সিপিডির সংলাপে বক্তারা

ই-কমার্স নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজন বিদ্যমান আইনের সমন্বিত প্রয়োগ

নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার অভাব ও সমন্বয়হীনতার কারণে ই-কমার্স খাতে আজকের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। কয়েকটি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের প্রতারণার দায় এখন সব পক্ষকে নিতে হবে। এ খাতের সৃষ্ট সমস্যা সমাধানে আলাদা আইন কোনো সমাধান নয়। আলাদা আইন করতে গেলে দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হবে। ফলে সেদিকে না গিয়ে সমন্বিতভাবে বিদ্যমান

নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার অভাব ও সমন্বয়হীনতার কারণে ই-কমার্স খাতে আজকের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। কয়েকটি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের প্রতারণার দায় এখন সব পক্ষকে নিতে হবে। এ খাতের সৃষ্ট সমস্যা সমাধানে আলাদা আইন কোনো সমাধান নয়। আলাদা আইন করতে গেলে দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হবে। ফলে সেদিকে না গিয়ে সমন্বিতভাবে বিদ্যমান আইনের প্রয়োগ করতে হবে। প্রতিষ্ঠানগুলোকেও যে যার অবস্থান থেকে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।

গতকাল গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) উদ্যোগে আয়োজিত এক ভার্চুয়াল আলোচনায় এসব কথা বলেন বক্তারা।

সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুনের সঞ্চালনায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সংস্থাটির চেয়ারম্যান রেহমান সোবহান, আইনজীবী তানজীব উল আলম, ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম আরএফ হোসেন, বিডি জবসের প্রতিষ্ঠাতা ফাহিম মাশরুর, চালডাল ডটকমের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াসিম আলিম, শপ আপের চিফ অব স্টাফ জিয়াউল হক, অ্যাসিক্স বিডির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আফসানা আসিফ, ই-ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক আবদুল ওয়াহিদসহ অন্যরা।

সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের কারণে পুরো ই-কমার্স খাতের আস্থায় চিড় ধরেছে। বিভিন্ন মানুষের আটকে থাকা হাজার হাজার কোটি টাকা ফেরত দেয়ার মতো অবস্থায় অনেক প্রতিষ্ঠান নেই। এখন কীভাবে অর্থ ফেরত পাবে সে প্রশ্ন সামনে আসছে।

বিডি জবসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহিম মাশরুর বলেন, ৫-১০ হাজার নয়, অনেকে ইভ্যালিতে ৪০-৫০ লাখ টাকা বিনিয়োগ করে ধরা খেয়েছেন। কোনোভাবেই এটা ই-কমার্সের ধারণার সঙ্গে যায় না। একটি ব্যাংক হিসাবে হঠাৎ করে ৩-৪ হাজার কোটি টাকা লেনদেন হলেও কেউ প্রশ্ন করল না, এটা হতে পারে না।

ইক্যাবের সাধারণ সম্পাদক আবদুল ওয়াহিদ বলেন, ইভ্যালিসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান একজন থেকে টাকা নিয়ে আরেকজনকে দিয়েছে। এখানে টাকার ঘাটতি থাকবে এটাই স্বাভাবিক। তবে কার কাছে কত টাকা আটকে আছে পরিষ্কার না। এ খাতের জন্য নতুন আইন করলে তা কার্যকরে সময় লাগবে।

আরও