চীনের অর্থনৈতিক সংস্কারের গতিপথ

পিপলস রিপাবলিক অব চায়না। জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বের বৃহত্তম রাষ্ট্র। ইরান, ভারত, ইনকা, মায়ার মতো প্রাচীন চীনের সভ্যতা। ১৯৪৯ সালে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির নেতৃত্বে বিপ্লবের পর এক নতুন চীনের যাত্রা হয়। নানা রকম সংস্কার ও পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে বর্তমান বিশ্বে চীন অন্যতম এক পরাশক্তি। জিডিপির হিসাবে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ।

পিপলস রিপাবলিক অব চায়না। জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বের বৃহত্তম রাষ্ট্র। ইরান, ভারত, ইনকা, মায়ার মতো প্রাচীন চীনের সভ্যতা। ১৯৪৯ সালে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির নেতৃত্বে বিপ্লবের পর এক নতুন চীনের যাত্রা হয়। নানা রকম সংস্কার পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে বর্তমান বিশ্বে চীন অন্যতম এক পরাশক্তি। জিডিপির হিসাবে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ। সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের ফসল নয়া চীন এখন পুঁজিবাদী বিশ্ব অর্থনীতির অন্যতম প্রভাবশালী রাষ্ট্র। ঐতিহাসিক বৈশ্বিক প্রেক্ষিতে চীনের শক্তি-দুর্বলতা, সাফল্য-ব্যর্থতা ধারাবাহিক পরিবর্তনগুলো নিয়ে লিখেছেন আনু মুহাম্মদ

সমৃদ্ধি তার ভিত্তি

পুঁজিমুখী সংস্কারের মধ্য দিয়ে চীন দ্রুত পুঁজিবাদী বিশ্বব্যবস্থার শক্তিশালী অংশীদারে পরিণত হয়েছে গত কয়েক দশকে। চীন যে খুব দ্রুত এবং ধারাবাহিকভাবে অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করে সবাইকে বিস্মিত করেছে শুধু তা- নয়, খুব দ্রুত একটি ছোট কিন্তু খুবই সম্পত্তিশালী গোষ্ঠী গড়ে তুলেও বিস্ময়ের সৃষ্টি করেছে। নতুন এলিট গোষ্ঠী চীনে তাইজিদাং (Taizidang) নামে পরিচিত। তাদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ প্রবাসী চীনা পরিবারের সঙ্গে সম্পর্কিত, অনেকেই বিদেশে শিক্ষাপ্রাপ্ত, ব্যবসায় বিশেষ আগ্রহী সফল। চীনা পার্টি প্রশাসনের সঙ্গে এরা যে খুবই ঘনিষ্ঠ তা বুঝতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। বিভিন্ন হিসাবে দেখা যায়, চীনে বিপুল সম্পদশালীদের (মার্কিন ডলারে বিলিয়নেয়ার) সংখ্যা এখন প্রায় ৩০০ পার হয়েছে। ছয় বছর আগেও তাদের সংখ্যা ছিল ১৩০।

একই প্রক্রিয়ায় চীনে মধ্যবিত্তেরও বিস্তার ঘটেছে, তাদের একটি শক্তিশালী ভিত্তি নির্মিত হয়েছে। প্রধানত তাদের ওপর ভর করেই চীনে বিভিন্ন বিলাসসামগ্রীর বিশাল বাজার তৈরি হয়েছে। মাথাপিছু বার্ষিক আয় ১৭ হাজার মার্কিন ডলারের বেশি হলে মধ্যবিত্ত বলে বিবেচিত হয়। চীনে জনগোষ্ঠীর সংখ্যা এখন ১০ কোটি ছাড়িয়ে গেছে।

চীন এখনো নিজেকে সমাজতান্ত্রিক বলে দাবি করে। কিন্তু বর্তমান ব্যবস্থা কি সমাজতান্ত্রিক না পুঁজিবাদী, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে তাত্ত্বিকদের মধ্যে বিতর্ক আছে। তবে এতটুকু বলাই যায়, এটি নিশ্চিতভাবে নতুন একটি মডেল উপস্থিত করেছে। চীনা অর্থনীতিকে এখন আর কেন্দ্রীয়ভাবে পরিকল্পিত বা রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত অর্থনীতি বলা যায় না। কেননা জিডিপির শতকরা প্রায় ৭০ ভাগই এখন আসে অরাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তি মালিকানাধীন কৃষি ছোট-বড় বিভিন্ন ব্যবসা থেকে। শিক্ষা চিকিৎসাও আগের মতো পুরো রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব হিসেবে বহন করা হয় না। জমির ওপর ব্যক্তি মালিকানা এখনো স্বীকৃত না হলেও দখলিস্বত্ব আছে। তবে সরকারের ভূমিকা এখনো কেন্দ্রীয়। মূলধনি হিসাব, বিনিয়োগ, মালিকানা হস্তান্তর ইত্যাদিতে সরকারের কঠোর নিয়ন্ত্রণ আছে। ব্যাংকঋণ, বিনিয়োগ গতিমুখ সরকারের নীতিমালা অনুযায়ী নিয়ন্ত্রিত। নীতিমালা প্রয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা চীনে এখনো অনেক বেশি। এর ভিত্তি বস্তুত বিপ্লবোত্তর চীনেই নির্মিত হয়েছে।

বিপ্লবের পর পরই অগ্রাধিকার দেয়া উদ্যোগে পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে বিস্তৃত নিরক্ষরতা দূরীকরণ কর্মসূচিতে চীনের দ্রুত সাফল্য ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচনা। দীর্ঘমেয়াদে চীনের জন্য এটি একটি প্রাথমিক শক্ত ভিত্তি তৈরি করে। ১৯৪৯ সালে যেখানে শিক্ষার হার ছিল শতকরা মাত্র ২৮ ভাগ, তা দুই দশকের মধ্যে শতকরা ৭০ ছাড়িয়ে যায়। শিক্ষার মতো চিকিৎসার ক্ষেত্রেও বিপ্লবোত্তর চীনে, বিভিন্ন উদ্ভাবনী পথে বিশাল জনগোষ্ঠীর সুস্থ থাকার অধিকারকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়া হয়েছিল। ১৯৪৯ সালে কেন্দ্রীয়ভাবে বিপ্লবী ক্ষমতা প্রতিষ্ঠার আগেই মুক্তাঞ্চলে জনস্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠার প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর বিকাশ ঘটানো হয়েছিল। বিপ্লবের পর পরই তাই সারা দেশে সর্বজনের চিকিৎসা ব্যবস্থার প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গড়ে তোলা সম্ভব হয়েছিল। যথেষ্টসংখ্যক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ডাক্তারের অভাবে নগ্নপদ ডাক্তার, ধাত্রীদের দিয়ে বিরাট বাহিনী গড়ে তোলা হয়েছিল। চীনের লোকজ চিকিৎসা বিকাশের পাশাপাশি তার সঙ্গে আধুনিক চিকিৎসার সমন্বয় করে ক্রমে সবার কাছে চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেয়া হয়েছে।

চিকিৎসাসেবা বিস্তৃত করার পাশাপাশি রোগের কারণ দূর করতে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা, পরিচ্ছন্নতা সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিত করায় সামাজিক আন্দোলনসহ ব্যাপক উদ্যোগ নেয়া হয়। প্রত্যন্ত এলাকা পর্যন্ত পার্টি কমিটি কমিউন কাঠামো ছিল এসব বিষয়ে জনসম্পৃক্ত কর্মসূচি বাস্তবায়নের প্রধান মাধ্যম। সবার আগে সবার জন্য খাদ্য পুষ্টি নিশ্চিত করার বিষয়টি তো ছিলইবস্তুত সবার জন্য নিরাপদ খাদ্য পুষ্টি নিশ্চিত করার মধ্য দিয়েই চীনের বিশাল জনসংখ্যার স্বাস্থ্য পরিস্থিতির গুণগত উন্নতি হয়েছিল। বাজারমুখী সংস্কার প্রক্রিয়ায় কমিউনের সঙ্গে সঙ্গে এসব সর্বজনকেন্দ্রিক রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিও আর কার্যকর নেই। চিকিৎসা ব্যবস্থার অনেক কিছুই এখন বাণিজ্যিক তত্পরতার আওতায়, রাষ্ট্রীয় ব্যয়ও সে কারণে বেড়েছে। উন্নয়ন বা প্রবৃদ্ধির ধরনের কারণে এখন জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় হুমকি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে পানি বায়ুদূষণ।

