‘লুবনান’ ভ্যাট ফাঁকির ৪.৬০ কোটি টাকা জমা দিল

ভ্যাট গোয়েন্দার দায়ের করা মামলায় বৃহৎ পোশাক বিপননকারী ‘লুবনান’ ৪.৬০ কোটি টাকার অপরিশোধিত ভ্যাট জমা দিয়েছে। আজ লুবনান এর পক্ষ থেকে সরকারী কোষাগারে এই টাকা জমা দিয়ে ট্রেজারি চালানের কপি সংযুক্ত করে ভ্যাট গোয়েন্দা অধিদপ্তরকে অবহিত করেছে।

ভ্যাট গোয়েন্দার দায়ের করা মামলায় বৃহৎ পোশাক বিপননকারী ‘লুবনান’ ৪.৬০ কোটি টাকার অপরিশোধিত ভ্যাট জমা দিয়েছে। আজ লুবনান এর পক্ষ থেকে সরকারী কোষাগারে এই টাকা জমা দিয়ে ট্রেজারি চালানের কপি সংযুক্ত করে ভ্যাট গোয়েন্দা অধিদপ্তরকে অবহিত করেছে। 

একজন গ্রাহকের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২১ তারিখে ভ্যাট গোয়েন্দার একটি গোয়েন্দা দল প্রতিষ্ঠানটির কারখানায় এবং হেডঅফিসে অভিযান পরিচালনা করে।  অভিযানে প্রতিষ্ঠানের উপস্থিত প্রতিনিধির সহযোগিতায় বিভিন্ন কক্ষ তল্লাশি করে জুলাই/২০১৬ হতে জুন/২০২০ পর্যন্ত সময়ের প্রতিষ্ঠানটির মোট ১০৮টি শাখার বাণিজ্যিক দলিলাদি জব্দ করা হয়।এসব কাগজপত্র দীর্ঘ পর্যালোচনা শেষে ৪,৬০,০৯,৪৪২ টাকার ভ্যাট ফাঁকির প্রমাণ পাওয়ায় ‘লুবনান’ এর বিরুদ্ধে গত সপ্তাহে ভ্যাট আইনে মামলা মামলা দায়ের করে ভ্যাট গোয়েন্দা অধিদপ্তর। 

প্রতিষ্ঠানটি ইতোমধ্যে তাদের ভুল স্বীকার করে এবং ভ্যাট গোয়েন্দার দাবীনামা মেনে নিয়ে তদন্তে উত্থাপিত ৪,৬০,০৯,৪৪২ টাকা স্বপ্রণোদিত হয়ে জমা প্রদান করে। এই টাকার মধ্যে ৩.৪৯ কোটি টাকা ভ্যাট ফাঁকির অংশ এবং সময়মতো তা সরকারী কোষাগারে জমা না করায় মাসিক ২% হারে ১.১১ কোটি টাকা সুদ আরোপ করা হয়েছিল।

‘লুবনান’ কর্তৃপক্ষ এখন থেকে ভ্যাট আইন পরিপালনে আরো সচেষ্ট হবেন মর্মে অঙ্গীকার করে। 

এ প্রসঙ্গে লুবনানের পরিচালক মো. জাকির হোসেন বণিক বার্তাকে বলেন, ফাঁকি নয় অপরিশোধিত ভ্যাট আমরা পরিশোধ করেছি। সারা বাংলাদেশে আমাদের ১০৮টি শো-রুম, এতগুলো শো-রুম রক্ষাণাবেক্ষণে ভুল ভ্রান্তি হতে পারে। ২০১৬ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত আমরা বিভিন্ন সময়ে ভ্যাট পরিশোধ করেছি। সম্প্রতি সরকারের পক্ষ হতে অপরিশোধিত ভ্যাট হিসেবে সাড়ে ৪ কোটি টাকা দাবি করা হয়েছে। করোনা মহামারীর মাঝেও সরকারের আদেশ ও নির্দেশ মান্য করে ২০১৬ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত অপরিশোধিত ভ্যাট সরকারের কোষাগারে আমরা জমা দিয়েছি।

আরও