সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) প্রধান নির্বাহী। তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের ‘পরিবেশ পুরস্কার’ এবং প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে গোল্ডম্যান এনভায়রনমেন্টাল পুরস্কারপ্রাপ্ত। ২০০৯ সালে টাইম ম্যাগাজিনের ‘হিরোজ অব এনভায়রনমেন্ট’ খেতাবপ্রাপ্ত বাংলাদেশী আইনজীবী ও পরিবেশকর্মী। এছাড়া ২০১২ সালে র্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার পান। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় কার্যকর উদ্যোগ নেয়ায় তার প্রতিষ্ঠিত বেলা সম্মানজনক ট্যাংগ পুরস্কার লাভ করেছে। সম্প্রতি বণিক বার্তার সঙ্গে পরিবেশ ও উন্নয়ন পরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন তিনি। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন রুহিনা ফেরদৌস
কভিড ১৯-এর কারণে আমাদের অর্থনীতি, প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থানের ওপর
এক ধরনের
নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। বিপরীতে আমরা দেখেছি পরিবেশে বেশকিছু ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। বায়ুদূষণের পরিমাণ কমেছে,
ওজোন স্তরের ক্ষত সেরেছে। কিন্তু সবকিছু তো এখন
আবার স্বাভাবিক হতে শুরু
করছে। এ
অবস্থায় পরিবেশের এ ইতিবাচক পরিবর্তনটা ধরে
রাখা সম্ভব
হবে কিনা
বা এটা
ধরে রাখতে
কী করণীয়?
দেখুন,
প্রথম
কথা
হলো,
আমরা
যে
আবার
স্বাভাবিক
অবস্থায়
ফিরব,
আমাদের
এখানেই
একটু
থেমে
চিন্তা
করতে
হবে
যে
আগে
আমরা
যেভাবে
চলছিলাম,
সেটাকে
কোনো
বিবেচনায়
স্বাভাবিক
বলা
যায়
কিনা!
আমাদের
যে
চলার
কারণে
আমাদের
বাতাস
পৃথিবীর
সবচেয়ে
দূষিত
বাতাসের
মধ্যে
এক
নম্বর,
আমাদের
যে
রকম
চলার
কারণে
ঢাকা
শহরে
সাতটি
নদী
রেখেও
পানি
আনার
জন্য
আমাদের
মেঘনা
ও
পদ্মায়
যেতে
হয়,
আমাদের
রাজধানী
যখন
পৃথিবীর
অবসবাসযোগ্য
নগরীর
শীর্ষে
অবস্থান
করে
তখন
সেটাকে
আমরা
কোন
মূল্যের
বিনিময়ে
স্বাভাবিক
বলতে
পারি?
বলতে
পারি
না।
করোনা
আমাদের
বুঝিয়ে
দিয়েছে
যে
আমরা
যদি
এই
তথাকথিত
উন্নয়নের
লাগামটা
টানতে
পারি,
অর্থনৈতিক
উন্নয়নের
নামে
প্রকৃতিবিধ্বংসী
যে
কাজগুলো
করছি,
সেগুলো
করা
থেকে
বিরত
থাকতে
পারি,
তাহলে
জীবনটা
আমাদের
জন্য
অনেক
বেশি
সহনীয়
হয়ে
উঠবে।
আপনি
হয়তো
এখন
দেখাবেন
যে
বাংলাদেশের
মাথাপিছু
আয়
অনেক
বেড়েছে।
এটা
বেড়েছে
কারণ
কিছু
মানুষের
অনেক
টাকা
হয়েছে।
সাধারণ
মানুষের
আয়
কিন্তু
সাংঘাতিক
বাড়েনি,
কিছুটা
বেড়েছে।
অনেকের
একেবারেই
বাড়েনি।
কিন্তু
কিছু
মানুষের
আয়
এত
বেড়ে
গেছে
যে
মাথাপিছু
আয়
যখন
আমরা
ভাগ
করি
তখন
মাথাপিছু
আয়টা
বাড়তি
দেখা
যায়।
যাদের
আয়
বেড়েছে,
তাদের
নানা
অনিয়ন্ত্রিত
কর্মকাণ্ড
আমাদের
প্রকৃতি,
প্রাকৃতিক
সম্পদ
এগুলোর
ওপর
নেতিবাচক
প্রভাব
ফেলছে।
যদি
তাদের
আয়
ওভাবে
না
বাড়িয়ে
আমরা
উন্নয়নকে
সাম্যভিত্তিক
করতে
পারতাম,
আমরা
উন্নয়নকে
প্রকৃতির
সঙ্গে
সহনশীল
করতে
পারতাম,
প্রাকৃতিক
সম্পদকে
রক্ষা
করে
উন্নয়নের
দিকে
যেতে
পারতাম,
কী
ক্ষতি
হতো?
না
হয়
আমাদের
জিডিপি
একটু
কমে
আসত।
আমাদের
পাশের
দেশ
ভুটান
কিন্তু
জিডিপি
নিয়ে
এত
মাতামাতি
করে
না।
তারা
বলে
না,
আমরা
সিঙ্গাপুর
হতে
চাই।
তারা
বলে
না
যে
আমরা
অস্ট্রেলিয়া,
নিউইয়র্ক
হতে
চাই।
তারা
বলে,
আমরা
ভুটান,
আমরা
ভুটান
থেকেই
খুশি।
আমরা
যদি
কভিড-১৯
পরিস্থিতি
থেকে
শিক্ষা
গ্রহণ
করে
বাংলাদেশের
জন্য
পরিবেশগতভাবে
সহনশীল
এবং
অর্থনৈতিকভাবে
টেকসই
এমন
একটা
উন্নয়ন
মডেল
বেছে
নিতে
পারি,
তাহলে
আমি
মনে
করি
আমরা
প্রাকৃতিক
ভারসাম্য
বজায়
রাখতে
পারব।
প্রাকৃতিক
ভারসাম্য
বজায়
রাখাটা
যে
কতটা
জরুরি,
তা
কিন্তু
এই
কভিড
পরিস্থিতিতে
আমরা
বুঝেছি।
যেমন
অন্য
সময়
আপনার
কয়টা
শিল্পপ্রতিষ্ঠান
হলো
এ
হিসাব
দিতে
সবাই
ব্যস্ত।
কিন্তু
করোনার
সময়
আপনি
ব্যস্ত
হয়ে
গেলেন
এটা
চিন্তা
করতে
যে
খাবার
পাব
তো?
কৃষকরা
ধান
কাটতে
পারবেন
তো?
আমরা
দেখেছি
এমপি-মন্ত্রীরা
গিয়ে
মাঠে
ধান
কাটছেন।
তাদের
কিন্তু
আমরা
দেখিনি
যে
তারা
গিয়ে
শিল্পপ্রতিষ্ঠান
চালানোর
দায়িত্ব
নিয়েছেন।
তার
মানে
মানুষের
অত্যাবশ্যকীয়
প্রয়োজন
যেগুলো
সেগুলো
মেটাতে
গেলে
প্রকৃতিকে
ধ্বংস
করে
কোনো
উন্নয়ন
করা
যাবে
না।
কভিড
আমাদের
এ
শিক্ষা
দিয়েছে।
আমাকে
যদি
জিজ্ঞেস
করেন,
আমি
কতটা
আশাবাদী।
আমি
বলব,
আমাকে
আশাবাদী
হতে
হবে।
আমাদের
সবাইকে
আশাবাদী
হতে
হবে।
আশাবাদী
না
হলে
তো
আমরা
আমাদের
ভুলগুলো
শোধরাতে
পারব
না।
উন্নত বিশ্ব
থেকে
ধার
করে
আনা
উন্নয়ন
মডেল
আমাদের
বাঁচাবে
না।
উন্নত
বিশ্বের
এ
উন্নয়ন
মডেল
পৃথিবীকে
ধ্বংসের
শেষ
প্রান্তে
নিয়ে
গেছে।
জলবায়ু
পরিবর্তনের
কারণে
পৃথিবী
যে
ধ্বংসের
মুখে
পড়বে,
এটা
সবাই
বলছে।
যদি
এখন
আমরা
জীবাশ্ম
জ্বালানি
পোড়ানোয়
লাগাম
না
টানি,
তাহলে
আমরা
একেবারে
ধ্বংসের
মুখে
গিয়ে
পড়ব।
বাংলাদেশ
কিন্তু
সেই
ধ্বংসাত্মক
উন্নয়নের
রাস্তায়ই
এগোচ্ছে।
আমরা
যদি
আমাদের
উন্নয়ন
মডেল
নিয়ে
পুনর্বার
চিন্তা
করি
এবং
ভুটানের
মতো
জিডিপির
কথা
না
বলে
গ্লোবাল
হ্যাপিনেস
ইনডেক্সের
কথা
বলি
তাহলে
আমার
কাছে
মনে
হয়
আমরা
স্বাভাবিক
জীবন
পাব।
উন্নয়ন
ও
পরিবেশ,
দুটোর
দাবিই
মেটাতে
পারব।
আপনি কিছুদিন আগে বলেছেন যে স্বাস্থ্যনিরাপত্তা ও পরিবেশ রক্ষার ওপর
গুরুত্ব দিয়ে
অর্থনীতিকে ঢেলে
সাজাতে হবে।
এজন্য কোন
কোন বিষয়কে গুরুত্ব দেয়ার
কথা বলবেন?
আমার
কাছে
মনে
হয়,
আমরা
গণতান্ত্রিক
চাওয়া-পাওয়ার
সঙ্গে
অনেক
বেশি
আপস
করে
ফেলেছি।
বাংলাদেশের
ভোটের
অধিকার
আমরা
নানাভাবে
কম্প্রমাইজ
করে
ফেলেছি।
আমাদের
ক্ষমতায়
কোনো
ভারসাম্য
নেই।
উন্নয়নে
জনগণের
কোনো
অংশগ্রহণ
নেই।
আমরা
যদি
গণতন্ত্র
সুষ্ঠু
ও
সুসংহত
করতে
না
পারি,
সিদ্ধান্ত
গ্রহণ
প্রক্রিয়ায়
যদি
মানুষের
অংশগ্রহণ
নিশ্চিত
করতে
না
পারি,
যদি
প্রতিষ্ঠানগুলোয়
স্বচ্ছতা
আনতে
না
পারি,
জবাবদিহিতা
আনতে
না
পারি,
প্রতিষ্ঠানগুলোকে
জনমুখী
ও
প্রতিক্রিয়াশীল
করতে
না
পারি
তাহলে
কিন্তু
কোনো
কিছুই
আমরা
যেভাবে
চাই
সেভাবে
পাব
না।
ঢাকা
শহরকে
কীভাবে
বাঁচানো
যায়,
কিছুদিন
আগে
এ
ধরনের
একটা
সভায়
অংশগ্রহণ
করি।
সেখানে
আমার
একটা
পয়েন্ট
ছিল,
যেকোনো
বিষয়েই
একটা
দর্শন
থাকতে
হয়।
আমরা
কিছুক্ষণ
সিঙ্গাপুর,
কিছুক্ষণ
ম্যানহাটন,
কিছুক্ষণ
অস্ট্রেলিয়া
হই।
আমরা
কখনই
আমাদের
যে
ঐতিহ্য,
তা ধারণ
করার
কথা
বলি
না।
ম্যানহাটন,
অস্ট্রেলিয়া,
সিঙ্গাপুরের
ঐতিহ্য
কি
বাংলাদেশের
ঐতিহ্য?
আমাদের
ঐতিহ্য-সংস্কৃতিকে
ধারণ
করে,
গণতান্ত্রিক
মূল্যবোধকে
সমুন্নত
রেখে
যদি
আমরা
আমাদের
উন্নয়ন
পরিকল্পনা
গ্রহণ
না
করি,
প্রশাসনিক
ব্যবস্থার
সংস্কার
না
করি
তাহলে
আমাদের
জন্য
খুব
মুশকিল
হয়ে
যাবে।
অর্থনীতির জন্য
পরিবেশ
ধ্বংস
করা
যাবে
না,
সুন্দরবন
ধ্বংস
হয়ে
যাবে,
ইউনেস্কোও
বলছে
কিন্তু
সরকার
কথা
শুনছে
না।
ইউনেস্কোর
কথাও
শুনছে
না,
কারণ
সরকার
জবাব
দেয়ার
তাগিদ
অনুভব
করছে
না।
সে
মনে
করছে
তার
জনগণের
কাছে
জবাব
দেয়ার
কিছু
নেই।
সে
যে
মডেল
দাঁড়
করাবে,
সে
মডেলকেই
উন্নয়ন
মানতে
আমরা
বাধ্য।
উন্নয়নের
ক্ষেত্রে
জনগণের
অংশগ্রহণ
সরকার
নিশ্চিত
করবে,
আমাদের
দেশের
আইনে
তা
আছে।
প্রথমত,
এ
জায়গাটা
পরিষ্কার
করতে
হবে।
দ্বিতীয়ত.
জনগণের
গণতান্ত্রিক
অধিকার
চর্চার
ক্ষেত্রের
বাধাগুলো
সরাতে
হবে।
ক্ষমতার
ভারসাম্য
আনতে
হবে।
জনগণের
বাক্স্বাধীনতা,
ভোটের
স্বাধীনতা,
সংগঠনের
স্বাধীনতা
থাকতে
হবে।
পরিবেশকে
আমরা
তো
রাজনীতি
থেকে
আলাদা
করতে
পারব
না।
আজ
কেন
পৃথিবী
জলবায়ু
পরিবর্তনের
এত
বড়
হুমকির
মুখে?
