চট্টগ্রামে করোনা আক্রান্ত ৬২ শ্রমিকের ৪৯ জনই ইপিজেডের কারখানার

সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটির মধ্যে দীর্ঘ এক মাস বন্ধ থাকার পর গত ২৬ এপ্রিল থেকে পর্যায়ক্রমে সচল হয় দেশের ছয় শিল্প এলাকার কারখানাগুলো। এরপর আবার ঈদের ছুটি এবং ছুটি শেষে শ্রমিকদের কাজে যোগদান। কারখানা ‘বন্ধ-খোলা-বন্ধ’ চক্রে পড়ে অনেক শ্রমিকই কর্মস্থল থেকে গ্রামের বাড়িতে আসা-যাওয়ার মধ্যে ছিলেন। ফলে কভিড আক্রান্তের ঝুঁকি বেড়ে গিয়েছিল তাদের। এরই মধ্যে শ্রমঘন ছয় এলাকার শিল্প-কারখানাগুলোয় ৪৫৬ শ্রমিক কভিড-১৯ পজেটিভ শনাক্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে বন্দরনগরী চট্টগ্রামের শিল্প কারখানায় আক্রান্ত শ্রমিকের সংখ্যা ৬২ জন। যার ৪৯ জনই রফতানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের (ইপিজেড) কারখানার সঙ্গে যুক্ত।

সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটির মধ্যে দীর্ঘ এক মাস বন্ধ থাকার পর গত ২৬ এপ্রিল থেকে পর্যায়ক্রমে সচল হয় দেশের ছয় শিল্প এলাকার কারখানাগুলো। এরপর আবার ঈদের ছুটি এবং ছুটি শেষে শ্রমিকদের কাজে যোগদান। কারখানা ‘বন্ধ-খোলা-বন্ধ’ চক্রে পড়ে অনেক শ্রমিকই কর্মস্থল থেকে গ্রামের বাড়িতে আসা-যাওয়ার মধ্যে ছিলেন। ফলে কভিড আক্রান্তের ঝুঁকি বেড়ে গিয়েছিল তাদের। 

এরই মধ্যে শ্রমঘন ছয় এলাকার শিল্প-কারখানাগুলোয় ৪৫৬ শ্রমিক কভিড-১৯ পজেটিভ শনাক্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে বন্দরনগরী চট্টগ্রামের শিল্প কারখানায় আক্রান্ত শ্রমিকের সংখ্যা ৬২ জন। যার ৪৯ জনই রফতানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের (ইপিজেড) কারখানার সঙ্গে যুক্ত। 

গত ২৩ মে পর্যন্ত কভিড-১৯ শনাক্ত হওয়া শ্রমিকের সংখ্যা ছিল ১৭০। এরপর গত ১ জুন এ সংখ্যা বেড়ে হয় ২৫১, ২১ জুন ছিলো ৪১৭। সর্বশেষ আজ বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) পর্যন্ত আক্রান্ত শ্রমিকের সংখ্যা ৪৫৬ জন। তারা বিভিন্ন খাতের মোট ১৯৩টি কারখানার সঙ্গে যুক্ত। 

শিল্প পুলিশের তথ্য বলছে, আশুলিয়া, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রাম, খুলনা ও ময়মনসিংহ এই ছয় শিল্প এলাকায় পোশাক শিল্প মালিক সংগঠন বিজিএমইএর সদস্য কারখানা আছে ১ হাজার ৮৮২টি, যার ৭২টিতে কভিড-১৯ শনাক্ত হয়েছেন ২৩১ জন শ্রমিক। আরেক সংগঠন বিকেএমইএ সদস্য কারখানা আছে মোট ১ হাজার ১০১টি, যার ৩২টিতে আক্রান্ত শনাক্ত শ্রমিক ১০০ জন। পোশাক শিল্পের ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ প্রাইমারি টেক্সটাইল খাতের সংগঠন বিটিএমএ সদস্য মোট ৩৮৯ কারখানার মধ্যে তিনটি কারখানায় চারজন শ্রমিক কভিড আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। রফতানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেপজা) আওতাভুক্ত ছয় শিল্প এলাকায় মোট ৩৬৪ কারখানার মধ্যে ৫৭টিতে করোনা আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন ৭৯ জন শ্রমিক। অন্যান্য খাতের ৩ হাজার ৮৬৬টি কারখানার মধ্যে ২৯টির ৪২ জন কভিড-১৯ আক্রান্ত বলে শনাক্ত হয়েছেন।  

চট্টগ্রাম এলাকার মোট আক্রান্ত শনাক্ত ৬২ শ্রমিকের একজন বিজিএমইএর সদস্য কারখানার। এছাড়া বিকেএমইএর দুইটি কারখানার দুইজন শ্রমিকও কভিড আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। 

চট্টগ্রাম এলাকায় বিটিএমএ সদস্য কারখানায় কভিড আক্রান্ত শ্রমিকের তথ্য পাওয়া যায়নি। এ এলাকায় রফতানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষের আওতাধীন কারখানার শ্রমিকই সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত বলে শনাক্ত হয়েছেন। চট্টগ্রামের মোট আক্রান্তের ৪৯ জনই বেপজার আওতাধীন কারখানার। ওই এলাকায় অন্যান্য খাতের ১০ কারখানার ১০ জন শ্রমিক কভিড আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন।

আরও