মার্কিন
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট
জো বাইডেন
করোনার দ্বিতীয়
ডোজ টিকা
নিয়েছেন গত
১১ জানুয়ারি।
প্রেসিডেন্টকে টিকা
দিতে পেরে
নিউ জার্সির
খ্রিস্টিয়ানা কেয়ার
হাসপাতালের প্রধান
নির্বাহী নার্স
রিককামিং
আপ্লুত
হয়েছেন, আবেগে
ভেসেছেন। এদিকে
বাংলাদেশের হয়ে
প্রথম টিকা
নিতে পেরে
আপ্লুত হয়েছেন
কুর্মিটোলা জেনারেল
হাসপাতালের সিনিয়র
নার্স রুনু
ভেরোনিকা কস্তা।
বাম বাহুতে
টিকা নিয়ে
মুষ্টিবদ্ধ ডান
হাত উঁচিয়ে
কণ্ঠে তোলেন
বাঙালির উজ্জয়নী
স্লোগান—‘জয়
বাংলা’; বাইডেনের
বাম বাহুতে
টিকা দেয়ার
ঠিক ১৬
দিন পর।
সেদিন রুনুর
জয় বাংলা
স্লোগানে কণ্ঠ
মিলিয়েছিলেন মাননীয়
প্রধানমন্ত্রী শেখ
হাসিনা। রুনুকে
সাহস জুগিয়ে
বলেছেন, ‘বিশ্বের
অনেক দেশ
এখনো শুরু
করতে পারেনি।
...সীমিত অর্থনৈতিক
শক্তি নিয়েই
আমরা কিন্তু
মানুষের কল্যাণে
যে কাজ
করি, সেটাই
আজকে প্রমাণ
হলো।’ ‘মানুষের
কল্যাণে’ ভ্যাকসিন
উৎপাদনে অবদান
রাখায় ভারতীয়
নেতৃত্বকে প্রশংসায়
ভাসিয়েছেন বিল
গেটস। টুইট
করেছেন গত
৫ জানুয়ারি।
প্রশংসার টুইট
করেছেন বিশ্ব
স্বাস্থ্য সংস্থার
মহাপরিচালক টেড্রস
আধানোমগেব্রেয়িসাসও। আবার
সমালোচনা করেছেন
কেউ কেউ।
ছড়িয়েছেন অপপ্রচার,
গুজব। এসব
দেখে আমরা
সন্দিহান হই।
বাংলাদেশ কি
চাইলেই আরো
অনেক কম
দামে টিকা
কিনতে পারত?
পৃথিবীতে এ
মুহূর্তে টিকার
উপযুক্ত উৎসই-বা
আছে কয়টি?
আমরা এসব
প্রশ্নের উত্তর
খুঁজি।
আমরা অনেকেই
হয়তো এরই
মধ্যে জেনে
গেছি যে
মোটাদাগে ভ্যাকসিন
তৈরির ছয়টি
ধাপ। চূড়ান্ত
উৎপাদনে যাওয়ার
আগে হাজার
ত্রিশেক স্বেচ্ছাসেবককে
ট্রায়াল ভ্যাকসিন
দেয়া হয়।
দেখা হয়
ট্রায়াল ভ্যাকসিনের
কার্যকারিতা ও
নিরাপত্তা। সবকিছু
ঠিক থাকলে
যথাযথ কর্তৃপক্ষের
অনুমোদন নেয়ার
পর শুরু
হয় টিকার
বৃহৎ স্কেলের
উৎপাদন। দীর্ঘমেয়াদি
এ প্রক্রিয়া
সম্পন্ন করতে
১৫-২০
বছরও লাগতে
পারে। বিশ্ব
স্বাস্থ্য সংস্থার
সর্বশেষ তথ্যমতে,
বর্তমানে ৫০টির
অধিক ভ্যাকসিন
ট্রায়াল পর্যায়ে
আছে। মানবদেহে
ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল
পর্যায়ে। তাছাড়া
এ মুহূর্তে
বৈশ্বিক বাজারে
গ্রহণযোগ্য টিকা
এসেছে ছয়টি।
বৈশ্বিক মহামারী
মোকাবেলায় এসব
টিকা বানানো
হয়েছে অস্বাভাবিক
দ্রুততায়। সব
প্রটোকল সংক্ষিপ্ত
করে। বিজ্ঞানীদের
অক্লান্ত পরিশ্রম,
বিনিয়োগ আর
সাহসী নেতৃত্বগুণে
পৃথিবীতে ২০২১
সাল আসার
আগেই টিকা
এসে গেছে।
করোনার টিকা
দ্রুত বাজারে
এনে বাজিমাত
করতে চেয়েছিলেন
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট
ভ্লাদিমির পুতিন।
তড়িঘড়ি করে
অনুমোদন দিয়েছেন
স্পুটনিক-ভি,
৫ ডিসেম্বর,
২০২০। করোনাভাইরাসের
স্পাইক প্রোটিন
তৈরিতে নির্দেশক
জিন প্রবেশ
করিয়ে দেয়া
হয়েছে অ্যাডেনোভাইরাল
নামের ভেক্টরে।
সেখান থেকে
এ টিকা।
তাদের ভাষ্যে,
১৯ হাজার
৮৬৬ জন
স্বেচ্ছাসেবকের মাঝে
পরীক্ষা চালিয়ে
প্রাপ্ত তথ্যের
ভিত্তিতে এ
টিকার কার্যকারিতা
৯১ দশমিক
৬ শতাংশ,
নেই কোনো
অপ্রত্যাশিত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া।
সংরক্ষণ করতে
হবে ২-৮
ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড
তাপমাত্রায়। Gamaleya
Nat. Center of Epidem. and Microbiol-এর
তৈরি প্রতি
ডোজ টিকার
দাম পড়বে
কম-বেশি
১০ ডলার।
তার পরও
শুরু থেকেই
তাদের অনুমোদন
প্রক্রিয়া নিয়ে
সতর্ক করে
গেছে বিশ্ব
স্বাস্থ্য সংস্থা।
বৃহৎ পরিসরে
পরীক্ষা না
করেই অনুমোদন
দেয়ায় সমালোচনাও
করা হয়েছে
সময়ে সময়ে।
তার পরও
২০২১ সালের
ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত
স্পুটনিক-ভি-এর
সঙ্গে টিকা
অনুমোদন দিয়েছে
বলিভিয়া, আলজেরিয়া,
কাজাখস্তান, তুর্কমেনিস্তান,
ফিলিস্তিন, সংযুক্ত
আরব আমিরাত,
প্যারাগুয়ে, হাঙ্গেরি,
আর্মেনিয়া, সার্বিয়া,
ভেনিজুয়েলা ও
ইরান।
আমাদের অনেকেরই
হয়তো ধারণা
ছিল বিশ্ববাজারে
সস্তায় টিকা
সরবরাহ করে
তাক লাগিয়ে
দেবে চীন।
অবস্থা সে
রকম দেখা
যাচ্ছে না।
তাদের Academy
of Military Medical Sciences এবং
বায়োটেক ফার্ম
CanSinoBiologics মিলে
বানিয়েছে ভ্যাকসিন
Ad5-nCoV।
তৃতীয় ধাপের
ট্রায়াল দেয়া
হচ্ছে রাশিয়া,
আর্জেন্টিনা, চিলি,
মেক্সিকো, পাকিস্তান,
ও সৌদি
আরবের ৪০
হাজার ৫০০
জন স্বেচ্ছাসেবকের
মাঝে। আমাদের
দেশেও Ad5-nCoV
ট্রায়ালের প্রস্তাব
দেয়া হয়েছিল।
পরে আর
এগোয়নি। তাদের
আরো একটি
ভ্যাকসিন CoronaVac বানাতে
যাচ্ছে সিনোভেক
বায়োটেক কোম্পানি।
ভাইরাসের সংক্রমণ
মোকাবেলায় তাদের
যত সাফল্যের
কথা শোনা
যায়, ভ্যাকসিন
তৈরিতে এখন
পর্যন্ত তারা
ততটাই নির্জীব।
টিকার আন্তর্জাতিক
বাজারে এ
মুহূর্তে তারা
পিছিয়ে আছে
যোজন যোজন
দূরে।
যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত
জনসন অ্যান্ড
জনসন কোম্পানি
বাজারে এনেছে
Ad26.COV2.S টিকা।
‘কাঙ্ক্ষিত
অ্যান্টিবডি পাওয়ার
জন্য একটি
মাত্র ডোজই