কারণ
জীবাশ্ম
জ্বালানির
সঙ্গে
যারা
জড়িত,
তারাই
মার্কিন
যুক্তরাষ্ট্রের
রাজনীতিকে
নিয়ন্ত্রণ
করে।
মার্কিন
যুক্তরাষ্ট্রের
জন্যই
কিওটো
প্রটোকলের
জায়গায়
প্যারিস
চুক্তি
করা
হলো।
মূলত
তাদের
জেদের
কারণে,
তাদের
দলে
টানার
জন্য।
কিন্তু
আজকে
তারা
বলছে,
তারা
প্যারিস
চুক্তি
মানবে
না,
কারণ
জীবাশ্ম
জ্বালানি
কোম্পানিগুলো
তাদের
সেটা
মানতে
দেবে
না।
যদি
বাংলাদেশে
ফেরত
আসেন
তাহলে
আমরা
দেখব
ন্যস্ত
স্বার্থগোষ্ঠী
জলাশয়
ভরাট
করছে,
সব
সম্পদ
কুক্ষিগত
করছে।
তাদের
নিয়ন্ত্রণে
সরকারের
কিন্তু
কোনো
ভূমিকা
নেই।
সরকার
এবং
ন্যস্ত
স্বার্থগোষ্ঠীর
সত্তা
একাকার
হয়ে
গেছে।
এটা
মানা
যায়
না,
সরকারকে
আইন
ভঙ্গকারীদের
বিরুদ্ধে
নিয়ন্ত্রকের
ভূমিকায়
থাকতে
হবে।
এটা
সুশাসনের
অন্যতম
প্রধান
শর্ত।
তৃতীয়ত:
সরকারি
প্রতিষ্ঠানের
কর্ম
মূল্যায়ন
করা
জরুরি।
যেখানে
জবাবদিহিতার
কালচার
শুরু
করতেই
হবে।
বিভিন্ন
প্রতিষ্ঠানের
ম্যান্ডেট
জনসেবা
করা।
সেখান
থেকে
সরে
গিয়ে
তারা
অনেকেই
ন্যস্ত
স্বার্থগোষ্ঠীর
সেবা
করে
যাচ্ছে।
প্রতিষ্ঠানগুলোর
যে
পাবলিক
সার্ভিস
ম্যান্ডেট,
সেখানেও
আমি
বড়
ধরনের
কম্প্রমাইজ
দেখতে
পাই।
কভিডের
কারণে
স্বাস্থ্য
অধিদপ্তরের
কথা
হয়তো
আজ
বড়
করে
উন্মোচিত
হয়েছে।
আপনি
বলেন,
স্বাস্থ্য
অধিদপ্তরের
চেয়ে
কোন
বিবেচনায়
রাজউক
ভালো?
স্বাস্থ্য
অধিদপ্তরের
চেয়ে
কোন
বিবেচনায়
বন
বিভাগ
ভালো?
পুলিশের
ন্যায়পরায়ণতা,
বস্তুনিষ্ঠতা
নিয়ে
অনেক
বড়
প্রশ্ন
উঠছে।
বাসযোগ্য
ঢাকা
গড়তে
আমরা
নির্ভর
করি
রাজউকের
ওপর।
আমাদের
সুস্থ
পরিবেশের
জন্য
আমরা
নির্ভর
করি
বন
বিভাগের
ওপর।
দুষ্টের
দমনের
জন্য
আমরা
নির্ভর
করি
আমাদের
আইন-শৃঙ্খলা
বাহিনীর
ওপর।
বড়
বড়
প্রতিষ্ঠানে
যখন
এমন
গুরুতর
অবক্ষয়
হয়,
জনগণের
প্রত্যাশার
সঙ্গে
প্রতিষ্ঠানের
কার্যক্রমের
কোনো
মিল
থাকে
না,
তখন
আপনি
যত
বড়
কথা,
ভালো
ভালো
কথাই
বলেন
না
কেন
নির্বাচনী
ইশতেহারে,
আপনি
ভালো
করতে
পারবেন
না
এবং
আপনার
উন্নয়ন
টেকসইও
হবে
না।
সুতরাং
যারা
রাজনীতি
করেন,
সরকার
চালান,
বিরোধী
দলে
থাকেন,
তাদের
সঙ্গে
জনগণের
যোগাযোগের
একটা
রাস্তা
খুঁজে
বের
করতে
হবে।
আর
চতুর্থত,
প্রতিষ্ঠানগুলো
ও
পেশাজীবীদের
যে
রাজনীতিকরণ
করে
ফেলা
হয়েছে,
সেখান
থেকে
আমাদের
রেহাই
দিতে
হবে।
আমরা
ঢাকা
ওয়াসা
সম্পর্কে
অনেক
কথা
শুনি।
পত্রপত্রিকায়
অনেক
লেখা
হয়েছে।
কিন্তু
ঢাকা
ওয়াসার
ব্যবস্থাপনায়
আমরা
কোনো
পরিবর্তন
দেখছি
না।
আমার
কাছে
মনে
হয়,
কয়েকটি
প্রতিষ্ঠানের
নয়,
সব
ক্ষেত্রেই
একেবারে
ঢালাও
পরিবর্তন
আনতে
হবে।
আজ
যেমন
স্বাস্থ্য
অধিদপ্তরের
২৯
জনকে
একবারে
বদলি
করে
দেয়া
হয়েছে,
আমি
মনে
করি
রাজউক,
বন
বিভাগ
ও
আইন-শৃঙ্খলা
বাহিনীর
পাবলিক
সার্ভিস
ঠিক
করতে
সেগুলোয়ও
ঢালাও
পরিবর্তন
প্রয়োজন।
প্রাতিষ্ঠানিক
সংস্কারের
ওপর
আমি
জোর
দেব।
দেশে ঘরের
বাইরে মাস্ক
পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কিন্তু যেসব
সুরক্ষাসামগ্রী সাধারণ মানুষ ব্যবহার করছে, তার
একটা বড়
অংশ রাস্তাঘাটে উন্মুক্ত জায়গায় ফেলে দেয়া
হচ্ছে। আলাদাভাবে পরিবহন করা
ও ডাম্পিংয়ের ব্যবস্থা নেই।
দেশ যখন
অনেক ক্ষেত্রে উন্নতি করছে,
তখন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেন
মান্ধাতার আমলের
রয়ে গেছে?
আপনার
শেষ
প্রশ্নটা
দিয়ে
আমি
শুরু
করি।
আমরা
সাধারণ
মানুষ
আসলে
ঢাকাকে
ম্যানহাটন
বানাতে
চাই
না।
আমরা
কি
চাই
তা
আমাদের
তো
কেউ
জিজ্ঞেস
করে
না।
তারা
তাদের
মতো
প্রেসক্রিপশন
দিয়ে
সিঙ্গাপুর,
অস্ট্রেলিয়া,
ম্যানহাটন
বানায়।
আমরা
তো
সেগুলো
চাই
না।
আপনি
কি
ভাবেন
যে
বাংলাদেশের
কৃষকসমাজ
ম্যানহাটনের
সঙ্গে
পরিচিত
কিংবা
অস্ট্রেলিয়ার
সঙ্গে
পরিচিত
আমাদের
শ্রমিকসমাজ?
তারা
এসব
চায়
না।
আমরা
চাই
একটি
সহনশীল
টেকসই
উন্নয়নের
পথ।
সে
উন্নয়নের
পথ
হবে
আমাদের
সবাইকে
নিয়ে।
আমাদের
বাদ
দিয়ে
আমাদের
ওপর
উন্নয়ন
চাপিয়ে
দেয়া,
ঋণের
বোঝা
চাপিয়ে
দেয়াকে
তো
আসলে
আমরা
কোনোভাবেই
টেকসই
উন্নয়ন
বলতে
পারি
না।
বর্জ্য
ব্যবস্থাপনা
কেন
মান্ধাতার
আমলের।
আপনার
প্রশ্নের
মধ্যেই
আপনার
উত্তর
আছে।
মেট্রোরেল
হচ্ছে
কিন্তু
বাসের
কন্ডাক্টরকে
কেন
সামলানো
যাচ্ছে
না?
সড়কে
নিরাপত্তা
আনতে
সরকার
যে
আইনটা
করল,
কেন
বাস
মালিক
সমিতির
প্রতিবাদের
মুখে
সরকার
শক্ত
অবস্থান
নিতে
পারল
না?
এগুলো
তো
সুশাসনের
জন্য
বড়
প্রশ্ন।
আমরা
রাস্তায়
সমানে
মরে
যাব
আর
সরকার
যদি
একটা
আইন
করে,
নীতি
করে
নিরাপদ
সড়ক
করার
জন্য,
সেখানে
বাস
মালিক
সমিতির
লোকেরা
দাঁড়িয়ে
যাবে
আর
সরকার
তাদের
কাছে
নতজানু
হয়ে
যাবে,
এটা
তো
হতে
পারে
না।
একটি
দেশে
মেট্রোরেল
তখনই
কাজ
করবে
যখন
সভ্যতার
চর্চা
সে
দেশে
থাকবে।
আপনার
বর্জ্য
ব্যবস্থাপনা
কেন
এখনো
সেই
মান্ধাতার
আমলের?
কারণ
এগুলো
আপনার
প্রাধান্য
নয়।
আপনার
প্রাধান্য
হচ্ছে
বড়
বড়
প্রজেক্ট।
ব্যয়বহুল
প্রজেক্ট।
এগুলোয়
টাকা
ভাগাভাগির
অনেক
সুযোগ
পাওয়া
যায়।
বর্জ্য
ব্যবস্থাপনার
উন্নয়ন
করতে
গেলে
যে
বিনিয়োগ
করতে
হবে,
সেখান
থেকে
তেমন
তো
কোনো
ফায়দা
আসবে
না,
তাই
এটা
উপেক্ষিত।
মেগা
প্রজেক্ট
দিয়ে
আমরা
জনগণকে
দেখাতে
চাই
যে
আমরা
আসলে
দেশের
অনেক
উন্নয়ন
করছি।
দেশের
উন্নয়ন
হচ্ছে
না,
এটা
আমি
বলছি
না।
দেশের
সাধারণ
মানুষ
কিন্তু
অনেক
পরিশ্রম
করে।
যে
উন্নয়ন
হচ্ছে,
তার
পেছনে
দেশের
সাধারণ
মানুষের
অনেক
অবদান
আছে।
তাই
শুধু
বললে
হবে
না
যে
নেতৃত্বের
কারণেই
এবং
বড়
বড়
প্রকল্পের
কারণেই
আমাদের
উন্নয়ন
হচ্ছে।
সাধারণ
মানুষের
পরিশ্রম
এখানে
গোনায়
ধরতে
হবে।
বিভিন্ন
প্রাকৃতিক
দুর্যোগে
সাধারণ
মানুষ
নিজের
মতো
করে
নিজের
নিরাপত্তার
ব্যবস্থা
করছে।
কিন্তু
এই
সাধারণ
মানুষের
উন্নয়ন
তেমন
হচ্ছে
না,
কেননা
আমরা
সিস্টেম
অরিয়েন্টেড
ডেভেলপমেন্ট
মডেলের
মধ্যে
নেই।
আমরা
একদিকে
মেট্রোরেল
করছি,
অন্যদিকে
গণপরিবহনকে
কোনো
প্রক্রিয়ার
মধ্যে
আনতে
পারছি
না।
গণপরিবহণ
নিয়ে
প্রয়াত
মেয়র
আনিসুল
হকের
একটি
পরিকল্পনা
ছিল।
আমরা
তার
পরিকল্পনাটা
শুনে
তাকে
স্বাগত
জানিয়েছি
কিন্তু
সেখানেও
বাদ
সেধেছে
বাস
মালিক
সমিতি।
তারা
আমার
কণ্ঠ
রোধ
করতে
পারবে
কিন্তু
বাস
মালিক
সমিতির
অন্যায়
আবদারের
বিরুদ্ধে
অবস্থান
নিতে
পারবে
না।
তাই
প্রশ্ন
হচ্ছে,
আপনার
উন্নয়নের
মডেলটা
কী?
উন্নয়নের
দর্শনটা
কী?
যদি
বলি
ঢাকা
শহরের
উন্নয়নের
দর্শন
কী
তা
কি
আপনি
জানেন?
জানেন
না।
সিটি
করপোরেশন
জানে
না।
রাজউক
জানে
না।
কারণ
কোনো
ধরনের
দর্শন
ছাড়া,
সুনির্দিষ্ট
পথ
ছাড়া,
ঐকমত্য
ছাড়া
আমরা
এগোচ্ছি।
আমাদের
ওপর
যা
চাপিয়ে
দেয়া
হচ্ছে,
তাকেই
উন্নয়ন
বলা
হচ্ছে।
বড়
বড়
হাসপাতাল
বানানো
হচ্ছে,
যেমন
মুগদা
হাসপাতাল।
আয়োজন
করে
উদ্বোধন
করা
হলো।
যখন
করোনা
রোগীরা
ওখানে
ভর্তি
হলো,
তখন
শুনলাম
ওখানে
সেন্ট্রাল
অক্সিজেন
সাপ্লাইয়ের
কোনো
ব্যবস্থাই
নেই।
এ
রকম
একটি
অবকাঠামো
দিয়ে
আমি
কী
করব?
বাইরে
লোক
দেখানো
অবকাঠামো,
ভেতরে
কোনো
ব্যবস্থা
নেই।
করোনা বর্জ্য
ব্যবস্থাপনায়
বিশ্ব
স্বাস্থ্য
সংস্থার
(ডব্লিউএইচও) একটা
গাইডলাইন
আছে।
সব
দেশই
তো
চাইলে
একদম
অটোক্লোভিং
বা
ইনসিনেটর
দিয়ে
সব
বর্জ্য
সঠিক
তাপমাত্রায়
ডাবল
চেম্বার
ইনসিনেটর
দিয়ে
পোড়াতে
পারবে
না।
তাদের
গাইডলাইন
হচ্ছে
করোনা
বর্জ্যকে
মেডিকেল
বর্জ্য
হিসেবে
বিবেচনা
করে
এর
ডিসপোজাল,
কালেকশন
ও
পরিবহনের
ব্যবস্থা
করা।
যারা
এ
বর্জ্য
নিয়ে
কাজ
করবে,
সবাইকে
পিপিই
প্রদান
এবং
তার
ব্যবহার
নিশ্চিত
করা।
অনেক
বেশি
উন্নত
প্রযুক্তিতে
আমাদের
যাওয়ার
সময়
এবং
সামর্থ্য
নেই।
সেজন্য
করোনা
বর্জ্য
মাটির
নিচে
পুঁতে
ফেলা
যেতে
পারে।
ডব্লিউএইচও
বলে
যে
কভিড
বর্জ্য
অন্য
মেডিকেল
বর্জ্যের
তুলনায়
অধিক
ঝুঁকিপূর্ণ
এমন
কোনো
তথ্যপ্রমাণ
নেই।
কিন্তু
যেহেতু
রোগটি
খুব
ছোঁয়াচে,
তাই
তারা
খুব
সতর্ক
হয়ে
এটিকে
ডিসপোজাল
করার
কথা
বলছে।
তাদের
গাইডলাইন
হচ্ছে
এটি
মাটির
নিচে
পুঁতে
ফেলা।
আমরা
যদি
ডাম্পিংয়ের
কথা
বলি,
তাহলে
প্রশ্ন—ঢাকা
শহরে
আমরা
কোথায়
গিয়ে
ডাম্পিং
করব?
আছে
মাতুয়াইল
ও
আমিনবাজার।
আমিনবাজার
তো
পানির
মধ্যে,
বন্যাপ্রবণ
এলাকা।
সেখানে
গিয়ে
ময়লা
ফেলা
হচ্ছে। জলাশয়
আইনকে
ও
সে
এলাকার
মানুষকে
বৃদ্ধাঙ্গুলি
প্রদর্শন
করছে।
আমাদের
তো
আসলে
সাধারণ
বর্জ্য
ব্যবস্থাপনাই
সাংঘাতিক
খারাপ।
তাই
মেডিকেল
বর্জ্য
বা
কভিড
বর্জ্য
নিয়ে
আমরা
আমাদের
চিন্তা
বা
প্রস্তুতি
এত
অল্প
সময়ে
অতটা
উন্নত
অবস্থায়
নিতে
পারছি
না।
ক্ষতিকারক করোনা
বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য একটি
কর্মপরিকল্পনা প্রস্তুত করার উদ্যোগ নিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর। শিগগিরই একটি পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা
হবে বলে
আমরা শুনেছি। এক্ষেত্রে কোন
বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেয়ার প্রতি
জোর দেবেন?
পরিবেশ
অধিদপ্তর
আমাদের
মূলত
গাইডলাইন
দেবে।
তারা
ডব্লিউএইচওর
দিকনির্দেশনার
বাইরে
যাবে
না।
এখনো
হাজার
হাজার
লোক
আক্রান্ত
হচ্ছে।
যারা
আক্রান্ত
হচ্ছে,
তাদের
কাছে
চিকিৎসার
বিষয়ে
যেভাবে
সরকারি
গাইডলাইন
পৌঁছাচ্ছে,
অর্থাৎ
আপনি
যেভাবে
ওই
রোগী
সম্পর্কে
তথ্য
সংগ্রহ
করছেন
এবং
তাকে
চিকিৎসা
ব্যবস্থা
বলে
দিচ্ছেন,
ওই
একই
চ্যানেল
ব্যবহার
করে
যদি
ওই
রোগীকে
আপনি
জানিয়ে
দিতে
পারেন
যে
তাদের
ব্যবহার্য
করোনা
বর্জ্য
আলাদা
করে
ফেলতে
হবে,
যাতে
সিটি
করপোরেশনের
লোক
তা
সংগ্রহ
করার
পর
বিশেষভাবে
ডিসপোজাল
করতে
পারে,
তবে
কিছুটা
নিয়ন্ত্রণ
আনা
সম্ভব
হতো।
এজন্য
কমিউনিটি
সম্পৃক্ততা
বৃদ্ধি
করে
বর্জ্য
ব্যবস্থাপনা
সমস্যার
সমাধান
করলে
করোনা
বর্জ্যের
মাধ্যমে
এই
রোগ
ছড়িয়ে
যাওয়ার
প্রবণতা
কমবে।
বাংলাদেশের
জন্য
এ
মুহূর্তে
ডাবল
চেম্বার
ইনসিনেটর
বা
অটোক্লোভিং
সমাধান
নয়।
আমাদের
বর্জ্য
পুঁতে
ফেলার
দিকেই
যেতে
হবে।
সিটি
করপোরেশন
ও
পরিবেশ
অধিদপ্তরের
কাছে
আমার
আবেদন
থাকবে
তারা
যেন
কমিউনিটি
সম্পৃক্ততা
বৃদ্ধি
করে।
করোনা
বর্জ্য
ব্যবস্থাপনায়
আবার
কোটি
কোটি
টাকার
যন্ত্র
কেনা
এবং
পরবর্তী
সময়ে
সে
যন্ত্রের
কোনো
ব্যবহার
না
থাকা,
এটা
যেন
না
হয়।
এমনটা
আমরা
দেখতে
চাই
না।
তাই
আমাদের
বহনযোগ্য
স্বল্প
ব্যয়ের
সমাধানের
দিকে
যেতে
হবে।
আমাদের দৃষ্টি সবসময় থাকে
ঢাকা বা
বড়জোর চট্টগ্রামকেন্দ্রিক। বিভাগীয় শহর
কিংবা জেলা
শহরগুলোর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, জলাবদ্ধতা, দূষণ, দখল
নিয়ে খুব
একটা কথা
আমরা শুনি
না। সেখানেও এসব ব্যবস্থাপনার অবস্থা নাজুক
বলেই ধরা
যায়। এ
ধরনের অসংগতির কারণ কী
বলে মনে
করেন? এ
ব্যর্থতা কার?
