স্বাধীনতা অর্জনের পর থেকেই অর্থনৈতিক পুনর্গঠন ও উন্নয়নের যে যাত্রা শুরু করেছিল বাংলাদেশ, তার বেশকিছু ধাপ এরই মধ্যে পেরিয়ে গেছে। অতিসম্প্রতি বাংলাদেশ জনপ্রতি আয়ের বিবেচনায় ভারতকে ছাড়িয়ে গেছে। তবে মনে রাখা দরকার, আজকের অর্জনের বীজ রোপিত হয়েছিল বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বাধীন প্রথম সরকারের সময়ে। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীন বাংলাদেশে তত্কালীন সরকারের প্রধানতম লক্ষ্য হয়ে ওঠে অর্থনীতিকে দাঁড় করানো এবং এর পুনর্গঠন। মহান স্বাধীনতা অর্জনের পাশাপাশি একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত অর্থনীতিকে গড়ে তোলার নেতৃত্বে যাত্রা শুরু করেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি পাকিস্তানি সামরিক জান্তার বন্দিদশা থেকে মুক্ত হয়ে স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরে আসার পর পরই এক কঠিন অর্থনৈতিক বাস্তবতার মুখোমুখি হন তিনি। সে পরিস্থিতিতে তার গৃহীত অর্থনৈতিক পদক্ষেপগুলো আলোচনা করতে গেলে এর পরিপ্রেক্ষিত অনুধাবন করা অত্যন্ত জরুরি।
মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত ১৯৭১ সালের পরবর্তী বাংলাদেশ ছিল একটি বিধ্বস্ত অর্থনীতি। বেশির ভাগ সড়ক, সেতু ও অবকাঠামো বিনষ্ট করা হয়েছিল। আবুল কাশেম লিখেছেন, ব্যাংকে টাকা নেই, ট্রেজারি খালি, টাকা-পয়সা সোনাদানা কিছুই নেই। সবকিছু লুট করে নিয়ে গেছে পাকিস্তানের লুটেরা বাহিনী। আত্মসমর্পণের আগে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট, ব্রিজ, কালভার্ট; পুড়িয়ে ছাই করে দিয়ে গেছে ঘরবাড়ি, অফিস-আদালত, দোকানপাট। সমুদ্রবন্দর, নৌবন্দর, রেললাইন সবই ধ্বংস। বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ আহত হয়েছেন কিংবা পঙ্গুত্ববরণ করেছেন অগণিত মানুষ। ভারতে উদ্বাস্তু এক কোটি মানুষ ফিরে এসেছেন শূন্য হাতে পোড়ামাটির ভিটায়। দেশে বিপুল খাদ্য ঘাটতি দেখা দিয়েছে। সমুদ্রবন্দরে যেসব জাহাজ ডুবিয়ে দেয়া হয়েছে, এগুলো অপসারণ না করলে বিদেশী জাহাজ তীরে ভিড়তে পারছে না। দেশের কলকারখানায় পাকিস্তান আমলে তৈরি পণ্য বিদেশে পাঠানো যাচ্ছে না। কাঁচামালও আনা সম্ভব হচ্ছে না। এ সময় বিশ্ব পরিস্থিতিও চরম প্রতিকূল ছিল। সাইদুজ্জামানের বর্ণনানুসারে, স্বাধীনতার অব্যবহিত পরেই ১৯৭২-৭৩ সালে বহির্বিশ্বের পরিস্থিতিও ছিল চরম প্রতিকূল। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর পরই মার্কিন প্রশাসন ‘স্মিথসোনিয়ান এগ্রিমেন্ট’ বাস্তবায়ন করে, অর্থাৎ স্বর্ণ থেকে ডলারকে পরিবর্তন করার যে সমীকরণ ছিল, তা রহিত করা হয় এবং ফলে পুরো বিশ্বে এবং উন্নত অর্থনীতিগুলোর অনেকগুলোয় আন্তর্জাতিকভাবে নজিরবিহীন মূল্যস্ফীতি দেখা দেয়। এ সময়ে বিশ্ববাজার পরিস্থিতি ছিল অস্থিতিশীল এবং আমদানি ব্যয়ও ছিল অত্যধিক। বিশ্ববাজারে শস্য ও সারের মূল্য তিন গুণে উন্নীত হয় এবং প্রায় সারা বিশ্বে নজিরবিহীন মূল্যস্ফীতি দেখা দেয়। যুদ্ধের বছরে প্রায় কোনো ফসলই ফলেনি। আর স্বাধীনতার পরের বছরও পূর্ণাঙ্গ চাষাবাদ শুরু