তবে যেসব এলাকায় এ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বেশি সেখানে সাধারণত শৈশবের শুরুর দিকেই অনেকে হেপাটাইটিস ‘এ’-তে আক্রান্ত হয়ে থাকে।
যাদের ঝুঁকি বেশি
অস্বাস্থ্যকর স্যানিটেশন/ পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা
নিরাপদ পানির অভাব
সংক্রমিত ব্যক্তির সঙ্গে একই
পরিবারে বসবাস করা
মাদকদ্রব্য গ্রহণ
রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বা টিকা না নিয়ে উচ্চ প্রাদুর্ভাবের এলাকাগুলোয় ভ্রমণ করা
প্রতিরোধ
হেপাটাইটিস ‘এ’ মোকাবেলার সবচেয়ে কার্যকর উপায়গুলো হলো স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নয়ন, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ ও টিকাদান।
নিচের পদক্ষেপগুলোর মাধ্যমে হেপাটাইটিস ‘এ’-এর বিস্তার কমিয়ে আনা সম্ভব:
নিরাপদ খাবার পানির পর্যাপ্ত সরবরাহ
জনবসতিগুলোয় সঠিক ও উপযুক্ত পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা
ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা। যেমন খাবারের আগে ও শৌচাগার ব্যবহারের পর নিয়মিত হাত ধোয়া এবং
পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা
আন্তর্জাতিকভাবে ইনজেকশনের মাধ্যমে নেয়ার মতো বেশ কয়েকটি নিষ্ক্রিয় বা ইনঅ্যাক্টিভেটেড হেপাটাইটিস ‘এ’ টিকা রয়েছে। এ সবক’টি টিকাই ভাইরাসের বিরুদ্ধে একই ধরনের সুরক্ষা দেয় এবং এগুলোর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও প্রায় একই রকম। এক বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য কোনো টিকার অনুমোদন দেয়া হয়নি। তবে চীনে এ ভাইরাসের একটি লাইভ অ্যাটেনুয়েটেড (জীবন্ত কিন্তু দুর্বল করা জীবাণু) টিকাও পাওয়া যায়।