বিশেষত এনবিআর-বহির্ভূত কর আদায়ের অনেক কাজে তাদের সম্পৃক্ত করা যেতে পারে। কারণ কোনো নির্দিষ্ট এলাকার কর ও প্রশাসনিক কাঠামোকে সংবেদনশীল করার সক্ষমতা এ সরকারের রয়েছে। এমনকি যেকোনো আঞ্চলিক পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনায়ও এ সরকারকে স্বশাসনের ক্ষমতা দিতে হবে।
অবশ্য স্থানীয় সরকারকে এখনো পূর্ণাঙ্গ স্বশাসন দেয়া যায়নি। অথচ প্রশাসনের কাজকে বিকেন্দ্রীকরণের ক্ষেত্রে এ সরকার কাঠামোর সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ। সিভিল ব্যুরোক্রেসি শক্তিশালী হয়ে যাওয়ায় দেশে স্থানীয় সরকার কাঠামো সুপ্রতিষ্ঠিত হতে পারেনি। অথচ বিশ্বের অনেক উন্নয়নশীল ও উন্নত দেশে স্থানীয় সরকারই যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতেও আমরা দেখেছি পঞ্চায়েত ব্যবস্থা রয়েছে। তাছাড়া বিশ্বের অনেক স্থানেই স্থানীয় সরকার কাঠামো রয়েছে, যারা নিজেরা স্বশাসন করতে পারে। এক্ষেত্রে স্থানীয় সরকার কাঠামোর পরিবর্তন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
স্থানীয় সরকার যেন পরিকল্পনা, কর আদায়, স্থানীয় উন্নয়ন এবং সামাজিক সুরক্ষার কাজগুলো নিজেদের স্থানীয় বৈশিষ্ট্য অনুসারে নিতে পারে তেমন একটি সমন্বয়মূলক ব্যবস্থায় যেতে পারলে ভালো হয়।
ড. মোসলেহউদ্দিন আহমেদ
অধ্যাপক, লোকপ্রশাসন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়