ওয়াল স্ট্রিটের উল্লম্ফন

কেইন্সের সুন্দরী প্রতিযোগিতা না মৌলিক অনিশ্চয়তা?

অর্থনীতিবিদ জে এম কেইন্স শেয়ারবাজারকে তুলনা করেছেন ‘সুন্দরী প্রতিযোগিতা’ বা ‘বিউটি কনটেস্ট’-এর সঙ্গে। কেইন্সের উদাহরণটা মোটামুটি এ রকম। কিছুসংখ্যক প্রতিযোগীকে ২০টা ছবি দেখিয়ে প্রত্যেককে বলা হলো সেখান থেকে সবচেয়ে সুন্দর পাঁচটি ছবি নির্বাচন করতে। ২০টি ছবিকে ১-২০ পর্যন্ত নম্বর দিন। ধরা যাক, সেখানে মাত্র ১০ জন প্রতিযোগী। একে একে ১০ জনকে ছবিগুলো দেখান এবং প্রত্যেককে তাদের পছন্দমতো পাঁচটি ছবি বাছাই করতে বলুন। এবার প্রত্যেকের বাছাইকৃত পাঁচটি ছবির গড় নম্বর বের করুন, তারপর ১০ জনের গড় নম্বর থেকে একটা সামগ্রিক গড় নির্ণয় করুন। ১০ জনের মধ্যে যার গড় নম্বর সামগ্রিক গড়ের সবচেয়ে কাছাকাছি হবে, সে-ই প্রতিযোগিতায় জয়ী হবে। আপনি যদি সেই প্রতিযোগিতার একজন প্রতিযোগী হন, জিততে হলে সত্যিকারের সুন্দর ছবি নির্বাচন করার চেয়ে আপনার প্রতিদ্বন্দ্বীদের মনোভাব বোঝা বেশি জরুরি হবে। সবাই যখন একই দৃষ্টিকোণ থেকে সমস্যাটা বিচার করবে, তখন প্রতিদ্বন্দ্বীদের বুদ্ধিমত্তা নিয়োজিত হবে গড় মতামতকে অনুমান করায়, সত্যিকারের সুন্দর ছবি বাছাই নয়।

অর্থনীতিবিদ জে এম কেইন্স শেয়ারবাজারকে তুলনা করেছেন ‘সুন্দরী প্রতিযোগিতা’ বা ‘বিউটি কনটেস্ট’-এর সঙ্গে। কেইন্সের উদাহরণটা মোটামুটি এ রকম। কিছুসংখ্যক প্রতিযোগীকে ২০টা ছবি দেখিয়ে প্রত্যেককে বলা হলো সেখান থেকে সবচেয়ে সুন্দর পাঁচটি ছবি নির্বাচন করতে। ২০টি ছবিকে ১-২০ পর্যন্ত নম্বর দিন। ধরা যাক, সেখানে মাত্র ১০ জন প্রতিযোগী। একে একে ১০ জনকে ছবিগুলো দেখান এবং প্রত্যেককে তাদের পছন্দমতো পাঁচটি ছবি বাছাই করতে বলুন। এবার প্রত্যেকের বাছাইকৃত পাঁচটি ছবির গড় নম্বর বের করুন, তারপর ১০ জনের গড় নম্বর থেকে একটা সামগ্রিক গড় নির্ণয় করুন। ১০ জনের মধ্যে যার গড় নম্বর সামগ্রিক গড়ের সবচেয়ে কাছাকাছি হবে, সে-ই প্রতিযোগিতায় জয়ী হবে। আপনি যদি সেই প্রতিযোগিতার একজন প্রতিযোগী হন, জিততে হলে সত্যিকারের সুন্দর ছবি নির্বাচন করার চেয়ে আপনার প্রতিদ্বন্দ্বীদের মনোভাব বোঝা বেশি জরুরি হবে। সবাই যখন একই দৃষ্টিকোণ থেকে সমস্যাটা বিচার করবে, তখন প্রতিদ্বন্দ্বীদের বুদ্ধিমত্তা নিয়োজিত হবে গড় মতামতকে অনুমান করায়, সত্যিকারের সুন্দর ছবি বাছাই নয়।

শেয়ারবাজারের আচরণকে অনেক সময় ‘সুন্দরী প্রতিযোগিতা’র আলোকে ব্যাখ্যা করা যায়। যেমন কোনো কোম্পানির মৌলভিত্তি ভালো হলেই যে সেই শেয়ারের চাহিদা বা দাম বাড়বে, তার নিশ্চয়তা নেই। যারা দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকারী, তাদের কাছে হয়তো অনেক সময় ভালো মৌলভিত্তির শেয়ারের চাহিদা থাকে, কিন্তু যারা স্বল্পমেয়াদে মূলধনি মুনাফা চায় (বাজারে তাদের সংখ্যাই বেশি), তারা মৌলভিত্তির শেয়ার নয়, বরং যে শেয়ারের দাম বাড়তে পারে, তার দিকেই দৃষ্টি থাকে। কেন মনে করবেন যে মৌলভিত্তি ভালো না হলেও শেয়ারের দাম বাড়তে পারে? ১৯৯৬ ও ২০১০ সালে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে এমন অনেক ঘটনা ছিল। কোম্পানির সম্পদ বলতে ‘গ্রিন ফিল্ড’ অর্থাৎ উৎপাদনে যাওয়ার জন্যই কোম্পানি তৈরি নয়, এমন অনেক কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে। কেন? এটাই রহস্য। কেইন্সের শিষ্য হিমেন মিনস্কির মতে, শুরুতে যেকোনো একটা নিয়ামক ট্রিগার (উদ্দীপক) হিসেবে কাজ করবে। সেটা হতে পারে বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশা, বাজি ধরার প্রবণতা, গুজব, রাজনৈতিক বা অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ইত্যাদি। যেকোনো একটা উদ্দীপক বিনিয়োগকারীদের উসকে দিতে পারলেই তারা ‘হার্ড-বিহেভিয়ার’ বা ‘দলবদ্ধ আচরণ’ দ্বারা প্রভাবিত হবে। তখন সত্যিকার ভালো কোম্পানি বিবেচনা করার  চেয়ে মুখ্য হবে অন্য বিনিয়োগকারীদের মনোভাব বোঝা, এভাবেই বিনিয়োগকারীরা সুন্দরী প্রতিযোগিতার ন্যায় সুন্দর ছবি বাছাই করার চেয়ে অন্যকে অনুকরণ করার মাধ্যমেই লাভবান হবেন।   

এবার করোনাকালীন ওয়াল স্ট্রিটের দিকে একটু চোখ দেয়া যাক। ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের উহান প্রদেশ থেকে করোনার যাত্রা শুরু। প্রথম দিকে সংক্রমণ শুধু চীনে সীমিত থাকার কারণে বিশ্বব্যাপী করোনার প্রভাব তেমন দেখা যায়নি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানুয়ারির ৩০ তারিখে নভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণকে বৈশ্বিক জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে। জানুয়ারির প্রথম দিন থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এসঅ্যান্ডপি-৫০০ (নিউইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান সূচক) ৩ দশমিক ৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে রেকর্ড উচ্চতায় ওঠে, যদিও এ সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক মৌলিক নিয়ামকের তেমন কোনোই পরিবর্তন হয়নি। বৈশ্বিক জরুরি অবস্থা ঘোষণার পরেও ওয়াল স্ট্রিটের তেজি ভাবের কারণ কী?

