আন্তর্জাতিক
আন্তঃসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোয়
বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর
ক্রমাগত জড়িয়ে
পড়া নতুন
কোনো বিষয়
নয়। বিভিন্ন
বেসরকারি প্রতিষ্ঠান
নানা উপায়ে
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক
প্রতিষ্ঠানের কর্মকাণ্ডে
অংশ নেয়,
যদিও তাদের
অংশগ্রহণ সাধারণত
সরাসরি দৃষ্টিগোচর
হয় না।
এর একটি
ভালো উদাহরণ
হচ্ছে বিশ্ব
বাণিজ্য সংস্থা।
বিশ্ব বাণিজ্য
সংস্থা এমন
একটি আন্তঃসরকারি
প্রতিষ্ঠান, যেখানে
অ-রাষ্ট্রীয়
শক্তির কোনো
সরাসরি ভূমিকা
থাকার কথা
নয়। কিন্তু
তার পরও
এটা অনেকেরই
জানা, বেসরকারি
প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বার্থগত
অবস্থান সংস্থাটির
সদস্য রাষ্ট্রগুলোর
দরকষাকষির অবস্থানকে
প্রভাবিত করে।
পরবর্তীতে এর
প্রভাব পরে
সংস্থাটির সদস্য
রাষ্ট্রগুলোর আলোচনা
এবং সদস্য
গ্রহণ করা
স্বাক্ষরিত চুক্তিতে।
সে তুলনায়
বিশ্ব স্বাস্থ্য
সংস্থায় বেসরকারি
প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রভাব
নিয়ে কিন্তু
আন্তর্জাতিক আইনজ্ঞরা
তেমন সরব
নন। অ-রাষ্ট্রীয়
শক্তির বর্ধনশীল
প্রভাব বিশ্ব
স্বাস্থ্য সংস্থার
মতো একটি
আন্তর্জাতিক আন্তঃসরকারি
প্রতিষ্ঠানের বিশ্বাসযোগ্যতা
খর্ব করতে
পারে। এমনকি
এর ফলে
জাতিসংঘের ১৬টি
বিশেষায়িত সংস্থার
একটি হিসেবে
সংস্থাটির ভাবমূর্তি
এবং সারা
পৃথিবীর জনস্বাস্থ্য
ব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা
খর্ব হওয়ারও
অবকাশ থাকে।
এ ধরনের
অ-রাষ্ট্রীয়
শক্তির প্রভাব
আন্তর্জাতিক আন্তঃসরকারি
প্রতিষ্ঠানগুলোর তহবিল
সংগ্রহের ক্ষেত্রেও
একটি খারাপ
নজির স্থাপন
করে। চর্ম
চোখে সমস্যাটি
যত বড়
বলে মনে
হয়, আসলে
সমস্যাটি তার
চেয়েও ব্যাপক।
সম্প্রতি গঠিত
বিশ্ব স্বাস্থ্য
সংস্থা ফাউন্ডেশনের
কাঠামো বিশদভাবে
অন্যত্র বর্ণনা
করা হয়েছে।
তাই তার
পুনরুক্তির প্রয়োজন
বোধ করছি
না। তবে
আলোচনার স্বার্থে
বিশ্ব স্বাস্থ্য
সংস্থা ফাউন্ডেশনের
কাঠামো নিয়ে
সামান্য কিছু
কথা বলার
প্রয়োজন আছে।
এটি একটি
স্বাধীন অনুদান
সংগ্রহকারী সংস্থা,
যেটা বিধিবদ্ধ
করা হয়েছে
জেনেভায়। এটি
সুইস আইনের
অধীনে প্রতিষ্ঠিত,
যার লক্ষ্য
বিশ্ব স্বাস্থ্য
সংস্থাকে শক্তিশালী
করা এবং
বিশ্বের স্বাস্থ্য
খাত যেসব
প্রতিকূলতার সম্মুখীন
হয়, সেগুলো
সমাধান করা।
বিশ্ব স্বাস্থ্য
সংস্থা ফাউন্ডেশন
স্বীকার করে
যে ব্যক্তি
অথবা করপোরেট
দাতাদের সঙ্গে
কাজ করার
জন্য বিশ্ব
স্বাস্থ্য সংস্থা
প্রতিষ্ঠা করা
হয়নি।
সুতরাং এটি
স্পষ্টভাবে স্বীকার
করে, বিশ্ব
স্বাস্থ্য সংস্থার
তহবিল সংগ্রহে
ফাউন্ডেশনটি এমন
একটি পদ্ধতি
অনুসরণ করছে,
যা বিশ্ব
স্বাস্থ্য সংস্থার
প্রতিষ্ঠাতাদের বিবেচ্য
বিষয় ছিল
না। অবশ্যই
এর প্রতিষ্ঠাতাদের
চিন্তা-চেতনা
থেকে বিচ্যুত
হওয়ার ঘটনাটি
হঠাৎ করে
ঘটেনি। বরং
এ বিচ্যুতি
হলো বিশ্ব
স্বাস্থ্য সংস্থার
কর্মকাণ্ডের প্রতি
বিশ্বের বিভিন্ন
দেশের সরকারের
উদাসীন মনোভাব
এবং সংস্থাটিতে
অ-রাষ্ট্রীয়
শক্তির অনুপ্রবেশের
ফল। এর
একটি উত্কৃষ্ট
উদাহরণ হচ্ছে
২০০২ সালে
‘গ্লোবাল
ফান্ড টু
ফাইট এইডস,
টিউবারকলোসিস অ্যান্ড
ম্যালেরিয়া’ প্রতিষ্ঠিত
করা হয়।
এটি একটি
পৃথক এবং
স্বাধীন, সরকারি-বেসরকারি
অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে
পরিচালিত তহবিল
ছিল। এ
তহবিলের উদ্দেশ্য
ছিল সংশ্লিষ্ট
রোগগুলোর বিরুদ্ধে
প্রতিরোধ গড়ে
তোলা এবং
সেগুলো নির্মূলে
দ্রুত তহবিল
সংগ্রহ করা।
কিন্তু সরকারি
কোষাগার থেকেও
এ তহবিলের
অর্থ সংগ্রহ
করা হয়ে
ছিল। এছাড়া
তহবিলটির উদ্দেশ্য
ছিল কিছু
নিদিষ্ট রোগের
বিরুদ্ধে প্রতিরোধ
গড়ে তোলা।
তহবিলটিতে স্পষ্টভাবে
উল্লেখ ছিল
না এর
তহবিল সংগ্রহের
পদ্ধতিটি বিশ্ব
স্বাস্থ্য সংস্থার
তহবিল সংগ্রহের
পদ্ধতির চেয়ে
স্বতন্ত্র কিনা।
বিশ্ব স্বাস্থ্য
সংস্থা ফাউন্ডেশনের
একটি ইতিবাচক
দিক হলো,
এ ফাউন্ডেশনের
মাধ্যমে যে
তহবিল সংগ্রহ
করা হয়,
সেটি বিশ্ব
স্বাস্থ্য সংস্থার
কোনো একটি
নির্দিষ্ট প্রকল্পে
ব্যবহূত হবে
না। বিশ্ব
স্বাস্থ্য সংস্থার
কোনো নির্দিষ্ট
প্রকল্পের জন্য
অনুদান নিয়ে
শুধু অনুদান
প্রদানকারীদের দ্বারা
নির্ধারিত বিশেষ
কোনো উদ্দেশ্যে
ব্যবহার করা
হলে অনুদান
প্রদানকারীরা, অনুদানদাতারা
সংস্থাটির ওপর
বিশেষ ক্ষমতা
অর্জন করে
এবং প্রকল্পটি
তখন তাদের
অনুজ্ঞাসূচক ইঙ্গিত
দ্বারা পরিচালিত
হতো (গোসটিন
২০১৫)।
তাই বর্তমান
নীতি অবলম্বন
করলে বিশ্ব
স্বাস্থ্য সংস্থা
অনুদানদাতাদের প্রভাব
থেকে তুলনামূলকভাবে
মুক্ত হয়ে
স্বাধীনতার সঙ্গে
তাদের প্রকল্পগুলোকে
বাস্তবে রূপ
দিতে সক্ষম
হতে পারে।
বেসরকারি অনুদানের
সঙ্গে সাধারণত
কম বিধি-নিষেধ
যুক্ত হয়।
তাই দ্রুততার
সঙ্গে তহবিল
সংগ্রহ করে
যেকোনো জনস্বাস্থ্য
বিপর্যয়ের বিরুদ্ধে
দ্রুত ব্যবস্থা
নেয়াও সম্ভবপর
হতে পারে।
যেহেতু রাষ্ট্র
স্বয়ং বিভিন্ন
ব্যক্তি ও
প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিত্ব
করে, তাই
অন্তর্জাতিক আন্তঃসরকারি
সংস্থাগুলোর কর্মকাণ্ডে
অ-রাষ্ট্রীয়
শক্তির জড়িত
হওয়াটা অনেকের
কাছে স্বাভাবিক
বলেই মনে
হতে পারে।
অনেকে এ
যুক্তিও তুলে
ধরতে পারেন
যে কোনো
ব্যক্তি বা
প্রতিষ্ঠান যদি
আন্তর্জাতিক আন্তঃসরকারি
প্রতিষ্ঠানগুলোয় অর্থ
অনুদান দেয়,
তাহলে সে
তো মানবজাতির
সার্বিক উন্নয়নে
অবদান রাখছে।
এর আবার
খারাপ দিক
কী হতে
পারে! কিন্তু
এমনকি বেসরকারি
অলাভজনক সংস্থাগুলোকেও
জবাবদিহি করতে
হয় এবং
বেশির ভাগ
সময় তারা
একটি নিদিষ্ট
গ্রুপের মানুষের
স্বার্থ সংরক্ষেণের
দিকে ঝুঁকে
পড়ে। একটি
অলাভজনক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও
জনসাধারণের কাছে
দায়বদ্ধ না-ও
থাকতে পারে,
বরং তাদের প্রায়
সময়ই প্রতিষ্ঠাতা
বা পরিচালকমণ্ডলীর
স্বার্থকে অগ্রাধিকার
দিতে হয়।
উদাহরণস্বরূপ, শ্রমিকদের
স্বার্থ সংরক্ষণের
উদ্দেশ্যে গঠিত
একটি এনজিও
তো অবশ্যই
শ্রমিক সংগঠনগুলোর
স্বার্থ সংরক্ষণের
দিকে ঝুঁকে
পড়বে। এটাই
কি স্বাভাবিক
নয়?
একজন আন্তর্জাতিক
আইনের বিজ্ঞজন
এ বিষয়
ব্যাখ্যা করতে
চেয়েছেন একটি
খুবই যুক্তিযুক্ত
প্রশ্নের মাধ্যমে।
প্রশ্নটি হলো,
এখন ন্যাটো
যদি সিদ্ধান্ত
নেয় যে
তারা সদস্য
রাষ্ট্রদের নিরাপত্তা
বিধানের জন্য
এমন একটি
ন্যাটো ফাউন্ডেশন
গঠন করবে,
যেখানে সরকারগুলো
জড়িত হবে
না এবং
শুধু অ-রাষ্ট্রীয়
শক্তির কাছ
থেকে তহবিল
সংগ্রহ করা
হবে। তাহলে
সেটা কতটা
বাস্তবসম্মত হবে?
(রিচটার, ২০১২)।
অবশ্যই এ
ধরনের দৃশ্যকল্প
ন্যাটো বা
জাতিসংঘের নিরাপত্তা
পরিষদের সদস্য
রাষ্ট্রগুলোর জন্য
মেনে নেয়া
কোনোভাবেই সম্ভব
নয়। এখন
আন্তঃসরকারি সংস্থাগুলো
যারা শান্তি
ও নিরাপত্তা
নিয়ে কাজ
করে, তাদের
কাছে যদি
তাদের কাজকর্মে
বেসরকারি বা
অ-রাষ্ট্রীয়
শক্তির অনুপ্রবেশ
অগ্রহণযোগ্য হয়,
তাহলে সেই
একই যুক্তি
কেন বিশ্ব
স্বাস্থ্য সংস্থার
ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
হবে না? বিশ্ব
স্বাস্থ্য সংস্থায়
অ-রাষ্ট্রীয়
শক্তিগুলোর সম্ভাব্য
বিরূপ প্রভাবের
কথা চিন্তা
করে ২০০১
সালে সংস্থাটি
‘গাইডলাইনস
অন ইন্টারেকশন
উইথ কমার্শিয়াল
এন্টারপ্রাইজেস টু
অ্যাচিভ হেলথ
আউটকাম’ প্রণয়ন
করে। সেই
গাইডলাইনে বিশ্ব
স্বাস্থ্য সংস্থা
স্বীকার করে
যে সংস্থাটির
সুপারিশের ভিত্তিতে
কোনো পণ্যের
দাম, চহিদা
অথবা লাভ
বৃদ্ধি পেতে
পারে (বিশ্ব
স্বাস্থ্য সংস্থা
২০০০)।
এ গাইডলাইনে
যে বিশ্ব
স্বাস্থ্য সংস্থায়
কর্মরত ব্যক্তিরা
এবং যেসব
বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের
সঙ্গে সংস্থাটি
কাজ করে,
তাদের মধ্যে
স্বার্থ সংঘাত
পরিহারের ব্যাপারে
গুরুত্ব দেয়া
হয়েছে। কিন্তু
যে হারে
সংস্থাটিতে বেসরকারি
প্রতিষ্ঠানগুলোর অনুদানের
পরিমাণ বৃদ্ধি
পাচ্ছে, তাতে
স্বার্থের দ্বন্দ্ব্ব
এড়িয়ে চলাটা
কষ্টসাধ্য একটি
ব্যাপারে পরিণত
হয়েছে (বিশ্ব
স্বাস্থ্য সংস্থা
২০০০)।
এখন
অনেকে হয়তো
‘গ্লোবাল
অ্যালায়েন্স ফর
ভ্যাকসিনস অ্যান্ড
ইমিউনাইজেশনের’ দিকে
আঙুল তুলে
বলতে পারে
যে সরকারি
ও বেসরকারি
প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতাই
তো সংস্থাটির
সফল্যের চাবিকাঠি।
হ্যাঁ, এটা
সত্য। কিন্তু
এর মানে
এই নয়
যে শুধু
বিশ্ব স্বাস্থ্য
সংস্থার সদস্য
রাষ্ট্রগুলোর অনুদানের
ওপর নির্ভর
করে এ
সাফল্য অর্জন
করা যেত
না। শুধু
সরকারি অনুদানের
ওপর ভিত্তি
করে একই
ফলাফল, এমনকি
কোনো কোনো
ক্ষেত্রে আরো
ভালো ফলাফল
অর্জন করা
যেতে পারত
কিনা, তা
বলা যায়
না। বিশ্ব
স্বাস্থ্য সংস্থার
বিভিন্ন কর্মসূচির
প্রতি বিশ্বের
বিভিন্ন সরকারের
অনীহার ফলে
এমন এক
নিদারুণ পরিস্থিতির
সৃষ্টি হয়েছে
যে বেসরকারি
বা অ-রাষ্ট্রীয়
শক্তিগুলো তাদের
অনুদানের মাধ্যমে
এক এমন
ধারণার সৃষ্টি
করেছে যে
অনেক সাধারণ
মানুষ এখন
মনে করে
বিশ্বের সব
জনস্বাস্থ্য সমস্যা
মোকাবেলা করার
একমাত্র উপায়
হলো বেসরকারি
প্রতিষ্ঠানগুলোর দান-অনুদান।
এখানে
একটা বৈপরীত্য
দেখা যায়।
আর সেটা
হলো বিশ্ব
জনস্বাস্থ্য খাতে
বিশ্ব স্বাস্থ্য
সংস্থার চরিত্র
হচ্ছে কেন্দ্রীয়,
কারণ সংস্থাটি
সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে
উদ্দেশ করে
স্বাস্থ্যসংক্রান্ত দিকনির্দেশনা
প্রদান করে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য
সংস্থার সংবিধানের
২ অনুচ্ছেদে
বর্ণনা করা
হয়েছে যে
এর একটি
কাজ হলো,
‘Directing
and co-ordinating authority on international health work.’
কিন্তু আশ্চর্যের
বিষয়, অন্যান্য
আন্তঃসরকারি সংস্থা,
যেমন বিশ্ব
ব্যাংক অথবা
বেমানান শোনালেও
বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর
বিশ্ব স্বাস্থ্য
সংস্থার চেয়ে
বেশি সম্পদ
রয়েছে স্বাস্থ্যসংক্রান্ত
কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের
জন্য। তাই
বলতে হয়,
প্রতিষ্ঠানগুলো যাদের
বেশি ক্ষমতা
রয়েছে, তাদের
দায়িত্ব কম
এবং যাদের
দায়িত্ব বেশি
তাদের ক্ষমতা
কম।
যদিও সরকারগুলোর
নিয়মকানুন অনেকের
কাছে অতিরিক্ত
বলে মনে
হতে পারে
এবং অনেকে
এও দাবি
করতে পারেন
যে সরকারের
নিয়মকানুন যেকোনো
পরিস্থিতিকে জটিল
ও অপ্রয়োজনীয়ভাবে
দুরূহ করে
তুলতে পারে।
এতে অনেকের
চোখ কপালে
উঠলেও উঠতে
পারে। কিন্তু
তার পরও
স্বাস্থ্য খাতের
মতো মৌলিক
একটি বিষয়ে
সরকারগুলোর উদাসীনতা
এবং সেই
শূন্যতা পূরণে
অ-রাষ্ট্রীয়
শক্তির শরণাপন্ন
হওয়া মোটেও
কোনো শুভ
লক্ষণ নয়।
এতে অ-রাষ্ট্রীয়
দাতারা প্রত্যক্ষ
বা পরোক্ষভাবে
বিশ্ব স্বাস্থ্য
সংস্থার কাজকর্মে
হস্তক্ষেপ করতে
পারে। দ্বিতীয়
বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তির
পরে আন্তর্জাতিক
আইনের আমূল
পরিবর্তন এসেছে
এবং যতই
সময় গড়াচ্ছে
ততই আন্তর্জাতিক
আইনে অ-রাষ্ট্রীয়
শক্তিগুলোর সক্রিয়
অংশগ্রহণ দেখা
যাচ্ছে। কেবল
ব্যক্তিরাই প্রত্যক্ষ
বা পরোক্ষভবে
আন্তর্জাতিক আইনের
বিষয়ে পরিণত
হয়নি, বরং
সারা বিশ্ব
প্রত্যক্ষ করছে
আন্তঃসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর
সংখ্যার দিক
দিয়ে ক্রমবর্ধমান
বৃদ্ধি। আর
এই আন্তঃসরকারি
প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে
আন্তর্জাতিক আইনতন্ত্রের
অপরিহার্য অঙ্গ।
শুধু আন্তঃসরকারি
কাঠামোর জন্য
এসব প্রতিষ্ঠান
অন্যান্য অ-রাষ্ট্রীয়
সংস্থার চেয়ে
আলাদা। কীভাবে
তারা আগামী
অর্ধশতাব্দী কাজ
করবে, সেটা
সম্পর্কে আমরা
এখন শুধু
অনুমানই করতে
পারি। কিন্তু
তার পরও
এটা চিন্তা
করা যুক্তিযুক্ত
যে আন্তর্জাতিক
আন্তঃসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোয়
অ-রাষ্ট্রীয়
শক্তিগুলোর জড়িয়ে
পড়া ভালো
কোনো লক্ষণ
নয়। বিশ্ব
নীতিনির্ধারকদের এটা
বোঝা উচিত
যে বিশ্ব
স্বাস্থ্য সংস্থার
আরো বেশি
সম্পদের প্রয়োজন।
[কেমব্রিজ
ইন্টারন্যশনাল ল
জার্নাল ব্লগ
থেকে সংক্ষেপে
অনূদিত।
ভাষান্তর:
দেওয়ান
মেহেদী অজেয়]
মো. রিজওয়ানুল ইসলাম: অধ্যাপক,
আইন বিভাগ
নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়