একটি
হচ্ছে
সংস্কৃতিগত
দিক
থেকেই
হয়তো
আমরা
খুব
একটা
পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন
নই।
আরেকটি
হচ্ছে
আমাদের
বাজেটে
যখন
অর্থ
বরাদ্দ
হয়,
যেকোনো
সভ্য
দেশে
আপনি
যে
বিষয়গুলোর
কথা
বলছেন—যেমন
বর্জ্য
ব্যবস্থাপনা,
স্বাস্থ্য,
পরিবেশ,
বাতাসের
গুণগত
মান,
পানির
মান
বজায়
রাখা—এগুলোয়
বিনিয়োগ
করা
হয়।
প্রিভেনশন
ইজ
বেটার
দেন
কিউর।
কিন্তু
আমরা
খুব
কিউর
অরিয়েন্টেড
সমাজ।
তাই
আমরা
প্রিভেনশনের
দিকে
মনোযোগ
দিই
না।
আপনি
দেখবেন
কক্সবাজারের
পৌরসভা
বাঁকখালী
নদীতে
এনে
ময়লা
ফেলে।
ময়মনসিংহে
৯১
শতাংশ
মেডিকেল
বর্জ্য
সাধারণ
বর্জ্যের
মতো
ফেলা
হয়।
ঢাকার
বাইরে
যে
জেলা
শহরগুলো
আছে,
বিভাগীয়
শহরগুলো
আছে,
সেগুলোর
একই
অবস্থা।
জাতীয়
পর্যায়ের
কোনো
গাইডলাইন
নেই,
তা
আপনি
ধরে
নিতে
পারেন।
গাইডলাইন
থাকলেও
সে
অনুযায়ী
অর্থ
বরাদ্দ
নেই।
যদি
অর্থ
বরাদ্দ
থাকে,
তবে
অর্থের
সদ্ব্যবহার
করা
হয়
না,
কারণ
এগুলো
অগ্রাধিকারের
মধ্যে
পড়ে
না।
আপনি
যখন মেয়রের
সঙ্গে
কথা
বলবেন
বা
জেলা
পর্যায়ের
কোনো
কর্মকর্তার
সঙ্গে
কথা
বলবেন
তখন
দেখবেন,
তারা
রাস্তাটা
বানিয়ে
ফেলতে
যতটা
আগ্রহী,
বর্জ্য
ব্যবস্থাপনায়
ততটা
আগ্রহী
নয়।
এগুলো
আমরা
অগ্রাধিকারের
মধ্যে
কখনো
আনতে
পারিনি,
বাইরেই
রয়ে
গেছে।
এবার
কভিড
বাস্তবতায়
যদি
আমরা
বুঝি
যে
আমাদের
জীবন
বাঁচাতে
গেলে
পরিচ্ছন্ন
হতে
হবে
এবং
এ
উপলব্ধি
যদি
নীতির
প্রণয়ন
ও
বাস্তবায়নে
কাজে
লাগানো
হয়,
তবে
হয়তো
উন্নয়নের
পথে
যাত্রা
শুরু
করা
যাবে।
মেট্রোরেলে
চলতে
গেলে
তো
একটা
কোয়ালিফাইড
জাতি
হতে
হবে
আমাদের।
এমন
বিশৃঙ্খল
জাতিকে
মেট্রোরেলে
চড়ানো
যাবে
না।
ধাক্কাধাক্কি
করে
বাসে
ওঠে
যে
জাতি,
তারা
মেট্রোরেলে
চড়ে
না।
সভ্যতার
কতগুলো
প্রাথমিক
মানদণ্ড
আছে।
তার
মধ্যে
বর্জ্য
ব্যবস্থাপনা
অন্যতম।
বর্জ্য
ব্যবস্থাপনার
উন্নয়ন
দেশব্যাপী
হতে
হবে
এবং
সেজন্য
স্থানীয়
সরকার
প্রতিষ্ঠানগুলোকে
অর্থ
ও
পরিবহন
দিয়ে
উদ্বুদ্ধ
করতে
হবে।
উন্নয়ন
ও
পরিবেশ
কেবল
ঢাকার
মানুষের
অধিকার
নয়,
দেশের
সব
মানুষের
ন্যায্য
দাবি।
আমি
আশা
করি,
সরকার
এরপর
বড়
বড়
মেগা
প্রজেক্টে
টাকা
দেয়ার
আগে
প্রাথমিক
পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা
ও
সুশাসনের
দিকে
প্রথমে
মনোযোগী
হবে।
আমাদের
প্রতিরোধে
মনোযোগী
হতে
হবে,
যাতে
নিরাময়ের
প্রয়োজন
আমাদের
কম
হয়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন,
পরিবেশদূষণের কারণে
করোনার মতো
প্রাণঘাতী রোগের
প্রকোপ বাড়ছে। আপনিও কি
তা-ই
মনে করেন?
হ্যাঁ।
আমিও
তা-ই
মনে
করি।
কারণ
আমরা
সব
ক্ষেত্রে
সীমা
ছাড়িয়ে
গেছি।
সব
ক্ষেত্রে
পরিবেশের
সব
জিনিসকে
বশীকরণ
অর্থাৎ
নিজেদের
নিয়ন্ত্রণে
নিয়ে
আসা
আমাদের
উদ্দেশ্য
হয়ে
গেছে।
আপনি
যদি
কেমন
করে
কভিড
এল—বিতর্কগুলো
খেয়াল
করেন,
তবে
দেখবেন
যে
সেখানে
একটা
বিতর্ক
হচ্ছে,
একটি
বিশেষ
প্রাণীর
জিন
নিয়ে
গবেষণা
করতে
গিয়ে
ল্যাবরেটরিতে
যথেষ্ট
পরিমাণ
নিরাপত্তা
ব্যবস্থা
না
থাকায়
ওখান
থেকে
একটা
দুর্ঘটনা
হয়ে
জিন
মিউটেশন
হয়ে
কভিড
ছড়িয়েছে।
এ
মতবাদ
চীনারা
মানে
না।
আরেকটি
মতবাদ
আছে,
যার
পেছনে
মোটামুটি
বৈশ্বিক
একটি
সম্মতি
আছে।
সেটি
হচ্ছে,
আমরা
বনে-জঙ্গলে
ঢুকে
গেছি,
ফলে
বন্যপ্রাণীরা
আমাদের
আবাসস্থলে
ঢুকে
গিয়েছে।
এ
প্রক্রিয়ায়
আমাদের
খাবার
টেবিলে
যে
বন্যপ্রাণী
থাকার
কথা
ছিল
না,
তা
আমাদের
খাবার
টেবিলে
পৌঁছে
গেছে।
তা
জিন
মিউটেশনের
একটা
আগ্রাসী
প্রক্রিয়াকে
ত্বরান্বিত
করেছে
এবং
আমরা
তা
নিয়ন্ত্রণ
করতে
পারছি
না।
আমরা
পড়েছিলাম,
বন্যেরা
বনে
সুন্দর,
শিশুরা
মাতৃক্রোড়ে।
যার
যার
জায়গায়
যদি
সে
থাকতাম
এবং
সীমা
ছাড়িয়ে
না
যেতাম
তাহলে
আমার
মনে
হয়
না
এত
বড়
বিপর্যয়ের
দিকে
আমরা
আসতাম।
আরেকটা
কথা
হচ্ছে,
কভিড
সামলাতে
আমাদের
ব্যর্থতার
কারণ
আমাদের
অতি
ভোগবাদী
জীবনাচরণ।
অতি
ভোগবাদী
জীবনাচরণের
কারণে
আমরা
প্রচুর
ভ্রমণ
করি।
এক
দেশ
থেকে
মানুষ
কারণে
অকারণে
ভ্রমণ
করে
অন্য
দেশে
এ
রোগটা
ছড়িয়ে
দিয়েছে।
আমার
একটা
ব্যক্তিগত
অভিজ্ঞতা
আপনাকে
বলি।
নারী
ও
পরিবেশ
বিষয়ের
ওপর
১০
মিনিটের
একটি
বক্তৃতা
দেয়ার
জন্য
আমাকে
নিউইয়র্ক
যাওয়ার
আমন্ত্রণ
জানানো
হলে
আমি
বলেছিলাম
১০
মিনিটের
এই
লেকচার
দিতে
আমি
ঢাকা
থেকে
নিউইয়র্ক
যাব
না,
কারণ
তাতে
আমার
কার্বন
ফুটপ্রিন্ট
অনেক
বেড়ে
যাবে।
আমাকে
অন্যভাবে
উপস্থিত
হওয়ার
সুযোগ
দেয়া
হোক।
ওরা
আমাকে
জবাবে
বলেছিল,
না,
তোমাকে
আসতেই
হবে।
কারণ
এখানে
শারীরিকভাবে
উপস্থিত
হওয়াটা
গুরুত্বপূর্ণ।
এখন
কভিড
পরিস্থিতিতে
আমরা
সবকিছুই
প্রায়
ওয়েবিনারে
করছি
এবং
আমি
মনে
করি,
সে
অনুষ্ঠানটিও
তেমনভাবে
করার
সুযোগ
ছিল।
কিন্তু
আমাদের
ভোগবাদী
জীবনযাপনের
ফলে
আমরা
ব্যয়সংকোচন
বা
ভ্রমণ
কমাতে
রাজি
ছিলাম
না।
আশা
করি
কভিড
পরিস্থিতি
ভোগবাদ
ও
দূষণ
কমিয়ে
নতুন
পরিবেশবান্ধব
জীবনাচরণে
আমাদের
উদ্বুদ্ধ
করবে।
এ ধরনের প্রকোপ কমিয়ে আনতে
করণীয় কী?
সংক্ষিপ্ত
করে
বললে
বলব,
প্রকৃতির
সঙ্গে
আমাদের
সহাবস্থান
করতে
হবে।
প্রকৃতির
বিরুদ্ধে
আমরা
লড়াই
করব
না।
প্রকৃতির
নিয়মনীতি
মেনে
চলে,
প্রকৃতিকে
সম্মান
প্রদর্শন
করে
আমাদের
উন্নয়ন
সাজাতে
হবে।
আরেকটা
বড়
কথা
হচ্ছে,
যেটা
আমি
আগেই
বলেছি,
বাংলাদেশে
আসলে
মানুষের
জীবন
সবচেয়ে
বেশি
অবহেলিত।
এ
বাস্তবতা
আমরা
আবারো
বুঝেছি।
আমাদের
সরকার
যদি
উন্নয়ন
করতে
চায়
এবং
উন্নয়নকে
গ্রহণযোগ্য
করতে
চায়
তাহলে
জনগণকে
সঙ্গে
নিয়ে
করতে
হবে।
সমাজে
তর্ক-বিতর্ক,
মতপ্রকাশের
স্বাধীনতার
ক্ষেত্র
তৈরি
করতে
হবে
এবং
বিরুদ্ধ
ও
বিকল্প
মতকে
বিবেচনায়
নিয়ে
উন্নয়নকে
ঢেলে
সাজাতে
হবে।
শেষ
কথা
হচ্ছে,
সরকার
যখন
বাজেট
বরাদ্দ
দেয়,
যে
জিনিসগুলো
জনগণের
বেশি
কাজে
লাগে
সেই
জিনিসগুলোয়
বেশি
বরাদ্দ
দেবে।
আমাদের
সরকারগুলো
ক্ষমতা
ধরে
রাখতে
কিংবা
ন্যস্ত
স্বার্থগোষ্ঠীর
কাজে
আসে
এমন
ক্ষেত্রে
বেশি
বরাদ্দ
রাখে,
কিন্তু
আমজনতার
কাজে
আসে
না,
সে
খাতগুলোয়
বাজেটে
কম
বরাদ্দ
দিতে
হবে।
আমাদের
টাকায়
যখন
সরকার
চলে
তখন
আমরা
কী
চাই,
ওটা
বুঝে
নিয়ে
আমাদের
যে
বিষয়গুলো
বেশি
কাজে
লাগবে
সেসব
ক্ষেত্রে
সরকার
যেন
বেশি
বরাদ্দ
দেয়।
মহামারীর
প্রকোপ
ঠেকাতে
স্থানীয়
পর্যায়ের
স্বাস্থ্য
ব্যবস্থাকে
শক্তিশালী
করতে
হবে।
কমিউনিটি
হাসপাতালগুলোকে
আইনের
আওতায়
এনে
সেখানে
বেশকিছু
স্বাস্থ্যসেবা
নিশ্চিত
করতে
হবে।
স্বাস্থ্য
বাজেটের
বড়
অংশ
তো
সেখানেই
যাওয়া
উচিত।
সরকারি
হাসপাতালের
সেবার
মান
ও
পরিধি
বাড়াতে
হবে।
দেশের
সব
জেলায়
জনসংখ্যা
বিবেচনায়
সব
সাধারণ
রোগের
চিকিৎসা
দিতে
সক্ষম
এমন
হাসপাতালের
সংখ্যা
বাড়াতে
হবে।
আরেকটি
বিষয়
হলো,
জনগণকে
স্বাস্থ্যসেবা
দিতে
প্রতিশ্রুতিবদ্ধ
এমন
চিকিত্কদের
স্বাাস্থ্য
খাতের
নেতৃত্বে
আনতে
হবে।
নতুবা
করপোরেট
ক্যাপচার
থেকে
জনস্বাস্থ্যকে
বাঁচানো
যাবে
না।
বণিক
বার্তায় গত মাসে
একটি প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে,
বন বিভাগের এক লাখ
একরের বেশি
বনভূমি দখলে
রয়েছে বিভিন্ন মানুষ ও
প্রতিষ্ঠানের কাছে।
আমাদের বন
বিভাগ রয়েছে
এসব দেখভালের জন্য। তার
পরও কেন
এসব দখল
বন্ধ হচ্ছে
না?
ভালো
প্রশ্ন
করেছেন।
এটি
খুবই
জটিল
আইনি
একটি
প্রক্রিয়া
এবং
এর
মধ্যেও
সুশাসনের
উপকরণ
জড়িত।
তবে
আপনাকে
একটা
কথা
বলি,
একজন
করদাতা
হিসেবে
যদি
আমার
ক্ষমতা
থাকত
বলার
যে
আমার
কর
কোথায়
যাবে
সেটা
আমি
নির্ধারণ
করব,
তবে
আমি
বলতাম
আমার
কর
যেন
কোনোভাবেই
রাজউক
কিংবা
বন
বিভাগে
না
যায়।
আমি
জানি
না
রাজউক
এবং
বন
বিভাগ
তাদের
অস্তিত্ব
কীভাবে,
কেমন
করে
যৌক্তিক
ব্যাখ্যা
করে।
বন
বিভাগে
কোনো
সৎ
লোক
নেই,
আমি
তা
বলছি
না।
হয়তো
কয়েকজন
আছে।
কিছুদিন
আগে
খুবই
দুঃখজনক
একটি
ঘটনা
ঘটেছে।
বন
বিভাগের
একজন
কর্মকর্তা
মহেশখালীতে
দখলদারদের
হাত
থেকে
বনের
জমি
উদ্ধার
করতে
গেলে দখলদাররা
তাকে
মেরেছে
এবং
তাতে
তিনি
মৃত্যুবরণ
করেছেন।
বন
বিভাগে
এ
রকম
কর্মকর্তা-কর্মচারীও
আছেন।
তবে
বড়
অংশই
ব্যতয়ী
এবং
পথভ্রষ্ট
বলে
আমার
ধারণা,
অন্তত
দেশের
বনের
চিত্র
তা-ই
বলে।
বনের
জমি
কেমন
করে
অন্যের
হয়ে
যায়?