বাজারের মৌলিক অনিশ্চয়তাকে দায়ী করা যায়। যেমন নভেল করোনাভাইরাসের বিশ্বব্যাপী প্রভাব সম্পর্কে মানুষের পূর্বজ্ঞান একেবারেই শূন্য। ১৯১৮ সালের মহামারী থেকে বর্তমান জ্ঞান-বিজ্ঞানে সমৃদ্ধ পৃথিবীর জন্য তেমন কোনো বাস্তবিক অভিজ্ঞতা শেখার নেই। এমনও হতে পারে যে চীনের লকডাউনের কারণে তাদের পণ্য ও সেবা উৎপাদন হ্রাস পাবে এমন প্রত্যাশা ছিল। এতে চীনে যুক্তরাষ্ট্রে রফতানির পরিমাণ কমবে। এ সুযোগে দেশীয় উৎপাদন প্রতিষ্ঠানগুলোর কিছুটা বাড়তি মুনাফার প্রত্যাশা অযৌক্তিক নয়। তবে বাজারের মৌলিক অনিশ্চয়তা, বিশেষ করে করোনা কীভাবে মানুষের জীবন-জীবিকাকে প্রভাবিত করবে, তার সঠিক কোনো তথ্য-উপাত্ত না থাকায় বাজারের মধ্যে করোনার প্রভাব প্রতিফলিত হয়নি।      

ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি থেকে করোনার সংক্রমণ বিশ্বব্যাপী একটা বড়সড় বিপদের আভাস দিলেও অনেক কিছুই তখনো অপরিষ্কার। যেমন গ্রীষ্মকালে উষ্ণ আবহাওয়ায় করোনা কি বাঁচতে পারবে? কার্যকরী টিকা আবিষ্কার কি নিকট অতীত নাকি সুদূরপরাহত? করোনা কি কম বয়সী এবং নীরোগ জনগোষ্ঠীকে সংক্রমিত করতে পারবে? এ প্রশ্নগুলোর উত্তর তখনো একেবারেই অজানা ছিল। তবে এই অনিশ্চয়তার মধ্যেও করোনার নেতিবাচক প্রভাব অর্থনীতিতে কিছুটা দৃশ্যমান ছিল। যেমন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড অনেকটাই শ্লথগতিতে চলছিল এলাকাভিত্তিক লকডাউনের কারণে। আন্তর্জাতিক চলাচলে কঠোর নিরাপত্তার সঙ্গে সতর্কাবস্থা জারি করল অনেক দেশ। ১১ মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কভিড-১৯-কে বৈশ্বিক মহামারী হিসেবে ঘোষণা করে।

ওয়াল স্ট্রিটের প্রতিক্রিয়াও ছিল একেবারে অভাবনীয়। ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৩ মার্চ, এক মাসে এসঅ্যান্ডপি-৫০০-এর মূল্যসূচক প্রায় ৩৪ শতাংশ কমে দাঁড়ায় ২ হাজার ২৩৭ পয়েন্টে। সূচকের এই পতন ছিল ১৯২৯ সালের মহামন্দার অনুরূপ। এই অভাবনীয় পতনের কি যৌক্তিক ব্যাখ্যা আছে? হংকং, জাপান ও অস্ট্রেলিয়ায় কিছু পণ্যের অতিরিক্ত চাহিদা, বিশেষ করে টয়লেট টিস্যুর, সারা বিশ্বের সংবাদপত্রের আলোচনার বিষয় ছিল। টয়লেট টিস্যুর দুষ্প্রাপ্যতা জাপানের সেই ১৯৭৩ সালের ‘অয়েল শক’-এর কথা মনে করিয়ে দিলেও অন্য দেশের জন্য এটা ছিল সে ফ একটা অযৌক্তিক উদ্দীপনা, যা হয়তো পুঁজিবাজারের সামনে নতুন একটা অনিশ্চয়তা হাজির করেছিল। নয়তো বিনিয়োগকারীরা ভেবেছিলেন যে এখনই সময় বাজার থেকে বেরিয়ে যাওয়ার, আর তাই বাজারে সর্বজনীন বিক্রয়ের একটা প্রবণতা লক্ষ করা গেছে। উল্লেখ্য, এই এক মাস সময়ে কোম্পানিগুলোর মৌলভিত্তির তেমন কোনো পরিবর্তন ঘটেনি; যা দিয়ে সূচকের পতনকে ব্যাখ্যা করা যায়। তাহলে কি বিনিয়োগকারীদের ‘দলবদ্ধ আচরণ’ই প্রকৃত কারণ। উপরে বর্ণিত সুন্দরী প্রতিযোগিতার একটা প্রতিফলন লক্ষ করা যায়। যেমন কোম্পানির মৌলভিত্তি নয়, বরং অন্যান্য বিনিয়োগকারী করোনার নেতিবাচক প্রভাবকে বাজারের জন্য কতটুকু ক্ষতিকর ভাবছেন, সেটাই শেষ পর্যন্ত মূল বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। সবারই অনুমিত ধারণা যে করোনা বাজারের স্বাভাবিক প্রবাহকে ভেঙে দেবে। এ অবস্থায় বাজার থেকে বেরিয়ে যাওয়াই উত্তম। এ ধারণা আরো যৌক্তিক মনে হবে সূচকের পরবর্তী গতি বিবেচনা করলে।