করা সম্ভব হয়নি। জমিতে পাকিস্তানি সেনাদের বসানো ভয়ংকর মাইনগুলো কৃষকদের জন্য খুব ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। কৃষি খাতে উৎপাদন প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল এবং ধারাবাহিকভাবে পরবর্তী দুই বছর কাঙ্ক্ষিত ফসল উৎপাদন করা সম্ভব হয়নি। শিল্প-কারখানা ছিল বিধ্বস্ত অথবা উৎপাদনের অযোগ্য। প্রকৃতপক্ষে স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রকৃত ক্ষতির পরিমাণ আর্থিক এবং অবকাঠামো ধ্বংসের বিবেচনায় নিরূপণ করা সম্ভব নয়। আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে বাংলাদেশের অসংখ্য মুক্তিযোদ্ধা, সাধারণ মানুষ জীবন হারিয়েছেন, পরিবার ও সামাজিক কাঠামো বিনষ্ট হয়েছে এবং দেশকে মেধা ও নেতৃত্বশূন্য করা হয়েছে। এ অবস্থায় দেশে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি নতুন মাত্রা যোগ করে।
এমন এক অবস্থায় স্বাধীন বাংলাদেশের উন্নয়ন ভিত্তি রচনার কাজ শুরু হয় বঙ্গবন্ধুর হাত ধরে। একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত ভয়াবহ অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মাঝে বঙ্গবন্ধুর উন্নয়ন দর্শনের বাস্তবায়ন শুরু হয় তার রাজনৈতিক অঙ্গীকার এবং স্বাধীন বাংলাদেশের জন্য প্রণীত সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার মাঝে। কেমন বাংলাদেশ চাই প্রসঙ্গে ১৯৭২ সালের ২৬ মার্চ প্রথম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বেতার ও টিভি ভাষণে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, ‘আমার সরকার অভ্যন্তরীণ সমাজ বিপ্লবে বিশ্বাস করে। এটা কোনো অগণতান্ত্রিক কথা নয়। আমার সরকার ও পার্টি বৈজ্ঞানিক সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতি প্রতিষ্ঠা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একটি নতুন ব্যবস্থার ভিত রচনার জন্য পুরনো সমাজ ব্যবস্থা উপড়ে ফেলতে হবে। আমরা শোষণমুক্ত সমাজ গড়ব।’ এ অবস্থায় বঙ্গবন্ধুর পরিস্থিতিগত নেতৃত্বের প্রকাশ ঘটে প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়নের মধ্য দিয়ে। এ মহাপরিকল্পনা ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধানে প্রোথিত ‘সমতা ও সামাজিক বৈষম্যহীন অর্থনৈতিক উন্নয়ন’ লক্ষ্য অর্জনের সুসংহত দলিল এবং বঙ্গবন্ধুর অর্থনৈতিক দর্শন বাস্তবায়নের পথে সুদৃঢ় পদক্ষেপ। মুক্তিযুদ্ধের মূল চার নীতির ভিত্তিতে এ সময় শিল্প খাতের প্রতিষ্ঠানগুলো জাতীয়করণ করা হয়। এ সময়ের উন্নয়নমুখী সিদ্ধান্তগুলোর যৌক্তিকতা নিরূপণে তত্কালীন যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের সার্বিক অর্থনৈতিক অবস্থা এবং সার্বিকভাবে অর্থনীতি পুনর্গঠন ও মৌলিক প্রয়োজনের দিকগুলোকে বিবেচনা করা প্রয়োজন। যুদ্ধ-পরবর্তী বাংলাদেশের অর্থনীতির পুনর্গঠনে সাধারণ মানুষের মৌলিক চাহিদাগুলো পূরণ করাই ছিল সরকারের মূল লক্ষ্য। পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের লক্ষ্যে কৃষি ও শিল্প খাতের উন্নয়নকেও যথাযথভাবে গুরুত্ব না দেয়ার অবকাশ ছিল না। তত্কালীন সময়ের সম্পদের স্বল্পতা এবং আর্থিক সক্ষমতার কথা বিবেচনায় রেখে এবং সম্পদের সুষম বণ্টনের লক্ষ্যে কলকারখানা এবং বড় বড় অবকাঠামো সরকারীকরণ অত্যন্ত যুক্তিযুক্ত ছিল। সময় ও বাস্তবতার বিবেচনায় প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় সরকারি খাতে ব্যয় ধরা হয়েছিল বাজেটের ৮৮ শতাংশ এবং প্রায় ১২ শতাংশ বেসরকারি খাতে। পরিকল্পনায় কৃষির ওপর নির্ভরতা স্পষ্ট এবং শিল্প উন্নয়নে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। অর্থনৈতিক প্রতিকূল পরিস্থিতিতে বঙ্গবন্ধু সরকার ও তত্কালীন পরিকল্পনা কমিশন খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিতকরণের পাশাপাশি অর্থনৈতিক পুনর্গঠনের লক্ষ্য ও কৌশল নির্ধারণে নিয়োজিত হয়। তত্কালীন সরকারের অর্থনৈতিক পরিকল্পনায় স্বনির্ভরতা মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পায়। পর্যালোচনা করলে সহজে বোঝা যায়, সার্বিকভাবে অর্থনৈতিক উন্নয়নে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সরকারি ক্ষেত্রকে প্রাধান্য দিলেও বেসরকারি খাতকে নিরুৎসাহিত করা হয়নি। কৃষি খাতের পাশাপাশি শিল্প খাতের উন্নতির লক্ষ্যে সারা দেশে শিল্প প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু। কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য প্রত্যন্ত অঞ্চলে শিল্পোদ্যোগ ছড়িয়ে দিতে প্রয়াস নিয়েছিলেন। মেগা শিল্পের পাশাপাশি ক্ষুদ্র শিল্পের বিকাশ ছাড়া শক্তিশালী অর্থনীতি গড়ে তোলা সম্ভব নয়, তা বঙ্গবন্ধুর পরিকল্পনায় প্রকাশ পেয়েছে। তার বড় শিল্পের জাতীয়করণের পাশাপাশি মাঝারি ও ক্ষুদ্র শিল্পে বেসরকারি খাতকে উৎসাহ প্রদান এক্ষেত্রে অত্যন্ত যুক্তিপূর্ণ সিদ্ধান্ত। কুটির শিল্প, পল্লীর শিল্প এবং ক্ষুদ্র শিল্প উন্নয়নে প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় নানা কার্যক্রম হাতে নিয়েছিল পরিকল্পনা কমিশন এবং বাজেটে বরাদ্দ রাখা হয়েছিল। যদিও ওই পরিস্থিতিতে তত্কালীন সরকার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছিল, তার পরও পরবর্তী দুই বছরে অর্থনীতির গতি সচল হওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছিল। প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার আওতায় বঙ্গবন্ধুর ‘জাতীয়করণের নীতি’ বঙ্গবন্ধুর সাংবিধানিক আদর্শ এবং ‘পরিস্থিতিগত নেতৃত্ব’ বা ‘সিচুয়েশনাল লিডারশিপ’-এর সঙ্গে সম্পূর্ণ যুক্তিপূর্ণ ও সংগতিপূর্ণ।
বঙ্গবন্ধু শোষণবিরোধী ছিলেন। তিনি শ্রমিকশ্রেণী ও রাষ্ট্রীয় মালিকানাকে অগ্রাধিকার দিয়েছিলেন। অনুপার্জিত আয়বিরোধী ছিলেন এবং তিনি জনকল্যাণের জন্য শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খাদ্য, বস্ত্র, গৃহ, কর্ম ও নিরাপত্তাকে বাজারের পণ্য নয়, বরং প্রত্যেক নাগরিকের মৌলিক অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছিলেন। ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা, ১৯৬৯-এর ১১ দফা এবং ১৯৭০-এর নির্বাচনী ম্যানিফেস্টোতে এসব কথা বারবার এসেছে। তবে ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষিত ছয় দফার মাঝে তত্কালীন পূর্ব পাকিস্তান অর্থাৎ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক মুক্তির রূপরেখা নিহিত ছিল। এর তিনটি দফা—তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম দফা—সরাসরি তত্কালীন পূর্ব পাকিস্তান তথা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের মূলমন্ত্র উপস্থাপন করে। স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধানের শুরু থেকে বিভিন্ন ধারায় উঠে এসেছে বঙ্গবন্ধুর অর্থনৈতিক দর্শন। সংবিধানের প্রস্তাবনায় শোষণমুক্ত, সমাজতান্ত্রিক এক সমাজ গঠনের অঙ্গীকার করা হয়েছে এবং বলা হয়েছে, নাগরিকদের মানবাধিকার, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সাম্য ও সুবিচার নিশ্চিত করা হবে। বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতাপূর্ব এবং পরবর্তী বিভিন্ন পদক্ষেপ বলিষ্ঠভাবে ইঙ্গিত করে যে বাংলাদেশের জাতির জনক সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতির শোষণমুক্ত ব্যবস্থাকে ধারণ করেছেন এবং কল্যাণমুখী গণতন্ত্রের মাঝে এক শোষণমুক্ত বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছেন। এমএম আকাশ বর্ণনা করেছেন, “তাঁর অর্থনৈতিক দর্শন ছিল সোস্যাল ডেমোক্রেসি বা কল্যাণ ধনতন্ত্রের দর্শন। তাঁর এই দর্শন বাংলাদেশের সংবিধানের আদি অসংশোধিত রূপের মধ্যে প্রতিফলিত হয়েছে। তাই ’৭২-এর সংবিধান কার্যকরী করা সম্ভব হলে তাঁর অর্থনৈতিক দর্শন কার্যকরী হবে। বঙ্গবন্ধুর অর্থনৈতিক দর্শনের প্রাসঙ্গিকতা চিরসবুজ আছে এবং থাকবে।”
প্রকৃতপক্ষে স্বাধীন বাংলাদেশে বৈষম্যমূলক অবস্থার পরিবর্তন ঘটিয়ে এ দেশের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর দৃঢ় প্রত্যয় ও তার অন্তর্ভুক্তিমূলক সমৃদ্ধির দর্শন প্রতিফলিত হয়েছে ১৯৭২ সালে প্রণীত স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধানে এবং দেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায়। স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধুর অর্থনৈতিক দর্শনের মাঝেই শোষণমুক্ত-সমতাবাদী সমাজ ও অর্থনীতির বীজ সুপ্ত ছিল। রাষ্ট্রীয় চার মূলনীতির প্রেক্ষাপটে সাজিয়েছিলেন সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের উন্নয়ন পরিকল্পনাকে। দারিদ্র্য বিমোচন ও সমতাকে প্রাধান্য দিয়ে কৃষি ও শিল্প উন্নয়নে গুরুত্ব দিয়েছেন। ক্ষুদ্র বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি করার পদক্ষেপ নিয়েছেন। স্বল্প, মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের পথ নির্ধারণ করেছেন। সরকারি ও বেসরকারি খাতকে সম্পৃক্ত করেছেন বাস্তবতা ও অর্থনৈতিক লক্ষ্যের নিরিখে। তার সুচিন্তিত পদক্ষেপ স্বাধীনতার অল্প কয়েক বছরের মধ্যেই বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিতে শুরু করেছিল। সে পথ ধরে এরই মধ্যে বাংলাদেশ এগিয়েছে অনেক দূর, সাফল্য পেয়েছে অনেক।
ড. শাহ মো. আহসান হাবীব: অধ্যাপক ও পরিচালক
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট