সর্বশেষ ২০১৬ সালে ভাড়া বাড়িয়েছিল বাংলাদেশ রেলওয়ে। চার বছর পর আরেক দফায় ভাড়া ভাড়া বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে সংস্থাটি। সম্প্রতি রেলওয়ে ট্যারিফ কমিটির বৈঠকে নন-এসি আসনের ভাড়া ২৫ শতাংশ, এসি চেয়ার ও বার্থের ভাড়া ৮০ শতাংশ এবং পণ্যবাহী ও কনটেইনারবাহী ট্রেনে ২০ শতাংশ হারে ভাড়া বৃদ্ধির প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন রেলপথমন্ত্রী মো. নুরুল ইসলাম সুজন। আজ সোমবার রেলভবনে ৫০টি ব্রডগেজ ও ৭৫টি মিটারগেজ লাগেজ ভ্যান ক্রয়ের চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এখনই রেলের ভাড়া বাড়ছে না। আর এখন পর্যন্ত রেলের ভাড়া বাড়ানোর কোন সিদ্ধান্ত হয়নি।
মন্ত্রী আরো বলেন, ভবিষ্যতে করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এবং মানুষের জীবনযাত্রা স্বাভাবিক হলে রেলের ভাড়া বাড়ানোর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এই মুহূর্তে ভাড়া বাড়ানোর কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
রেলপথ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, বৈঠক হলেও এখনই ভাড়া বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা নেই রেলওয়ের। ২৫ থেকে ৮০ শতাংশ ভাড়া বৃদ্ধির পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণীতে নূন্যতম ভাড়াও বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে ট্যারিফ কমিটি।
বিভিন্ন শ্রেণির ন্যূনতম ভাড়াও নতুন করে নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে নন এসি ৫ টাকার পরিবর্তে ১০ টাকা, মেইল ১৫ টাকার স্থলে ২০ টাকা এবং এবং কমিউটার ট্রেনে ২০ টাকার বদলে ২৫ টাকা, সুলভ আসনের জন্য ৪৫, শোভন ৫৫, শোভন চেয়ার ৬৫, ১ম সিট এসি চেয়ার ১১০, ১ম বার্থ ১৩০, এসি বার্থ ১৬৫ টাকা নূন্যতম ভাড়া নির্ধারণের প্রস্তাব দেয়া হয়।
বিষয়টি সম্পর্কে যোগাযোগ করা হলে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ তথ্য কর্মকর্তা শরিফুর আলম বলেন, বাংলাদেশ রেলওয়ে ভাড়া বৃদ্ধির কোনো পরিকল্পনা গ্রহণ করেনি।