গত সোমবার রাতে লাদাখে চীনা সেনারা ২০ জন ভারতীয় সেনাকে হত্যা করেছে। এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে শীর্ষ মার্কিন সিনেটর মিচ ম্যাককনেল বলেছেন, ভারতের কিছু অঞ্চল দখল করতেই চীনা সেনাবাহিনী এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পেছনে প্ররোচণা দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার সংসদে ‘মেজরিটি ফরেন পলিসি স্পিস’ এর ভাষণে ম্যাককনেল বলেন, ‘১৯৬২ সালের পর ভারত ও চীনের মধ্যে সবচেয়ে বড় এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) প্ররোচণা দিয়েছে কিছু অঞ্চল দখলের উদ্দেশে।’
তার ভাষণে উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকির নাম চীন। তিনি আরো বলেন, ‘এটা বলার প্রয়োজন পড়ে না যে, দুই পারমানবিক শক্তিধর দেশের সহিংস সংঘর্ষ গোটা বিশ্ব অবলোকন করেছে। আমরা উত্তেজনা প্রশমন ও শান্তির পক্ষে। কিন্তু কিছু মানুষকে তাদেরই সীমান্তের মধ্যে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করে চীন আন্তর্জাতিক আইনকেই চ্যালেঞ্জ করল, হয়তো বিশ্ব মানচিত্রকে পুনরায় লিখে নিজেদের পক্ষে নিতে চায় তারা।'
তিনি দাবি করেন, চীনা কমিউনিস্ট পার্টি চলমান কভিড-১৯ মহামারীর কারণে সৃষ্ট খারাপ পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে একটা ধূম্রজাল তৈরি করে হংকংয়ের ওপর নিপীড়ন চালিয়েছে এবং এই অঞ্চলের ওপর নিয়ন্ত্রণ নিতে তৎপর। তার কথায়, ‘সমুদ্রের কথা যদি বলি, সেনকাকু দ্বীপ নিয়ে তারা জাপানকে ভীতিপ্রদর্শন করতে চাইছে। আকাশে, গত কিছুদিনের মধ্যে চার চারবার তাইওয়ানের আকাশে অনুপ্রবেশ করেছে চীনা জেট বিমান।’
লাদাখের ঘটনার পর ভারত তাদের বাজারে চীনা মোবাইল কোম্পানি হুয়াওয়ে ও জেডটিই নিষিদ্ধ করেছে, যাকে স্বাগত জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসম্যান জিম ব্যাংকস। তিনি বলেন, ‘চীনের কমিউনিস্ট পার্টির খুনীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোই সর্বোত্তম পন্থা। ভারত অবশ্যই ভয় পাবে না। সাহসী ও বুদ্ধিদীপ্ত সিদ্ধান্ত।’
সূত্র: এনডিটিভি