হোসেন জিল্লুর রহমান:
ডে-কেয়ার
সেন্টার
এবং
পানির
ইস্যুটি
অনেকটা
সামাজিক
আলোচনার
মধ্যে
চলে
এসেছে,
নীতি
আলোচনার
মধ্যেও
চলে
এসেছে।
আপনার
কি
মনে
হয়
এক্ষেত্রে
আমাদের
অগ্রগতিটা
সন্তোষজনক?
ফারাহ্ কবির: না, এখনো নয়। এটি সময়েরও ব্যাপার নয়। অনেক দিন ধরে বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয়া হয়নি। বারবার বলা এবং এসডিজি লক্ষ্যে আসার পরে কিছুটা হয়েছে। কিন্তু এ জায়গা থেকে এখনো আমরা অনেক দূরে আছি। বাস্তবায়নের জায়গায় এখনো অনেক বড় গ্যাপ আছে।
আমাদের বারবারই কোনো একটা যুক্তি দিয়ে পিছিয়ে দেয়া হচ্ছে। আমরা কিন্তু জিডিপিতে অন্তর্ভুক্ত করার জন্যই কাজ করছিলাম না। আমরা স্বীকৃতি চাইছিলাম। আমরা আনপেইড কেয়ারওয়ার্কের স্বীকৃতি চাইছি, স্বীকৃতি দিলে তখন পুনর্বণ্টনের ব্যাপার আসবে। পুনর্বণ্টনের জায়গায় কিছু কাঠামোগত ব্যবস্থাও নিতে হবে, কিছু পলিসিও নিতে হবে। সম্পূর্ণ সামাজিক পরিবর্তন আসার জন্য যে উৎসাহ-উদ্দীপনা লাগবে, সেটিকে বেগবান করতে হবে। আমরা যেসব এলাকায় কাজ করেছি, সেখানে দেখেছি নারীরা যে ৭ ঘণ্টা কাজ করতেন, সেখান থেকে তাদের ২ ঘণ্টা কাজ কমে গেছে।
হোসেন জিল্লুর রহমান: ড. আদনান
মোর্শেদ,
সার্বিকভাবে
উন্নয়ন
সূচকের
রাজনীতি
বিষয়ে
আপনার
বক্তব্যটা
শুনি।
ড. আদনান মোর্শেদ: উন্নয়ন সূচকের রাজনীতি নিয়ে আমরা যার যার বিষয়ের নিরিখে দীর্ঘদিন ধরে ভাবছি। এটি খুবই প্রাসঙ্গিক বিষয়। আমাদের প্রথমেই সূচকগুলোর বহুশাস্ত্রীয় বিতর্ক হওয়া উচিত, সূচক বলতে আমরা কী বোঝাচ্ছি। সূচক স্বতঃসিদ্ধ নয়, এর ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণের ব্যাপার আছে এবং এটাকে রূপান্তর করার ব্যাপার আছে। কীভাবে আমরা ইঙ্গিত (ইনডিকেশন) গ্রহণ করছি, সেখানেই রাজনীতির জায়গাটা নিহিত। যেমন ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেট, বরিশাল প্রভৃতি বড় শহরে যারা বসবাস করি, তারা দেখি যে শহর ভালো আছে কিনা। আমরা সিটির র্যাংকিং সম্পর্কে জানি, জিডিপিতে আমাদের অবস্থানটা জানি, প্রবৃদ্ধির কথাটা আমরা সবাই জানি কিছু নম্বর আছে। কিন্তু নগরে বসবাসের আমাদের আসলে বাস্তবতাটা কোথায়, সেটি নিয়ে ইনডিকেটর সম্পর্কে ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণের ব্যাপার আছে। একটি বিষয় প্রথমে বলতে চাই যে ইনডিকেটর দিয়ে সমাজটা বিচার করার ইতিহাসটা যদি আমরা দেখি, সেটি ২০০ বছরের ইতিহাস হবে। উনিশ শতকে ব্রিটিশ ফিজিসিস্ট উইলিয়াম থমসন বলেছিল, ‘ইফ ইউ ক্যাননট মেজার ইট, ইউ ক্যাননট ইমপ্রুভ ইট।’ এই যে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, যেটি আমরা কিন্তু সহজেই পরিমাপ করতে পারব, সেজন্য অর্থনীতিবিদদের মধ্যে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি দিয়ে সমাজকে নিরীক্ষণ করার প্রবণতা ১০০ বছর ধরে তৈরি হয়েছে। ১৯৬০-এর দশকে এসে আমরা দেখতে পাই ইনডিকেশনকে রি-ইন্টারপ্রিট করে অর্থনীতির বাইরে গিয়ে সামগ্রিকভাবে দেখার চল শুরু হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে আমরা জিডিপির একটা মারাত্মক চ্যালেঞ্জ দেখতে পেয়েছি ষাটের দশকে, সত্তরের দশকে যে ওয়েলবিইং বা সামগ্রিক উন্নয়নের ব্যাপারটি এসেছে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির চেয়ে ওয়েলবিইংকে প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে।
