রাজনৈতিক বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ করছে টুইটার

সব ধরনের রাজনৈতিক বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটার। বৃহস্পতিবার সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী জ্যাক ডরসি তার টুইটবার্তায় এ তথ্য জানিয়েছেন।

সব ধরনের রাজনৈতিক বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটার। বৃহস্পতিবার সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী জ্যাক ডরসি তার টুইটবার্তায় এ তথ্য জানিয়েছেন।

অন্যতম শীর্ষ এই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রধান ডরসি লিখেছেন, ‘আমরা সারাবিশ্বে টুইটারে রাজনৈতিক বিজ্ঞাপন বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা বিশ্বাস করি, ‘রাজনৈতিক বার্তা এত সহজেই টাকার মাধ্যমে মানুষের কাছে পৌঁছানো উচিৎ, এটা অর্জন করতে হয়। কেন? এর কয়েকটি কারণ আছে।’ এরপর তিনি পয়েন্ট আকারে কিছু কারণ তুলে ধরেন।

তিনি ইন্টারনেট বিজ্ঞাপনকে ‘খুবই শক্তিশালী’ উল্লেখ করে বলেন, ‘এটি ব্যবসায়ীদের জন্য খুবই কাযর্কর। তবে এই শক্তিমত্তাটিই রাজনীতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।’

ডরসি তার টুইটবার্তা আরো বলেন, নিষেধাজ্ঞার অন্যতম একটি কারণ হচ্ছে সহজেই যাতে কেউ কোনও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে দিতে না পারে। এজন্য আমরা আমাদের সিস্টেমগুলোকে নতুন করে আপডেট করছি।’

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এই নিষেধাজ্ঞা আগামী ২২ নভেম্বর থেকে কার্যকর করা হবে এবং এর সম্পূর্ণ বিবরণী পাওয়া যাবে আগামী ১৫ নভেম্বর।

এর আগে বিশ্বের সবচেয়ে বড় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক জানিয়েছিল তারা রাজনৈতিক বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধের পক্ষে নয়। এমন সময় টুইটারের এই অবস্থান রাজনীতিবিদদের জন্য বিশেষ করে মার্কিন রাজনীতিবিদদের কাছে বড় এক ধাক্কা বলে মনে করছেন অনেকে। 

মূলত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার প্রতিদিনের বক্তব্য টুইটারে টুইট করে থাকেন। টুইটারে রাজনৈতিক বার্তা ‘বুস্ট’ বন্ধ হওয়াটাকে একটা ষড়যন্ত্রই মনে করছেন ট্রাম্পের ম্যানেজার ব্রাড পারস্কেল। তিনি বলেন, ‘এটা আসলে ট্রাম্প ও কনজারভেটিভদের কণ্ঠরোধ করার প্রয়াস।’

তবে ডেমোক্রেট প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী জো বাইডেনের মুখপাত্র বিল রুসো বলেন, ‘এটা ভালো খবর যে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় অর্থ জিতছে না।’

আরও