ্ধান্তহীনতার কারণে আমরা কয়লা উত্তোলনের উদ্যোগ থেকে বারবার সরে এসেছি।’

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও ভূতত্ত্ববিদদের সঙ্গে কথা বলে জানা গিয়েছে, দেশে বৃহৎ আকারে কয়লা মজুদ থাকলেও ভূগর্ভস্থ স্তরে নানা ধরনের গঠন থাকায় বড় আকারে কয়লা উত্তোলন করা যাচ্ছে না। তাছাড়া ঘনবসতি ও পরিবেশগত জটিলতার কারণেও বাংলাদেশে কয়লা উত্তোলনে বড় বাধা। তবে বাণিজ্যিক উত্তোলনে পর্যাপ্ত বিনিয়োগ হলে এসব জটিলতা এড়িয়ে ও স্থানীয়দের বাস্তুচ্যুত না করেও লাভজনকভাবেই কয়লা উত্তোলন সম্ভব। 

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ম. তামিম বণিক বার্তাকে বলেন, ‘‌আমাদের দেশে কয়লার বৃহৎ মজুদ রয়েছে। এ কয়লা নিয়ে নানা তথ্য-উপাত্ত রয়েছে। এ তথ্য-উপাত্তগুলো আমাদের তৃতীয় কোনো পরামর্শক প্রতিষ্ঠান দিয়ে পরীক্ষা করা উচিত। তাহলে কয়লা উত্তোলন নিয়ে একটা সিদ্ধান্তে আসা যাবে। যদি ফলাফল ইতিবাচক হয় তাহলে কয়লা উত্তোলন করা উচিত। এতে দেশে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর জন্য বিপুল পরিমাণ জ্বালানি আমদানি করা হচ্ছে, তা কমিয়ে ফেলা যাবে। বড় অংকের বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে।’

পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা গিয়েছে, দেশের কয়লা খনিগুলো থেকে আরো বেশি কয়লা উত্তোলনের জন্য বড় আকারে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এর মধ্যে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে আরো বেশি পরিমাণে কয়লা উত্তোলনের জন্য খনির উত্তর ও দক্ষিণ অংশে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলনের জন্য সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। সমীক্ষা ইতিবাচক হলে খনি উন্নয়ন করে বছরে ৬-১০ মিলিয়ন হারে আগামী ২৮-৩০ বছরে ১৭ কোটি টন (১৭০ মিলিয়ন টন) কয়লা উত্তোলন করা যাবে বলে জানিয়েছে পেট্রোবাংলা।

এছাড়া দিঘীপাড়া কয়লা খনি উন্নয়নের জন্য একটি সমীক্ষা করা হচ্ছে। এরই মধ্যে খনিতে ৭০ কোটি ৬১ লাখ টন (৭০৬ মিলিয়ন টন) মজুদ নিশ্চিত হয়েছে। যুক্তরাজ্যের পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ডিএমটি কনসাল্টিংয়ের মাধ্যমে গত বছরের আগস্টে পুনর্যাচাই সমীক্ষা করা হয়েছে। দিঘীপাড়া কয়লা খনি উন্নয়নের বিষয়টি বর্তমানে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে।

এছাড়া জামালগঞ্জ কয়লা খনির পশ্চিম অংশে উত্তোলনের বিষয়ে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা চালানোর উদ্যোগ নিয়েছে বিসিএমসিএল। খনিটি থেকে বিসিএমসিএল বার্ষিক ৩৪ লাখ টন কয়লা উত্তোলন করা যায় কিনা সেটি নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাচ্ছে। এটি করা গেলে অন্তত দেড় হাজার কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালানো যাবে বলে জানিয়েছে বিসিএমসিএল। এছাড়া ফুলবাড়ী ও খালাশপীর কয়লা খনির বিষয়ে এখনো বড় ধরনের কোনো সিদ্ধান্তে আসতে পারেনি পেট্রোবাংলা কিংবা জ্বালানি বিভাগ।

নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে পেট্রোবাংলার ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বণিক বার্তাকে বলেন, ‘বড়পুকুরিয়া, দিঘীপাড়া ও জামালগঞ্জ কয়লা উত্তোলন-সংশ্লিষ্ট নানা বিষয় নিয়ে কাজ চলছে। এসব খনির বিভিন্ন জরিপ সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে। সেখান থেকে সাড়া পেলে পেট্রোবাংলা কাজ করবে।’

দেশে চলমান ও নির্ধাণাধীন কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সক্ষমতা সাড়ে সাত হাজার মেগাওয়াটের কাছাকাছি। একটি ১ হাজার মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য দৈনিক কয়লার প্রয়োজন পড়ে ১০ টন। সে হিসাবে সারা বছর বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো পূর্ণ সক্ষমতায় চালাতে কয়লার প্রয়োজন পড়বে ২৫ মিলিয়ন (আড়াই কোটি) টনের বেশি। 

ডলার সংকটের কারণে বর্তমানে চালু বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় কয়লার সরবরাহ অব্যাহত রাখতে বিপাকে পড়তে হয়েছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিভাগকে। গত এক বছরে আমদানি বিড়ম্বনায় পায়রা, রামপালের মতো বড় বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোয় উৎপাদন বন্ধ হওয়ার নজিরও রয়েছে। 

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির এক প্রতিবেদনে জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে দেশে জ্বালানি ক্রয়, ভারত থেকে তেল আমদানি, ঋণের কিস্তিসহ মোট অর্থের প্রাক্কলন করা হয়েছে সাড়ে ৪ বিলিয়ন ডলার। যার ৩৩ শতাংশই কয়লার আমদানি বাবদ মূল্য পরিশোধ।

আরও