ঢাকা ওয়াসা
চাহিদার তুলনায় অতিরিক্ত পানি উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জন করেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘ঢাকা শহরে দৈনিক পানির চাহিদা ২৬০-২৬৫ কোটি লিটার।
আর ওয়াসার উৎপাদন ক্ষমতা ২৭০-২৭৫ কোটি লিটার। যদিও গ্রীষ্ম ও শীত মৌসুমে পানির চাহিদায় কিছুটা তারতম্য হয়ে থাকে।’
আজ সোমবার (৯
জানুয়ারি) জাতীয় সংসদে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য সৈয়দ আবু হোসেনের প্রশ্নের জবাবে
এসব কথা বলেন মন্ত্রী। তিনি জানান, ঢাকা উত্তর সিটি
করপোরেশনের দৈনিক পানির চাহিদা প্রায় ১৩৫ কোটি লিটার। আর দক্ষিণ সিটি
করপোরেশনের দৈনিক চাহিদা ১২৫ কোটি লিটার।
মন্ত্রী জানান,
অত্যাধুনিক কেমিক্যালের
মাধ্যমে পানি বিশুদ্ধকরণের কাজটি করা হয়। বিভিন্ন প্রক্রিয়া অনুসরণের পর গুণগত মান
নিশ্চিত হওয়ার পর নেটওয়ার্কে সরবরাহ করা হয়।
এছাড়া ঢাকা
ওয়াসা মহানগরীর ১৫০ থেকে ১৬০টি স্থান থেকে নমুনা পানি সংগ্রহ করে তা নিয়মিত
পরীক্ষা করে থাকে বলেও জানান মন্ত্রী।
দেশের শহরগুলোতে
বসবাসকারী ২১ শতাংশ মানুষের সুপেয় পানি নিয়ে দুশ্চিন্তা দূর করতে সরকার বিভিন্ন
পদক্ষেপ নিয়েছে জানিয়ে তাজুল ইসলাম বলেন, পৌরসভাগুলোতে সুপেয় পানির জন্য দেশের সকল পৌরসভায় পয়েন্ট সোর্সের মাধ্যমে
বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ ব্যবস্থা চালু আছে এবং অধিকাংশ পৌরসভায় পাইপলাইনের মাধ্যমে
বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করা হচ্ছে।
আরেক প্রশ্নের
জবাবে মন্ত্রী জানান, পৌরসভাসমূহে পানি
সরবরাহ কভারেজ প্রায় ৯৯ দশমিক ৬ শতাংশ যার মধ্যে পয়েন্ট ওয়াটার সাপ্লাই ও পাইপড
ওয়াটার সাপ্লাইয়ের মাধ্যমে যথাক্রমে ৬১ দশমিক ৬ শতাংশ ও ৩৮ শতাংশ জনগণ পানি
সরবরাহ সুবিধা পাচ্ছে। বর্তমানে প্রায় ১৫৯টি পৌরসভায় পাইপ লাইনের মাধ্যমে পানি
সরবরাহ ব্যবস্থা চালু আছে।