ওয়েলবিইংয়ের বিষয়টি যদি নগরের আলোচনায় আনি, তাহলে কীভাবে আমরা নগরের সামগ্রিক স্বাস্থ্যের কথা বলতে পারি। সহজ করে বলব, আমাদের এলাকায় সহজেই শিশুদের স্কুলে পাঠাতে পারছি কিনা, স্কুল-কলেজে আমরা সহজে যেতে পারছি কিনা। আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় আমরা সহজে ঢুকতে পারছি কিনা। আমরা রাস্তাঘাটে চলাচল করতে পারছি কিনা কোনো ঝামেলা ছাড়া। আমাদের যে কর্মজীবী নারীরা আছেন, গণপরিবহন ব্যবস্থায় সহজভাবে চলাচল করতে পারছেন কিনা, কোনো ধরনের যৌন হয়রানি ছাড়া চলাচল করতে পারছেন কিনা। এগুলোকে আমরা নগর স্বাস্থ্যের ইনডিকেটর হিসেবে প্রাসঙ্গিকভাবে দেখতে পারি।আরেকটি বিষয় আছে। আমাদের যারা নগর অভিভাবক আছেন, রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অভিভাবক আছেন, তারা নিজেদের কার্যমেয়াদে কিছু প্রতীক তৈরি করতে চান, যেগুলো খুব দৃশ্যমান। যেমন ধরুন, তাদের দৃষ্টিভঙ্গিতে-রাজনীতিতে নগরের স্বাস্থ্যের একটি প্রধান উপকরণ হলো ফ্লাইওভার। ফ্লাইওভারগুলো আমাদের চোখের সামনে আছে। ফ্লাইওভারের উন্নয়ন দেখলে আমরা মনে করি যে আমাদের নগর স্বাস্থ্যের উন্নয়ন হচ্ছে। কিন্তু আমরা জানি বর্তমানে যেসব উন্নত বাসযোগ্য শহর আছে, সেখানে ফ্লাইওভারের বিপরীতে প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে সহজে চলাচল করা যাচ্ছে কিনা। আজকে অনেক উন্নত দেশে যেমন আমাদের এশিয়াতেই ১৯৬০-এর দশকের ফ্লাইওভার ভেঙে পুরনো একটি খালকে পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। নগর স্বাস্থ্যের জায়গাগুলোয় আমরা নতুন নতুন ধারণা দেখতে পাচ্ছি। উন্নয়নকে প্রতীকায়ন করতে আমাদের উৎসাহ বেশি। সেটাতেই সংখ্যার রাজনীতিকরণ, আমরা উন্নয়নকে চাক্ষুষ করতে চাই। আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই। সম্প্রতি নগর পরিকল্পনার অন্যতম উপাদান ডিটেইলড এরিয়া প্ল্যানে ভূমি ব্যবহারের একটা খসড়া দলিলে দেখেছি কোনো বাছবিচার না করেই রাজউক নগরের উচ্চতাকে সীমাবদ্ধ করতে চায়। নগরের ভবনের উচ্চতা আটতলার বেশি করা যাবে না বলে একটি খসড়া পরিকল্পনা/উদ্যোগ নিয়েছে। তার কারণ হলো, ঢাকা শহর জনসংখ্যার চাপে বিধ্বস্ত। নগর জনসংখ্যা সীমিত করতে হবে। কাজেই ভবনের উচ্চতাকে সীমাবদ্ধ করলেই জনসংখ্যা লিমিট করা যাবে—এ রকম ধারণা করা হচ্ছে। এটা কিন্তু আমাদের নগরস্বাস্থ্যের যেসব ইনডিকেটর আছে, সেগুলোকে নিয়ে করা নয়। এটা বিভিন্ন ধরনের রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক স্বার্থে করা হয়েছে। একই সঙ্গে ডিটেইলড এরিয়া প্ল্যানে ইকোলজিক্যালি সেনসিটিভ যেসব ফ্লাডপ্লেইন আছে, সেখানে আবার ভবন করার অনুমতি দেয়া হচ্ছে। তার মানে ইনডিকেটরগুলোকে একটা পারসেপচুয়াল জায়গা থেকে ধরে নগর পরিকল্পনা করা হচ্ছে, সেটিকে আমি বলব যে এক ধরনের রাজনীতিকীকরণ।
হোসেন জিল্লুর রহমান: সূচকের সাম্প্রতিক
আলোচনায়
আমরা
এক
ধরনের
খণ্ডিত
সূচকের
প্রতি
ঝোঁক
দেখতে
পাই।
এই
খণ্ডিত
সূচক
প্রবণতার
বিষয়ে
আপনাদের
মতামত
শুনতে
চাইছি।
ড. আদনান
মোর্শেদ: আমি যদি
নগর
পরিকল্পনার
জায়গা
থেকে
দেখি
তাহলে
হয়তো
এভাবে
বলব
যে
ভিন্ন
অ্যাক্টরস
অনেক
সময়
অর্থনৈতিক
লাভকে
বিবেচনায়
নিয়ে
এক
হয়ে
যেতে
পারে।
যেমন
বিশ্বব্যাংকের
একটা
বড়
প্রস্তাবনা
ছিল
পূর্ব
ঢাকাকে
একটা
বিশাল
নগর
হিসেবে
গড়ে
তোলার।
আমি
যদি
ওটাকে
বিশ্বব্যাংকের
দৃষ্টিভঙ্গি
থেকে
দেখি
তাহলে
দেখব
এটা
হয়তো
ঢাকাকে
সম্প্রসারিত
করবে,
ঢাকার
অর্থনৈতিক
স্পেসকে
সম্প্রসারিত
করবে।
আবার
রাজউক
বা
ব্যবসায়ীগোষ্ঠীর
জায়গা
থেকে
যদি
দেখি
তাহলে
দেখব
এটা
অনেককেই
লাভবান
করছে।
একটা
নেটওয়ার্কের
ভেতরে
কীভাবে
বিভিন্ন
স্বার্থ
কাজ
করছে,
সেটি
আমাদের
বুঝতে
হবে।
বর্তমানে
ঢাকা
শহরে
যে
ধরনের
নগর
পরিকল্পনা
দেখছি
(যেমন ড্যাপ),
তা
নিয়ে
বিতর্ক
হচ্ছে,
নানা
লেখালিখি
হচ্ছে,
এটা
কার
স্বার্থ
রক্ষা
করছে।
ডিটেইলড
এরিয়া
প্ল্যান
কিন্তু
খুব
গুরুত্বপূর্ণ
একটা
ডকুমেন্ট।
প্রতিটি
ভূমি
ব্যবহার
বিষয়ে
এটি
একটা
শহরে
গুরুত্বপূর্ণ
দিকনির্দেশনা
দিতে
পারে।
আমাদের
শহরগুলো
কোথায়
যাচ্ছে,
আগামী
২০
বছর
শহরগুলোর
অবস্থান
কোথায়
হবে—এসব
বিষয়
বিশদ
অঞ্চল
পরিকল্পনার
এজেন্ডা।
বর্তমান
ড্যাপে
আমরা
দেখতে
পাচ্ছি
বিভিন্ন
ব্যবসায়িক
স্বার্থকে
প্রাধান্য
দিয়ে
ফ্লাডপ্লেইনে
ভবন
নির্মাণে
অনুমতি
দেয়ার
একটা
প্রশ্নবিদ্ধ
পরিকল্পনার
কথা
বলা
হচ্ছে।
এসডিজির
১১
নং
লক্ষ্য
সাসটেইবল
কমিউনিটিজ
তৈরির
বিষয়টি
একটি
বাকসর্বস্বতায়
পরিণত
হচ্ছে।
কিন্তু
রাজউকের
দৃষ্টিভঙ্গি
থেকে
যদি
এসডিজির
১১
নং
লক্ষ্য
ব্যাখ্যা
করি
তাহলে
দেখা
যাবে
শহরে
কীভাবে
অনেকগুলো
দোকান
করা
যায়,
ভবন
করা
যায়
তারই
প্রাধান্য।
স্থায়িত্বশীলতা
একটি
আল্লাহ
প্রদত্ত
ধারণা
নয়।
এটি
ব্যাখ্যা
করার
ব্যাপার
আছে।
এখানে
ফারাহ্
আপা
নারীর
ক্ষমতায়নের
কথা
বলছিলেন।
এসব
ব্যাপার
টেকসই
নগর
ধারণার
মধ্যে
সন্নিবেশ
করার
বিষয়
রয়েছে।
যেমন
কর্মজীবীরা
নারীরা
কোনো
ধরনের
হয়রানি
ছাড়াই
গণপরিবহন
ব্যবস্থায়
চলাচল
করতে
পারছেন
কিনা।
বিষয়টি
কিন্তু
টেকসই
নগরের
আলোচনায়
আসতে
হবে।
কেউ
যদি
ব্যবসায়িক
স্বার্থ
সংরক্ষণ
করে
নগর
ব্যবস্থার
কথা
বলেন,
তাহলে
সেখানে
বিরাট
বিরাট
দোকান,
ফ্লাইওভার
দেখতে
পাবেন।
কিন্তু
ফ্লাইওভারগুলো
নগরের
চলাচল
ব্যবস্থাকে
নিরীক্ষণ
করে
করা
হয়েছে
কিনা,
তা
কিন্তু
আমরা
দেখছি
না।
একটি
ফ্লাইওভার
করা
মানে
হাজার
কোটি
টাকা
বিতরণ।
এর
অনেক
ব্যাপার
আছে।
সূচক
বা
আউটকাম
বিশ্লেষণ
কিন্তু
সুনির্দিষ্ট
কিছু
গোষ্ঠীর
স্বার্থের
নিরিখে
করা
হচ্ছে।
হোসেন জিল্লুর রহমান: বিভিন্ন বিষয়
আলোচনা
হচ্ছে
আলাদা
কর্নার
থেকে।
নীতিনির্ধারকরা
হয়তো
ঠিক
শুনছেন
না।
এ
ধরনের
বিষয়
আছে
কি?
ফারাহ্ কবির: অবশ্যই একটা ট্রেড-অফ তো আছেই। যেমন বাল্যবিবাহ। বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে আইনও করা হলো। সব করা হলো। কিন্তু একটা গোষ্ঠীর চাপে একটা ধারা নিয়ে আসা হলো। তাতে কী হচ্ছে? সবকিছু করা হলো, অথচ ওই ধারায় বলা হলো, বাবা-মায়ের ডিসক্রেশনে চাইলে মেয়ের বিয়ে দেয়া যাবে। এর দ্বারা আগের সব প্রচেষ্টা প্রায় অর্থহীন হয়ে যায়। যেজন্য আমি দেখি যে ট্রেড অফগুলো সেখানে আছে।
আমরা
২০০০
সাল
থেকে
নারীদের
জন্য
সেইফ
সিটিজ
ক্যাম্পেইন
করছি।
কারণ
যেকোনো
পরিকল্পনা
এলে
সেখানে
মেয়েশিশু
বা
নারীদের
জন্য
আলাদা
প্রয়োজনের
কথা
কখনই
আসত
না।
আমাদের
এখনো
অনেক
জাতীয়
স্থাপনা
আছে,
যেখানে
বিশেষ
বিশেষ
মানুষের
জন্য
প্রবেশাধিকার
নেই।
তার
মানে
অন্তর্ভুক্তিমূলক
নয়।
সেইফ
সিটিজ
ক্যাম্পেইনে
একটা
পর্যায়ে
আমরা
ঢাকা
শহরের
মেয়রদেরও
নিয়ে
আসতে
পেরেছিলাম।
ঢাকা
চাকাসহ
প্রভৃতি
ক্ষেত্রে
চেষ্টা
করা
হয়েছিল
কিন্তু
ট্রান্সপোর্ট
লবি
এত
শক্তিশালী
যে
তাদের
ডিঙিয়ে
অন্য
কিছু
করা
অনেক
সময়
সম্ভব
হয়
না।
সর্বশেষ
আমরা
রাজনৈতিক
সদিচ্ছা
দেখতে
চাই।
হোসেন জিল্লুর রহমান: দৃষ্টিভঙ্গির আর
কী
কী
সমস্যা
আছে?
সৈয়দ আখতার
মাহমুদ: এখানে উন্নয়নের
রাজনীতি
এবং
উন্নয়ন
সূচকের
রাজনীতির
মধ্যে
যে
একটি
পার্থক্য
আছে,
সেটিও
জানা
দরকার।
এতক্ষণ
যা
আলোচনা
হচ্ছে
তা
উন্নয়নের
চ্যালেঞ্জের
বিভিন্ন
দিক।
বিভিন্ন
গোষ্ঠী
নিজেদের
স্বার্থের
নিরিখ
থেকে
নীতি
প্রণয়নকে
প্রভাবিত
করছে
বা
বাস্তবায়নকে
প্রভাবিত
করছে।
আপনি
বলেছেন,
বিভিন্ন
গোষ্ঠী
নিজের
চৌহদ্দির
(সাইলো) মধ্যে
বসে
নিজের
সমস্যাকে
দেখছে।
একভাবে
দেখার
পর
তারা
হয়তো
ইনডিকেটর
ব্যবহার
করছে।
এখানে
সমস্যা
ইনডিকেটরের
নয়,
সমস্যা
হলো
আমাদের
উন্নয়ন
ডিসকোর্স
অনেকটা
গোষ্ঠীকেন্দ্রিকভাবে
হচ্ছে।
একেকজন
একেক
জায়গায়
বসে
নিজের
মতো
করে
আলোচনা
করছেন।
প্রশ্ন
হলো,
ইনডিকেটর
এ
অবস্থার
আদৌ
পরিবর্তন
আনতে
পারে
কিনা।
আমি
বিশ্বাস
করি,
কোনো
না
কোনো
ক্ষেত্রে
করতে
পারে।
রাজউক
ঢাকার
উন্নয়নকে
চিন্তা
করে
একভাবে
তারা
কাজ
করছে।
আরেক
গোষ্ঠী
যদি
কোনো
ইনডিকেটরের
মাধ্যমে
দেখাতে
পারে
যে
রাজউক
যেভাবে
এগোচ্ছে,
তাতে
আসলে
ঢাকা
শহরের
সত্যিকার
অর্থেই
উন্নয়ন
হচ্ছে
না—এ
বার্তাটি
বিভিন্ন
সভা-সমিতি,
বক্তৃতা
ও
লেখার
মাধ্যমেও
দেয়া
যায়।
এমনও
হতে
পারে
দু-একটি ইনডিকেটরের
মাধ্যমে
বার্তাটি
যত
সুচারুভাবে
দিতে
পারবেন,
অন্যভাবে
হয়তো
আপনি
পারবেন
না।
এটাই
হলো
ইনডিকেটরের
শক্তি।
কাজেই
এটি
ইনডিকেটরের
কারণে
হচ্ছে
নাকি
ইনডিকেটর
সমস্যা
সমাধানে
একটা
ভূমিকা
রাখতে
পারে,
এটি
একটি
প্রশ্ন
বটে।
ড. আদনান
মুর্শেদ: এ আলোচনায়
আমি
একটা
বিষয়
যোগ
করতে
চাই।
কোনো
সমাজের
উন্নয়নের
একটা
চিত্র
পাওয়া
যায়,
যখন
রাজনৈতিক
পার্থক্য
সত্ত্বেও
একটি
জনগোষ্ঠী
একটা
ঐকমত্যে
পৌঁছতে
পারবে
যে
উন্নয়নের
মানে
কী।
এটা
কিন্তু
উন্নয়নের
অন্যতম
সূচক।
যেমন
জনচত্বরে
রাতে
বা
দিনে
নিরাপদে
নারী-শিশুরা
হাঁটাচলা
করতে
পারছে
কিনা,
সেটা
দেখার
বিষয়।
অনেকেই
বলবেন,
এটার
দরকার
কী।
নারীরা
হাঁটতে
পারলেই
তো
হলো।
কিন্তু
নারী
বা
শিশুর
হাঁটার
জন্য
কতগুলো
নগর
পরিকল্পনার
ব্যাপার
আছে।
একটি
মৌলিক
সিদ্ধান্ত
নেয়ার
ব্যাপার
আছে।
কিন্তু
কোথাও
যখন
আপনি
এটা
নিয়ে
যাবেন,
সেখানে
দেখবেন
যে
১০০
রকমের
মতামত
আছে।
একটি
উদাহরণ
দেয়া
যাক।
বরিশালের
ঝালকাঠিতে
আমরা
একটি
স্কুলে
মেয়েদের
জন্য
একটি
টয়লেট
নির্মাণ
করতে
গিয়েছিলাম।
সেখানে
স্কুল
কমিটির
সদস্যরাই
সম্মত
হয়নি
যে
মেয়েদের
জন্য
আলাদা
কোনো
জেন্ডারবান্ধব
টয়লেটের
দরকার
আছে।
তারা
বললেন,
এটা
স্কুলে
সামাজিক
ভারসাম্য
বিনষ্ট
করবে।
সব
গোষ্ঠী
যে
যার
জায়গা
থেকে
ব্যাপারটি
দেখে।
পুরুষ
আধিপত্যের
স্কুল
কমিটি
দেখছে
কিশোরী
মেয়েবান্ধব
টয়লেটের
পরিবর্তে
তাদের
সামাজিক
নিয়ন্ত্রণের
বিষয়টি।
ব্যক্তিস্বার্থেও
আমরা
কিছুটা
বিভক্ত।
একই
সঙ্গে
ডিসিপ্লিনের
দিক
থেকেও
বিভাজিত।
অর্থনীতিবিদরা
এক
রকম,
আমরা
নগরবিদরা
আরেক
রকমভাবে
চিন্তা
করি।
এখানে
আমাদের
পারস্পরিক
মিথস্ক্রিয়ার
একটা
ব্যাপার
আছে।
হোসেন জিল্লুর রহমান: পশ্চিমা ধারণাবাহিত
সূচকগুলো
নিয়ে
সতর্ক
থাকা
বা
বিতর্কের
মধ্যে
যাওয়া
উচিত
কিনা?
ড. সৈয়দ আখতার মাহমুদ: আমার মনে হয় প্রথমে একটা বিষয় মনে রাখা দরকার। একটা তো হলো বৈশ্বিক প্রভাবটা কেন হচ্ছে? অনেক গ্লোবাল এজেন্সি আছে, যারা কোনো কারণে মনে করেছে তারা যেসব বিষয়ে বিশ্বাস করে, সেগুলো নিশ্চিত করা উচিত। যেমন বিশ্বব্যাংক মনে করে ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্নত করা দরকার। তারা এর আগে ঋণের সঙ্গে যেসব শর্ত যুক্ত থাকে, তার মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের সংস্থার প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করার চেষ্টা করেছে। দেখা যায়, তাতে খুব একটা কাজ হয় না। কিন্তু বিজনেস ইনডিকেটর, যেখানে গ্লোবাল র্যাংকিং করা হলো তখন সাড়া পাওয়া গেল। এখানে বোধ হয় মনস্তাত্ত্বিক ব্যাপারও আছে। মানুষ যখন দেখে যে তাকে তুলনা করা হচ্ছে, তার মধ্যে এক ধরনের প্রতিক্রিয়া হয় এবং বিষয়টি করার একটা তাগিদ অনেক সময় অনুভূত হয়। এটি ব্যক্তির বেলায় সত্যি, দেশের বেলায়ও সত্যি। অতএব, বিষয়টি মাথায় রেখে গ্লোবাল অ্যাক্টররা ইনডিকেটর বিষয়টি ব্যবহার করছে তাদের এজেন্ডাগুলো সামনে আনার জন্য। আমাদের দেশে একটা সমস্যা আমি মনে করি, এখনো মেজরমেন্ট বা পরিমাপের কালচার তেমন একটা গড়ে ওঠেনি। অতএব, গ্লোবাল অ্যাক্টররা ইনডিকেটর নিয়ে আসছে, আমরা তাতে রিঅ্যাক্ট করছি এবং সেগুলো নিয়ে আলাপ-আলোচনা করছি। আস্তে আস্তে আমরা যদি মনে করি নিজেরাই ইনডিকেটর বিষয়টিকে গুরুত্ব দেব, যেসব সমস্যা গুরুত্বপূর্ণ মনে করছি সেগুলো সমাধানে যে ধরনের সূচক দরকার, তা আমরা নিজেরাই তৈরি করব এবং আমরা উন্নয়নের আউটকামগুলো সেভাবেই মূল্যায়ন করব। সেই সংস্কৃতি গড়ে উঠলে গ্লোবাল ইনডিকেটরের ওপর নির্ভরশীলতা অনেক কমে আসবে। তখন আমরা যেগুলো গুরুত্বপূর্ণ মনে করব, নিজেরা সেভাবেই করব।
ফারাহ কবির: কিছু ইনডিকেটরকে আমাদের আবার ইউনিভার্সাল ও গ্লোবাল রাখতে হবে, নইলে জাতীয় ক্ষেত্রে ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণে সমস্যা তৈরি হবে। তবে এখন সাউথ থেকে অনেক কিছু আসছে, এখন আমরা বোধ হয় এসব বিষয় দিয়ে নর্দার্ন বা ওয়েস্টার্ন ডিসকোর্সকে চ্যালেঞ্জ করতে পারি।
হোসেন জিল্লুর রহমান: ড. আদনান মুর্শেদ আপনি কি একটা উদাহরণ দিতে পারবেন সাউথ থেকে আমরা আইডিয়া বা নলেজ লেভেলে পশ্চিমকে চ্যালেঞ্জ করতে পেরেছি?
ড. আদনান মুর্শেদ: খুব ভালো প্রশ্ন।
আমি একটু এগিয়ে বলতে চাই, পশ্চিমা বিশ্বে আমরা যদি সোস্যাল বা ডেভেলপমেন্ট ইনডিকেটরের ইতিহাস দেখি, তাহলে দেখব ১০০ বছর ধরে একটি প্রবণতা ছিল যে মেজারেবল সামাজিক অবস্থানগুলো, যেসব সামাজিক অবস্থান পরিমাপ করা যায় তার প্রতি ঝোঁক বেশি; সেটিকে ধরার একটা ব্যাপার ছিল।
যেমন পরিমাপযোগ্য বলতে আমরা বলব স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষায় প্রবেশাধিকার।
এটা কিছুটা গাণিতিকভাবে দেখানো যাবে।
কিন্তু সাবজেক্টিভ ওয়েলবিইং পরিমাপ করার যে জটিলতা, তার কারণে পশ্চিমা বিশ্বে সেটিকে একটা ব্যাকগ্রাউন্ডে রাখার ব্যাপার ছিল।
