বিদেশী টেলিকম অপারেটররা নতুন করে আর ইকুইটি বিনিয়োগ আনছে না

দেশে বর্তমানে তিনটি বহুজাতিক টেলিযোগাযোগ অপারেটর তাদের কার্যক্রম চালাচ্ছে। টেলিযোগাযোগ খাতে এ অপারেটরগুলো বিলিয়ন ডলারের অর্থ বিনিয়োগ করেছে, যা দেশে প্রত্যক্ষ বিদেশী বিনিয়োগ (এফডিআই) হিসেবে এসেছে। তবে বর্তমানে টেলিকম অপারেটররা নতুন করে ইকুইটি বিনিয়োগ হিসেবে আর ডলার আনছে না। খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশের উচ্চ করহার ও আর্থিক নীতিসংক্রান্ত

দেশে বর্তমানে তিনটি বহুজাতিক টেলিযোগাযোগ অপারেটর তাদের কার্যক্রম চালাচ্ছে। টেলিযোগাযোগ খাতে এ অপারেটরগুলো বিলিয়ন ডলারের অর্থ বিনিয়োগ করেছে, যা দেশে প্রত্যক্ষ বিদেশী বিনিয়োগ (এফডিআই) হিসেবে এসেছে। তবে বর্তমানে টেলিকম অপারেটররা নতুন করে ইকুইটি বিনিয়োগ হিসেবে আর ডলার আনছে না। খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশের উচ্চ করহার ও আর্থিক নীতিসংক্রান্ত বিষয়গুলো বিদেশী বিনিয়োগকারীদের নিরুৎসাহিত করছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, ২০০৬ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত দেশের টেলিযোগাযোগ খাতে এফডিআই হিসেবে ২১৭ কোটি ৬৫ লাখ ২০ হাজার ডলার নিট ইকুইটি মূলধন এসেছে। ২০২২ সালে টেলিযোগাযোগ খাতে এফডিআই হিসেবে নিট ইকুইটি মূলধন এসেছে ৭০ লাখ ৪০ হাজার ডলার। এর আগের দুই বছরে অর্থাৎ ২০২১ ও ২০২০ সালে এর পরিমাণ ছিল ঋণাত্মক। এর মধ্যে ২০২১ সালে ২৮ লাখ ডলার ও ২০২০ সালে ছিল ২ লাখ ৪০ হাজার ডলার। 

টেলিযোগাযোগ খাতের এফডিআইয়ের তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, এ খাতে দেশে গত ১৬ বছরে ২১৭ কোটি ৬৫ লাখ ২০ হাজার ডলার এফডিআই হিসেবে এসেছে। যদিও ২০২২ সাল থেকে এ খাতে এফডিআই স্টকের পরিমাণ ছিল ১৪২ কোটি ৮৩ লাখ ৭০ হাজার ডলার। ফলে এ খাত থেকে ৭৪ কোটি ৮১ লাখ ৫০ হাজার ডলারের বিদেশী বিনিয়োগ কমে গেছে।

খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, শুরুর দিকে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কারণে টেলিযোগাযোগ অপারেটরদের বড় অংকের অর্থ বিনিয়োগ করতে হয়েছে। এসব বিনিয়োগের বিপরীতে রিটার্ন আসতে কিছুটা সময় লাগে। কিন্তু দেশের টেলিযোগাযোগ খাতের করহার বিশ্বের মধ্যে অন্যতম সর্বোচ্চ। এটি অপারেটরদের মুনাফাকে চ্যালেঞ্জের মধ্যে ফেলে দিয়েছে। তাছাড়া কর নিয়ে সরকারের সঙ্গে বিবাদের বিষয়টি আদালতেও গড়িয়েছে। আদালতের নির্দেশে কিছু অর্থ এরই মধ্যে সরকারকে পরিশোধ করেছে অপারেটররা। সামনে আদালতের রায় তাদের প্রতিকূলে গেলে আরো অর্থ পরিশোধ করতে হবে। বাংলাদেশে টেলিযোগাযোগ অপারেটরদের গ্রাহকপ্রতি রাজস্ব আয়ের পরিমাণও অন্যান্য দেশের চেয়ে কম। সব মিলিয়ে টেলিযোগাযোগ অপারেটররা শুরুতে যে লাভের আশা করেছিল সেটি বর্তমানে অনেকটাই চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশের (অ্যামটব) সেক্রেটারি জেনারেল লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ জুলফিকার বণিক বার্তাকে বলেন, ‘টেলিযোগাযোগ অপারেটরদের করপোরেট করের হার বাংলাদেশে অনেক বেশি। কর ব্যবস্থা সহনীয় হলে বিনিয়োগকারীরা উৎসাহিত হন। সেখানে বিনিয়োগকারীরা আরো বেশি বিনিয়োগ করতে এগিয়ে আসে। পাশাপাশি যেখানে ব্যবসার সুযোগ বেশি এবং করহার কম সেখানেই বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকবেন এটিই স্বাভাবিক। দেশের কর নীতি, আর্থিক নীতিসহ আরো বেশকিছু চ্যালেঞ্জের কারণে বিনিয়োগকারীরা হয়তো উৎসাহিত হচ্ছেন না।’

দেশের টেলিযোগাযোগ অপারেটরদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মুনাফা করে গ্রামীণফোন লিমিটেড। কোম্পানিটির মূল প্রতিষ্ঠান টেলিনর গ্রুপ বাংলাদেশ থেকেই সবচেয়ে বেশি মুনাফা করে। তবে বিভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জের কারণে গ্রুপটি বাংলাদেশের ব্যবসা নিয়েও বিকল্প চিন্তা করতে পারে বলে সম্প্রতি বণিক বার্তায় সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। এশিয়ায় নিজেদের ব্যবসা ঢেলে সাজাচ্ছে টেলিনর গ্রুপ। সম্প্রতি মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডে একীভূতকরণের মধ্য দিয়ে গেছে গ্রুপটি। ভারত ও মিয়ানমার থেকে আরো আগেই ব্যবসা গুটিয়ে নিয়েছে তারা। আলোচনা চলছে পাকিস্তান থেকেও ব্যবসা প্রত্যাহারের। সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, পরিস্থিতি প্রতিকূলে গেলে বাংলাদেশ থেকেও ব্যবসা গুটিয়ে নেয়ার কথা বিবেচনায় নিতে পারে টেলিকম খাতের নরওয়েভিত্তিক অপারেটর জায়ান্ট টেলিনর। সেক্ষেত্রে বিষয়টিতে মূল নিয়ামক হয়ে উঠতে পারে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, নিয়ন্ত্রণ কাঠামো ও কর ব্যবস্থার মতো বিষয়গুলো।

জানতে চাইলে টেলিকম বিশেষজ্ঞ ও রবি আজিয়াটা বাংলাদেশের সাবেক সিইও মাহতাব উদ্দীন আহমেদ বণিক বার্তাকে বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান থেকে বোঝা যাচ্ছে দেশের মানুষকে সংযুক্ত করার জন্য টেলিযোগাযোগ খাত কী পরিমাণ বিনিয়োগ করেছে। যদি আমরা সেই বিনিয়োগের রিটার্নের দিকে তাকাই, তাহলে দেখা যায় যে একটি ছাড়া বাকি তিন অপারেটর এখন পর্যন্ত প্রতিকূল পরিস্থিতির সঙ্গে লড়াই করছে।’

টেলিযোগাযোগ খাতে বিভিন্ন ধরনের নীতিগত পদক্ষেপের কারণে অপারেটরদের বিনিয়োগ কমে গেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। দেশে কথা বলা ও এসএমএস পাঠানোর ক্ষেত্রেই টেলিযোগাযোগ খাতের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি হয়। তবে বাংলাদেশে এখনো যত সংখ্যক মোবাইল গ্রাহক রয়েছেন তাদের সবাই ইন্টারনেট ব্যবহার করেন না। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) পরিসংখ্যান অনুসারে, চলতি বছরের জুলাই শেষে দেশের মোবাইল গ্রাহকের মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮ কোটি ৭৪ লাখ ৮০ হাজার জন। এর মধ্যে গ্রামীণফোনের ৮ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার, রবি আজিয়াটার ৫ কোটি ৬৮ লাখ ২০ হাজার, বাংলালিংকের ৪ কোটি ২৩ লাখ এবং টেলিটকের ৬৪ লাখ ৭০ হাজার গ্রাহক রয়েছে। অন্যদিকে একই সময়ে ইন্টারনেট গ্রাহকের মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজারে। এর মধ্যে মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল ১১ কোটি ৮৭ লাখ ৯০ হাজার। দেখা যাচ্ছে, মোট মোবাইল গ্রাহকের মধ্যে ৬ কোটি ৮৬ লাখ ৯০ হাজার জন ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন না।

