প্রতিবন্ধীদের জন্য সরকারের বিনিয়োগ পর্যাপ্ত নয়: পরিকল্পনামন্ত্রী

প্রতিবন্ধীদের জন্য সরকারের বিনিয়োগ পর্যাপ্ত নয় বলে মন্তব্য করেছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। তিনি বলেন , প্রতিবন্ধীরা আমাদের সমাজের অত্যন্ত মূল্যবান অংশ। আমাদের সরকার অন্যান্য সকল ক্ষেত্রের মত এই ক্ষেত্রেও বিনিয়োগ করছে। আগামীতে বিনিয়োগ আরো বাড়াতে হবে। আজ রোববার রাজধানীর শেরাটন হোটেলে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। ইনস্টিটিউট অব হযরত মোহাম্মদ (সা.) আয়োজনে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মেধাবী ১৭ শিক্ষার্থীকে পাঁচ ক্যাটাগরিতে পুরস্কৃত করতে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

প্রতিবন্ধীদের জন্য সরকারের বিনিয়োগ পর্যাপ্ত নয় বলে মন্তব্য করেছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। তিনি বলেন , প্রতিবন্ধীরা আমাদের সমাজের অত্যন্ত মূল্যবান অংশ। আমাদের সরকার অন্যান্য সকল ক্ষেত্রের মত এই ক্ষেত্রেও বিনিয়োগ করছে। আগামীতে বিনিয়োগ আরো বাড়াতে হবে। আজ রোববার রাজধানীর শেরাটন হোটেলে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। ইনস্টিটিউট অব হযরত মোহাম্মদ (সা.) আয়োজনে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মেধাবী ১৭ শিক্ষার্থীকে পাঁচ ক্যাটাগরিতে পুরস্কৃত করতে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। 

রবিউল আউয়াল মাস উপলক্ষে ইনস্টিটিউট অব হযরত মোহাম্মদ (সা.) দেশব্যাপী দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতিভা অন্বেষণের আয়োজন করে। ২০০৪ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের বিভিন্ন ভাষা শিক্ষা, কম্পিউটার প্রশিক্ষণ, ব্রেইল ও ইন্টারনেট প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছে প্রতিষ্ঠানটি। অনুষ্ঠানে পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সরকার বিশেষ চাহিদার লোকজনদের সুবিধা নিশ্চিতে কাজ করে যাচ্ছে। তাদের উন্নয়নে বিনিয়োগ করেছে। ভবিষ্যতে আরও বিনিয়োগ করবে। ইনষ্টিটিউট অফ হযরত মোহাম্মদ (সা.) দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের নিয়ে যে কাজ করছে তা সরকারের সহায়ক হিসেবেই কাজ করছে। 

ইনষ্টিটিউট অফ হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) এর  প্রেসিডেন্ট লে. জেনারেল (অব.) এম নুরুদ্দিন খান শান্তি, সহিষ্ণুতা ও সমতার বিষয়ে রাসূল (সাঃ) এর শিক্ষা সম্পর্কে উপলব্ধি বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়েছেন।   

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার শুধু বৈষয়িক বিষয় সেতু, কালভার্ট ও রাস্তাঘাট নির্মাণ নয়, নীতি নৈতিকতার চর্চার প্রতি আন্তরিক। আমরা ৫০০ মসজিদ নির্মাণ করেছি। এটি একটি অনন্য কাজ। মানুষের সার্বিক কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছি। নানা মতের নানা পথের লোকজন তাদের নিজস্ব স্বত্বা ও কৃষ্টি কালচার পালনে অবাধ স্বাধীনতা রয়েছে। বাংলাদেশ ধর্ম নিরপেক্ষ রাষ্ট্র। আমরা সকল ধর্মকে সমান মর্যাদা দিই। আমরা কারো ব্যক্তি স্বাধীনতা ও সংস্কৃতিতে হস্তক্ষেপ করি না। আমরা শুধু সংবিধানের মূল বিষয়গুলোর প্রতি আনুগত্যের প্রতি সংবেদনশীল।

ইনষ্টিটিউট অফ হযরত মোহাম্মদ (সা.) এর প্রেসিডেন্ট লে. জেনারেল (অব.) এম নুরুদ্দিন খান, শান্তি, সহিষ্ণুতা ও সমতার বিষয়ে রাসূল (সা.) এর শিক্ষা সম্পর্কে আমাদের উপলব্ধি বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়েছেন। আর প্রতিষ্ঠানের প্রধান উপদেষ্টা শো আবদুল লতিফ আল কাদি আল মাদানী রবিউল আউয়াল মাসের তাৎপর্য নিয়ে বক্তব্য রাখেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত হেরু হারতান্তো সুবোলো, ইসলামিক রিপাবলিক অব পাকিস্তানের ভারপ্রাপ্ত হাই কমিশনার কমার আব্বাস, ইনষ্টিটিউট অফ হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) এর  প্রধান উপদেষ্টা শেখ আবদুল লতিফ আল কাদি আল মাদানি , ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুর আলী, সেন্টার ফর জাকাত ম্যানেজমেন্টের চেয়ারম্যান নিয়াজ রহমান। 




আরও