সিএস
দাগে
যে
ভূমি
বন
দেখানো
ছিল,
তা
বন
বিভাগের
উদাসীনতায়
গাফিলতির
সুযোগে
এবং
ভূমি
প্রশাসনের
দুর্নীতির
কারণে
বন
না
দেখিয়ে
আরএস
ও
বিএস
খতিয়ানে
অন্য
কিছু
দেখানো
হয়েছে।
হয়
জেলা
প্রশাসন
খাসজমি
হিসেবে
দেখিয়েছে
বা
ভূমি
অফিস
রেকর্ড
বদলে
অন্য
কাউকে
ইজারা
দিয়েছে,
যার
প্রতিবাদ
বন
বিভাগ
সময়মতো
করেনি।
কোনো
কোনো
ক্ষেত্রে
বন
বিভাগ
নিজে
ডিসি
অফিসের
সঙ্গে
যোগসাজশ
করে
তার
ভূমি
অন্যভাবে
দেখিয়েছে।
আরেকটি
বড়
সমস্যা
হচ্ছে,
আমাদের
যে
রাজনৈতিক
দুর্বৃত্তায়ণ
হয়েছে,
সে
প্রক্রিয়ায়
যার
জমি
লাগবে,
সে
বনে
গিয়ে
একটা
কিছু
স্থাপনা
করে
এবং
জমির
রেকর্ড
কারচুপি
করে
নিজের
করে
নেয়।
বন
বিভাগ
বেশির
ভাগ
ক্ষেত্রেই
এর
বিরুদ্ধে
কোনো
কার্যকর
ব্যবস্থা
গ্রহণ
করেনি।
সরকারও
কোনো
রকম
বিবেচনা
ছাড়াই
বনের
ভূমিকে
উন্নয়নকাজে
বরাদ্দ
দিয়ে
যাচ্ছে।
বরাদ্দ
দেয়ার
ক্ষেত্রে
রাজনৈতিকীকরণের
প্রক্রিয়া
হিসেবে
এমন
একটি
নাম
জুড়ে
দেয়া
হয়,
তখন
অন্যরা
যদি
এখানে
প্রতিবাদ
করতে
আসে
তাহলে
তাদের
লেবেল
লাগিয়ে
দেয়া
হয়
বিরোধী
দল
হিসেবে।
অর্থাৎ
সরকারই
নিজের
নীতি
ভেঙে
বনভূমিকে
অন্য
কাজে
দিয়ে
দিচ্ছে।
ক্যাবিনেট
মিটিংয়ের
পর
সরকার
বেরিয়ে
এসে
বলে
যে
এখান
থেকে
পাঁচ
একর
জমি
নিয়ে
অন্য
অমুক
জায়গায়
১৫
একর
বন
করে
দেব।
কোথায়
যে
তারা
১৫
একর
বন
করে
দেয়,
আমরা
জানি
না।
সরকারের
উপলব্ধির
অভাব
আছে।
গাছ
আর
বন
তো
সমার্থক
বিষয়
নয়।
আপনি
১৫
হাজার
একর
জমিতে
যদি
গাছ
লাগিয়ে
দেন,
সেটা
কিন্তু
বন
হবে
না।
বন
একটা
প্রাকৃতিক
ব্যবস্থা।
এটা
একটা
প্রাণ
ব্যবস্থা।
কোনো
রকম
নিয়মনীতি
ছাড়াই
সরকার
এ
কাজগুলো
করে।
এখন
সরকার
বনের
ভেতর
ঢুকে
পড়েছে।
আগে
দুর্বৃত্তায়িত
রাজনীতি
ঢুকত।
এখন
সরকার
একেবারে
নিয়মনীতি
পাশ
কাটিয়ে
ক্যাবিনেট
মিটিং
করে
কীভাবে
বনকে
ব্যবহার
করা
যায়,
তা
রপ্ত
করে
ফেলছে
আর
বলছে
ওখানে
তিন
গুণ
বন
লাগাব,
ওখানে
দ্বিগুণ
গাছ
লাগাব।
আপনার
হাতে
যদি
এতই
জায়গা
থাকে
তাহলে
আগেই
গাছ
লাগাননি
কেন?
বন
কেটে
তার
পরে
লাগাচ্ছেন
কেন?
বাংলাদেশের
তো
বনের
পরিমাণ
আগে
থেকেই
অনেক
কম।
মোট
কথা
হচ্ছে,
বন
সরকারের
অগ্রাধিকার
নয়,
পরিবেশ
সরকারের
অগ্রাধিকার
নয়,
সরকারের
অগ্রাধিকার
হচ্ছে
রাস্তা
আর
তেলের
ডিপো।
মোটামুটি
এই
হচ্ছে
কারণগুলো,
যার
জন্য
আমাদের
বনভূমির
পরিমাণ
কমে
যাচ্ছে
এবং
অন্যান্য
সংস্থা
এগুলো
দখল
করে
নিচ্ছে।
আমাদের
বন
বিভাগ
চলে
১৯২৭
সালের
ব্রিটিশ
আইনকে
কেন্দ্র
করে।
আচ্ছা,
ব্রিটিশরা
কি
ওই
সময়
আমাদের
বন
রক্ষা
করতে
এসেছিল?
তারা
তো
এসেছিল
আমাদের
বনকেন্দ্রিক
বাণিজ্য
করতে।
আমরা
এখনো
সেই
বন
আইন
দিয়েই
চালাচ্ছি।
ভারত
ও
পাকিস্তান
একই
আইনে
বন
চালায়
কিন্তু
পাশাপাশি
তারা
বন
সংরক্ষণ
আইন
বলে
নতুন
একটা
আইন
করে
নিয়েছে।
আমরা
তা
করিনি।
বন
আইন
আমাদের
দেশের
একমাত্র
আইন,
যেখানে
বন
বিভাগের
দায়িত্ব
ও
কর্তব্য
বলে
কিছু
নেই।
কারণ
ওটা
তো
ব্রিটিশ
সরকারের
বন
বিভাগ,
ওর
শুধু
ক্ষমতা
আছে,
কোনো
দায়িত্ব-কর্তব্য
নেই,
তাই
বন
বিভাগ
শালবনে
শাল
গাছ
কেটে
ইউক্যালিপটাস
ও
আকাশমণি
গাছ
লাগায়।
শাল
গাছ
কেটে
অন্য
বাণিজ্যিক
প্রজাতির
গাছ
লাগায়।
আমরা
যদি
বননীতি
পড়ে
দেখি,
সেখানে
বলা
আছে
জীববৈচিত্র্য
রক্ষায়
যতটুকু
প্রয়োজন
ততটুকু
রেখে
বাকি
সব
বন
বাণিজ্যিক
বনায়নে
আনা
হবে।
কাজেই
প্রাকৃতিক
বন
কেটে
কেটে
বাণিজ্যিক
বিবেচনায়
গাছ
লাগানো
হচ্ছে।
সেগুন
গাছ
মাটির
নিচের
পানি
টেনে
নিচ্ছে।
পাহাড়ি
ঝরনাগুলো
শুকিয়ে
যাচ্ছে।
আকাশমণি
গাছে
পাখি
তেমন
বসে
না।
প্রাকৃতিক
ঘন
সবুজ
হারিয়ে
যাচ্ছে,
ন্যাড়া
বনের
ভূমিতে
স্থাপনা
উঠছে।
রামপাল
হলে
সুন্দরবন
হুমকিতে
পড়বে,
শাল
ও
পাহাড়ি
বন
গতপ্রায়—এমন
অবস্থায়
দেশের
বনের
অস্তিত্ব
নিয়ে
আমি
সত্যিই
শঙ্কিত।
[চলবে]