লার্ন এশিয়ার জ্যেষ্ঠ গবেষক ও টেলিযোগাযোগ বিশেষজ্ঞ আবু সাঈদ খান বণিক বার্তাকে বলেন, ‘টেলিকম খাতের ইকুইটি বিনিয়োগ শুরু থেকে যাদের ছিল তাদের ক্ষেত্রে পরিমাণ ঠিকই আছে। নতুন করে এ খাতে তেমন বিনিয়োগ দেখা যায়নি। ২০০৭-০৮ সাল-পরবর্তী সময়ে একটা নীতি উন্নয়ন করা হয়। যেটাকে বলা হয় ইন্টারন্যাশনাল লং ডিস্টেন্স টেলিকমিউনিকেশন সা‌র্ভিসেস (আইএল‌টি‌ডিএস) পলিসি। এ নীতিটা ছিল টেলিকম খাতে বিনিয়োগ নিরুৎসাহিত করার প্রথম ধাপ। এর মাধ্যমে মোবাইল অপারেটরদের জন্য বিনিয়োগের সুযোগ সীমিত হয়ে আসে। টেলিকম খাতের হোলসেলে যেমন ব্যান্ডউইথ, ইন্টারন্যাশনাল কল—এ ধরনের ক্ষেত্রে যারা টেলিকম অপারেটর তাদের বিনিয়োগ নিষিদ্ধ করে দেয়া হয়। দেশীয় কোম্পানিগুলো এসব ক্ষেত্রে ভালো করবে এ লক্ষ্যেই এমন নীতি উন্নয়ন করা হয়। পরবর্তী সময়ে ২০১১ সালের ৭ জুলাই আনুষ্ঠানিক ঘোষণার মাধ্যমে অ্যান্টি ইনভেস্টমেন্ট নীতিকে আরো একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে বাংলাদেশের ভেতর অপটিক্যাল ফাইবার স্থাপন করার কাজ মোবাইল অপারেটরদের জন্য সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়। বিশ্বের কোনো দেশে এমন উদাহরণ নেই। মোবাইল কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে যেন শত্রু মনোভাবাপন্ন একটা মনোভাব সব সময় কাজ করে। বাংলাদেশে মোবাইল ফোন শিল্পে শুধু কথা বলা ও টেক্সট মেসেজ ছাড়া আর কোনো সেবা জনগণকে দেয়ার সুযোগ নেই। বিনিয়োগবিরোধী নীতিমালার কারণেই বিনিয়োগ পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাচ্ছে। এরপর বড় বিষয় হলো খুব সুচিন্তিতভাবে নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে দুর্বল করে ফেলা হয়েছে।’

টেলিযোগাযোগ খাতের ব্যবসায় গ্রাহকপ্রতি গড় রাজস্ব (এআরপিইউ) একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ২০১৫ থেকে ২০২২ সাল সময়ে প্রতি সিমের বিপরীতে মোবাইল এআরপিইউর তথ্য পর্যালোচনা করেছে স্ট্যাটিস্টা ডটকম। এ পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায়, বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ অপারেটরদের এআরপিইউ বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে কম। ২০২২ সালের চতুর্থ প্রান্তিক শেষে কানাডার এআরপিইউ ছিল সবচেয়ে বেশি ২৪। এ সময়ে ভারতের এআরপিইউ ছিল ২। অন্যদিকে এ সময়ে বাংলাদেশের এআরপিইউ ছিল মাত্র ১ দশমিক ৫৮।

দেশে বিদেশী বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে কাজ করছে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)। ডিজিটাল বাংলাদেশের সঙ্গে টেলিযোগাযোগ খাত সম্পৃক্ত হওয়ার কারণে এ খাতের বাজার আরো সম্প্রসারণের সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছেন সংস্থাটির নির্বাহী সদস্য অভিজিৎ চৌধুরী। তিনি বণিক বার্তাকে বলেন, ‘২০০৭-০৮ সময়ে টেলিকম খাত থেকে সরকারের আয় ছিল মাত্র ৩ কোটি টাকা, যখন তা বিটিসিএলের নিয়ন্ত্রণে ছিল। বিটিআরসি যাত্রা শুরুর পর পরই ৩ হাজার কোটি টাকা আয় হয়েছে সরকারের। কিন্তু একটা সময়ের পর থেকে নতুন কোনো টেলিকম কোম্পানি বাংলাদেশে আর আসেনি। এ খাতে বিনিয়োগের পৃষ্ঠপোষকতার জন্য বিডা প্রস্তুত রয়েছে। তবে সে ধরনের বিনিয়োগ আগ্রহ দেখা যাচ্ছে না। অনেক খাতে আগ্রহ দেখালেও টেলিকম খাতে বিনিয়োগের তেমন আগ্রহ দেখা যাচ্ছে না।’

দেশের শীর্ষ দুই টেলিযোগাযোগ অপারেটর গ্রামীণফোন লিমিটেড ও রবি আজিয়াটা লিমিটেড পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত। এর মধ্যে তিন বছর ধরেই গ্রামীণফোনের কর-পরবর্তী নিট মুনাফা ছিল নিম্নমুখী। ২০২০ হিসাব বছরে কোম্পানিটি ৩ হাজার ৭১৮ কোটি ৭০ লাখ টাকার নিট মুনাফা করেছিল। এর পরের দুই হিসাব বছর ২০২১ ও ২০২২-এ কোম্পানিটির নিট মুনাফা ছিল যথাক্রমে ৩ হাজার ৪১২ কোটি ৯১ লাখ ও ৩ হাজার ৯ কোটি ১৬ লাখ টাকা। অন্যদিকে এ সময়ে রবি আজিয়াটার মুনাফা বেড়েছে। এর মধ্যে ২০২০ হিসাব বছরে কোম্পানিটির নিট মুনাফা ছিল ১৫৫ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। ২০২১ হিসাব বছরে তা ১৮০ কোটি ৩৩ লাখ টাকায় দাঁড়ায়। সর্বশেষ ২০২২ হিসাব বছর শেষে কোম্পানিটির নিট মুনাফা দাঁড়িয়েছে ১৮২ কোটি ৭২ লাখ টাকায়।

রবি আজিয়াটা লিমিটেডের চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার সাহেদ আলম বণিক বার্তাকে বলেন, ‘বাংলাদেশে ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরুর পর থেকে রবি আজিয়াটা লিমিটেড টেলিযোগাযোগ খাতে সর্বোচ্চ পরিমাণ বিদেশী বিনিয়োগ নিয়ে এসেছে, যা এখনো অব্যাহত আছে। যার স্বীকৃতিস্বরূপ বিডার কাছ থেকে টানা পাঁচ বছর সর্বোচ্চ এফডিআই নিয়ে আসার স্বীকৃতি পেয়েছি আমরা। এছাড়া সর্বোচ্চ পরিমাণ মার্কেট ক্যাপিটালাইজেশন নিয়ে রবি দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়েছে। তবে একটি দেশে সার্বিক এফডিআই প্রবাহ কেমন হবে তা নির্ভর করে বিনিয়োগের সার্বিক পরিস্থিতি, ব্যবসার মুনাফা প্রত্যাবাসন (রিপ্যাট্রিয়েশন), নীতি সহায়তা এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার ওপর। এ মৌলিক বিষয়গুলোয় আমাদের নীতিনির্ধারকরা আরো গুরুত্ব দিলে দেশে এফডিআই প্রবাহ সামনে আরো বৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে বলে আমরা মনে করি।’

ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে স্মার্ট বাংলাদেশে রূপান্তর ও টেলিযোগাযোগ খাতের বিদেশী বিনিয়োগ কমে যাওয়াসহ সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

আরও