খুলনা,
সাতক্ষীরা,
বাগেরহাটের
গ্রামগুলোয়
গেলে
দেখা
যায়,
এখানে
প্রায়
সব
গ্রামেই
সুপেয়
পানির
কী
ভীষণ
আকাল
চলছে।
বিশেষত
দক্ষিণাঞ্চলের
জেলাগুলোর
সুন্দরবন
ও
সমুদ্র
উপকূলবর্তী
উপজেলাগুলোয়।
সাতক্ষীরার
শ্যামনগর
উপজেলার
বুড়িগোয়ালিনী
এমনই
একটি
ইউনিয়ন,
যেখানে
দেখা
যায়
শুষ্ক
মৌসুমে
সুপেয়
পানির
তীব্র
হাহাকার।
ইউনিয়নটির
এক
পাশে
চুনা
নদী,
অন্য
পাশে
খোলপেটুয়া
নদী।
আর
নদীর
অন্য
পাড়
থেকে
সুন্দরবন
শুরু।
ধনী-গরিব
নির্বিশেষে
এখানে
একই
অবস্থা।
বৃষ্টির
পানি
ধরার
ব্যবস্থা
নেই,
এমন
কোনো
বাড়ি
বা
প্রতিষ্ঠান
পাওয়া
যাবে
না।
পেশাগত
কাজে
গিয়েছিলাম
শ্যামনগর।
দক্ষিণাঞ্চলের
লবণাক্ততা
বৃদ্ধি,
সুপেয়
পানির
আকাল
নিয়ে
নানা
সময়
গবেষণা
আর্টিকেল
পড়েছি।
বার্কলের
ইউনিভার্সিটি
অব
ক্যালিফোর্নিয়ায়
২০১৩
সালে
এক
ডাচ
গবেষককে
সাতক্ষীরার
লবণাক্ততা
ও
পানির
সংকট
নিয়ে
উপস্থাপনা
দিতে
দেখেছিলাম।
কিন্তু
মাঠ
পর্যায়ের
এ
অভিজ্ঞতা
ছাড়া
এখানকার
মানুষের
সমস্যার
তীব্রতা
ও
ব্যাপকতা
কোনো
দিন
বুঝতে
পারতাম
না।
শ্যামনগরের অভিজ্ঞতা
আজকাল
ড্রোনের
প্রযুক্তির
কল্যাণে
সহজেই
যেকোনো
স্থানের
এরিয়ালফট
কিংবা
ভিডিও
পাওয়া
যায়।
এখানকার
এরিয়াল
ফটোতে
দেখা
যায়,
চারদিকে
লবণাক্ত
পানি
ঢুকিয়ে
শত
শত
একর
জমিতে
চিংড়িঘের,
কাঁকড়া
চাষ
করা
হচ্ছে।
ঘের,
পুকুর,
খাল,
বিল,
নদী
সব
স্থানেই
লবণাক্ত
পানি।
শস্য
উৎপাদনের
জমিতেও
লবণ।
ফসল
ফলবে
কোথায়?
ক্ষুদ্র
জমির
মালিকের
পক্ষে
চাইলেই
শস্য
উৎপাদনের
সুযোগ
নেই।
চারপাশের
লবণাক্ত
পানির
প্রকল্পের
কারণে
শস্য
উৎপাদন
অসম্ভব।
অনিবার্যভাবে
ক্ষুদ্র
চাষীর
জমিটি
চিংড়ি
বা
কাঁকড়া
চাষের
প্রকল্পে
ঢুকে
যায়।
ক্ষুদ্র
চাষীরা
এখন
জেলার
বাইরে
কাজ
করতে
চলে
যান।
কোনো
কোনো
বছর
ঝড়
কিংবা
সাইক্লোনের
সময়
বাঁধ
ভেঙে
গ্রামের
ভেতর
সমুদ্রের
লোনা
পানি
ঢুকে
পড়ে।
পুকুর,
জলাশয়,
ফসলের
জমি
সবকিছু
লবণাক্ত
হয়ে
পড়ে।
এমনকি
এখানে
ভূগর্ভস্থ
পানিতে
লবণাক্ততার
পরিমাণ
এত
বেশি
যে
তা
পানের
অযোগ্য।
তাই
সুপেয়
পানির
সুলভ
উৎস
বলতে
বৃষ্টির
পানি।
চারদিকে
এত
পানি
কিন্তু