এজন্য মোটামুটিভাবে মেজারেবল ইনডিকেটরগুলোকে প্রাধান্য দেয়া হতো।
একই কারণে ইকোনমিক ইন্টেলিজেন্স গ্রুপের শহরে বাসযোগ্যতার ইনডেক্সগুলোর মধ্যে পরিমাপযোগ্য কম্পোন্যান্টগুলোকে
প্রাধান্য দেয়া হয়েছে, যেখানে সাবজেক্টিভ ওয়েলবিইং শহরে নারীরা ভালো আছেন কিনা, নিম্নবিত্ত শিশুদের একটা ভালো স্কুলে যাওয়ার অধিকার সংরক্ষণ করা হচ্ছে কিনা—এগুলো পরিমাপ করার বিষয়গুলো একটু উপেক্ষিত।
আমি বলব, ঢাকা বা অন্যান্য শহরে রাস্তাঘাটের যে প্রাণচাঞ্চল্য বা জনঘনত্ব (মাইলপ্রতি জনঘনত্ব ১ লাখ ১৪ হাজার) অনেক বেশি।
পশ্চিমা বিশ্বে এখন জনঘনত্বকে ভালো বিষয় বলা হচ্ছে।
গাদাগাদি করে থাকা আর গুড ডেনসিটি এক বিষয় নয়।
সেখানেই সাউথ থেকে একটা পার্থক্য আছে বলে মনে করি।
যেমন হংকংয়ে বর্গমাইলপ্রতি জনসংখ্যা তিন লাখের ওপরে।
এ রকম অনেক জায়গা আছে দেশটিতে।
গ্লোবাল সাউথ থেকে একটি নলেজ এসেছে যে আসলে ডেনসিটি সমস্যা নয়, সমস্যা হলো কার্বন ফুটপ্রিন্ট কমিয়ে জনঘনত্বকে কীভাবে বাড়ানো যায়, তার উদাহরণ কিন্তু আমরা সাউথেই দেখেছি।
যেমন কোরিয়া।
কোরিয়াকে সাউথ বলা যাবে কিনা, আমি নিশ্চিত নই।
কিন্তু অনেক সাউদার্ন দেশ থেকে জনঘনত্বকে কার্বন ফুটপ্রিন্ট কমিয়ে আনার একটা নলেজ হিসেবে দেখার সুযোগ আছে।
হোসেন জিল্লুর রহমান: আজকের আলোচনায় অনেকগুলো বিষয় উঠে এসেছে।
একটা হলো, সূচককে ধরে বেশকিছু সমস্যা আছে।
সূচকগুলো খণ্ডিত, এগুলো সার্বিক চিত্র তুলে ধরছে না।
আরেকটি হলো, এর অপব্যবহার হচ্ছে।
পরিসংখ্যান নিয়ে কারচুপি আজকাল আমরা দেখতে পাচ্ছি।
আরেকটি বিষয় হলো, সাইলো বা নির্দিষ্ট চৌহদ্দির ভেতর আটকে থাকা।
সূচক নিয়ে আলোচনা হচ্ছে ঠিকই কিন্তু ভিন্ন ভিন্ন গোষ্ঠী শুধু নিজেদের মধ্যে আলোচনা করছে।
আন্তঃগোষ্ঠী আলোচনা নেই।
আবার আরেকটি বিপদের দিকে আপনারা নজর দিয়েছেন, সূচক নিয়ে আলোচনার একটি অসুবিধা হলো টোকেনিজমের দিকে চলে যাওয়া।
মানে ছোট একটা কিছু করে সূচকের সমাধান হয়ে গেছে এই যে টোকেনিজম এটা বিপজ্জনক।
নানা কিছুতে টোকেনিজম হতে পারে।
এমনকি নারী উন্নয়নের ক্ষেত্রেও হয়তো এমন দু-একটি সূচক ব্যবহার করলাম, যেখানে সুনির্দিষ্ট পেশায় নারীর অংশ বিবেচনায় হয়তো মনে হলো যে আমরা অনেক দূর এগিয়ে গেছি, কিন্তু নারীর সামগ্রিক উন্নয়নে দেখব যে অর্জনের আরো অনেক কিছু আছে।
কাজেই আমি মনে করি, সূচকসংক্রান্ত এসব বিষয় নিয়ে আমাদের সতর্ক থাকা উচিত।
এখানে টোকেনিজম, ম্যানিপুলেশন, সাইলো ডিসকাশন, ওয়েস্টার্ন আইডিয়া ডিপেন্ডেন্সি প্রভৃতি বিষয়।
খোদ পরিমাপযোগ্যতা একটি বড় ইস্যু।
এটি এখন উন্মোচিত হওয়া উচিত।
প্রকৃতপক্ষে ওয়েলবিইং কেন পুরোপুরি পরিমাপ করা যায় না, তাও আসলে পর্যালোচনা করা উচিত।
আমাদের বিভিন্ন ধরনের আইডিয়া নিয়ে এগিয়ে আসতে পারি, যা ভিন্ন ধরনের হতে পারে।
অন্যদিকে সূচকের কিছু নতুন অর্থও সৃষ্টি করতে পারি।
আদনান মুর্শেদ যেমনটা বললেন, কিছু ইস্যুতে জাতীয় ঐকমত্য আছে কিনা।
এটি নিজেই একটা সূচক।
এমনটি হলে অনেক কিছু দ্রুত এগোতে পারে।
ফারাহ কবির যেমনটা বললেন, বাল্যবিবাহ বন্ধ হওয়া উচিত।
আমরা সবাই চাই, সেটি বন্ধ হোক।
আইনও হয়েছে।
কিন্তু একটি ধারার কারণে বাল্যবিবাহের হার খুব একটা কমছে না।
সুতরাং জাতীয় ঐকমত্য একটি বড় ইস্যু।
চূড়ান্তভাবে ক্ষমতা কাঠামোর বিষয়টি ঘুরেফিরে এসেছে।
প্যানডেমিক রেসপন্স পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে, স্টিমুলাস প্যাকেজগুলো দ্রুত ও বেশি করে কারা পেয়েছে? সেসব খাত, যাদের কণ্ঠ ও রাজনৈতিক শক্তি অনেক শক্তিশালী।
কিন্তু কণ্ঠ দুর্বল থাকা এসএমই সেক্টর খুব কমই পেয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে প্যাকেজের বাস্তবায়ন হার কমই বলা চলে।
কাজেই নিশ্চিতভাবে ক্ষমতার ইস্যুটি অবশ্যই আমাদের মাথায় রাখতে হবে।
এখানে কণ্ঠ আরো দৃশ্যমান ও শক্তিশালী করা প্রয়োজন।
অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা চূড়ান্ত হয়েছে, এখানে কিছু বিষয় এসেছে আবার কিছু বিষয় আসেনি।
দেশে কিছু জনগোষ্ঠী আছে, যারা পরিসংখ্যানগতভাবে অদৃশ্য।
তারা খুব প্রান্তিক গোষ্ঠী।
চা শ্রমিক, শহরের সুইপার, ঋষি প্রভৃতি।
তাদের দৃশ্যমান করে প্রথম একটি বড় ধাপ অতিক্রম করা যায়।
আজকে আলোচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, হ্যাঁ, সূচক কোনো নিরপেক্ষ ধারণা নয়।
এর মধ্যে বহু বিষয় যুক্ত।
মাইন্ডসেট, পাওয়ার, আইডিয়া ডিপেন্ডেন্স প্রভৃতি।
একই সঙ্গে এসব বিষয়ে যুক্ত হওয়াও খুব গুরুত্বপূর্ণ।
পরিমাপ খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
বিবিএসের পরিসংখ্যান বা জনশুমারির সময়ে এসব প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে যদি একটি ক্যাটাগরি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, তখন তারা দৃশ্যমান হবে।
তখন তারা রাষ্ট্রের কাছে তাদের অধিকারগুলো অন্যভাবে উপস্থাপন করতে পারবে।
কাজেই পরিমাপের ইস্যুটি খুব গুরুত্বপূর্ণ।
চূড়ান্তভাবে এটি একই সঙ্গে ইনোভেশনেরও প্রশ্ন।
আমি মনে করি গোষ্ঠীকেন্দ্রিক সংলাপ নিয়ে আমাদের সজাগ হওয়াটা জরুরি।
আমাদের শুধু জিডিপিকেন্দ্রিক আলোচনার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না, একই সঙ্গে সোস্যাল অ্যাক্টরদেরও নিজস্ব অবদান রাখা জরুরি।
সমাজবিজ্ঞানী, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী, নৃবিজ্ঞানী, নগর তত্ত্ববিদ সম্পৃক্ত করতে হবে।
আমি মনে করি, আপেক্ষিকভাবে বাংলাদেশে বহুশাস্ত্রীয় সংলাপের অবস্থা বেশ দুর্বল।
এগুলো কীভাবে আরো জোরদার করা যায়, তা নিয়ে সচেষ্ট হওয়াটা জরুরি।
গায়ত্রী স্পিভাকের একটি লেখায় উঠে এসেছে, আমরা তথ্যের জোগানদাতা আর পশ্চিমা দেশগুলো তা দিয়ে জ্ঞান উত্পাদনকারী।
আমার মনে হয়, এ বাস্তবতার পরিবর্তন করা প্রয়োজন।
এরই মধ্যে পরিবর্তন করা আমরা শুরু করেছি।
আমাদের মনে হয়, এ ইস্যুও সত্যিই আরো চর্চা করা প্রয়োজন।
(পিপিআরসির ‘আজকের
এজেন্ডা’ ওয়েবিনার সিরিজের ২১ নভেম্বর ২০২০ অনুষ্ঠিত হওয়া পর্বের আলোচনার ভিত্তিতে রচিত)
হোসেন জিল্লুর রহমান, সৈয়দ আখতার মাহমুদ
ফারাহ কবির, আদনান মোর্শেদ
শ্রুতলিখন: হুমায়ুন কবির