বাজারমুখী সংস্কারের আগে বিপ্লবোত্তর চীনে দুর্নীতি, খুন, ধর্ষণ, গোপন অর্থনীতির অস্তিত্ব অনুল্লেখযোগ্য পর্যায়ে চলে গিয়েছিল। এমনকি ১৯৮৫ সালেও ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের হিসাবেও চীন ছিল দুর্নীতির দিক থেকে অনেক নিচে। বাজারমুখী সংস্কারে অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি দ্রুত বাড়তে থাকার সঙ্গে সঙ্গে দুর্নীতির বিস্তার ঘটলেও খুন, ধর্ষণ, গোপন অর্থনীতির হারে চীন এখনো অনেক নিয়ন্ত্রিত। বিপ্লবের ধারায় গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত পার্টি কাঠামো, বিভিন্ন সংগঠনের মধ্যে প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের মত সিদ্ধান্ত প্রকাশের পাশাপাশি সক্রিয়তার সুযোগ অনেকখানি অব্যাহত রাখায় রাষ্ট্রীয় নীতিমালা প্রয়োগের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো কার্যকর আছে এখনো। উন্নয়ন নামের বিভিন্ন প্রকল্প নিয়ে বিতর্ক এমনকি প্রতিরোধের ঘটনাও ঘটছে।

সংস্কারের বেইজিং মডেলের বৈশিষ্ট্য

চীন কীভাবে উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জন করল এবং এত বছর তা ধরে রাখতে পারল, কীভাবে এত দ্রুত বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হলো, কীভাবে এত বড় দেশে বাজার অর্থনীতিমুখী সংস্কার কোনো বড় বিপর্যয় সৃষ্টি করল না তা অর্থশাস্ত্র এবং অর্থনীতিবিষয়ক সব গবেষণা নীতিনির্ধারণী আলোচনাতেই একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হয়ে উঠেছে। বিশ্বের মহাজন শক্তিগুলো এভাবে বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে চায় যে ওয়াশিংটন ঐকমত্য বা নয়া উদারতাবাদ বা বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ নির্দেশিত পথে অর্থনীতির উদারীকরণ বা ব্যক্তিপুঁজির অবাধ বিকাশই দ্রুত প্রবৃদ্ধি সম্ভব করেছে।

কিন্তু এখানে প্রশ্ন থেকে যায়, মডেল তো বিশ্বের বহু দেশেই অনুসরণ করা হয়েছে, কিন্তু আর বহু দেশে একইরকম ফলাফল দেখা যায়নি। আফ্রিকা, ল্যাটিন আমেরিকার বহু দেশ, বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান সর্বত্রই বাজারমুখী সংস্কারের ফলাফলে অনেক ওঠানামা আছে। বহু দেশ হোঁচট খেয়েছে, বহু রকম সংকটে হাবুডুবু খেয়েছে। চীনের ক্ষেত্রে তা দেখা গেল না কেন?

সে কারণে বিভিন্ন দেশে মোটা দাগে পুঁজিপন্থী সংস্কারের মধ্যেও দুটো ধারা দেখা যায়। দুটোর তুলনামূলক চিত্র নিয়ে বিশিষ্ট অর্থনীতি বিশ্লেষক কাভালজিৎ সিং গবেষণা করেছেন। অন্য বহু দেশের সঙ্গে চীনের অর্থনৈতিক সংস্কারের মৌলিক ভিন্নতার কারণে কাভালজিৎওয়াশিংটন ঐকমত্যথেকে আলাদা করে একেবেইজিং ঐকমত্যহিসেবে অভিহিত করেছেন। বিষয়ে তাঁর নিম্নোক্ত পর্যবেক্ষণ সিদ্ধান্ত আমিও সঠিক মনে করি।

প্রথমত, ১৯৭৮ সালে যখন চীন অর্থনৈতিক সংস্কার শুরু করে, ততদিনে তার অনেক শক্ত ভিত্তি তৈরি হয়েছিল। এর আগেই চীনের ভয়াবহ দারিদ্র্য উল্লেখযোগ্য মাত্রায় হ্রাস পেয়েছিল। শিক্ষা চিকিৎসাসহ সামাজিক সূচকগুলোতে এর আগেই উচ্চমাত্রার সাফল্য ছিল। এসব সাফল্য পুরোপুরি নষ্ট করে নয় বরং এগুলোর ওপর দাঁড়িয়েই সংস্কার কর্মসূচি নেয়া হয়েছিল।

