উপমহাদেশে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণপ্রার্থী ছিল তিন দেশ— শ্রীলংকা, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ। সৌভাগ্য ও স্বস্তির কথা যে আমরাই সবার আগে আইএমএফের ঋণটি পেয়ে গেলাম। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এজন্য আইএমএফকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। জানাবারই কথা। কারণ এত অল্প সময়ের কথাবার্তায় এদের ঋণ পাওয়া এক দুঃসাধ্য ব্যাপার, কিন্তু আমরা পেয়েছি। ঋণ পেয়েছি বেশ সস্তায়, মাত্র ২ দশমিক ২ শতাংশ বার্ষিক সুদে। কিন্তু সমস্যা অন্যত্র। এ ঋণের শর্তগুলো বড় পেইনফুল, বেদনাদায়ক এবং অজনপ্রিয়। তা হোক—যদি তা হতো অনেক বড় লোনের জন্য। যে ঋণ আমরা পাব এর পরিমাণ খুব বেশি নয়। মাত্র ৪ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার (১ বিলিয়ন সমান শত কোটি)। তাও আইএমএফ এ ঋণ একবারে দেবে না। ঋণ দেবে সাড়ে তিন বছরে অর্থাৎ ৪২ মাসে। মোট কিস্তি ছয়টি। ছয় মাস পরপর ছাড়। প্রথম দফায় আমরা এরই মধ্যে ৪৭ কোটি ৬২ লাখ ৭০ হাজার ডলার পেয়ে গেছি। এতে আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ কিঞ্চিৎ বেড়ে গত ২ তারিখে হয়েছে ৩২ দশমিক ৬৯ বিলিয়ন ডলার। এসব তথ্য থেকে বোঝা যায়, আমাদের অর্থনীতি এবং অর্থনৈতিক শক্তির তুলনায় এবং সর্বোপরি আইএমএফের মতো মস্তবড় মহাজনের পক্ষে এ ঋণের পরিমাণ কোনোমতেই খুব বেশি নয়। বরং যৎসামান্যই। তাও এ যৎসামান্য ঋণ তারা দেবে তিনটি খাতে। বর্ধিত তহবিল সুবিধা এবং স্থিতিস্থাপকতা ও টেকসই সুবিধা হিসাবে। বলাই উচিত আমাদের পাওয়ার কথা ছিল ৪ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার, কিন্তু পেয়েছি ৪ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার। এর কারণ আছে। আইএমএফ ঋণ দেয় তার নিজস্ব মুদ্রা এসডিআর (স্পেশাল ড্রয়িং রাইট)-এ যা গঠিত কয়েকটি প্রভাবশালী ও শক্তিশালী মুদ্রায়। যেহেতু এসডিআরের মূল্য ডলারের বিপরীতে বেড়ে গেছে, ভিন্নভাবে বলতে গেলে যেহেতু এসডিআরের বিপরীতে ডলার অবমূল্যায়িত হয়েছে তাই আমাদের বাড়তি পাওনা। দেখা যাচ্ছে আইএমএফের বর্তমান ঋণের ছাড় চলবে ২০২৬ সাল পর্যন্ত। এর মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি দেখবে আমরা তাদের শর্ত মেনে কাজ করছি কিনা। তারা যে শর্তগুলো দিয়েছে তা বাস্তবায়ন করছি কিনা। এটি চুক্তির বিষয়। চুক্তিতেই আছে শর্তের কথা। কেউ কেউ বলছেন এসব শর্ত নয় বরং পরামর্শ। পরামর্শ যদি বাধ্যতামূলক বাস্তবায়নযোগ্য হয় তাহলে তা পরামর্শ থাকে কি—এ প্রশ্ন নিশ্চয়ই উঠতে পারে। আবার আইএমএফবান্ধব অর্থনীতিবিদরা বলছেন এসব আসলে শর্ত নয়। কাজগুলো আমাদের আগেই করা উচিত ছিল। কিন্তু আমরা তা করিনি। এখন মন্দের ভালো। চাপে পড়ে যদি শর্তাধীন কাজগুলো করা হয়। এর নাম সংস্কার (রিফর্ম) তার কথা আমরা শুনে আসছি দীর্ঘদিন যাবৎ। সর্বত্রই সংস্কার সংস্কার আওয়াজ। এতে কী লাভ, কী ক্ষতি তা বোঝা অবশ্য শক্ত ব্যাপার। তবু সই—সংস্কার হচ্ছে। দেশে পুঁজিবাদের ভিত্তি শক্ত হচ্ছে এবং হবে, কিন্তু আমার প্রশ্ন কত টাকায় এসব সংস্কার, কত টাকা লোনের বিনিময়ে এত ‘সংস্কার’। দেখা যাচ্ছে যে টাকা পেয়েছি এরই মধ্যে তা দিয়ে ঋণপত্র খোলার যে সমূহ প্রয়োজন তা মেটানো কিছুতেই সম্ভব নয়। ২০২১ সালের আগস্টে আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ৪৮ বিলিয়ন ডলার। ২০২২-এর ফেব্রুয়ারিতে তা নেমে আসে ৪৪ দশমিক ৯৯ বিলিয়ন ডলারে। আর ঋণ পাওয়ার আগে রিজার্ভ ছিল ৩২ দশমিক ১৯ বিলিয়ন ডলার। পাওয়ার পর হয়েছে মাত্র ৩২ দশমিক ৬৯ বিলিয়ন ডলার। এ পরিমাণ বৃদ্ধিতে কি আমাদের ডলারের চাহিদা মিটবে? নিশ্চয় না। সামনে পবিত্র রমজান। ব্যবসায়ীরা সে উপলক্ষে ভোগ্যপণ্যের জন্য ঋণপত্র খুলতে পারছেন না বলে অভিযোগ। যদিও বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, ডলারের অভাব নেই। পরিসংখ্যানেই দেখা যাচ্ছে, আমদানির জন্য ঋণপত্র খোলার পরিমাণ যথেষ্ট পরিমাণে হ্রাস পেয়েছে। মূলধনি যন্ত্রপাতি, শিল্পের কাঁচামাল থেকে শুরু করে সব পণ্যের আমদানি ‘এলসির’ পরিমাণই হ্রাস পেয়েছে। এ অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে হলে প্রচুর ডলার দরকার। মাসে ৭-৮ বিলিয়ন ডলারের আমদানি দরকার। সে ডলার নেই। এ প্রয়োজনের সমুদ্রে আইএমএফের ঋণ বলাই বাহুল্য নামমাত্র ঋণ। তবু কেন আমরা বড় বড় শর্ত যুক্ত ঋণটি নিলাম? এটা না নিয়ে কি আমাদের কোনো বিকল্প পন্থা ছিল? দৃশ্যত ছিল না। ডলারের দাম বাড়ছে, বাণিজ্য ঘাটতি বাড়ছে, ব্যালান্স অব পেমেন্ট ঘাটতি বড় হচ্ছে, মূল্যস্ফীতি বর্ধিষ্ণু, রিজার্ভ প্রতিনিয়ত হ্রাস পাচ্ছে, চারদিকে অস্থিরতা। ব্যবসা-বাণিজ্যে স্থবিরতা, উৎপাদন বিঘ্নিত, তারল্য সংকট, রাজস্ব ঘাটতি। বহুমুখী সমস্যায় জর্জরিত অর্থনীতি। বস্তুত বহুদিন পর আমরা একটা চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন। ছিলাম ভালোই। করোনা-১৯ এবং বর্তমানের রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ আমাদের সংকটে ফেলে দিয়েছে। অশান্তি বাড়ছে। এ অবস্থায় ঋণের দরকার। আইএমএফের বর্তমান ঋণ প্রাপ্তিতে আমাদের শক্তি প্রমাণিত হয়েছে—এটা সরকারের দাবি। আইএমএফ এমনিতেই ঋণ দেয় না। তারা অর্থনীতির মূল সূচক বিবেচনা করে, ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা বিচার-বিশ্লেষণ করে দেখে এবং তার পরই তারা ঋণ দেয়। এসব বিবেচনা করে বলেই শ্রীলংকা ও পাকিস্তান এখনো ঋণের যোগ্য বিবেচিত হয়নি। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বলছেন ঋণের শর্ত বড় কঠিন, অকল্পনীয়। আইএমএফ বলছে, যোগ্যতা বিচার করে দেখা হচ্ছে। এর থেকে বোঝা যায়, আমাদের ঋণযোগ্যতা অনেক বেশি, সম্ভাবনা বেশি। এছাড়া এ ঋণ আমাদের দেশের ক্রেডিট রেটিংয়েও সাহায্য করবে, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক, জাপান ইকোনমিক কো-অপারেশন (জাইকা), বিশ্বব্যাংক ইত্যাদি থেকেও ঋণ পেতে সাহায্য করবে বর্তমান ঋণ। তাহলে দেখা যাচ্ছে বর্তমান সস্তা অথচ কঠোর শর্তাধীন ঋণ আমাদের আরো ঋণ পেতে ভবিষ্যতে সাহায্য করতে পারে। এটা একটা স্বস্তির দিক। কারণ উন্নয়নের জন্য আমাদের ঋণের দরকার আছে।
