বাজেট ভাবনা

সামাজিক নিরাপত্তা ও কৃষি খাতকে অবজ্ঞা করে জনকল্যাণমূলক বাজেট হয় না

সামাজিক সুরক্ষা বা বৃহত্তর অঙ্গনে সামাজিক কল্যাণ প্রসঙ্গে অমর্ত্য সেনের নাম আপনাআপনি এসে যায়। প্রবৃদ্ধি ও সামাজিক কল্যাণ নিয়ে নোবেলজয়ী এ অর্থনীতিবিদের চিত্তাকর্ষক চিন্তা এবং ক্ষুরধার যুক্তি বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি পেয়েছে।

সামাজিক সুরক্ষা বা বৃহত্তর অঙ্গনে সামাজিক কল্যাণ প্রসঙ্গে অমর্ত্য সেনের নাম আপনাআপনি এসে যায়। প্রবৃদ্ধি ও সামাজিক কল্যাণ নিয়ে নোবেলজয়ী এ অর্থনীতিবিদের চিত্তাকর্ষক চিন্তা এবং ক্ষুরধার যুক্তি বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি পেয়েছে। তিনি দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করেন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গুরুত্ব নিহিত তার নিজের জন্য নয়, বরং প্রবৃদ্ধি হচ্ছে মানুষের হাতে একটা অস্ত্রের মতো যা পছন্দমতো কিছু করার জন্য তাকে সামর্থ্যবান করে তোলে। এটা সামাজিক কল্যাণের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য পরিচর্যার মতো বিষয় মানুষের জীবনের গুণগত মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ এজন্য যে এগুলো মানুষকে নিজের এবং বড় পরিসরে সমাজের চাহিদা ভালোভাবে পূরণে সক্ষম করে তোলে। দিনের শেষে, প্রবৃদ্ধির প্রয়োজন একটা উদ্দেশ্য সাধনের জন্য এবং সেই উদ্দেশ্যটি হচ্ছে নাগরিক জীবনের মান উন্নীত করা। বাংলাদেশ গত কয়েক দশকে সন্তোষজনক প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে কিন্তু প্রবৃদ্ধির সুফল সবার ঘরে পৌঁছেনি বলে অরক্ষিত ও বঞ্চিতদের জন্য সরকারিভাবে বিশেষ বন্দোবস্তের আরেক নাম ‘সামাজিক নিরাপত্তা জাল কর্মসূচি’, সংক্ষেপে সামাজিক সুরক্ষা (সোশ্যাল প্রোটেকশন)।

সরকারি নথিতে বাংলাদেশ সরকারের প্রতিশ্রুতির প্রকাশ পাওয়া যায়। তবে স্বীকার্য যে, দারিদ্র্য দূরীকরণে প্রশংসনীয় সাফল্য অর্জন হলেও জনগণের উল্লেখযোগ্য একটা অংশ নানা কারণে এখনো দারিদ্র্য ঝুঁকিতে রয়ে গেছে। যারা দারিদ্র্যসীমার নিচে অবস্থান করছে সেই জনগোষ্ঠী ছাড়াও দারিদ্র্যসীমার কিছুটা ওপরে অবস্থানকারী জনগণ বিভিন্ন কারণে দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে যাওয়ার ঝুঁকিতে ঝুলছে। বলা বাহুল্য, দরিদ্র ও প্রায় দরিদ্র মানুষের পক্ষে দেয় সম্পদ দিয়ে এসব ঝুঁকি ও বিপর্যয় মোকাবেলা করা সম্ভব হয় না। 

মূলত এসব ঝুঁকি মোকাবেলায় দরিদ্র ও ঝুঁকিপ্রবণ জনগোষ্ঠীকে সহায়তাকল্পে সরকারের বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনী কর্মসূচির সূত্রপাত ঘটে|আশির দশকে, মূল ফোকাসে ছিল দুর্যোগে সাড়া দেয়া ও রিলিফ কার্যক্রম। এ সময়ে খাদ্য সাহায্য ছাড়াও সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে উন্নয়নের অংশটুকু ছিল উল্লেখযোগ্য। নব্বইয়ের দশকে বিশেষ গোষ্ঠীকে সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে যেমন বয়স্ক, বিধবা এবং প্রতিবন্ধী বা বিশেষভাবে সক্ষমদের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়, যেগুলোয় প্রায় উন্নয়ন অংশীদার এবং এনজিও জড়িত ছিল। ক্রমে ক্রমে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে নগদ হস্তান্তরের ব্যাপক বিস্তৃতি ঘটে এবং ২০০০ নাগাদ বিভিন্ন ধরনের নাজুকতা ও ঝুঁকি মোকাবেলায় বিভিন্ন কর্মসূচির আবির্ভাব ঘটতে থাকে। ধীরে ধীরে দারিদ্র্য প্রশমনে গ্র্যাজুয়েশন কর্মসূচি অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে এসব নিরাপত্তা জাল কর্মসূচি দৃঢ় করা হয়। উল্লেখ্য, স্বাধীনতার পর থেকে সার্বিক সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি জনগণের প্রয়োজনের নিরিখে ক্রমবর্ধিষ্ণু যখনই সংকট, তখনই বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে, কখনো বিদ্যমান কর্মসূচির সম্প্রসারণ ঘটেছে। কিন্তু বিভিন্ন ধরনের সামাজিক ঝুঁকি মোকাবেলায় একটা সমন্বিত পদক্ষেপ অনুভূত হলে ২০১৫ সালে বাংলাদেশ সামাজিক সুরক্ষায় একটা কৌশলগত ও সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করে। 

অবশ্য সময়ের বিবর্তনে প্যারাডাইম শিফট (যূগান্তকারী পরিবর্তন) ঘটে। দারিদ্র্য ও নাজুকতা নিরসনে সরকারি সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি বিভিন্ন রকমের নিরাপত্তা জালের মধ্যেই সীমিত ছিল। নিরাপত্তা জালের উদ্দেশ্য সংকটকালে অব্যবহিত মৌলিক প্রয়োজন মেটানো। তার স্বল্পকালীন লক্ষ্য, অভিঘাতের তাৎক্ষণিক প্রভাব হ্রাস এবং ভোগ মসৃণ করা। অনেকগুলো খণ্ডিত কর্মসূচির সঙ্গে ২৩ মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণে থাকা বাংলাদেশের বর্তমান সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা খুব জটিল। বর্তমানে বাজেট কর্তৃক অর্থায়িত সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার কর্মসূচির সংখ্যা ১৪৩। জিডিপির হিস্যায় ২০২৩-২৪ অর্থবছরে সামাজিক নিরাপত্তায় বরাদ্দ ২ দশমিক ৫২ শতাংশ, যা জাতীয় সামাজিক নিরাপত্তা কৌশলের (এনএসএস) লক্ষ্যমাত্রা ৩ শতাংশের নিচে।

বাংলাদেশে সামাজিক নিরাপত্তা জাল কর্মসূচি চারটি বড় দাগে শ্রেণীভুক্ত করা চলে: (ক) অর্থ হস্তান্তরের মাধ্যমে হতদরিদ্র্যের ক্ষমতা বৃদ্ধি, (খ) ক্ষুদ্র ঋণ কর্মসূচির মাধ্যমে স্ব-নিয়োজিত কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা, (গ) দরিদ্রের খাদ্যনিরাপত্তায় স্বল্পমূল্যে খাদ্য বিতরণ এবং অন্যান্য কর্মসূচি। যা-ই হোক, সামাজিক নিরাপত্তামূলক কর্মসূচিতে বিরাজমান বিভিন্ন সমস্যাকে বিবেচনায় নিয়ে একটি সমন্বিত ও ব্যাপকভিত্তিক জাতীয় সামাজিক নিরাপত্তা কৌশল প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ সরকার। এ পরিপ্রেক্ষিতে ২০১২ সালের ১০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগকে (জিইডি) জাতীয় সামাজিক নিরাপত্তা কৌশল (এনএসএসএস) প্রণয়নের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়। ‘জাতীয় সামাজিক নিরাপত্তা কৌশলের লক্ষ্য হলো বিদ্যমান সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনী কর্মসূচিগুলোর পরিমার্জন ও সংশ্লেষণের মাধ্যমে এগুলোকে আরো নিখুঁত, দক্ষ ও কার্যকর করে তোলা এবং ব্যয়িত অর্থ থেকে সর্বাধিক সুবিধা অর্জন নিশ্চিত করা। এটি সনাতনী ধারণার পরিবর্তে একটি ব্যাপক ও বিস্তৃত পরিধির আধুনিক সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রচলন ঘটাবে। এ নতুন ব্যবস্থায় ২০২১ সালে মধ্যম আয়ের বাংলাদেশের (যখন অতিদরিদ্র মানুষের সংখ্যা হবে ৫ শতাংশের চেয়ে কম) বাস্তবতায় কর্মসংস্থান নীতি ও সামাজিক বীমা ব্যবস্থাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আওতা ও পরিধি বিস্তৃত করার মাধ্যমে এ কৌশল একদিকে যেমন আয়বৈষম্য কমাতে সহায়তা করবে, তেমনি অন্যদিকে এটি মানব উন্নয়ন প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে উচ্চতর প্রবৃদ্ধি অর্জনে ভূমিকা রাখবে। সামাজিক নিরাপত্তার এ জাতীয় কৌশলে কেবল বাংলাদেশের বাস্তবতাই প্রতিফলিত হয়নি, পাশাপাশি এতে প্রাসঙ্গিক আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞান ও ধারণাও অধিগ্রহণ করা হয়েছে।’ 

দরিদ্র ও দারিদ্র্যঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর জন্য গৃহীত এসব কর্মসূচির আওতা ও পরিধি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে সত্যি তবে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর উল্লেখযোগ্য অংশ এখনো এসব কর্মসূচির আওতায় আসেনি। নিরাপত্তাবেষ্টনী কর্মসূচিগুলো থেকে প্রাপ্ত গড় সুবিধার পরিমাণ খুবই কম, কর্মসূচি বাস্তবায়নে নিশানা নির্ধারণে রাজনৈতিক বিবেচনা এবং প্রকৃত মূল্যে সুরক্ষার পরিমাণ ক্রমান্বয়ে হ্রাস পাচ্ছে—এ ধরনের এন্তার অভিযোগও রয়েছে। ফলে একটি কার্যকর সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার অধীনে গৃহীত দারিদ্র্য বিমোচন কর্মসূচিতে ব্যয়িত অর্থের যে প্রভাব থাকা উচিত সে তুলনায় এসব কর্মসূচিতে ব্যয়িত অর্থের প্রভাব অনেক কম।

সানেমের চেয়ারম্যান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক বজলুল হক খন্দকার মনে করেন, ‘দেশের প্রায় ২৫ শতাংশ মানুষ অরক্ষিত। তারা যেকোনো ধাক্কায় হঠাৎ দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে যেতে পারে, কভিডের সময় যা দেখা গেল। সেজন্য সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় ৫৫-৬০ শতাংশ মানুষকে নিয়ে আসা উচিত এবং এ বাস্তবতায় দেশের মধ্যবিত্তদের জন্যও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি প্রয়োজন বলে মনে করেন বজলুল হক খন্দকার। তিনি বলেন, ‘মালয়েশিয়ার মতো দেশে দেখা গেছে, কভিডের অভিঘাতে সে দেশের দরিদ্রদের তুলনায় মধ্যবিত্তরাই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমাদের দেশেও মধ্যবিত্তরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘‌সরকার দুটি কাজ করতে পারে। প্রথমত, সামাজিক নিরাপত্তা খাতের আওতা বৃদ্ধি করে দেশের অন্তত ৫৫-৬০ শতাংশ মানুষকে এর আওতায় নিয়ে আসা। তবে সরকারের সীমাবদ্ধতা আছে, তার পক্ষে এটা করা সম্ভব নাও হতে পারে।