পান
করার
জন্য
এক
ফোঁটাও
নয়।
প্রকৃতি
প্রদত্ত
পানিই
শেষ
ভরসা।
এ
অঞ্চলে
বছরের
৮০
শতাংশ
বৃষ্টি
হয়
জুন
থেকে
সেপ্টেম্বর
পর্যন্ত
সময়ে।
নভেম্বর
থেকে
মে
মাস
পর্যন্ত
এ
সাত
মাস
শুষ্ক
মৌসুম,
কঠিন
সময়।
বর্ষার
সময়
যথেষ্ট
পরিমাণ
বৃষ্টির
পানি
ধরে
রাখতে
না
পারলে
সমস্যায়
পড়তে
হবে।
দেখা
গেল
প্রায়
সব
বাড়িতে
সরকারি-বেসরকারি
বিভিন্ন
প্রকল্পের
অধীনে
পানি
ধরে
রাখার
বড়
ট্যাংক
আছে।
বেড়িবাঁধের
বাইরে
ভূমিহীন
মানুষ,
যারা
কোনোমতে
ঘর
বানিয়ে
বসবাস
করছে,
তাদেরও
কোনো
কোনো
ঘরের
সঙ্গে
পানি
ধরে
রাখার
ট্যাংক
আছে।
যাদের
ট্যাংক
নেই,
তাদের
কী
উপায়?
পানি
শোধনের
কল
থেকে
পানি
কিনে
আনতে
হয়।
আমরা
চুনা
নদীর
পার
ধরে
বেড়িবাঁধের
ওপর
দিয়ে
হাঁটতে
থাকি।
এ
পারে
গ্রাম
আর
অন্য
পারে
সুন্দরবন।
বাঁধ
আর
নদীর
মাঝের
সরকারি
জমিতে
বেশ
অনেক
ভূমিহীন
পরিবার
বসবাস
করে।
সিডর,
আইলার
মতো
প্রাকৃতিক
দুর্যোগে
এ
মানুষগুলো
সবচেয়ে
ঝুঁকিপূর্ণ
অবস্থায়
থাকে।
আমরা
একটা
বাড়িতে
গেলাম,
আমাদের
কিছু
সময়
জিরিয়ে
নেয়ার
জন্য
বসতে
দিল।
কথা
বলতে
বলতে
একটা
সময়
আমাদের
পানি
খেতে
দিল।
পানির
গ্লাস
হাতে
জিজ্ঞেস
করলাম,
এ
পানি
কোথা
থেকে
পেলেন।
পানির
একটা
জার
দেখিয়ে
বলল,
পানি
শোধনাগার
থেকে
কিনে
এনেছে।
এ
পানিটা
তারা
বাজার
থেকে
সদাই
করে
বোতলে
ভরে
এনেছে।
পানি
এখানে
বিনামূল্যে
নয়,
অন্য
আট-দশটার
মতো
সদাই
করা
পণ্য।
যেসব
গৃহে
পানির
সহজলভ্য
উৎস
নেই,
সেসব
ক্ষেত্রে
বাড়ির
নারী
ও
কন্যাশিশুরাই
পানি
সংগ্রহের
দায়িত্ব
পালন
করে।
এভাবে
পানি
সংগ্রহকারী
প্রতি
১০
জনের
মধ্যে
আটজনই
নারী।
পানির
উৎস
মানুষের
দোরগোড়ায়
পৌঁছানো
গেলে
তা
সংগ্রহের
ক্ষেত্রে
সময়ের
অপচয়
কমানো
সম্ভব
হবে।
ফলে
পানি
সংগ্রহে
নিয়োজিত
কন্যারা
শিক্ষা
গ্রহণের
জন্য
পর্যাপ্ত
সময়
পাবে।
উপকূল অঞ্চলের সংকটাপন্ন এলাকা
সরকারি
গবেষণায়
দেখা
যায়,
উপকূলীয়
১৯টি
জেলার
প্রায়
১৪০টি
উপজেলায়
ভূগর্ভস্থ
পানিতে
বেশি
মাত্রার
লবণাক্ততা
আছে।
সাতক্ষীরা,
খুলনা,
বাগেরহাট,
পিরোজপুর,
বরগুনা
জেলার
বেশির
ভাগ
এলাকায়
ভূগর্ভস্থ
পানিতে
লবণাক্ততা
ও
আর্সেনিকের
উপস্থিতির
কারণে
প্রায়
দেড়
কোটি
মানুষ
সুপেয়
পানির
সংকটে
আছে।
এসব
জেলার
উপকূলীয়
উপজেলা
অর্থাৎ
সুন্দরবন
ও
বঙ্গোপসাগরের
কাছাকাছি
এলাকাগুলোয়
পানির
তীব্র
সংকট
দেখা
যায়।
সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর, আশাশুনি, কালিগঞ্জ, তালা উপজেলা, খুলনা জেলার দাকোপ, কয়রা, বাগেরহাট জেলার মোংলা, শরণখোলা, মোড়েলগঞ্জ, কচুয়া, চিতলমারী, রামপাল, বরগুনা জেলার আমতলী, পাথরঘাটা, পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া, কাউখালী উপজেলার মানুষদের সবচেয়ে বেশি পরিমাণ সংকটে পড়তে দেখা যায়। এছাড়া জেলার অন্যান্য উপজেলায়ও কম-বেশি এ সমস্যা আছে।
সরকারি-বেসরকারি প্রচেষ্টা
বাংলাদেশ
সরকারের
জনস্বাস্থ্য
প্রকৌশল
অধিদপ্তর,
বিভিন্ন
দাতা
সংস্থা,
স্থানীয়
কিংবা
আন্তর্জাতিক
এনজিও
সবাই
নানা
পদ্ধতিতে
জনগণকে
সুপেয়
পানি
দেয়ার
চেষ্টায়
কাজ
করে।
কমিউনিটি
পর্যায়ে
তিনটি
পদ্ধতিতে
কাজটি
করা
হয়।
এক.
বৃষ্টির
পানি
ধরে
রাখার
জন্য
সরকারি-বেসরকারি
মিষ্টি
পানির
আধার
তৈরি
করে,
দুই.
পুকুর
বালি
ফিল্টারের
(পন্ড সেন্ড
ফিল্টার)
মাধ্যমে
শোধন
করে
এবং
তিন.
রিভার্স
ওসমোসিসের
মাধ্যমে
লবণাক্ত
পানি
লবণমুক্ত
করা
হয়,
যা
আরও
(RO) নামে
বেশি
পরিচিত।
মানুষ
তার
প্রয়োজন
অনুযায়ী
এসব
উৎস
থেকে
পানি
সংগ্রহ
করতে
পারে।
খানা
পর্যায়ে
বাড়িতে
বাড়িতে
বৃষ্টির
দিনে
পানি
ধরে
রাখার
জন্য
বিভিন্ন
আকারের
ট্যাংক
ব্যবহার
করা
হয়।
সরকারি-বেসরকারি
সহায়তায়
ব্যক্তি
পর্যায়ে
বাড়িতে
পানি
ধরের
রাখার
জন্য
এ
ধরনের
ট্যাংক
ব্যবহার
করা
হয়।
বৃষ্টিবিহীন
দিনগুলোয়
এ
পানি
তাদের
ভরসা।
সম্প্রতি
সরকারের
জনস্বাস্থ্য
প্রকৌশল
অধিদপ্তর
উপকূলীয়
১০টি
জেলার
৪৪
উপজেলার
২২২টি
ইউনিয়নে
বৃষ্টির
পানি
ধরে
রেখে
সারা
বছর
ব্যবহারের
জন্য
প্রকল্প
গ্রহণ
করেছে।
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব
এ কথা
এখন
আর
কারো
অজানা
নয়
যে
বাংলাদেশ
বিশ্বের
১০টি
দুর্যোগপ্রবণ
দেশের
মধ্যে
অন্যতম
একটি।
বিভিন্ন
প্রাকৃতিক
দুর্যোগ
যেমন
ঝড়,
জলোচ্ছ্বাস,
ঘূর্ণিঝড়,
