নৌকা বিতরণ অনুষ্ঠানে বিজিবি প্রধান

প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নতি হলে সীমান্তে অপরাধ কমবে

সীমান্তে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী জীবন মান যত উন্নত হবে, শিক্ষা হার যত বাড়বে ততই চোরাচালানসহ অন্যান্য অপরাধ হ্রাস পাবে বলে মন্তব্য করেছেন বিজিবি প্রধান মেজর জেনারেল মো. সাফিনুল ইসলাম। আজ মঙ্গলবার রাজশাহীর টি বাঁধে মাঝিদের মাঝে নৌকা বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এমন মন্তব্য করেন। পদ্মা পাড়ের মাঝিদের মাঝে মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে ২৫টি পাল তোলা নৌকা বিতরণ শেষে বর্ডার গাড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক বলেন, এই নৌকা দিয়ে আপনারা নিজেদের জীবিকা নির্বাহ করবেন। পরবর্তীতে যে সব মাঝিদের নৌকা আছে, তাদের জাল বিতরণ করা হবে। তবে আপনারা কখনই এই নৌকা নিয়ে সীমান্ত অতিক্রম করবেন না। কোন চোরাচালানে যুক্ত হবেন না।

সীমান্তে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী জীবন মান যত উন্নত হবে, শিক্ষা হার যত বাড়বে ততই চোরাচালানসহ অন্যান্য অপরাধ হ্রাস পাবে বলে মন্তব্য করেছেন বিজিবি প্রধান মেজর জেনারেল মো. সাফিনুল ইসলাম। আজ মঙ্গলবার রাজশাহীর টি বাঁধে মাঝিদের মাঝে নৌকা বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

পদ্মা পাড়ের মাঝিদের মাঝে মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে ২৫টি পাল তোলা নৌকা বিতরণ শেষে বর্ডার গাড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক বলেন, এই নৌকা দিয়ে আপনারা নিজেদের জীবিকা নির্বাহ করবেন। পরবর্তীতে যে সব মাঝিদের নৌকা আছে, তাদের জাল বিতরণ করা হবে। তবে আপনারা কখনই এই নৌকা নিয়ে সীমান্ত অতিক্রম করবেন না। কোন চোরাচালানে যুক্ত হবেন না।

‘মুজিব জন্মশতবর্ষ’ উদযাপন উপলক্ষ্যে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর উদ্যোগে বিভিন্ন রিজিয়নের তত্ত্বাবধানে পদ্মা, মেঘনা, যমুনা ও ইছামতি নদীর পাড়ের প্রান্তিক হতদরিদ্র মাঝিদের মাঝে সর্বমোট ১০০টি নৌকা, নৌকার পাল, গেঞ্জি ও লুঙ্গি বিতরণ করা হয়েছে।

বিজিবি মহাপরিচালক মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী জাতির সূর্য সন্তানদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এদেশের গরীব, দুঃখী ও মেহনতী মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়ে একটি সুখী, সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন। জাতির পিতার সোনার বাংলা বিনির্মাণের স্বপ্ন বাস্তবায়নে সীমান্ত রক্ষার পাশাপাশি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ সবসময় সীমান্তবর্তী হতদরিদ্র ও অসহায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ভাগ্যন্নোয়নে কাজ করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় ‘শত নৌকায় জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনে বিজিবি’ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শতবর্ষের সমার্থক হিসেবে ১০০টি নৌকা প্রান্তিক জেলেদের স্বাবলম্বী করার প্রয়াসে প্রদান করা হলো। এ নৌকা প্রদান অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সীমান্তবর্তী প্রান্তিক জেলেরা সঠিকভাবে জীবিকা নির্বাহ করবে এবং সাবলম্বী হয়ে অন্যদের স্বনির্ভর হবার প্রেরণা জোগাবে। 

বিজিবি মহাপরিচালক মনে করেন, এই ১০০টি নৌকা শুধুমাত্র ১০০ জন জেলেকেই নয় বরং ১০০টি পরিবার ও পরিবারের সদস্যদেরও নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখাবে।

সীমান্তের প্রান্তিক জনগোষ্ঠী যতই সাবলম্বী হয়ে উঠবে সীমান্ত সংক্রান্ত অপরাধ এবং চোরাচালান ততই হ্রাস পাবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন। এ জাতীয় অনুষ্ঠান আগামী দিনগুলোতে সীমান্তবর্তী জনসাধারণ ও বিজিবিকে নবউদ্দীপনায় সীমান্ত সুরক্ষা ও চোরাচালান দমনের পাশাপাশি দেশ ও সমাজ গঠনের বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণে প্রেরণা জোগাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

রাজশাহীর মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে বলেন, মুজিব বর্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিজিবিকে একটি ত্রিমাত্রিক বাহিনীতে রূপান্তর করেছে। দরিদ্র মাঝিদের মাঝে বিজিবির নৌকা বিতরণ কর্মসূচী উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে অব্যহত রাখবে।

আরও