ব্যাংক হিসাব জব্দ

সন্দেহজনক লেনদেন এবং সাধারণ মানুষের আস্থা

মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন বন্ধে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা হচ্ছে বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট, যা বিএফআইইউ নামে সমধিক পরিচিত। মানি লন্ডারিং আইন এবং বিধিতে বিএফআইইউকে কিছু বিশেষ ক্ষমতা দেয়া হয়েছে অর্থ পাচার রোধে। নামে-বেনামে পরিচালিত ব্যাংক হিসাবগুলো খোলার তারিখ, হিসাব খোলার ফরম, আপনার গ্রাহককে জানুন (কেওয়াইসি ফরম), হিসাব খোলার শুরু থেকে সর্বশেষ তথ্য হালনাগাদ লেনদেন বিবরণী জানতে চাইতে পারে বিএফআইইউ। যেমন হিসাবগুলোয় কী পরিমাণ টাকা জমা ও উত্তোলেন সম্পর্কিত সব তথ্য, যেমন জমা ভাউচার, পে-অর্ডার, চেক এবং টাকার প্রাপক ও প্রাপকের হিসাবের তথ্য দাখিল করতে বলা হয়। অস্বাভাবিক লেনদেনের ব্যাপারেও ব্যাংক বা আর্থিক সংস্থাগুলোর কাছে ব্যাখ্যা চাইতে পারে বিএফআইইউ এবং সব তথ্যই দিতে বাধ্য থাকবে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো।

মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন বন্ধে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা হচ্ছে বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট, যা বিএফআইইউ নামে সমধিক পরিচিত। মানি লন্ডারিং আইন এবং বিধিতে বিএফআইইউকে কিছু বিশেষ ক্ষমতা দেয়া হয়েছে অর্থ পাচার রোধে। নামে-বেনামে পরিচালিত ব্যাংক হিসাবগুলো খোলার তারিখ, হিসাব খোলার ফরম, আপনার গ্রাহককে জানুন (কেওয়াইসি ফরম), হিসাব খোলার শুরু থেকে সর্বশেষ তথ্য হালনাগাদ লেনদেন বিবরণী জানতে চাইতে পারে বিএফআইইউ। যেমন হিসাবগুলোয় কী পরিমাণ টাকা জমা ও উত্তোলেন সম্পর্কিত সব তথ্য, যেমন জমা ভাউচার, পে-অর্ডার, চেক এবং টাকার প্রাপক ও প্রাপকের হিসাবের তথ্য দাখিল করতে বলা হয়। অস্বাভাবিক লেনদেনের ব্যাপারেও ব্যাংক বা আর্থিক সংস্থাগুলোর কাছে ব্যাখ্যা চাইতে পারে বিএফআইইউ এবং সব তথ্যই দিতে বাধ্য থাকবে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো।

বাংলাদেশে ২০০২ সালের ৭ এপ্রিল থেকে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন প্রণয়ন ও কার্যকর হওয়ার পর বাংলাদেশ ব্যাংকে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ বিভাগ এবং বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ ইউনিট চালু করা হয়েছে। সর্বশেষ ২০১৫ সালের ১১ অক্টোবর আইন সংশোধনের মাধ্যমে বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটকে আইনি ক্ষমতা দিয়ে আলাদা প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে, যা বিএফআইইউ নামে সমধিক পরিচিত। দুদক ছাড়াও সিআইডিকে মানি লন্ডারিং-সংক্রান্ত অপরাধের তদন্তের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে আইন সংশোধনের মাধ্যমে।

উল্লেখ্য, জনগণের স্বার্থ বিঘ্নিত হতে পারে অথবা অর্থ পাচারে বা প্রতিরোধের আশঙ্কায় আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর হিসাব স্থগিত করা হয়ে থাকে, যাতে কেউ টাকা তুলে নিতে না পারে। তবে বিএফআইইউ কর্তৃক উত্থাপিত অভিযোগগুলো নিষ্পত্তি হলে অথবা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারলে হিসাব খুলে দেয়া হয়। সাধারণত জনস্বার্থ বিবেচনায় নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ব্যাংক হিসাবের লেনদেন স্থগিত করা হয়। এছাড়া কোনো সংস্থা যেমন দুর্নীতি দমন কমিশন, সিআইডি থেকে অনুরোধ করা হলেও হিসাবের লেনদেন স্থগিত করা হয়।

লেনদেন স্থগিতের ক্ষেত্রে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ বিধিমালা, ২০১৯-এর ২৬(১)(খ) প্রযোজ্য হবে।

মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ বিধিমালা, ২০১৯-এর ২৬ বিধিতে লেনদেন স্থগিত বা হিসাব অবরুদ্ধকরণসংক্রান্ত বিধান লিপিবদ্ধ রয়েছে। বিধি ২৬ নিম্নরূপ:

২৬। লেনদেন স্থগিত বা হিসাব অবরুদ্ধকরণ। (১) আইনের ধারা ২৩ এর উপধারা (১)-এর দফা (গ)-তে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বিএফআইইউ নিম্নবর্ণিত পদ্ধতিতে রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থায় রক্ষিত হিসাবের লেনদেন স্থগিত বা হিসাব অবরুদ্ধকরণ কার্যকর করিবে, যথা:

 স্থগিতাদেশ বা অবরুদ্ধকরণ আদেশে হিসাব বা হিসাবধারী সম্পর্কে যতদূর সম্ভব বিস্তারিত তথ্যের সন্নিবেশ করিতে হইবে;

প্রতিটি স্থগিতাদেশ বা অবরুদ্ধকরণ আদেশের মেয়াদ হইবে ৩০ (ত্রিশ) দিন এবং বিএফআইইউ একটি নির্দিষ্ট হিসাবের বিপরীতে নির্দিষ্ট কারণে একাধিক্রমে ৭ (সাত) বার পর্যন্ত স্থগিতাদেশ বা অবরুদ্ধকরণ আদেশ প্রদান করিতে পারিবে;

স্থগিতাদেশ বা অবরুদ্ধকরণ আদেশের মেয়াদ বৃদ্ধির অনুমোদনের ক্ষেত্রে যুক্তিসংগত কারণ উপস্থাপন করিতে হইবে; এবং

বিএফআইইউ একই হিসাবে ভিন্ন ভিন্ন কারণে পৃথক পৃথক স্থগিতাদেশ বা অবরুদ্ধকরণ আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।

(২) ভিন্নরূপ কোনো নির্দেশনা না থাকিলে স্থগিতাদেশের আওতাধীন হিসাবের স্থিতি হইতে হিসাব পরিচালন ব্যয় ও প্রযোজ্য সরকারি কর বা শুল্ক ব্যতীত অন্য কোনো অর্থ ব্যয় বা উত্তোলন করা যাইবে না, তবে প্রচলিত হারে হিসাবের স্থিতির উপর সুদ বা মুনাফা হিসাবে জমাকৃত হইবে এবং যথাযথ প্রক্রিয়া অবলম্বন করিয়া অর্থ জমা করা যাইবে।

(৩) ভিন্নরূপ কোনো নির্দেশনা না থাকিলে বিএফআইইউ কর্তৃক অবরুদ্ধকৃত হিসাবের স্থিতি হইতে হিসাব পরিচালন ব্যয় ও প্রযোজ্য সরকারি কর বা শুল্ক ব্যতীত অন্য কোনো অর্থ ব্যয় বা উত্তোলন করা যাইবে না, তবে প্রচলিত হারে হিসাবের স্থিতির উপর সুদ বা মুনাফা হিসাবে জমাকৃত হইবে এবং উহাতে অন্য কোনো অর্থ জমা করা যাইবে না।

(৪) অবরুদ্ধকরণ আদেশ প্রাপ্তির পর সংশ্লিষ্ট রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থা উক্ত হিসাবের স্থিতি ও উক্ত হিসাবের সহিত সংশ্লিষ্ট অন্যান্য হিসাবের (সন্দেহজনক হিসাবের ক্ষেত্রে) তথ্যাদি অবিলম্বে বিএফআইইউকে অবহিত করিবে।

