ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) আয় ব্যয় পর্যালোচনায় সম্প্রতি ৫ সদস্যের একটি গঠন করা হয়েছে। গেল বছর থেকে পুঁজিবাজারে লেনদেন কমে যাওয়ার কারণে এমনিতেই ডিএসইর আয় কমে গেছে। তার উপর কভিড-১৯ এর কারণে এ বছরের মার্চ থেকে এক্সচেঞ্জটির আয় আরো কমেছে। এ অবস্থায় অপ্রয়োজনীয় ব্যয়ের রাশ টানতে কমিটিকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
ডিএসইর স্বতন্ত্র পরিচালক সালমা নাসরিনের নেতৃত্বে কমিটির অন্য ৪ সদস্য হলেন এক্সচেঞ্জটির স্বতন্ত্র পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মো. মোস্তাফিজুর রহমান, মো. মুনতাকিম আশরাফ, অধ্যাপক ড. এ কে এম মাসুদ এবং এক্সচেঞ্জটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী ছানাউল হক।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কমিটি কাউকে চাকরিচ্যুত করার সুপারিশ নিবে না। তবে কর্মীদের বেতন-ভাতা কমানোর বিষয়ে সুপারিশ করা হবে। ডিএসইর প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (সিওও), প্রধান কারিগরি কর্মকর্তা (সিটিও) ও প্রধান অর্থ কর্মকর্তা(সিএফও) এ পদগুলো আগে চুক্তিভিত্তিক থাকলেও কয়েক বছর আগে স্থায়ী করা হয়েছে। অথচ তারা চুক্তিভিত্তিক কালীন সময়ের মতই উচ্চ বেতন নিচ্ছেন। সালমা নাসরিনের কমিটি তাদের চাকরি কিভাবে স্থায়ী হল এবং তারা কিভাবে উচ্চহারে বেতন পাচ্ছেন সেটি পর্যালোচনা করবেন। তাছাড়া ডিএসইতে বর্তমানে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেনীর কর্মচারীর সংখ্যা বেশি। তাদের পিছনে এক্সচেঞ্জটির বড় অংকের অর্থ ব্যয় হচ্ছে। এ বিষয়টিও কমিটি পর্যালোচনা করবে। কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ডিএসইর পর্ষদ এ বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে বলে জানা গেছে।