ইসলামী আন্দোলনের মহাসমাবেশ

সাতদিনের মধ্যে জাতীয় সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের আলটিমেটাম

সাতদিনের মধ্যে সরকারের পদত্যাগ এবং জাতীয় সরকার গঠনের আলটিমেটাম দিয়েছে ইসলামী আন্দোলন। রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গতকাল দলটির মহাসমাবেশে এমন আলটিমেটাম দেন দলের আমির সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম। ১০ নভেম্বরের মধ্যে দাবি না মানলে কঠোর কর্মসূচি দেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

সাতদিনের মধ্যে সরকারের পদত্যাগ এবং জাতীয় সরকার গঠনের আলটিমেটাম দিয়েছে ইসলামী আন্দোলন। রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গতকাল দলটির মহাসমাবেশে এমন আলটিমেটাম দেন দলের আমির সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম। ১০ নভেম্বরের মধ্যে দাবি না মানলে কঠোর কর্মসূচি দেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। 

সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেন, ‘১০ নভেম্বরের মধ্যে সরকারকে পদত্যাগ ও জাতীয় সংসদ ভেঙে দিয়ে সব নিবন্ধিত এবং প্রতিনিধিত্বশীল আন্দোলনরত রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে গঠিত জাতীয় সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে। কারাবন্দি রাজনীতিকদের মুক্তি দেয়ার পাশাপাশি সংলাপের উদ্যোগ নিতে হবে। বিদ্যমান রাজনৈতিক সংকট নিরসনে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে রাজনৈতিক কারণে কারারুদ্ধ বিএনপিসহ সব দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে মুক্তি দিয়ে রাষ্ট্রপতিকে সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জাতীয় সংলাপের উদ্যোগ নিতে হবে।’ 

তিনি বলেন, ‘জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে এবং অবৈধ সরকারের পতনের লক্ষ্যে বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলোর সব শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির প্রতি সমর্থন ঘোষণা করছি। তাদের দাবির সঙ্গে আমরা একমত। এই সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনে অংশ নেয়া হবে না। আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা ছাড়তে হবে। জাতীয় সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করে নির্বাচনের আয়োজন করতে হবে। ২০২৪ সালে পাতানো নির্বাচন করা যাবে না। করতে দেয়া হবে না। এমন চেষ্টা করলে কঠোর কর্মসূচির মাধ্যমে এই সরকারকে প্রতিহত করা হবে।’ 

গতকাল সকাল থেকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জমায়েত হতে শুরু করেন দলের নেতাকর্মীরা। জুমার নামাজের পর শুরু হয় মহাসমাবেশ। সড়ক বন্ধ না করার শর্ত থাকলেও দুপুরের পর কদম ফোয়ারা থেকে মৎস্য ভবন ও শাহবাগ পর্যন্ত সড়ক বন্ধ হয়ে যায়। 

মহাসমাবেশে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক মাওলানা সৈয়দ মুহাম্মদ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী, সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম, নুরুল হুদা ফয়েজী, আবদুল আউয়াল, ফরিদ উদ্দীন আল মোবারক, ইউনুছ আহমাদ প্রমুখ।

আরও