দ্বিতীয়ত, অন্য বহু দেশে যেমন ভারত, পাকিস্তান বা ব্রাজিলে এসব সংস্কার শুরু হয়েছে একেকটি অর্থকরী সংকটের মধ্যে (ঋণ, মুদ্রামান, লেনদেনের হিসাব ইত্যাদি) এসব সংকট থেকে উত্তরণের উপায় হিসেবে সংস্কারের নানা কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে। কিন্তু চীন কোনো অর্থকরী সংকটের চাপের কারণে সংস্কার শুরু করেনি, করেছে সম্পূর্ণ নিজস্ব চিন্তায় উন্নয়নের গতি ত্বরান্বিত করতে, বিশ্বশক্তি হওয়ার আকাঙ্ক্ষায়। রকম নিজস্ব পরিকল্পনা কর্তৃত্ব অন্য দেশগুলোর সংস্কারের বেলায় দেখা যায়নি। এখানে তাই অন্য দেশগুলোর মতো বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের কোনো ভূমিকা বা কর্তৃত্ব ছিল না। সে কারণে করণীয়, গতি, অগ্রাধিকারে কোনো অসামঞ্জস্য তৈরি হয়নি।

তৃতীয়ত, চীন ধাপে ধাপে পরিকল্পিতভাবে সংস্কার কর্মসূচি নিয়ে অগ্রসর হয়েছে। প্রথমে কৃষি, পরে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং শেষে শিল্প। এসব ক্ষেত্রে পরিকল্পিতভাবে ব্যক্তি খাতের প্রসার ঘটানো হলেও অর্থকরী খাতের ওপর প্রধানত রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা হয়েছে। যে কারণে ১৯৯৭ সালে পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে অর্থকরী খাতে ধস নামলেও আন্তর্জাতিক মুদ্রা ফটকাবাজারি দ্বারা চীন কোনোভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হয়নি।

চতুর্থত, প্রথমবার পুরো চীনকে ধরে অর্থনৈতিক সংস্কার বা ব্যক্তি খাতের প্রসার কর্মসূচি নেয়া হয়নি। বিভিন্ন অঞ্চলে পরীক্ষামূলক কর্মসূচির মাধ্যমে ধীরে ধীরে অগ্রসর হয়েছে চীন। যেমনউপকূলীয় পূর্ব চীন এলাকায় বিনিয়োগ, কর ব্যবস্থার সংস্কার সীমিত রাখা হয়েছে শুধু কিছু বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে।

পঞ্চমত, রাশিয়া পূর্ব ইউরোপে যেভাবে, কোনোরকম আইনি সুরক্ষা ব্যবস্থা না রেখে, তুচ্ছ দামে কিছু গোষ্ঠীর মধ্যে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো বিতরণ করা হয়েছে, যার ফলে মাফিয়া পুঁজিবাদের বিস্তার ঘটেছে, চীনে সে রকম ঘটনা ঘটেনি। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ে ধাপে ধাপে সংস্কার করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলো রাষ্ট্রের হাতেই রাখা হয়েছে।

ষষ্ঠত, বিদেশী বিনিয়োগ প্রবাহ অনেক বেড়েছে চীনে। কিন্তু অন্য অনেক দেশের মতো তা বহুজাতিক কোম্পানির আধিপত্য বাড়াতে পারেনি। প্রথমদিকে বিদেশী বিনিয়োগ গ্রহণ করা হয়েছে শুধু বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে, হংকং তাইওয়ানে প্রবাসী চীনাদের থেকে। এলাকার বাইরে বিদেশী বিনিয়োগের ওপর বহু রকম নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা হয়েছে।

তবে অনেক রকম সতর্কতা, নিয়ন্ত্রণ সাফল্য সত্ত্বেও পুঁজিমুখী সংস্কারের অপরিহার্য অভিঘাত ঠিকই দেখা গেছে। গ্রাম, শহর শ্রেণীগত বৈষম্য, বেকারত্ব, দুর্নীতি, সম্পদ কেন্দ্রীভবন, পরিবেশ দূষণ তার অন্যতম।

 

আনু মুহাম্মদ: অধ্যাপক, অর্থনীতি বিভাগ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

আরও