এ মুহূর্তে গণমাধ্যমের অন্যতম আলোচিত বিষয় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সৃষ্ট চলমান অস্থিরতা। নিত্যনৈমিত্তিক নতুন নতুন শব্দবাণে একে অন্যকে পরাজিত করার চেষ্টায় এগিয়ে দুই পক্ষই। এরই মধ্যে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে আমেরিকার সশস্ত্র উপস্থিতি রণডঙ্কা বাজিয়ে দিয়েছে। স্বাভাবিক দৃষ্টিতে যেকোনো যুদ্ধে জড়ানোর জন্য সম্ভাব্য কারণগুলো এখানে অনুপস্থিত। ট্রাম্প প্রশাসন হঠাৎ করেই ইরানের বিরুদ্ধে খড়্গহস্ত ও যুদ্ধংদেহী, কিন্তু কেন? এ প্রশ্নের উত্তরে ২০০২ সালের ন্যাশনাল রিভিউয়ের কলামে জোনা গোল্ডবার্গ ইতিহাসবিদ মাইকেল লেডিনের নামে ‘লেডিন ডকট্র্রিন’ রচনা করেছিলেন; যেখানে বলা হয়েছিল, ‘প্রতি ১০ বছর বা কিছু পরে আমেরিকা কিছু ছোট্ট দেশকে বেছে নেয় এবং একে উত্খাত করে শুধু বিশ্বকে জানাতে যে আমরা ব্যবসা বুঝি।’ এ ব্যবসার মধ্য দিয়ে আমেরিকা পৃথিবীকে জানান দেয় তাদের কর্তৃত্ববাদী আগ্রাসী অস্তিত্ব সম্পর্কে। ওই ব্যবসার প্রসারের সঙ্গে জড়িত যুদ্ধের আবহাওয়া; আমেরিকা এ মুহূর্তে সেই কাজটিই করছে। প্রতিটি যুদ্ধের প্রধান উপকরণ হলো অস্ত্র। অস্ত্রের মজুদের ওপরই নির্ভর করে যুদ্ধের ফলাফল। আবার এ যুদ্ধের ওপরই নির্ভর করে অস্ত্রের ব্যবসা। যেকোনো ব্যবসার মূলনীতি হলো উৎপাদিত পণ্য অধিক মুনাফায় বিক্রি করা, সেই নীতিটি অস্ত্র ব্যবসার ক্ষেত্রেও সমভাবে প্রযোজ্য। যে পরিমাণ অস্ত্র আমেরিকার হাতে মজুদ আছে, সেগুলো কোনো না কোনোভাবে তো বিক্রি করতে হবে। সেক্ষেত্রে যুদ্ধ ও যুদ্ধের আবহ না তৈরি হলে ব্যবসায় মন্দা ভাব দেখা দেবে। তাই কখনো দুই বা ততোধিক দেশ অথবা একটি দেশের মধ্যে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব সৃষ্টি করে এ ব্যবসা মোটামুটি ভালোভাবেই চালিয়ে আসছে আমেরিকা।
সম্প্রতি এ রকম তথ্য দিয়েছেন মার্কিন ইতিহাসবিদ জেমস এ লুকাস ‘গ্লোবাল রিসার্চ: সেন্টার ফর রিসার্চ অন গ্লোবালাইজেশন’ প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে। এবার ইরানকে নিয়ে সৃষ্ট অস্থিরতার মধ্যেও অস্ত্র বাণিজ্যের একটি বড় লেনদেনের খবর রটেছে। বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সৌদি আরবের কাছে বড়সড় পরিমাপে অস্ত্র বিক্রি করতে যাচ্ছেন। প্রতিবেদনটিতে আরো বলা হয়েছে, সৌদি আরব ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র সংযুক্ত আরব আমিরাত ও জর্ডানের কাছে প্রচুর অস্ত্র বিক্রি করতে যাচ্ছে। এ প্রসঙ্গে ডেমোক্রেটিক সিনেটর ক্রিস মারফি এক টুইটে লিখেছেন, ইরানের ওপর হামলার ভয় দেখিয়ে সৌদি আরবের কাছে অস্ত্র বিক্রি করার পরিকল্পনা করছে ট্রাম্প প্রশাসন। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইয়েমেনের কাছ থেকে ফেরত আসা অস্ত্রের বিশাল এক চালান সৌদি আরবে বিক্রি করা হতে পারে। ইয়েমেনে মানবতাবিরোধী কর্মকাণ্ডে আমেরিকান অস্ত্র ব্যবহার করার কারণে কংগ্রেসের চাপের মুখে অস্ত্র বিক্রি বন্ধ করেছিলেন ট্রাম্প। এমনটা হলে বিস্ময় প্রকাশের কিছুই কারণ নেই, অস্ত্রের উৎপাদন, মজুদ ও বিক্রিতে শীর্ষস্থান দখল করে আছে আমেরিকা। পৃথিবীর প্রথম সারির প্রায় সব অস্ত্র কোম্পানি আমেরিকারই মালিকানাধীন। জাতিসংঘের পরিসংখ্যান অনুসারে, বিশ্বের সবচেয়ে বেশি অস্ত্র উৎপাদনকারী ও রফতানিকারী দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। প্রতি বছর বিশ্বে প্রায় ৬০ বিলিয়ন অস্ত্র কেনাবেচা হয়। এর মধ্যে ৪০ শতাংশেরও বেশি অস্ত্র বিক্রির কৃতিত্ব তাদের। দ্বিতীয় স্থানে থাকা রাশিয়ার তুলনায় তাদের অস্ত্র বিক্রি প্রায় ৫৮ শতাংশ বেশি। সারা বিশ্বে ২০১৪ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত অস্ত্র বিক্রিতে যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষে অবস্থান করেছে বলে জানিয়েছে ‘স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট’ (এসআইপিআরআই)। ২০১৩-১৭ মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্র ৯৮টি দেশে অস্ত্র রফতানি করেছে। অস্ত্র বিক্রির পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, বিগত ওবামা প্রশাসনের ধারাবাহিকতায় অস্ত্র রফতানিকে আরো গতিশীল করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। অস্ত্র রফতানিতে তাদের চ্যালেঞ্জ জানানোর মতো আপাতত কেউ নেই বলেছেন আর্মস অ্যান্ড মিলিটারি এক্সপেন্ডিচার প্রোগ্রামের পরিচালক। আবার ব্যক্তিগতভাবে অস্ত্র বহনের হার যুক্তরাষ্ট্রেই বেশি। ২০১৭ সালের সুইজারল্যান্ডের ‘গ্র্যাজুয়েট ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ’-এর গবেষণা মতে, যুক্তরাষ্ট্রের মোট জনসংখ্যা ৩২ কোটি ৬৪ লাখ ৭৪ হাজার। আর মোট ব্যক্তিগত অস্ত্রের সংখ্যা ৩৯ কোটি ৩৩ লাখ ৪৭ হাজার। এ হিসাবে প্রতিজন একটির বেশি অস্ত্র বহন করে। অতএব এই লাভজনক ব্যবসা হাতছাড়া না করার জন্য ২০১৩ সালে সম্পাদিত আন্তর্জাতিক অস্ত্র বাণিজ্য চুক্তি থেকে ২০১৭ সালের ২৬ এপ্রিল ন্যাশনাল রাইফেল অ্যাসোসিয়েশনে দেয়া ভাষণে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এতে অন্তত ৭ হাজার কোটি ডলারের অস্ত্র বাণিজ্যে আবারো আধিপত্য ফিরে পায় আমেরিকা। ২০১৪-১৮ মেয়াদে সৌদি আরব অস্ত্র আমদানিতে পৃথিবীর মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেছে।
এসআইপিআরআই বলছে, সৌদি আরবের আমদানি করা অস্ত্রের ৬১ শতাংশ আসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে। ওই মেয়াদকালে দেশটির অস্ত্র আমদানি বেড়েছে ২২৫ শতাংশ। নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রতিদ্বন্দ্ব্বী ইরান পারমাণবিক প্রযুক্তি উন্নয়ন করছে বলে উদ্বেগে রয়েছে সৌদি এবং সৌদি আরব পারমাণবিক কর্মসূচি শুরু করছে। সেখানে সাহায্য করছে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি কোম্পানি। যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানিমন্ত্রী রিক পেরি দেশটির কয়েকটি কোম্পানিকে পারমাণবিক শক্তি প্রযুক্তি বিক্রি ও সহযোগিতার জন্য ছয়টি বিষয়ে গোপন অনুমোদন দিয়েছেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ২০১৭ সালের মে মাসে ট্রাম্প তার প্রথম বিদেশে সফরে সৌদি আরবে গিয়ে ১১০ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র চুক্তি করেন। ১০ বছরে অস্ত্র চুক্তির আর্থিক মূল্য দাঁড়াবে ৩৫০ বিলিয়ন ডলার। আমেরিকার ইতিহাসে এটাই সর্বোচ্চ অর্থের অস্ত্র চুক্তি। সেই সময় মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন রিয়াদে সাংবাদিকদের জানান, মধ্যপ্রাচ্যে ‘ক্ষতিকর’ ইরানের হুমকি মোকাবেলায় এ চুক্তি সৌদি আরবের জন্য অনেক সহায়ক হবে। তিনি বলেন, ‘প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও অন্যান্য সেবার এ প্যাকেজে যে সুবিধা রয়েছে, তাতে সৌদি আরব ও পুরো উপসাগরীয় এলাকায় দীর্ঘমেয়াদে নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।’ এছাড়া ইয়েমেনবিরোধী সৌদি আরবের ‘অপারেশন ডিসিসিভ স্টর্ম’ যুদ্ধ শুরুর সময় থেকেই মার্কিন অস্ত্র নির্মাতারা সৌদি আরবে প্রায় ৮০০ কোটি ডলার মূল্যের অস্ত্রশস্ত্র বিক্রি করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের পর আরেক প্রভাবশালী রাষ্ট্র রাশিয়ার সঙ্গেও অস্ত্র চুক্তি করেছে সৌদি আরব। রাশিয়ার ফেডারেল সার্ভিস ফর মিলিটারি টেকনিক্যাল কো-অপারেশন (এফএসএমটিসি) রাশিয়ার সঙ্গে ৩ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র চুক্তির খবরটি নিশ্চিত করেছে।
মুসলিম দেশগুলোর ধর্মীয় সহানুভূতি নিয়ে নেতৃত্বে থাকা সৌদি আরব নিজেকে অস্ত্রসম্ভারে সজ্জিত করছে প্রতিনিয়ত। প্রতিবেশী দেশ ইরানের তথাকথিত অস্ত্রভীতিকে কাজে লাগিয়ে অস্ত্রের ব্যবসা করে চলেছে আমেরিকা। সৌদি আরব ছাড়া আমেরিকার অস্ত্রের অন্যতম ক্রেতা মধ্যপ্রাচ্যের অন্য দেশগুলো, কারণ আরব ভূখণ্ডের দখলদার শক্তি ইসরায়েলের হাত থেকে প্রতিরক্ষা পেতে হলে হাতে অস্ত্র থাকা দরকার। আমেরিকা নিজের স্বার্থেই ইসরায়েলকে বুক দিয়ে আগলে রাখে আর ইসরায়েলের ভয় দেখিয়ে একচেটিয়া অস্ত্রের চালান দিয়ে যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যে। আমেরিকার বাইরে অন্য দেশের কাছ থেকে অস্ত্র কিনলেও পড়তে হয় সমস্যায়, অনৈতিক অবরোধের মধ্যে। যেমনটা এ মুহূর্তে তুরস্কের সঙ্গে চলছে, তুরস্ক যদি রাশিয়া থেকে এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র ক্রয় করে, তাহলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তুরস্ককে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রির চুক্তি বাতিল করবে। শুধু তাই নয়, মার্কিন নেতৃত্বাধীন ন্যাটো সামরিক জোট থেকেও তুরস্ককে বহিষ্কার করা হতে পারে বলে জানানো হয় ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে। এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র সিনেটে তুরস্ককে অত্যাধুনিক এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান না দিতে বিল পাস করেছে। মার্কিন নিষেধাজ্ঞা নিয়ে উদ্বেগের কারণে তুরস্কের মুদ্রা লিরার দাম কমে গেছে। যদিও রাশিয়া এ মতের বিরোধিতা করেছে। তবে শুধু ব্যবসায়িক স্বার্থে, কারণ ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে এস-৪০০ কেনার জন্য রাশিয়ার সঙ্গে আড়াইশ কোটি ডলারের চুক্তি করে তুরস্ক। এ অঞ্চলে সৌদি আরব হতে চায় কর্তৃত্ববাদী শক্তি, সে লক্ষ্যে কাতারকে একঘরে করে নিজেদের আধিপত্যবাদী উপস্থিতি প্রমাণ করতে চেয়েছে। এ অঞ্চলে সৌদি আরবের প্রতিযোগী হয়ে উঠতে পারে তুরস্ক ও ইরান। সৌদির বিশেষ দৃষ্টি তাই এ দুই প্রতিবেশী দেশের ওপর। মধ্যপ্রাচ্যে ইরাক ও লিবিয়াকে ধ্বংস করার পর এ অঞ্চলে ভীতি বাণিজ্যের প্রসারে আমেরিকার প্রয়োজন ছিল ইসরায়েল ব্যতীত সৌদিবিরোধী কোনো দেশের, যাতে প্রতিবেশী দেশগুলোকে নিজেদের মধ্যে সবসময় ঝামেলায় জড়িয়ে রাখা যায়। ২০০৮ সালে প্রয়াত সৌদি বাদশাহ আবদুল্লাহ বিন আবদুল আজিজ ইরানকে সাপ আখ্যা দিয়ে ‘সাপের মাথা কেটে ফেলতে’ যুক্তরাষ্ট্রকে অনুরোধ করেছিলেন। বর্তমানে এ সম্পর্ক আরো তিক্ত হয়েছে। যেহেতু ঐতিহাসিকভাবে ইরানের সঙ্গে সৌদির বৈরিতা আছে, তাই আমেরিকার কোনো সরকার এ সুযোগ হাতছাড়া করেনি। বর্তমানে এ অঞ্চলে ট্রাম্পের বি টিম (জন বল্টন, ব্রিয়ান হুক, বিন সালমান, বিন জায়েদ) ভালোভাবেই অনুশীলন করেছে প্রতিপক্ষ ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ নামক খেলার আবহ তৈরি করতে। সুযোগের সদ্ব্যবহার করে এ অঞ্চলে আমেরিকা আরো যুদ্ধবিমান, ড্রোন ও দেড় হাজারের মতো মার্কিন সৈন্য মোতায়েন করেছে। অতি আশ্চর্যজনকভাবে সৌদি ও আরব আমিরাতের অর্থে আমেরিকার রণতরী এ অঞ্চলে ভীতি বাণিজ্য কায়েম রেখেছে।
ইরানি এক সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে বিমানবাহী রণতরী ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’ পাঠিয়েছে, তা রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বছরে ব্যয় হয় ২৪ থেকে ৩২ কোটি ডলার। এজন্য যুক্তরাষ্ট্রকে ৩০ কোটি ডলার পরিশোধ করেছে সৌদি আরব ও আমিরাত। এ কথার সত্যতা মেলে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কথায়, ‘আমরা মধ্যপ্রাচ্যে রণতরী পাঠাব কিন্তু সৌদি আরব ও আরব আমিরাতকে প্রতি সেকেন্ডের জন্য খরচ দিতে হবে।’ এক সময়ের প্রতাপশালী অর্থনৈতিক শক্তি আমেরিকার এ মুহূর্তে কোনো যুদ্ধ ব্যয়ের সক্ষমতা নেই। তাছাড়া কংগ্রেসও ঘোষণা দিয়েছে যে ইরান আক্রমণে ট্রাম্পকে কোনো ছাড়পত্র দেয়া হবে না। আরেকটি বিষয়, অবৈধভাবে ইরান আক্রমণের ব্যাপারে এ মুহূর্তে ট্রাম্পের জনসমর্থনেরও যথেষ্ট অভাব রয়েছে। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৭ থেকে ২০ মে অনলাইনে পুরো আমেরিকায় ইপসস পাবলিক অপিনিয়ন পোলের জরিপে দেখা যায়, ৪৯ শতাংশ মার্কিন নাগরিক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ইরান নীতিকে সমর্থন করেনি এবং ৩১ শতাংশ বলেছে, তারা জোরালোভাবে ট্রাম্পের ইরান নীতির বিরোধিতা করে। ৬০ শতাংশ মার্কিন নাগরিক আগেভাগে ইরানের ওপর হামলার বিরোধিতা করেছে। ট্রাম্প তার ভীতি বাণিজ্যকে সামনে রেখে ভেনিজুয়েলা, উত্তর কোরিয়া, সিরিয়া কোথাও সফল না হলেও ইরানকে কেন্দ্র করে সৌদি আরবের সঙ্গে অস্ত্র বাণিজ্যে সম্পূর্ণ সফল।
মেহেদী হাসান: শিক্ষক
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়