(৫) বিএফআইইউ এর স্থগিতাদেশ বা অবরুদ্ধকরণ আদেশের ফলে নির্দোষ ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ স্থগিতাদেশ বা অবরুদ্ধকরণ আদেশের পুনর্বিবেচনার আবেদন করিলে বিএফআইইউ উপবিধি (৬)-এ বর্ণিত প্রক্রিয়া অবলম্বন করিয়া স্থগিতাদেশ বা অবরুদ্ধকরণ আদেশ প্রত্যাহার করিতে পারিবে।

(৬) স্থগিতাদেশ বা অবরুদ্ধকরণ আদেশের বিষয়ে নির্দোষ তৃতীয় পক্ষের আবেদন পর্যালোচনাপূর্বক সুপারিশ প্রদানের জন্য অন্যূন ৩ (তিন) সদস্যের সমন্বয়ে একটি পুনর্বিবেচনা কমিটি গঠন করিতে হইবে এবং উক্ত কমিটির সুপারিশ বিবেচনাক্রমে প্রধান কর্মকর্তা স্থগিতাদেশ বা অবরুদ্ধকরণ আদেশ প্রত্যাহার করিতে পারিবেন।

(৭) স্থগিতাদেশ বা অবরুদ্ধকরণ আদেশ প্রদান এবং তাহা প্রত্যাহারে প্রধান কর্মকর্তার অনুমোদন আবশ্যক হইবে এবং উপপ্রধান কর্মকর্তা স্থগিতাদেশ বা অবরুদ্ধকরণ আদেশ বর্ধিত করিতে পারিবেন, তবে তাহা প্রধান কর্মকর্তাকে সময় সময় অবহিত করিতে হইবে।

উল্লেখ্য, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ (২০১২ সালের ৫ নং আইন) এবং ২৯ ধারার প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ বিধিমালা, ২০১৯ প্রণয়ন করে ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯।

সন্দেহজনক লেনদেনের বিষয়টি অতিগুরুত্বপূর্ণ। মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ধারা ২-এর (য) উপধারায় সন্দেহজনক লেনদেনকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। যেমন সন্দেহজনক লেনদেন বলতে বোঝায় ‘যাহা স্বাভাবিক এবং সাধারণ লেনদেনের ধরন হইতে ভিন্ন বা যে লেনদেন অপরাধ হইতে অর্জিত সম্পদ বা কোনো সন্ত্রাসী কার্যে, কোনো সন্ত্রাসী সংগঠনকে বা সন্ত্রাসীকে অর্থায়ন।’ মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থার গুরুত্ব অপরিসীম, কারণ রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থার রিপোর্ট ব্যতীত বড় বড় আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মানি লন্ডারিংয়ের অনুসন্ধান, তদন্ত এবং বিচারকার্য পরিচালনা অসম্ভব। রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থার বিষয়টি অতিগুরুত্বপূর্ণ।

অর্থ পাচার প্রতিরোধে দুদক, বিএফআইইউ, সিআইডি (পুলিশ), শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তর, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি রিপোর্টিং এজেন্সি এবং তার মান অনেক বাড়াতে হবে। এসব প্রতিষ্ঠান নিজেদের মধ্যে আরো সমন্বয় বাড়াতে হবে। এলসি-সংক্রান্ত আর্থিক অপরাধের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের মধ্যে প্রযুক্তিগত সমন্বয় বেশি প্রয়োজন। কারণ যখন কোনো ব্যাংকে এলসি খোলা হয়, যে পরিমাণ টাকার এলসি খোলা হয়েছে, সেই পরিমাণ পণ্য আনা হয়েছে কিনা, তা দেখার দায়িত্ব জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের। সেজন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ও ব্যাংকগুলোর মধ্যে একটি আন্তঃঅনলাইন সম্পর্ক প্রয়োজন।

