গত এক দশকে বিদেশী ঋণের উৎসে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ, এডিবির মতো বহুজাতিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পরিবর্তে মোট ঋণের পোর্টফলিওতে এখন দ্বিপক্ষীয় ঋণেরই প্রাধান্য দেখা যাচ্ছে বেশি। বিশ্বব্যাংক, আইএমএফের মতো দাতা প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে নেয়া ঋণের সুদহার ছিল নির্দিষ্ট ও সুলভ। ঋণ পরিশোধের মেয়াদ ২০-২৫ বছর হলেও সুদহার নির্ধারিত ছিল সর্বোচ্চ ২ শতাংশ। সেখানে এখন বৈদেশিক ঋণের উল্লেখযোগ্য অংশ দখল করে নিয়েছে সাপ্লায়ার্স ক্রেডিট ও বাণিজ্যিক শর্তযুক্ত ঋণের মতো কঠিন শর্তের ঋণও।
দীর্ঘদিন এ ধরনের ঋণের সুদ বা ব্যয় নির্ধারণ হয়েছে শুধু লন্ডন ইন্টারব্যাংক অফারড রেটের (লাইবর) ভিত্তিতে। গত পাঁচ বছরে সে জায়গা দখল করে নিয়েছে সিকিউরড ওভারনাইট ফাইন্যান্সিং রেট (এসওএফআর)। এসওএফআর হলো ডলারভিত্তিক ঋণের সুদহার, যার ওঠানামা নির্ভর করে মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের সুদহারের ওপর। এসওএফআর নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোলেটারাল (বা নিশ্চয়তা হিসেবে গৃহীত সম্পদ) হিসেবে ধরা হয় মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের বাজারকে। ট্রেজারি বন্ডের সুদহার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এসওএফআরও বেড়ে যায়। এসব ঋণের ক্ষেত্রে লাইবর বা এসওএফআরের প্রচলিত হারের সঙ্গে ঋণ চুক্তিতে নির্ধারিত সুদহার যুক্ত করে মোট সুদ নির্ধারণ করা হয়। এসব কিস্তি পরিশোধের সময় বাজারে এসওএফআরের প্রচলিত হারের নির্ধারিত সুদহার ছাড়াও সার্ভিস চার্জসহ অন্যান্য ব্যয়ও যুক্ত করতে হয়।
শর্ত কঠিন হলেও এসওএফআরভিত্তিক ঋণ এতদিন মোটামুটি সুলভেই পেয়েছে বাংলাদেশ। ২০২০ সালে কভিড সংক্রমণ শুরুর পরই এসওএফআর নেমে আসে শূন্যের কাছাকাছি পর্যায়ে। প্রায় দুই বছর শূন্যের কাছাকাছি পর্যায়েই স্থিতিশীল ছিল এসওএফআর হার। এ সময়টিতেই দেশের সরকারি-বেসরকারি খাত বৈদেশিক ঋণ নিয়েছে সবচেয়ে বেশি। তুলনামূলক কম সুদহারের সঙ্গে প্রায় শূন্য এসওএফআর যুক্ত হওয়ায় এ সময় বেশ সুলভেই ঋণ নিয়েছে বাংলাদেশ। কিন্তু গত ছয় মাসে ক্রমেই বেড়ে এখন এসওএফআর দাঁড়িয়েছে ৩ শতাংশেরও বেশিতে। নির্ধারিত এ সুদহারের সঙ্গে বাড়তি এ এসওএফআর যুক্ত করে ঋণের সুদ পরিশোধ করতে হচ্ছে দেশের সরকারি-বেসরকারি খাতকে। সুলভে পাওয়া ঋণ এখন দিনে দিনে আরো ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছে। এ ধারা সামনের দিনগুলোয় আরো অব্যাহত থাকবে বলে ফেডারেল রিজার্ভসহ (ফেড) দেশী-বিদেশী বিভিন্ন সংস্থা ও বিশেষজ্ঞের পূর্বাভাসে উঠে এসেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি বছরের জুন শেষে দেশের সরকারি-বেসরকারি বিদেশী ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ৫৮৬ কোটি বা প্রায় ৯৬ বিলিয়ন ডলার। এ ঋণের প্রায় ৭৩ শতাংশ নিয়েছে সরকার। বাকি ২৭ শতাংশ নিয়েছে দেশের বেসরকারি খাত। গত এক বছরে টাকার বিপরীতে ডলারের বিনিময় হার প্রায় ২৫ শতাংশ বেড়েছে। একই সঙ্গে বিশ্ববাজারে লাইবরের সুদহার শূন্য দশমিক ৫০ থেকে বেড়ে ৫ শতাংশে গিয়ে ঠেকেছে। প্রায় শূন্যের কাছাকাছি থেকে বেড়ে এসওএফআর এখন ৩ শতাংশ ছাড়িয়েছে। টাকার রেকর্ড অবমূল্যায়নের পাশাপাশি লাইবর ও এসওএফআর সুদহার অস্বাভাবিক বাড়ায় বিদেশী ঋণ পরিশোধে বাংলাদেশের ব্যয়ও বেড়ে যাচ্ছে।
জুন শেষে সরকারের নেয়া বিদেশী ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬৯ দশমিক ৯০ বিলিয়ন ডলার। এ ঋণের মধ্যে ৬৭ বিলিয়ন ডলার এসেছে দীর্ঘমেয়াদি হিসেবে। দীর্ঘমেয়াদি ঋণের ৩৪ দশমিক ৩৫ বিলিয়ন ডলারের উৎস হলো বহুপক্ষীয়। ২৪ দশমিক ৫০ বিলিয়ন ডলার ঋণ নেয়া হয়েছে দ্বিপক্ষীয় উৎস থেকে। এছাড়া আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) থেকে ৩ বিলিয়ন, বাণিজ্যিক শর্তযুক্ত ঋণ হিসাবে ৩ দশমিক ৭১ বিলিয়ন ও অন্যান্য উৎস থেকে ১ দশমিক ৪৩ বিলিয়ন ডলার ঋণ নিয়েছে সরকার। জুন শেষে সরকারের নেয়া স্বল্পমেয়াদি ঋণের পরিমাণও ২ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন ডলারে গিয়ে ঠেকেছে।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, সরকারের বহুপক্ষীয় ঋণের শর্ত অনেক বেশি নমনীয়। সুদহারও অনেক বেশি সুলভ। এসব ঋণের বেশির ভাগেরই সুদহার নির্ধারিত। মেয়াদ অনেক দীর্ঘ হলেও এসব ঋণের সুদহার বাড়বে না। কিন্তু দ্বিপক্ষীয় ও অন্যান্য উৎস থেকে নেয়া বিদেশী ঋণের শর্ত অনেক কঠিন, সুদহারও চড়া। লাইবর বা এসওএফআরের সঙ্গে সংযুক্ত করে দ্বিপক্ষীয় ও অন্যান্য বেশির ভাগ ঋণের সুদহার নির্ধারণ করা হয়েছে। গত এক বছরে এসওএফআর ও লাইবরের পাশাপাশি ডলারের বিনিময় হার ব্যাপক মাত্রায় বেড়েছে। ফেড এখন আগ্রাসীভাবে সুদহার বাড়িয়ে তোলায় সামনের দিনগুলোয় এ ব্যয়বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত থাকবে।
দ্বিপক্ষীয় বিভিন্ন ঋণের ভিত্তিতে দেশে এখন বেশ কয়েকটি মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে। এর একটি হলো রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। ওয়ার্ল্ভ্র নিউক্লিয়ার নিউজের তথ্য অনুযায়ী রাশিয়ার দেয়া ১২ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন ডলার ঋণের ভিত্তিতে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ ঋণের সুদহার ধরা হয়েছে লাইবরের অতিরিক্ত ১ দশমিক ৭৫ শতাংশ। চুক্তিটি যখন সই হয় তখন লাইবর হার ছিল বেশ কম। কিন্তু এখন লাইবর হার বেড়ে যাওয়ায় বিদ্যুৎকেন্দ্রটির ঋণের সুদ বাবদ পরিশোধযোগ্য ব্যয়ের পরিমাণও অনেকটাই বেড়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদও মনে করেন, লাইবর বা এসওএফআর হার বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশের বিদেশী ঋণ ঝুঁকি স্ফীত হয়েছে। বণিক বার্তাকে তিনি