খরা,
বন্যা,
নদীভাঙন
ইত্যাদির
কারণে
বহু
পরিবারের
আর্থসামাজিক
অবস্থার
বিরাট
পরিবর্তন
হচ্ছে,
বাস্তুচ্যুত
হচ্ছে।
বৈজ্ঞানিক
তথ্য-উপাত্তে
দেখা
যায়,
আগামী
দশকগুলোয়
বৈশ্বিক
উষ্ণতা
বৃদ্ধি,
সমুদ্রপৃষ্ঠের
উচ্চতা
বৃদ্ধি
ইত্যাদির
জন্য
বন্যা,
খরা,
সাইক্লোন,
লবণাক্ততার
ঝুঁকি
অনেক
বেশি
বৃদ্ধি
পাবে।
উপকূলীয়
জেলাগুলোয়
অনেক
বছর
ধরে
এসব
লক্ষণ
সুস্পষ্টভাবে
প্রতীয়মান
হচ্ছে।
বিশেষত
লবণাক্ততা
বৃদ্ধির
কারণে
খাবার
পানির
সংকট
ও
খাদ্য
উৎপাদন
মানুষের
জনজীবনকে
বিপর্যস্ত
করে
তুলেছে।
পানি ব্যবস্থাপনায় কৌশল
সরকারের
পানিসম্পদ
ব্যবস্থাপনা
নীতিমালা
প্রণয়নের
সময়
প্রকৃতি
ও
পরিবেশকে
প্রাধান্য
দিয়ে
ভূ-উপরিস্থ
পানির
ব্যবহার
বাড়ানো
ও
ভূগর্ভস্থ
পানির
ওপর
নির্ভরশীলতা
কমানোর
ওপর
জোর
দেয়া
হয়েছে।
‘বাংলাদেশ ব-দ্বীপ
পরিকল্পনা-২১০০’-তে
পানিসম্পদ
ব্যবস্থাপনার
কৌশল
হিসেবে
তিনটি
বিষয়কে
গুরুত্ব
দেয়া
হয়েছে।
এক.
বিভিন্ন
পরিবর্তনশীলতার
সঙ্গে
অভিযোজনশীল
কৌশল
বাস্তবায়নের
উদ্যোগ
নেয়া;
দুই.
পানিসম্পদ
ব্যবস্থাপনার
জন্য
সুশাসন
প্রতিষ্ঠা
করা
এবং
তিন.
এ
খাতের
জন্য
সুষ্ঠু
আর্থিক
খাত
ব্যবস্থাপনা।
এসব
কৌশল
ততক্ষণ
কাগজে-কলমেই
থেকে
যাবে,
যতক্ষণ
নির্দিষ্ট
সময়ে
উপযুক্ত
পদক্ষেপ
না
নেয়া
যায়।
টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট
টেকসই
উন্নয়ন
অভীষ্টের
৬.১-এ
বলা
হয়েছে,
২০৩০
সালের
মধ্যে
সবার
জন্য
নিরাপদ
পানি
ও
পয়োনিষ্কাশনের
টেকসই
ব্যবস্থাপনা
ও
প্রাপ্যতা
নিশ্চিত
করা।
এমডিজিতে
বলা
হয়েছিল,
নিরাপদ
পানি
ও
পয়োনিষ্কাশন
ব্যবস্থায়
বাংলাদেশের
যথেষ্ট
অগ্রগতি
হয়েছে।
কিন্তু
এখন
প্রত্যন্ত
(হার্ড টু
রিচ)
উপকূলীয়
অঞ্চলে
সুপেয়
পানির
সংকট
আছে।
তাছাড়া
বর্তমানে
টেকসই
উন্নয়ন
অভীষ্টে
পানি
সরবরাহের
ক্ষেত্রে
নিরাপদ
ব্যবস্থাপনার
কাভারেজের
(Safely Managed) যে
ধারণা
দেয়া
হয়েছে,
তা
আরো
ব্যাপক।
নিরাপদ
ব্যবস্থাপনার
কাভারেজে
তিনটি
বিষয়
গুরুত্বপূর্ণ।
এক.
প্রতিটি
ঘরে
পানি
পৌঁছানো;
দুই.
সারা
বছর
ধরে
প্রয়োজন
অনুযায়ী
পানির
প্রাপ্যতা
নিশ্চিত
করা
এবং
তিন.