দ্বিতীয়ত, মানুষের যখন অবস্থা ভালো থাকে, তখন পেনশন, বেকারত্ব বীমা বা স্বাস্থ্য বীমার মতো সুরক্ষা মানুষ নিতে পারে। দুর্যোগের সময় মানুষ যেন সেখান থেকে ঋণ নিতে পারে, সে রকম ব্যবস্থা থাকতে হবে। এ দুই মাধ্যমে দেশে সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা দাঁড়িয়ে যেতে পারে। সরকার সামাজিক নিরাপত্তা খাতে জিডিপির ২ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে ৩ শতাংশ বরাদ্দ দিয়েছে। তবে সরকারি কর্মচারীদের পেনশন বাদ দিলে তা ১ দশমিক ৫ থেকে ১ দশমিক ৭ শতাংশে নেমে আসে। আবার সুবিধাভোগী নির্বাচনেও নানা ধরনের সমস্যা আছে। যত মানুষ সরকারের সামাজিক সুরক্ষার আওতায় আছে, তাদের মধ্যে ৭১ শতাংশ ভুল মানুষকে দেয়া হয়। আবার ৪৬ দশমিক ৫ শতাংশ আছে, প্রয়োজন না থাকলেও যারা ভাতা পাচ্ছে। সেজন্য সঠিক মানুষ নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে দেশের শহরাঞ্চলে দরিদ্রের সংখ্যা ১৮ দশমিক ৯ শতাংশ হলেও সুরক্ষা পাচ্ছে ১০ দশমিক ৯ শতাংশ দরিদ্র মানুষ। কিন্তু গ্রামাঞ্চলে দরিদ্রের সংখ্যা ২৬ দশমিক ৪ শতাংশ হলেও সুরক্ষা পাচ্ছে ৩৫ দশমিক ৭ শতাংশ মানুষ। এ ধরনের সমস্যার কারণে বিদ্যমান সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি অতটা কার্যকর হচ্ছে না। শেষ বিচারে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সংস্কারে রাজনৈতিক ইচ্ছাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ; কেউ যেন পিছিয়ে না থাকে, তা নিশ্চিত করতে এর বিকল্প নেই। 

সবশেষে, বাংলাদেশ ২০২১ সাল নাগাদ মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হতে চায় এবং এরই মধ্যে মাথাপিছু জাতীয় আয় ১ হাজার ৩১৪ মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। যেহেতু অর্থনীতির পরিধি ও কর্মকাণ্ড বাড়ছে এবং জিডিপি ও কর্মসংস্থানে আধুনিক শিল্পভিত্তিক ও সংগঠিত সেবা খাতের অংশ বাড়ছে, সেহেতু সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রয়োজনীয় চাহিদাতেও ব্যাপক পরিবর্তন আনতে হবে। সামাজিক সেবা প্রদানের পদ্ধতি সুরক্ষা বেষ্টনী থেকে অধিকতর অন্তর্ভুক্তিমূলক সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বিস্তৃত করা প্রয়োজন হবে এবং একে জীবন চক্র পদ্ধতির সঙ্গে যুক্ত করে এতে কর্মসংস্থান নীতি ও সামাজিক বীমা ব্যবস্থাকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। সেই সঙ্গে একে আধুনিক নগরভিত্তিক অর্থনীতির চাহিদার সঙ্গে খাপ খাইয়ে চলতে হবে।

আমরা আশা করব, সরকার ঘোষিত ব্যয় সংকোচন কর্মসূচির মধ্যেও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে কোনোভাবে কাঁচি পড়বে না। আগামী বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি বেগবান এবং বিস্তৃত করার লক্ষ্যে বরাদ্দ বৃদ্ধি জরুরি এবং একই সঙ্গে লাভের গুড় যাতে পিঁপড়া না খায় সেজন্য যথাযথ তদারকি এবং রাজনৈতিক বিবেচনার ওপরে ওঠা সময়ের দাবি। একটা জনকল্যাণমূলক বাজেট অন্তত সামাজিক নিরাপত্তা ও কৃষি খাতকে অবজ্ঞা করতে পারে না বলে আমাদের বিশ্বাস। 


আব্দুল বায়েস: সাবেক উপাচার্য, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

আরও