বলেন, আগে বাংলাদেশের বিদেশী ঋণের ৮০ শতাংশ ছিল সুলভ সুদের। বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ, এডিবিসহ বহুপক্ষীয় বিভিন্ন সংস্থা থেকে বেশি ঋণ নেয়া হতো। সুলভ সুদ আর দীর্ঘমেয়াদের কারণে বহুপক্ষীয় ঋণের ঝুঁকি অনেক কম। কিন্তু গত কয়েক বছরে দ্বিপক্ষীয় (বাইলেটারাল) ঋণের পরিমাণ বেড়েছে। সাপ্লায়ারস ক্রেডিট ও বাণিজ্যিক শর্তযুক্ত ঋণের পরিমাণও বেড়েছে অস্বাভাবিক হারে। লাইবর বা এসওএফআর হার বেড়ে যাওয়ায় এসব ঋণের সুদহারও অনেক বেড়ে যাবে।
এ অর্থনীতিবিদের ভাষ্য হলো বেসরকারি খাতে বাছবিচার ছাড়া বিদেশী ঋণের অনুমোদন দেয়া বাংলাদেশ ব্যাংকের বড় ভুল। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর থাকা অবস্থায় আমি বিদেশী ঋণ অনুমোদনের আগে বহুদিক পর্যালোচনা করতাম। কিন্তু পরবর্তী সময়ে বেসরকারি খাতে বিদেশী ঋণ অনুমোদনে বাছবিচার করা হয়নি। টাকার অবমূল্যায়নের পাশাপাশি লাইবর ও এসওএফআর বেড়ে যাওয়ায় বিদেশী ঋণ নেয়া দেশী কোম্পানিগুলো খেলাপি হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এটি হলে দিন শেষে বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের দীর্ঘ সুনাম ও ঐতিহ্য বিনষ্ট হবে।
যুক্তরাষ্ট্রে ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতি ঠেকাতে গিয়ে আগ্রাসীভাবে সুদহার বাড়িয়ে চলেছে ফেডারেল রিজার্ভ (ফেড)। ২০২২ সালের এ পর্যন্ত পাঁচবার সুদহার বাড়িয়েছে ফেড। বছর শেষ হওয়ার আগে আরো বাড়ানো হবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন ফেড চেয়ারম্যান জেরোমি পাওয়েল। ফেডের সুদহার বাড়ানোর পরিপ্রেক্ষিতে ট্রেজারি বন্ডের সুদহারও এখন বাড়তির দিকে। ট্রেজারি বন্ডের সঙ্গে সংযুক্ত হওয়ায় এসওএফআর হারও এখন বেড়ে চলেছে।
ফেডের সুদহার বৃদ্ধির প্রভাব রয়েছে মুদ্রাবাজারেও। যুক্তরাষ্ট্রে ফেড সুদহার বাড়ালে সাধারণত মার্কিন পুঁজি ও সুদযুক্ত বিনিয়োগের (ট্রেজারি বন্ড, সঞ্চয়পত্র) বাজার চাঙ্গা হয়ে ওঠার পাশাপাশি ডলারের বিনিময় হারও বেড়ে যায়। ডলারের বিনিময় হার বাড়ায় ঋণ পরিশোধের বোঝাও এখন ভারী হয়ে উঠেছে।
সামনের দিনগুলোয় এ বোঝা আরো ভারী হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, আর কিছুদিনের মধ্যেই স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বেরিয়ে আসবে বাংলাদেশ। এর সঙ্গে সঙ্গে হারাবে ছাড়ে ঋণ গ্রহণের সুবিধাও। এর পরিবর্তে বৈদেশিক ঋণে বাণিজ্যিক শর্তযুক্ত ঋণের প্রাধান্য বাড়বে। এসওএফআর বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে ঋণের সুদ বা কিস্তি পরিশোধ করতে গিয়ে সামনের দিনগুলোয় বাংলাদেশের ব্যয়ের বোঝা আরো বড় হবে।
