নারায়ণগঞ্জ থেকে পালানোর সময় কয়েকশ লোককে ঠেকালো পুলিশ

করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে লকডাউন অমান্য করে নৌ ও সড়কপথে নারায়ণগঞ্জ থেকে পালানোর সময় প্রায় পাঁচশ নারী-পুরুষকে ঠেকিয়ে দিয়েছে পুলিশ। পাশাপাশি তাদের বহনকারী সাতটি পিকআপ, একটি ট্রাক ও একটি নৌযান জব্দ করা হয়েছে। এ তথ্য নিশ্চিত করে ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম হোসেন জানান, মঙ্গলবার রাতে সদর উপজেলার টাগারপাড়, মাউরাপট্টি, সাইনবোর্ড ও ধর্মগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাদের আটক করে এবং তাদের বহনকারী যানগুলো জব্দ করে।

করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে লকডাউন অমান্য করে নৌ ও সড়কপথে নারায়ণগঞ্জ থেকে পালানোর সময় প্রায় পাঁচশ নারী-পুরুষকে ঠেকিয়ে দিয়েছে পুলিশ। পাশাপাশি তাদের বহনকারী সাতটি পিকআপ, একটি ট্রাক ও একটি ট্রলার জব্দ করা হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার গভীর রাতে সড়ক পথে ও নৌপথে অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাদের আটকের পর সতর্ক করে করে নিজ নিজ বাসায় পাঠিয়ে দেয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মুহম্মদ জায়েদুল আলম।

তথ্যটি নিশ্চিত করে ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম হোসেন জানান, মঙ্গলবার রাতে সদর উপজেলার টাগারপাড়, মাউরাপট্টি, সাইনবোর্ড ও ধর্মগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাদের আটক করে এবং তাদের বহনকারী যানগুলো জব্দ করে।

পুলিশ জানিয়েছে, সাতটি  পিকআপ ভ্যান, একটি ট্রাক ও কয়েকটি ট্রলারে করে প্রায় তিনশ নারী-পুরুষ কিশোরগঞ্জসহ আশেপাশের জেলায় রাতের আঁধারে নারায়ণগঞ্জ ছেড়ে যাচ্ছিল। গভীর রাতে পুলিশ ফতুল্লার সড়ক ও নৌপথে বিভিন্ন এলাকায অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে। নগরীর ইসদাইর গাবতলী এলাকা থেকে তিনটি পিকআপ ভ্যানে প্রায় ৬০-৭০ জন, ফতুল্লা চর বক্তাবলী এলাকার বালুবাহী বাল্কহেডে ৭০-৮০ জন এবং ট্রলারে করে আরো অর্ধশত লোক কিশোরগঞ্জ যাওয়ার পথে আটক হন। এছাড়া সড়কপথে আরো কয়েকটি পিকআপ ভ্যানে করে বেশ কিছু লোক যাওয়ার পথে পুলিশ আটক করে। পরে তাদেরকে কড়াভাবে সতর্ক করে নিজ নিজ বাড়ি পাঠিয়ে দেয়া হয়।

ওসি আসলাম বলেন, মঙ্গলবার রাতে টহল ও নৌপুলিশের কয়েকটি দল এসব যাত্রীদের আটক করে। তারা সবাই কিশোরগঞ্জের উদ্দেশে যাচ্ছিল। পরে যাত্রীদের বাসায় ফেরত পাঠানো হয়। আটক যাত্রীরা ফতুল্লা শিল্পাঞ্চলে পোশাক কারখানাসহ বিভিন্ন কারখানার শ্রমিক। কারখানা বন্ধ থাকায় তারা কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। তাছাড়া তারা আতঙ্কে ভুগছেন। এ কারণে তারা নারায়ণগঞ্জ ছেড়ে গ্রামের বাড়িতে যাচ্ছিলেন।

গত ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ১৩ জনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে। তাছাড়া আরও ১৬৯ জন আক্রান্ত হওয়ার তথ্য রয়েছে। আইইডিসিআর থেকে নারায়ণগঞ্জ জেলাকে ঝুঁকিপূর্ণ জেলা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় গত ৮ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ জেলাকে লকডাউন ঘোষণা করে আইএসপিআর। নারায়ণগঞ্জ শহর ও সদর উপজেলা এলাকায় আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

আরও