ভারতের চিনি উৎপাদন ১৯% বেড়েছে

চলতি বিপণনবর্ষে ভারতের চিনি উৎপাদন বেড়েছে। গত পাঁচ বছরের ধারাবাহিকতায় দেশটির উৎপাদন বেড়েছে ১৯ শতাংশ। এর মাধ্যমে চলতি বিপণনবর্ষের (২০২০-২১) প্রথম ছয় মাসেই (অক্টোবর থেকে মার্চ) দেশটির চিনি উৎপাদনের পরিমাণ ২ কোটি ৭৭ লাখ ৬০ হাজার টন। ভারতের পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ মহারাষ্ট্রের উৎপাদন বৃদ্ধি দেশটির মোট উৎপাদনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। খবর রয়টার্স।

চলতি বিপণনবর্ষে ভারতের চিনি উৎপাদন বেড়েছে। গত পাঁচ বছরের ধারাবাহিকতায় দেশটির উৎপাদন বেড়েছে ১৯ শতাংশ। এর মাধ্যমে চলতি বিপণনবর্ষের (২০২০-২১) প্রথম ছয় মাসেই (অক্টোবর থেকে মার্চ) দেশটির চিনি উৎপাদনের পরিমাণ ২ কোটি ৭৭ লাখ ৬০ হাজার টন। ভারতের পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ মহারাষ্ট্রের উৎপাদন বৃদ্ধি দেশটির মোট উৎপাদনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। খবর রয়টার্স।

চিনি উৎপাদনে বিশ্বের শীর্ষ দেশ ব্রাজিলের ঠিক পরই ভারতের অবস্থান। বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ উৎপাদক দেশটি চিনির বাজারমূল্য নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এক বক্তব্যে ভারতের সুগার মিলস অ্যাসোসিয়েশন (আইএসএমএ) জানায়, মার্চের শেষ দিকে দেশটির অর্ধেকের বেশি চিনিকল বন্ধ হয়ে যায়। তবে ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ চিনি উৎপাদন অঞ্চল মহারাষ্ট্র গতবারের তুলনায় চলতি বিপণনবর্ষে প্রায় দ্বিগুণ চিনি উৎপাদন করে। ফলে দেশের মোট চিনি উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হয় অঞ্চলটি।

আইএসএমএ জানায়, চলমান ২০২০-২১ বিপণনবর্ষের প্রথম অক্টোবর থেকে মার্চ পর্যন্ত এক কোটি টন চিনি উৎপাদন করে মহারাষ্ট্র। যদিও এর আগের বছরের একই সময়ে মাত্র ৫৯ লাখ টন চিনি উৎপাদন করতে সক্ষম হয় ভারতের গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যটি।

এদিকে চিনি উৎপাদন বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে রফতানি বাজারেও গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান ধরে রাখার পরিকল্পনা ভারতের। দেশটিতে চিনি উৎপাদন বাড়লেও রফতানির পরিমাণ কমিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

আরও