ইকোনমি সামিটে বক্তারা—

সার্কুলার ইকোনমিতে নেতৃত্বের সম্ভাবনা রয়েছে বাংলাদেশের

সার্কুলার ইকোনমি তথা চক্রাকার অর্থনীতিতে বাংলাদেশের নেতৃত্বের সম্ভাবনা রয়েছে। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রফতানি বাজার হওয়ায় এখানে অ্যাপারেল প্রোডাক্টের বর্জ্যর পরিমাণও বেশি। ফলে অ্যাপারেল খাতে চক্রাকার অর্থনীতিতে নেতৃত্বের সম্ভাবনা রয়েছে বাংলাদেশের। আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ সার্কুলার ইকোনমি সামিট: ফার্স্ট এডিশন’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে আলোচকরা এসব কথা বলেন।

সার্কুলার ইকোনমি তথা চক্রাকার অর্থনীতিতে বাংলাদেশের নেতৃত্বের সম্ভাবনা রয়েছে। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রফতানি বাজার হওয়ায় এখানে অ্যাপারেল প্রোডাক্টের বর্জ্যর পরিমাণও বেশি। ফলে অ্যাপারেল খাতে চক্রাকার অর্থনীতিতে নেতৃত্বের সম্ভাবনা রয়েছে বাংলাদেশের। আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ সার্কুলার ইকোনমি সামিট: ফার্স্ট এডিশন’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে আলোচকরা এসব কথা বলেন।

লডস ফাউন্ডেশন সহযোগিতায় এ সামিট আয়োজনের অংশীদার ছিল পিফোরজি। সহযোগী হিসাবে রয়েছে জিআইজেড, বাংলাদেশে অবস্থিত নেদারল্যান্ডসের দূতাবাস ও এইচঅ্যান্ডএম গ্রুপ।

উদ্বোধনী প্লেনারিতে চক্রাকার অর্থনীতির গুরুত্ব তুলে ধরে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, টেকসই সমৃদ্ধি অর্জনের চাবিকাঠি হচ্ছে বর্জ্য হৃাস, পুনর্ব্যবহার ও রিসাইকেল। যাকে আমরা থ্রি-আর বলছি। তাছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়নের আমদানিকারকরা দেশের পণ্য এবং উৎপাদনকারীদের দায়িত্ব বাড়ানোর মতো বাধ্যতামূলক শর্ত আরোপ করছে। তাই চক্রাকার অর্থনীতিকে অগ্রসরমান করার গুরুত্বের কথা বললে তা বাড়িয়ে বলা হবে না।

প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত উপদেষ্টা সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, প্রথাগত অর্থনীতি চলে রৈখিকভাবে। আমরা উৎপাদন করি, ভোগ করি এবং ফেলে দেই। যার কারণে প্রথাগত অর্থনীতি টেকসই হয় না। টেকসই অর্থনীতিতে প্রবেশের জন্য আমাদের চক্রাকার অর্থনীতিতে নজর দিতে হবে। এর মাধ্যমে সর্বনিম্ন সম্পদ ব্যবহার করে সর্বোচ্চ উপযোগ তৈরি করা সম্ভব। যা আগামী দিনগুলোতে উৎপাদক এবং ক্রেতা দুইজনের জন্যই লাভজনক হয়ে উঠবে।

নেদারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত অ্যান ভ্যান লিউয়েন বলেন, বাংলাদেশ অর্থনীতি এবং সামাজিক উন্নয়ন সূচকে অভাবনীয় উন্নয়ন করেছে। সার্কুলার ইকোনমিতে নেতৃত্ব দেয়ার জন্য দেশটির অপূর্ব সম্ভাবনা রয়েছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের ডেপুটি হেড অব মিশন ব্রেন্ড স্পাইনার বলেন, চক্রাকার অর্থনীতি এখন আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশ আরএমজি পণ্যের দ্বিতীয় বড় উৎপাদক। তার মানে এই যে, দেশটি আরএমজি বর্জ্য উৎপাদনেও দ্বিতীয়।

বাংলাদেশ অ্যাপারেল এক্সচেঞ্জের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোস্তাফিজ উদ্দিন বলেন, চক্রাকার অর্থনীতির সুযোগ-সুবিধা খুঁজে নিতেই সার্কুলার ইকোনমিক সামিটের আয়োজন। সমান্তরাল থেকে চক্রাকার ব্যবসায়িক মডেলে পরিবর্তিত হওয়ার সুযোগ অন্বেষণ করা এবং দেশে চক্রাকার অর্থনীতির বাস্তবায়ন ও উন্নয়নে স্টেকহোল্ডারদের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি করতে আমাদের এ সামিটের আয়োজন।

এ সময় আরো বক্তব্য দেয় এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) কান্ট্রি ডিরেক্টর এডিমন গিন্টিং, এইচঅ্যান্ডএম গ্রুপের সাসটেনেবলিটি হেড লেয়লা এরতুরসহ আরো অনেকে। 

আরও