সরবরাহকৃত
পানি
জীবাণু
ও
ক্ষতিকারক
উপাদান
থেকে
মুক্ত
করা।
সেই
বিবেচনায়
বাংলাদেশে
বর্তমানে
নিরাপদ
ব্যবস্থাপনায়
পানি
সরবরাহের
কাভারেজ
৪০
শতাংশের
কিছু
বেশি
হতে
পারে।
২০৩০
সালের
মধ্যে
৬০
শতাংশ
পর্যন্ত
উন্নীত
করার
পরিকল্পনা
আছে।
এক্ষেত্রে
একটি
বড়
চ্যালেঞ্জ
গভীর
অথবা
অগভীর
নলকূপ
থেকে
কমপক্ষে
৩০
ফুট
দূরে
ল্যাট্রিন
বসানোর
যে
শর্ত
আছে,
তা
অনেক
ক্ষেত্রে
মানা
হয়
না।
বিষয়টি
নিয়ন্ত্রণ
না
করতে
পারলে
ভূগর্ভস্থ
পানি
জীবাণুমুক্ত
রাখা
সম্ভব
হবে
না।
শেষের কথা
বাংলাদেশ
পরিকল্পনা
কমিশনের
টেকসই
উন্নয়ন
অভীষ্ট-সংক্রান্ত
বাংলাদেশের
অগ্রগতির
রিপোর্টে
দেখা
যায়,
পানির
ক্রমবর্ধমান
চাহিদা
অধিকতর
দক্ষতার
সঙ্গে
এর
ব্যবহার
ও
ব্যবস্থাপনা
নিশ্চিত
করা
না
গেলে
আগামীতে
পানির
নিরাপত্তা
এখানকার
মানুষের
জন্য
হুমকি
হয়ে
উঠবে।
পাশাপাশি
জলবায়ু
পরিবর্তনের
প্রভাবজনিত
কারণে
আগামী
পানি
ব্যবস্থাপনায়
যে
ঝুঁকি
তৈরি
হচ্ছে,
তা
মোকাবেলা
করাও
কঠিন
হবে।
উপকূলীয়
অঞ্চলের
মানুষের
জীবনকে
প্রাকৃতিক
দুর্যোগ
থেকে
নিরাপদ
করতে
বাঁধ
বা
পোল্ডারগুলোর
টেকসইভাবে
উচ্চতা
বৃদ্ধি,
স্লুইস
গেটগুলোর
নিয়মিত
সংস্কার
ও
ব্যবস্থাপনা
এবং
বাঁধগুলোর
রক্ষণাবেক্ষণে
স্থানীয়
জনগণকে
কার্যকরভাবে
সম্পৃক্ত
করা
দরকার।
চিংড়িচাষীরা
বাঁধ
কেটে
বা
পাইপের
মাধ্যমে
লবণ
পানি
ঢোকাতে
গিয়ে
বাঁধ
দুর্বল
করে
ফেলেন।
এটা
বন্ধ
হওয়া
প্রয়োজন।
লবণসহিষ্ণু
ফসলের
জাত
প্রবর্তন
করা
অত্যন্ত
জরুরি।
সঙ্গে
সঙ্গে
টেকসই
ও
সাশ্রয়ীভাবে
বৃষ্টির
পানি
সংরক্ষণের
কার্যকরী
পদক্ষেপ
নিতে
হবে।
মনে
করতে
চাই,
এখন
থেকে
সাড়ে
৭০০
বছর
আগে
এ
অঞ্চলের
সুপেয়
পানির
ব্যবস্থা
করতে
খান
জাহান
আলী
খলিফাতাবাদে
বড়
বড়
দীঘি
ও
পুকুর
খনন
করেছিলেন।
পরিশেষে
বলতে
চাই,
সুপেয়
পানি
উপকূল
অঞ্চলের
মানুষের
জীবনে
সামাজিক,
অর্থনৈতিক,
রাজনৈতিক
ক্ষমতা
কাঠামোর
একটা
বিরাট
নিয়ামক
হয়ে
উঠেছে।
টেকসই
উন্নয়ন
অভীষ্ট
সামনে
রেখে
পানি
ব্যবস্থাপনায়
সুশাসন
প্রতিষ্ঠা
পেলে
ক্ষুদ্র
চাষী
ও
প্রান্তিক
জনগণ
ভীষণভাবে
উপকৃত
হবে।
[নোট:
লেখাটিতে
ব্যবহূত
ম্যাপ
তৈরি
করে
দিয়েছেন
খুলনা
বিশ্ববিদ্যালয়ের
নগর
ও
গ্রামীণ
পরিকল্পনা
বিভাগের
ছাত্র
সামিউল
ইসলাম
সজিব।
কৃতজ্ঞতা।]
ড. আকতার মাহমুদ: নগর পরিকল্পনাবিদ; অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় এবং সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্স (বিআইপি)