ভাগ্য বিড়ম্বিত মানুষের গল্প লিখে এবারের বুকার জিতলেন ডেভিড সালয়

ফ্লেশ সম্পর্কে রডি ডয়েল বলেন, ‘আমরা এমন কিছু আগে কখনো পড়িনি। বইটি অনেকটা অন্ধকারময়, তবু পড়তে খুব আনন্দদায়ক। ফ্লেশ জীবনের অদ্ভুত ও কখনও কখনও নীরস অনুভূতিকে তুলে ধরে। ভাষার দিক থেকে এটি খুব সরল, কিন্তু অত্যন্ত শক্তিশালী।’

চলতি বছর সাহিত্যের অন্যতম মর্যাদাসম্পন্ন পুরস্কার 'বুকার প্রাইজ' জিতেছেন হাঙ্গেরিয়ান-ব্রিটিশ লেখক ডেভিড সালয়। ইংরেজি ভাষায় রচিত 'ফ্লেশ' উপন্যাসের জন্য এ পুরস্কার পেলেন তিনি। খবর দ্য গার্ডিয়ান।

বইয়ে নির্যাতিত হাঙ্গেরিয়ান এক অভিবাসীর গল্প তুলে ধরেছেন সালয়। বিদেশে ভাগ্য গড়েও শেষ পর্যন্ত সবকিছু হারানোর হৃদয়বিদারক কাহিনীর কারণে ব্যাপক পাঠকপ্রিয়তা লাভ করেছে ফ্লেশ। উপন্যাসটিতে ব্যক্তি জীবনের গভীর প্রতিচ্ছবির রাখার জন্য বিচারকদের কাছেও সমাদৃত হয়েছেন ৫১ বছর বয়সী সালয়।

পুরস্কার গ্রহণকালে তার উপন্যাসকে স্বীকৃতি দেয়ায় বিচারকদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন মেধাবী এ লেখক। ১৫৩টি উপন্যাসের মধ্যে নির্বাচিত ফ্ল্যাশ-এর বিচারক প্যানেলে ছিলেন আইরিশ লেখক রডি ডয়েল ও অভিনেত্রী সারাহ জেসিকা পার্কার।

ফ্লেশ সম্পর্কে রডি ডয়েল বলেন, ‘আমরা এমন কিছু আগে কখনো পড়িনি। বইটি অনেকটা অন্ধকারময়, তবু পড়তে খুব আনন্দদায়ক। ফ্লেশ জীবনের অদ্ভুত ও কখনও কখনও নীরস অনুভূতিকে তুলে ধরে। ভাষার দিক থেকে এটি খুব সরল, কিন্তু অত্যন্ত শক্তিশালী।’

এবার ভারতীয় ঔপন্যাসিক কিরণ দেশাই ও ব্রিটিশ লেখক অ্যান্ড্রু মিলারসহ আরো পাঁচজনকে হারিয়ে বুকার প্রাইজ জেতেন তিনি। বিশ্ব সাহিত্যের অন্যতম মর্যাদাসম্পন্ন খেতাব হিসেবে বিবেচিত এ বুকার পুরষ্কার। সোমবার লন্ডনের ওল্ড বিলিংসগেটে ৫০ হাজার ইউরো মূল্যের এ সম্মাননার জন্য সালয়ের নাম ঘোষণা করা হয়। ২০১৬ সালেও 'অল দ্যাট ম্যান ইজ' উপন্যাসের জন্য বুকারের শর্টলিস্টে ছিলেন তিনি।

ডেভিড সালয় মন্ট্রিয়লে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা হাঙ্গেরিয়ান ও মা কানাডিয়ান। লন্ডনে বেড়ে ওঠার পর তিনি লেবানন ও যুক্তরাজ্যে বাস করেছেন। বর্তমানে ভিয়েনায় থাকেন। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করে ফাইন্যান্সিয়াল বিজ্ঞাপনের কাজ করেছেন। তার প্রথম উপন্যাস লন্ডন অ্যান্ড দ্য সাউথ-ইস্ট।

আরও