সঠিক খাদ্যাভ্যাস লিভারের ওপর চাপ কমায় এবং দ্রুত সুস্থ হতে সাহায্য করে
যেসব খাবার খেতে পারেন
তরল ও পানীয়
শরীরকে পানিশূন্যতা থেকে রক্ষা করতে প্রচুর তরল পান করা জরুরি। যেমন বিশুদ্ধ পানি, ডাবের পানি, তাজা ফলের রস, স্যুপ, ওরস্যালাইন
শর্করা জাতীয় খাবার (কার্বোহাইড্রেট)
সহজপাচ্য খাবার শরীরে শক্তি জোগায় এবং হজমে আরাম দেয়। যেমন চিড়া, মুড়ি, ওটস, সুজি, পাতলা খিচুড়ি, নরম ভাত বা জাউ
প্রোটিন জাতীয় খাবার
পরিমিত প্রোটিন শরীরের দুর্বলতা কাটাতে সাহায্য করে। যেমন মাছ, চর্বিহীন মুরগির মাংসের পাতলা ঝোল, ডাল, টকদই
ফলমূল ও সবজি
তাজা ফল ও সহজপাচ্য সবজি লিভারের জন্য উপকারী। যেমন পাকা পেঁপে, কলা, আপেল, কমলালেবু, গাজর, লাউ, মিষ্টিকুমড়া, পেঁপে
যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন
তৈলাক্ত ও ভাজাপোড়া খাবার—এ ধরনের খাবার লিভারের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে। এড়িয়ে চলুন ভাজাপোড়া খাবার, অতিরিক্ত তেলযুক্ত খাবার, ঘি ও মাখন, ফাস্টফুড।
অতিরিক্ত মসলা হজমে সমস্যা তৈরি করতে পারে। ঝাল খাবার, অতিরিক্ত মসলাযুক্ত রান্না এবং প্রক্রিয়াজাত (Processed) খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। অ্যালকোহল লিভারের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর এবং রোগ আরো গুরুতর করতে পারে। তাই সম্পূর্ণভাবে এড়িয়ে চলতে হবে।
সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে বাইরের ও অস্বাস্থ্যকর খাবার থেকে দূরে থাকুন। যেমন রাস্তার ধারের খোলা খাবার, শরবত, বাসি খাবার, পচা বা অপরিষ্কার খাবার।
হেপাটাইটিস ‘এ’ হলে সঠিক খাদ্যাভ্যাস, পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং প্রচুর তরল গ্রহণ দ্রুত সুস্থ হওয়ার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চললে জটিলতার ঝুঁকি অনেক কমে যায়।