যথেষ্ট’—এমন
গুণের জন্য
এ টিকা
আছে আগ্রহের
কেন্দ্রবিন্দুতে। তাছাড়া
মাইনাস ২০
ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড
তাপমাত্রায় দুই
বছর এবং
২-৮
ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড
তাপমাত্রায় তিন
মাস সংরক্ষণ
করতে পারাও
এ টিকার
একটি ভালো
দিক। কিন্তু
হতাশ হতে
হচ্ছে গত
২৯ জানুয়ারি
প্রকাশিত তাদের
নিরীক্ষা ফল
দেখে। ৪৩
হাজার ৭৮৩
জন স্বেচ্ছাসেবকের
মধ্যে পরিচালিত
সমীক্ষা অনুযায়ী
যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের
ক্ষেত্রে এ
টিকার কার্যকারিতা
৭২ শতাংশ,
দক্ষিণ আফ্রিকায়
কার্যকারিতার হার
মাত্র ৫৭
শতাংশ। যদিও
যুক্তরাষ্ট্রের সরকার
এরই মধ্যে
জে অ্যান্ড
জে কোম্পানি
থেকে প্রতি
ডোজ ১০
ডলার দরে
১ বিলিয়ন
ডোজ কেনার
চুক্তি সম্পন্ন
করেছে। তার
পরও গড়
৬৬ শতাংশ
কার্যকারিতা নিয়ে
এ টিকা
আন্তর্জাতিক বাজারে
কতটা প্রভাব
ফেলবে তা
জানার জন্য
অপেক্ষা করতে
হবে আরো
কিছুদিন।
শুধু জে
অ্যান্ড জে
নয়, ভ্যাকসিন
বাজারজাতের দৌড়ে
সবচেয়ে এগিয়ে
আছে যুক্তরাষ্ট্রের
আরো দুটি
কোম্পানি। তাদের
National
Institutes of Health (NIH)
এর
National
Institute of Allergy and Infectious Diseases (NIAID) এবং
বায়োটেক কোম্পানি
Moderna
মিলে
যে ভ্যাকসিন
তৈরি করেছে,
সেটি একটি
আরএনএ ভ্যাকসিন।
নাম দেয়া
হয়েছে mRNA-১২৭৩।
ভ্যাকসিনটি মূলত
স্পাইক প্রোটিন
(S)-এর
জন্য নির্ধারিত
mRNA
এবং lipid আবরণের
একটি সম্মিলন।
মাইনাস ২০
ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড
তাপমাত্রায় দীর্ঘদিন
এবং রুম
তাপমাত্রায় ৮
ঘণ্টা রাখা
যাবে এ
টিকা। ৩০
হাজার ৪২০
জন স্বেচ্ছাসেবকের
মাঝে পরিচালিত
সমীক্ষায় এর
কার্যকারিতা পাওয়া
গেছে ৯৪
দশমিক ১
শতাংশ। কিন্তু
মডার্না কোম্পানির
এ টিকার
দাম আকাশচুম্বী।
দুই ডোজ
mRNA-1273
তাদের টিকার
জন্য খরচ
পড়বে ৫০-৭৪
ডলার।
যুক্তরাষ্ট্রের ফাইজার
ও জার্মানির
কোম্পানি বায়োএনটেক
যৌথভাবে বাজারে
এনেছে BNT162b2।
বিশ্ব স্বাস্থ্য
সংস্থা গত
৫ জানুয়ারি
জরুরি ভিত্তিতে
অনুমোদন দিয়েছে
mRNA-ধর্মী
এ টিকার।
কার্যকারিতা প্রায়
৯৫ শতাংশ।
ফাইজারের সঙ্গে
চুক্তি সম্পাদিত
হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র,
ইইউ, যুক্তরাজ্য,
জাপান, চিলি,
মেক্সিকো, একুয়েডর,
পানামা, কোস্টারিকা,
কানাডা ও
অস্ট্রেলিয়ার। দুই
ডোজ টিকার
দাম পড়বে
৩৯ ডলার।
কিন্তু সমস্যা
হলো, এ
টিকা সংরক্ষণ
করতে হবে
মাইনাস (-) ৭০
ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড
তাপমাত্রায়। একবার
বের করলে
ব্যবহার করতে
হবে তাত্ক্ষণিকভাবে,
নইলে বাতিল।
বাংলাদেশের জন্য
এত নিম্ন
তাপমাত্রা ধরে
রাখা শুধু
কঠিনই নয়,
প্রায় অসম্ভব।
যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভ্যাকসিনের
নাম ChAdOx1 nCOV-19 (Code Name-
AZD1222)। তারা
Adenovirus নামে
অন্য একটি
ভাইরাসের জিন
এমনভাবে পরিবর্তন
করেছে যেন
তা মানুষের
দেহে কোনো
ক্ষতিকর প্রভাব
ফেলতে না
পারে। তারপর
এই Adenovirus-এর
জিনের সঙ্গে
জুড়ে দেয়া
হয়েছে করোনাভাইরাসের
Spike
protein (S)-এর
জিন। বাড়তি
জিন জুড়ে
দেয়া নিরীহ
Adenovirus
মানবদেহে প্রবেশ
করালে দেহে
তৈরি হবে
করোনার স্পাইক
প্রোটিন (S)।
আর শরীরে
করোনার ‘S’
প্রোটিনের উপস্থিতি
দেখে আমাদের
ইমিউন সিস্টেম
তৈরি করবে
করোনারোধী অ্যান্টিবডি।
ডিএনএ-জাত
এ ভ্যাকসিন
সংরক্ষণ করা
যাবে ২-৮
ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড
তাপমাত্রায়। যুক্তরাষ্ট্র,
ব্রাজিল ও
দক্ষিণ আফ্রিকায়
১১ হাজার
৬৩৬ জনের
মধ্যে পরিচালিত
পরীক্ষায় এর
কার্যকারিতা সর্বোচ্চ
৯০ শতাংশ।
অক্সফোর্ডের টিকা
বাজারে এনেছে
ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি
অ্যাস্ট্রাজেনেকা। তারা
এরই মধ্যে
সরবরাহ চুক্তি
সম্পন্ন করেছে
যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয়
ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য,
ভারত, চীন,
থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন
ও অস্ট্রেলিয়া
সরকারের সঙ্গে।
অ্যাস্ট্রাজেনেকা আবার
কোভ্যাক্স নামে
বৈশ্বিক উদ্যোগের
সদস্য। বিশ্ব
স্বাস্থ্য সংস্থার
নেতৃত্বে চলমান
কোভ্যাক্স উদ্যোগের
অন্যতম প্রধান
প্রস্তাবক বাংলাদেশের
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনা।
কোভ্যাক্সের আওতায়
অ্যাস্ট্রাজেনেকা নিম্ন
ও মধ্যম
আয়ের ৯২টি
দেশে কম
দামে দুই
বিলিয়ন ভ্যাকসিন
সরবরাহ করতে
অঙ্গীকারবদ্ধ। কম
খরচে, দ্রুত
সময়ের টিকা
উৎপাদনের লক্ষ্যে
দক্ষিণ এশিয়ায়
অ্যাস্ট্রাজেনেকার উৎপাদন
সহযোগী হয়েছে
সেরাম ইনস্টিটিউট
অব ইন্ডিয়া
(এসআইআই)।
চুক্তি মোতাবেক
ভারতের সেরাম
কোম্পানি এক
বিলিয়ন ডোজ
টিকা উৎপাদন
করবে। বিক্রি
করবে নিম্ন
ও মধ্যম
আয়ের দেশে।
সেরামের টিকার
বাজারদরেও আছে
তারতম্য। নির্ভর
করে দেশের
আর্থিক অবস্থা,