আইএমএফের ঋণের শর্তের একটা তালিকা একটি দৈনিকে দেখলাম। তাতে মোট ৪৭টি শর্তের উল্লেখ আছে। কোন শর্তের জন্য করণীয় কোন কাজটি কখন করতে হবে তা সুনির্দিষ্ট করে বলা আছে। একদম ঘড়ির কাঁটা ধরে হিসাব কষা। পান থেকে চুল খসার কোনো উপায় নেই। এসব শর্তের কিছু মামুলি ধরন বহুল আলোচিত। বলা যায়, পেন্ডিং কাজ, অবহেলায় পড়ে আছে, অযত্নে পড়ে আছে। বাকি অনেক শর্ত রীতিমতো বদহজমি শর্ত। মনেই হয়, এতে দেশের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা খর্বিত হয়। আমরা স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র। অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত, গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আমরা নিজেরাই নেব। এখানে অন্যদের হস্তক্ষেপ করার অধিকার নেই। কিন্তু দেখা যাচ্ছে শর্তগুলোর অনেকগুলো রীতিমতো জবরদস্তিমূলক। তবু আমাদের এসব শর্ত মেনে নিতে হয়েছে। মনে হয় গরজ বড় বালাই। গরজটা কিসের? গরজটা এ মুহূর্তে মূলত ডলারের। বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভের টানাটানি। আমদানি খুবই বেশি। খুবই বেশি মানে খুবই বেশি। সে তুলনায় রফতানি কম। রেমিট্যান্সের পরিমাণ কম। বৈদেশিক বিনিয়োগও কম। অতএব ডলারের চাহিদা। পরিস্থিতির অবনতি ঘটিয়েছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। করোনা-১৯-এর সংকট আমরা মোটামুটি কাটিয়ে উঠেছিলাম। কিন্তু রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ধাক্কা আর সামলানো গেল না। রাতারাতি আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম, খাদ্যশস্য, ভোগ্যপণ্য এবং অন্যান্য পণ্যের দাম বেড়ে যায়। বেড়ে যায় জাহাজ/পরিবহন খরচ। এই ধাক্কা সামলাতে গিয়ে বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভের পরিমাণ রাতারাতি হ্রাস পেতে থাকে। যেখানে ২০২২ সালের দিকে আমরা ৫০ বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভ করব বলে প্রত্যাশা করেছিলাম, যার শক্তিতে আমরা শ্রীলংকাকে পর্যন্ত কিছু ঋণ দিলাম সেখানে আজ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এসে দাঁড়িয়েছে ৩২-৩৩ বিলিয়ন ডলারে। অবশ্য বৈদেশিক মুদ্রায় গঠিত নানা ফান্ড তৈরির টাকা বাদ দিলে আমাদের রিজার্ভ কমে দাঁড়াবে ২৫-২৬ বিলিয়ন ডলারে। এটা খারাপ কোনো রিজার্ভ নয়। তিন-চার মাসের আমদানির সমপরিমাণ রিজার্ভ এটা। এটাও একটা স্বস্তির দিক। তবে এখানে বিবেচ্য বিষয় একটি রয়েছে। আর সেটি হচ্ছে: আমরা কি এই সংকট এড়িয়ে চলতে পারতাম না? সংকটটি কি একদিনে তৈরি হয়েছে? যুদ্ধ একটি ঘটনা। এর প্রভাব নিশ্চয়ই আছে। কিন্তু এর বাইরে কি কোনো ঘটনা নেই। আমাদের এই যে আমদানি তার প্রকৃত হিসাব কী? একটি পরিসংখ্যানে দেখলাম আইএমএফের হিসাবে ২০২১-২২ অর্থবছরে আমদানির পরিমাণ বেড়েছে ৪৫ শতাংশ। অথচ পূর্ববর্তী বছরে এ বৃদ্ধির পরিমাণ ছিল মাত্র ১৫ শতাংশ। এই যে উল্লম্ফন তা কি শুধু যুদ্ধপ্রসূত মূল্যবৃদ্ধির কারণে, না এর সঙ্গে রয়েছে অন্যান্য কারণ। কেউ কেউ বলছেন আমাদের আমদানিতে যেমন গুমর রয়েছে, তেমনি ‘গুমর’ রয়েছে রফতানি আয়েও। ‘গুমর’ মানে আন্ডার ইনভয়েসিং এবং ওভার ইনভয়েসিং। আমদানীকৃত এবং রফতানীকৃত মালের দাম কম-বেশি দেখানোর যে কারসাজি তাতে দেশ থেকে প্রচুর টাকা পাচার হয়ে যাচ্ছে। এসব খবর আমরা বিদেশের কাগজের প্রতিবেদন থেকে পাচ্ছি। নানা গবেষণা প্রতিষ্ঠানও এসব খবর দিচ্ছে। প্রথম প্রথম বাংলাদেশ ব্যাংক এসব খবরকে কোনো পাত্তা দিত না। ইদানীং দেখা যাচ্ছে বড় বড় ঋণপত্র ‘স্ক্রুটিনি’ করে দেখা হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকই বলছে তারা ওভার ইনভয়েসিং এবং আন্ডার ইনভয়েসিংয়ের অনেক ঘটনা ধরেছে। এর থেকে প্রমাণ হয় এসব দুর্বৃত্তপনা চলছে বহুদিন ধরে। বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার এর মাধ্যমে দেশ থেকে পাচার হয়ে গেছে। এবং এখনো যাচ্ছে। যদি আমদানি এলসি এবং রফতানি এলসিগুলো আগে থেকেই তদারকির অধীনে রাখা হতো তাহলে আমাদের রিজার্ভ থাকত আরো অনেক বেশি। হয়তো তাহলে আজকের সংকট এত বড় আকারে দেখা দিত না। আমার ধারণা অর্থ পাচার আমাদের বর্তমান সংকটের জন্য অনেকাংশে দায়ী। সে যা-ই হোক এখন তো পড়েছি ‘মহাজনের’, আন্তর্জাতিক মহাজনের কবলে।
আন্তর্জাতিক মহাজনের অনেক শর্তের মধ্যে দু-একটির কথা আজ উল্লেখ করা যায়। ফেব্রুয়ারির ৫ তারিখের দৈনিক বণিক বার্তার একটি খবরে শিরোনাম হচ্ছে এই রকম: ‘আইএমএফের শর্ত চলতি বছরেই জ্বালানি তেলে সব ধরনের ভর্তুকি প্রত্যাহার করতে হবে।’ এর অর্থ কী? এর ফল কী হবে? ফল একটি: তেলের দাম, বিদ্যুতের দাম, গ্যাসের দাম আরো বাড়বে। গত এক-দেড় বছরে এসবের দাম দফায় দফায় বৃদ্ধি করা হয়েছে। দেখা যাচ্ছে আরো বাড়াতে হবে। বাড়ালে মূল্যস্ফীতি বাড়বে। অথচ বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে তারা মূল্যস্ফীতি কমিয়ে আনবে। তা কী করে সম্ভব হবে। ভাগ্যিস সার, কীটনাশক দ্রব্য ইত্যাদির ওপর থেকে ভর্তুকি প্রত্যাহারের কথা বলেনি। অথচ আগে তা বলত। সরকার তা না মেনে নেয়ায় আমরা খাদ্যশস্য উৎপাদনে সুফল পেয়েছি। এখন অপেক্ষা ভর্তুকি হ্রাসের আরো সুফল দেখার জন্য। আইএমএফ বলছে ভর্তুকি হ্রাস করলে সরকারের খরচের সক্ষমতা বাড়বে। সেটা তো রাজস্ব বৃদ্ধির বিষয়। সে বিষয়ে জোর দিতে আপত্তি কোথায়? মজার বিষয় আইএমএফের শর্তের মধ্যে দুটো জিনিসের কোনো উল্লেখ পেলাম না। একটি হচ্ছে ‘কালো টাকা’, আরেকটি হচ্ছে অর্থ পাচার। এ দুটোর কারণে আমাদের রাজস্ব বৃদ্ধির প্রচেষ্টা দারুণভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। এর ওপর জোর দিলে রাজস্ব বৃদ্ধি পেত, সরকারের খরচ করার ক্ষমতা বৃদ্ধি পেত। কিন্তু না এ ব্যাপার কোনো শর্ত দেখতে পেলাম না। যে শর্ত পেলাম তাতে মূল্যবৃদ্ধি, মূল্যবৃদ্ধিই আমাদের একমাত্র প্রাপ্য।
ড. আর এম দেবনাথ: অর্থনীতি বিশ্লেষক
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক