৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১৬ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ প্রদানের সুপারিশ করেছে বিকন ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) কমেছে ৪৫ শতাংশেরও বেশি। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে গতকাল এ তথ্য জানা গেছে।
নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৩ হিসাব বছরে ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ২১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪ টাকা ৫ পয়সা। ৩০ জুন শেষে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৫ টাকা ৭২ পয়সায়, আগের হিসাব বছরে শেষে যা ছিল ২৫ টাকা ৭৩ পয়সা।
ঘোষিত লভ্যাংশ ও অন্যান্য এজেন্ডায় শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন নিতে আগামী ২৪ ডিসেম্বর বেলা ১১টায় ডিজিটাল প্লাটফর্মে কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এ-সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ১৬ নভেম্বর।
২০২১-২২ হিসাব বছরে বিকন ফার্মাসিউটিক্যালসের ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ৫ পয়সা। যেখানে আগের হিসাব বছরে ইপিএস ছিল ৩ টাকা ৭৪ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ২৫ টাকা ৭৩ পয়সায়। আলোচ্য হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১৬ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয় কোম্পানিটি।
এর আগে ২০২০ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরে ৬ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস ছিল ১ টাকা ৬৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৫১ পয়সা। ৩০ জুন ২০২০ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ২০ টাকা ৪ পয়সায়। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১২ টাকা ৯০ পয়সা। ২০১৯ হিসাব বছরে ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি। এর আগের হিসাব বছরে ৬ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ পেয়েছিলেন কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা।
২০১০ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া বিকন ফার্মাসিউটিক্যালসের অনুমোদিত মূলধন ৩০০ কোটি টাকা। পরিশোধিত মূলধন ২৩১ কোটি টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৩৬৩ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ২৩ কোটি ১০ লাখ। এর মধ্যে ৩৯ দশমিক ৮৬ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে। এছাড়া ৩৬ দশমিক ১৫ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ও বাকি ২৩ দশমিক ৯৯ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।