মানি লন্ডারিং অপরাধ প্রতিরোধে রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থার দায়দায়িত্বের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে গ্রাহকের হিসাব পরিচালনাকালে গ্রাহকের পরিচিতির সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ তথ্য সংরক্ষণ করা; কোনো গ্রাহকের হিসাব বন্ধ হলে বন্ধ হওয়ার তারিখ থেকে অন্যূন পাঁচ বছর পর্যন্ত ওই হিসাব ও হিসাবের লেনদেনসংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণ করা; সংরক্ষিত তথ্যাদি বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের চাহিদা মোতাবেক সময় সময় সরবরাহ করা; সন্দেহজনক লেনদেন বা লেনদেনের প্রচেষ্টা পরিলক্ষিত হইলে নিজ উদ্যোগে অবিলম্বে বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটে সন্দেহজনক লেনদেনের রিপোর্ট করা। এজন্য ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ গ্রাহক পরিচিতি সংরক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিধায় এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন।

দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে প্রথমে বাংলাদেশ মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০০২ প্রণয়ন করে। সন্ত্রাস ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম প্রতিহত করার উদ্দেশ্যে ২০০৯ সালে সন্ত্রাসবিরোধী আইন প্রণীত হয়। পরে ওই আইনগুলোকে আরো কার্যকর এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে উন্নীত করার লক্ষ্যে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২; মানি লন্ডারিং প্রতিরাধ আইন (সংশোধন), ২০১৫ এবং সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) আইন ২০১২ ও ২০১৩ প্রণীত হয়। দেশের মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অর্থায়ন প্রতিরোধ কাঠামোকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে উন্নীত করার লক্ষ্যে সময়নির্ধারক কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের মাধ্যমে মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অর্থায়ন প্রতিরোধে বিভিন্ন কার্য সম্পাদন করা হয়।

২০০৮ সালের আগ পর্যন্ত মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসী অর্থায়নের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ দেশের তালিকায় নাম ছিল বাংলাদেশের। তবে বিশ্বের মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসী অর্থায়ন প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড নির্ধারণকারী সংস্থা ফিন্যান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্কফোর্সের (এফএটিএফ) সদস্য হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার পর সংস্থাটির নজরদারির মধ্যে পড়ে বাংলাদেশ। এ সময় তারা ৪০টি শর্ত প্রতিপালনের পরামর্শ দেয়। একই সঙ্গে সংস্থাটি তাদের দেয়া শর্ত ঠিকমতো বাস্তবায়ন হচ্ছে কিনা, তারও মূল্যায়ন করে। এরই ধারাবাহিকতায় সরকার নানা পদক্ষেপ নেয় এবং তার তথ্য ওই সংস্থাটিকে সরবরাহ করে। এসবের ফলে বাংলাদেশ মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসী অর্থায়নে ঝুঁকিপূর্ণ দেশের তালিকা থেকে বেশ কয়েক বছর আগে বের হয়ে আসে।

বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের আইনি ও প্রশাসনিক ক্ষমতা আরো কঠোরভাবে প্রয়োগের ক্ষেত্রে সংস্থাটিকে একটু ঢেলে সাজাতে হবে। যেমন সংস্থাটির মধ্যে দুদক, অ্যাটর্নি জেনারেল অফিস, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, পুলিশ এবং পুলিশের গোয়েন্দা সংস্থা, ব্যাংকারের মধ্যে থেকে কিছু সৎ, দক্ষ এবং অভিজ্ঞ ব্যক্তির সন্নিবেশ ঘটাতে হবে। পৃথিবীর অনেক দেশে এ ধরনের নজির রয়েছে। যেমন সাইপ্রাস, লুক্সেমবার্গ, নরওয়ে, ডেনমার্ক, মরিশাস ইত্যাদি।  বিএফআইইউ যেহেতু আর্থিক খাতের লেনদেনের একমাত্র পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট গ্রহীতা, সুতরাং এর পক্ষেই বুদ্ধিবৃত্তিক বিশ্লেষণ ও প্রয়োগ সহজসাধ্য হবে সমন্বয়ের মাধ্যমে।

 

মো. খুরশীদ আলম খান: অ্যাডভোকেট; বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট

সিনিয়র প্রসিকিউটর; দুর্নীতি দমন কমিশন

সম্পাদক; ঢাকা ল রিপোর্টস (ডিএলআর)

আরও