যেসব অনুমিতির ভিত্তিতে বিদেশী ঋণ নেয়া হয়েছিল সেগুলো এখন ভ্রান্ত প্রমাণিত হয়েছে বলে মনে করেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বিশেষ ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। বণিক বার্তাকে তিনি বলেন, বাছবিচার না করে বিদেশী ঋণ নেয়ার সময় মনে করা হয়েছিল ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় হার একই থাকবে। আবার আন্তর্জাতিক বাজারে লাইবরের সুদহার বাড়বে না বলেও ঋণ নেয়ার সময় ধারণা করা হয়েছিল। এখন দেখা যাচ্ছে, দেশের বাজারেই টাকার প্রায় ২৫ শতাংশ অবমূল্যায়ন হয়েছে। আবার বিশ্ববাজারে এসওএফআর ও লাইবর হার কয়েক গুণ বেড়ে গিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র যে হারে নীতি সুদহার বাড়াচ্ছে, তাতে এসব হার কমার কোনো সম্ভাবনা নেই। আমরা অনেক আগে থেকেই বিদেশী ঋণ নেয়ার বিষয়ে সরকারকে সতর্ক করে আসছিলাম। যে ভ্রান্ত চিন্তা থেকে বিদেশী ঋণ নেয়া হয়েছে, সেটিকে বিশুদ্ধ বাংলায় অবিমৃষ্যকারিতা বলা যায়।
স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বের হওয়ার অতিকথনের কারণে বাংলাদেশের বিপদ আরো বাড়বে বলে মনে করেন এ অর্থনীতিবিদ। দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, এলডিসি থেকে উত্তরণের কারণে বিশ্বব্যাংকসহ বহুজাতিক সংস্থাগুলো থেকে এখন আর সুলভ সুদের ঋণ পাবে না। দ্বিপক্ষীয় যেসব বিদেশী ঋণ সরকার নিয়েছে, সেগুলোর সুদহার পরিবর্তনশীল। লাইবরের সঙ্গে সুদহার জুড়ে দিয়ে এসব ঋণ নেয়া হয়েছে। সাপ্লায়ারস ক্রেডিট ও বাণিজ্যিক শর্তযুক্ত যেসব ঋণ নেয়া হয়েছে, সেগুলোও এসওএফআর ও লাইবরের সুদহারের সঙ্গে সম্পৃক্ত। ১০ টাকার পণ্যের দাম ১০০ টাকা দেখিয়েও গত কয়েক বছরে বিদেশী ঋণ আনা হয়েছে। সময় যত গড়াবে, সুদের অংক বেড়ে এসব ঋণ দেশের ঝুঁকিকে তত বেশি বাড়াবে।
চলতি বছরের জুন শেষে দেশের বেসরকারি খাতে বিদেশী ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৫ দশমিক ৯৫ বিলিয়ন ডলার। এ ঋণের ১৭ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন ডলারের ধরনই স্বল্পমেয়াদি। বেসরকারি খাতের পুরো ঋণই নেয়া হয়েছে লাইবর রেট বা এসওএফআরের সঙ্গে সম্পৃক্ত করে। বিদেশী এ ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের বাড়তি অর্থ ব্যয় করতে হবে।
বিশ্ববাজারে লাইবর ও এসওএফআর এবং দেশে ডলারের বিনিময় হার বেড়ে যাওয়ায় শর্তযুক্ত বিদেশী ঋণগুলোর ব্যয় ২০-২৫ শতাংশ বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান। তিনি বলেন, গত এক বছরে দেশে টাকার প্রায় ২৫ শতাংশ অবমূল্যায়ন হয়েছে। এ কারণে যে কোম্পানি ১০০ কোটি টাকার বিদেশী ঋণ নিয়েছিল, সেটি এরই মধ্যে ১২৫ কোটি টাকা হয়ে গিয়েছে। যেসব কোম্পানির রফতানি আয় আছে, তারা বিনিময় হারজনিত ক্ষতি থেকে মুক্ত থাকবে। তবে এসওএফআর ও লাইবরের সুদহার বেড়ে যাওয়ায় এ ধরনের কোম্পানিগুলোকে অতিরিক্ত দুই-তিন গুণ সুদ গুনতে হবে। কিন্তু যেসব কোম্পানির ডলারে আয় নেই, সেসব কোম্পানির পরিস্থিতি খুবই খারাপ। সরকারি কিংবা বেসরকারি বিদেশী ঋণ পরিশোধের ব্যয় ২০-২৫ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে।