পর্যটন শিল্প যেকোনো দেশের সভ্যতা, ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং নিরাপত্তার নির্দেশক। বিশ্বের বহু দেশে জিডিপির বড় একটা অংশ আসে পর্যটন শিল্প থেকে। পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান ও আয়স্বল্পতার কারণে অর্থনৈতিকভাবে আমরা পিছিয়ে আছি। নাগরিকদের আয় কম হওয়ার কারণে রাষ্ট্রের কর আহরণও কম, যার প্রতিফলন দেখি আমাদের কর-জিডিপি হারে। প্রতিবেশী দেশগুলো যথা ভারতে কর-জিডিপি হার ১২ শতাংশ, নেপালে ১৬, শ্রীলংকায় ১২, পাকিস্তানে ১১ ও ভুটানে ১৪ শতাংশ। অন্যদিকে উন্নত দেশ যেমন অস্ট্রেলিয়ায় ৩০ দশমিক ২ ও আমেরিকায় ২৭ শতাংশ। বাংলাদেশে কর-জিডিপি হার ৭ শতাংশ। আমাদের দেশের কর-জিডিপি হার প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় লক্ষণীয়ভাবে কম। যেকোনো দেশের পর্যটন শিল্প উন্নত হলে সে দেশের ব্র্যান্ডিং হয়, মর্যাদা বাড়ে এবং সেখানে ব্যাপক কর্মসংস্থান হয়।
করের মাধ্যমে আয় বাড়ানোর বড় একটি বিবেচ্য বিষয় হলো কর নেটওয়ার্ক বাড়ানো। আবার এর মাধ্যমে আয় বাড়ানোর পূর্বশর্তই হলো মানুষের আয় ও প্রতিষ্ঠানের আয় বৃদ্ধি। আমাদের দেশে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ও শিল্পের আয় বাড়ার সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও এসব খাতে আয় খুব কম। এর মধ্যে একটি হলো পর্যটন। পর্যটন থেকে আয় দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ভারতে জিডিপির ৭ শতাংশ, নেপালে ৬ দশমিক ৭, শ্রীলংকায় ১২, মালদ্বীপে ২৮, ভুটানে ১৩ ও বাংলাদেশে জিডিপির মাত্র ১ দশমিক ৫ শতাংশ। পর্যটন শিল্পের সঙ্গে বিশ্বব্যাপী ১৩ কোটির বেশি মানুষ সরাসরি জড়িয়ে আছে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থা খুবই শোচনীয়।
বহির্বিশ্বের মিডিয়াগুলোয় বাংলাদেশকে ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, বন্যা, বৃষ্টি, খরা, বস্তি, বর্জ্য, ভূমিকম্প ইত্যাদি দুর্যোগপূর্ণ দেশ হিসেবে প্রচার করা হয়। তাই দেশের অবকাঠামো, পরিচ্ছন্নতা, নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা না থাকলে এ দেশে পর্যটন শিল্পের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হবে
বাংলাদেশকে উন্নত হতে হলে এ দেশের মানুষকে বৈশ্বিক ও দক্ষ নাগরিক হতে হবে। কোনো একক বিষয়, যেমন শুধু পড়াশোনা, মানুষকে গ্লোবাল নাগরিক করে তুলতে পারে না। এর জন্য প্রয়োজন একটি সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও মানবিক সুন্দর পরিবেশ, যে পরিবেশ মানুষকে গর্বিত করে, আনন্দ দেয়। নিজের দেশ ভ্রমণে মানুষ বেশি গর্ব অনুভব করে। কিন্তু আমাদের দেশের মানুষের মধ্যে যাদের আর্থিক সংগতি রয়েছে, তারা বেশির ভাগই ভারত, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, ব্যাংককসহ বিভিন্ন দেশে ভ্রমণ করেন। কারণ আমাদের দেশের পরিবেশ, অবকাঠামো, ব্যবস্থা ও নিরাপত্তা মানুষকে এ দেশে ভ্রমণে আগ্রহী করে তোলে না।
ভ্রমণ মানুষকে শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক দিক থেকে অধিকতর যোগ্য ও দক্ষ করে তোলে। ভ্রমণ শুধুই আনন্দ নয়; এটি মানসিক, সামাজিক ও বৌদ্ধিক বিকাশের মাধ্যম। মানুষের ব্যক্তিগত বিকাশ ও সৃজনশীল হয়ে ওঠার ক্ষেত্রে ভ্রমণের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সুদূরপ্রসারী ভূমিকা রয়েছে। এটি মানুষের জ্ঞান ও শিক্ষা বৃদ্ধি করে এবং ইতিহাস, সংস্কৃতি, প্রকৃতি ও নতুন অভিজ্ঞতা থেকে শেখার সুযোগ তৈরি করে। প্রতিদিনের একঘেয়েমি, কাজের চাপ ও স্ট্রেস থেকে মুক্তি পেতেও ভ্রমণ অত্যন্ত কার্যকর। নতুন পরিবেশ ও প্রকৃতি মনকে সতেজ করে এবং বিষণ্নতা দূর করতে সাহায্য করে।
ভ্রমণ মানুষের মন খুলে দেয়, নতুন পরিবেশ, মানুষ ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত করে এবং মানসিকতা প্রসারিত করে। ভ্রমণে নতুন পরিবেশে মানুষ নতুন ভাবনা ও সমাধান খুঁজে পায়। এর মাধ্যমে সম্পর্ক গঠন ও সামাজিকীকরণ হয়। ভ্রমণ মানুষের মধ্যে বন্ধুত্ব, সমঝোতা ও আন্তঃসম্পর্ক গড়ে তোলে। নতুন কোনো স্থানে গেলে সেখানকার ইতিহাস, ঐতিহ্য, ভাষা ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়া যায়। এটি মানুষের চিন্তাধারাকে প্রসারিত করে এবং জীবন সম্পর্কে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করে।
২০২৫ সালে সারা বিশ্বে প্রায় ১৫২ কোটি মানুষ আন্তর্জাতিকভাবে ভ্রমণ করেছে। জাতিসংঘের পর্যটন সংস্থার প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বৈশ্বিক পর্যটন ৪ শতাংশ বেড়েছে। আগের বছরের তুলনায় এ সংখ্যা প্রায় ৬ কোটি বেশি। ২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক পর্যটন থেকে বিশ্বব্যাপী আয় আনুমানিক ১ দশমিক ৯ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার ছিল, যা ২০২৪ সালের তুলনায় প্রায় ৫ শতাংশ বেশি। বিশ্বব্যাপী এ শিল্পের প্রসার প্রমাণ করে, প্রকৃতির কাছ থেকে আনন্দ ও জ্ঞান অর্জনের প্রতি মানুষের ঝোঁক দিন দিন বাড়ছে।
বহির্বিশ্বের মিডিয়াগুলোয় বাংলাদেশকে ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, বন্যা, বৃষ্টি, খরা, বস্তি, বর্জ্য, ভূমিকম্প ইত্যাদি দুর্যোগপূর্ণ দেশ হিসেবে প্রচার করা হয়। তাই দেশের অবকাঠামো, পরিচ্ছন্নতা, নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা না থাকলে এ দেশে পর্যটন শিল্পের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হবে।
আশার বিষয় হলো, উন্নত বিশ্বের পর্যটকদের কাছে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল বিশেষ গুরুত্ব লাভ করছে। এ অঞ্চলের ভূপ্রাকৃতিক অবস্থা, বিপুল ঐতিহাসিক সম্পদ ও নিদর্শন এবং প্রাকৃতিক পরিমণ্ডলে প্রকৃতিনির্ভর জীবন পর্যটক আকর্ষণের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু। ভ্রমণ একসময় যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপকেন্দ্রিক ছিল, পরবর্তী সময়ে জাপান এবং এখন অন্যান্য অঞ্চল ও দেশেও তা সম্প্রসারিত হয়েছে। এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, নেপাল, মালদ্বীপ, চীন, ভিয়েতনাম, মিয়ানমার ও ভারত এ শিল্পকে লুফে নিয়েছে। এসব দেশে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে বিনিয়োগ বাড়ছে।
তাই এ অঞ্চলের দেশ হিসেবে বাংলাদেশেও ঢাকা শহরের চার নদীকে সৌন্দর্যমণ্ডিত করে, সমুদ্রবেষ্টিত সেন্ট মার্টিন দ্বীপ, কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত, সোনারগাঁ, সিলেটের জাফলং, মাধবকুণ্ড, বাগেরহাটের ষাটগম্বুজ মসজিদ, শেরপুরের ঝিনাইগাতী, নকলা বা গজনীসহ বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানকে আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্রে রূপান্তর করতে হবে।
এছাড়া বাংলাদেশে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় ইজতেমার সময়। বিশ্ব ইজতেমাকে ঘিরে বাংলাদেশে পর্যটন শিল্পে একটি অর্থবহ পরিকল্পনা করতে হবে, যেমনটি করেছে সৌদি আরব। বিশ্ব ইজতেমায় সাধারণত দেশ-বিদেশ থেকে প্রায় ৪০-৫০ লাখ মানুষ সমবেত হন। এর মধ্যে লাখ লাখ বাংলাদেশী এবং প্রায় ১৫০টি দেশ থেকে কয়েক হাজার বিদেশী মুসলিম ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি অংশগ্রহণ করেন। ইজতেমায় আগত বিদেশী অতিথিরা যদি বাংলাদেশের দর্শনীয় ও ঐতিহাসিক স্থানগুলো ভ্রমণের সুযোগ পান, তবে তা দেশের পর্যটন খাতকে ব্যাপকভাবে সমৃদ্ধ করবে। এক্ষেত্রে বিদেশ থেকে আগত অতিথিদের জন্য উন্নত আবাসিক ও যাতায়াত ব্যবস্থার আধুনিকায়ন করে পর্যটনকে কেন্দ্র করে একটি টেকসই ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে হবে। ফলে দেশের ব্র্যান্ডিং হবে, পর্যটক আকৃষ্ট হবে এবং এসব ক্ষেত্রে কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে।
ইজতেমা উপলক্ষে টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে হাজার হাজার অস্থায়ী দোকান, খাবারের হোটেল ও তাঁবু তৈরি হয়। এর ফলে স্থানীয় দরিদ্র ও কর্মক্ষম মানুষের জন্য কাজের সুযোগ সৃষ্টি হয় এবং তারা অতিরিক্ত আয় করে থাকেন। ইজতেমায় আসা বিপুলসংখ্যক মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র, যেমন—টুপি, জায়নামাজ, শীতের পোশাক, আতর ও তসবিহ কেনার কারণে স্থানীয় ব্যবসা ও কুটির শিল্পজাত পণ্যের ব্যাপক বেচাকেনা হয়। ইজতেমায় অংশগ্রহণকারী লাখ লাখ মানুষের যাতায়াতের জন্য রেলওয়ে, বাস ও নৌযানগুলোতে যাত্রীসংখ্যা বেড়ে যায়, যা পরিবহন খাতের আয় বাড়াতে ভূমিকা রাখে। তাই এ সময়কে পরিকল্পিতভাবে কাজে লাগালে এ খাতে কর্মসংস্থান হবে এবং পর্যটন শিল্প প্রসারিত হবে।
বাংলাদেশে পর্যটন শিল্প বিকশিত না হওয়ার কারণ
দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা, নিরাপত্তাহীনতা, অবকাঠামোগত দুর্বলতা ও প্রচারের অভাব পর্যটন শিল্পকে প্রসারিত হতে দেয়নি। পর্যটন শিল্পের বিকাশের জন্য অপরিহার্য নিরাপদ যোগাযোগ, মানসম্মত হোটেল, তথ্য কেন্দ্র, স্বাস্থ্যসেবা ও নিরাপত্তার অভাব রয়েছে।
আচরণগত সমস্যাও পর্যটন বিকাশে বড় প্রতিবন্ধকতা। বিদেশী পর্যটকরা অনেক সময় হয়রানির শিকার হন এবং উপযুক্ত তথ্য না পাওয়ায় বিভ্রান্ত হন। পর্যটন এলাকাগুলোতে প্রশিক্ষিত গাইড, ইংরেজি ভাষাজ্ঞানসম্পন্ন কর্মী বা তথ্য কেন্দ্রেরও অভাব রয়েছে। অনেক সময় ধর্মীয় গোঁড়ামিও পর্যটকদের মধ্যে নেতিবাচক ধারণা তৈরি করে।
পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে করণীয় ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি
পর্যটন শিল্প প্রসারিত করতে বিভাগীয় বা আঞ্চলিক পর্যায়ে অবকাঠামো উন্নয়ন, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং দর্শনীয় স্থানগুলোর সঠিক ব্র্যান্ডিংয়ের মাধ্যমে সেগুলোকে পর্যটকদের কাছে পরিচিত করে তুলতে হবে।
দর্শনীয় স্থানগুলো চিহ্নিত করে সেগুলো দেশ-বিদেশে প্রচারের ব্যবস্থা করতে হবে। ইন্ডিয়া ই-ট্যুরিস্ট ভিসা বা ভারতীয় ভিসা অনলাইনে আবেদনের সুযোগ থাকায় প্রচুর বিদেশী পর্যটক ভারতে ভ্রমণ করেন। বাংলাদেশেও অনুরূপ ব্যবস্থা থাকতে হবে।
ভৌত অবকাঠামোর উন্নয়ন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি পর্যটন গন্তব্যগুলোতে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড সংযোজন করতে হবে। শ্রীলংকা, ভারত, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ায় পর্যটন কেন্দ্রে দর্শনীয় স্থান দেখার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক বিনোদনের ব্যবস্থা রয়েছে, যা ভ্রমণকে অনেক বেশি অর্থবহ করে তোলে।
সাধারণত আমাদের দেশের অভ্যন্তরে পুরো ট্যুরিজম প্যাকেজের মূল্য পার্শ্ববর্তী দেশের ভ্রমণ প্যাকেজের চেয়ে বেশি পড়ে। এ কারণে অনেক পর্যটক নিজ দেশ ভ্রমণ না করে পার্শ্ববর্তী দেশগুলোয় ভ্রমণ করতে যান। সে কারণে আমাদের দেশে পর্যটকদের জন্য সুলভ মূল্যে হোটেল, মোটেল ও স্থানীয় রিসোর্টের ব্যবস্থা করতে হবে।
ইজতেমায় আগত ব্যক্তিদের সুন্দরবন, কক্সবাজার, মহাস্থানগড়, লালমাই পাহাড়, ষাটগম্বুজ মসজিদ, সিলেটের সাদাপাথর, বিছানাকান্দি ইত্যাদি জায়গার পর্যটন ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে সেসব স্থানে ভ্রমণের ব্যবস্থা করতে হবে। ইজতেমাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন দেশের ইসলামিক বই, বাংলাদেশের ইতিহাস-ঐতিহ্যসমৃদ্ধ বই, পোশাক ও পণ্যের প্রদর্শনীর মাধ্যমে বাণিজ্য মেলার আয়োজন করতে হবে, যা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে নতুন আয়ের পথ তৈরি করবে এবং স্থানীয় জনগণের কর্মসংস্থান হবে। এর সঙ্গে যুক্ত হবে স্থানীয় পণ্যের বিক্রি, কারুশিল্পের প্রসার ও কৃষিপণ্য। বিশ্ব ইজতেমা কেবল একটি আধ্যাত্মিক মিলনমেলা নয়, বরং এটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিতে একটি শক্তিশালী উদ্দীপক হিসেবে কাজ করবে।
তরুণ প্রজন্মকে ইংরেজি ভাষায় দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে, যাতে তারা পর্যটন শিল্পে দোভাষী থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের ব্যবস্থাপনার কাজে কর্মসংস্থানের সুযোগ পায়।
স্থানীয় মানুষকে পর্যটন ব্যবসার অংশীদার করতে হবে, যাতে তারা নিজেদের সংস্কৃতি, খাবার, সংগীত বা হস্তশিল্প দিয়ে পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে পারে। পর্যটন এলাকাগুলোতে প্রশিক্ষিত গাইড, ইংরেজি ভাষাজ্ঞানসম্পন্ন কর্মী ও তথ্য কেন্দ্রের ব্যবস্থা করতে হবে। এতে এসব ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।
মোছা. নূরজাহান খাতুন: অতিরিক্ত সচিব (অব.)