গবেষণায় বিনিয়োগ,
কোম্পানির মালিকানা
এসবের ওপর।
বাংলাদেশের জন্য
এক ডোজ
টিকার দাম
পড়ছে প্রায়
৪ ডলার,
যেখানে বিনোয়োগ
সহযোগী হিসেবে
ভারত পাচ্ছে
২ দশমিক
৭২ ডলারে।
আবার মধ্যম
আয়ের দেশ
দক্ষিণ আফ্রিয়ায়
এক ডোজ
টিকার দাম
৫ দশমিক
২৫ ডলার।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন
‘বিনিয়োগ
ঝুঁকি’ নিয়ে
টিকা পাচ্ছে
পানির দরে,
মাত্র ২
দশমিক ১৮
ডলারে।
টিকাসংক্রান্ত যাবতীয়
তথ্য এখন
বিশ্ব স্বাস্থ্য
সংস্থা, গবেষণা
প্রতিষ্ঠান, উৎপাদনকারী
ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানির
নিজস্ব ওয়েব
পেজসহ ইন্টারনেট
দুনিয়ায় সহজলভ্য।
তুলনামূলক পর্যালোচনা
হতে পারে
বিশ্ববাজারে এ
মুহূর্তে প্রাপ্ত
করোনা টিকাগুলোর
মধ্যে। ২-৮
ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড
তাপমাত্রায় সহজে
সংরক্ষণযোগ্য, ৯০
শতাংশ কার্যকারিতা
সম্পূর্ণ, অল্প
দামে, দ্রুততম
সময়ে সরবরাহযোগ্য
ChAdOx1
nCOV-19 টিকা
সংগ্রহ বাংলাদেশের
জন্য সর্বোত্তম
চুক্তি। এর
চেয়ে ভালো
বিকল্প প্রস্তাব
আর কিছুই
হতে পারত
না। অন্তত
এ মুহূর্তে
নেই। এসআইআই
উৎপাদিত অক্সফোর্ড
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভ্যাকসিন
ChAdOx1
nCOV-19 কিনতে
পারা সম্ভব
হয়েছে ‘ভ্যাকসিন
হিরো’ মাননীয়
প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী
নেতৃত্বগুণে। বিশ্বের
হাতেগোনা যে
কয়েকটি দেশ
টিকা কার্যক্রম
শুরু করতে
পেরেছে, বাংলাদেশ
তাদের মধ্যে
অগ্রগামী। www.surokkha.gov.bd ওয়েবসাইটে
নিবন্ধনের মাধ্যমে
দেশব্যাপী টিকা
কার্যক্রম চলছে
মহাসমারোহে। উৎসবের
আমেজে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
তার প্রশাসনিক
প্রজ্ঞা ও
কূটনৈতিক দক্ষতা
দিয়ে আন্তর্জাতিক
অঙ্গনে দেশের
জন্য কুড়িয়েছেন
সুনাম। দক্ষতা
ও বিচক্ষণতা
দিয়ে এখন
বিশ্বনেতৃত্ব পর্যায়ে
নিজের স্থান
করে নিয়েছেন
তিনি। কোভ্যাক্স
উদ্যোগ তার
অন্যতম দলিল।
তার দূরদর্শী
নেতৃত্বে বিগত
দিনগুলোয় বাংলাদেশ
সাক্ষী হয়েছে
দুর্দান্ত সব
অর্জনের। সব
সমালোচনা, দেশী-বিদেশী
অপপ্রচার আর
চক্রান্তের বিপরীতে
উন্নয়নের মহাসড়কে
‘দাবায়া
রাখতে পারবা
না’র
বাংলাদেশের অদম্য
অভিযাত্রায় ‘ভ্যাকসিন
কার্যক্রম’ এক
অনন্য সংযোজন।
ড. মনসুর আলম
খান: জেলা প্রশাসক,
মেহেরপুর
সাবেক রিসার্স ফেলো, টোকিও ইউনিভার্সিটি অব এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি, জাপান