বলা বাহুল্য, কভিড-১৯ বিশ্ব অর্থনীতিকে এরই মধ্যে এক চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে ঠেলে দিয়েছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সর্বশেষ প্রাক্কলন অনুযায়ী, ২০২০ সালে বিশ্ব অর্থনীতি তার মোট দেশজ উৎপাদনের ৩ শতাংশ হারাবে। আর ২০২০-২১ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনের পুঞ্জীভূত ক্ষতির প্রাক্কলন করা হয়েছে প্রায় ৯ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার। ১৯২৯ সালের মহামন্দার পর বিশ্ব অর্থনীতি গত ৯০ বছরে এত বড় বিপর্যয়ের মুখোমুখি হয়নি। কংগ্রেসনাল বাজেট অফিসের তথ্যমতে, করোনার ফলে দীর্ঘমেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের মোট দেশজ উৎপাদন প্রায় ৮ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার কমবে।

এগুলো কোনো সুখবর নয় এবং এর প্রভাব শেয়ারবাজারে অবশ্যই প্রতিফলিত হবে। কিন্তু সে াতের প্রতিকূলে এসঅ্যান্ডপি-৫০০ সূচক মার্চের শেষ থেকে এই পর্যন্ত তার ঊর্ধ্বগতির ধারা বজায় রেখেছে। মার্চ থেকে এ সময় পর্যন্ত সূচক বেড়েছে প্রায় ৩১ শতাংশ (চিত্রে পর্যায়-৩)। একথা অবশ্য স্বীকার্য যে করোনার প্রভাব প্রশমন করার নিমিত্তে ফেডারেল ও স্টেট গভর্নমেন্ট বেশকিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। যেমন মার্চে সুদহার কমিয়ে শূন্যে নামিয়ে আনা। তদুপরি ট্রাম্প প্রশাসন প্রায় দুই ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার পরিমাণ ‘কেয়ারস’ তহবিল গঠন করেছে। এসব প্রণোদনা প্যাকেজ অবশ্যই বাজারের নিম্নগতিকে রুখবে, তবে প্রচলতি চাঙ্গা ভাব তৈরি করার মতো যথেষ্ট উপকরণ আছে কিনা, সেটা অবশ্যই প্রশ্নসাপেক্ষ।

প্রথমত, ফেজ-২-এর পতন হয়তো অবশ্যম্ভাবী ছিল না। কিছুটা অনিশ্চয়তা এবং কিছুটা ‘দলগত আচরণ’ স্বাভাবিক পতনকে ত্বরান্বিত করে অস্বাভাবিক করেছে। বাজার যখন এটা উপলব্ধি করতে পারল, তখন একটা ‘কারেকশন’ বা সংশোধন প্রয়োজন ছিল। ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজ সংশোধনকে বেগবান করে সূচকের ঊর্ধ্বমুখী ধারা সূচিত করেছে।

দ্বিতীয়ত, ঐতিহাসিক আরেকটা নিয়ামক এখানে কাজ করতে পারে। ২০০৮-০৯ আর্থিক সংকট কাটিয়ে ওঠার জন্য বর্তমানের ন্যায় হরেক রকমের প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছিল, যা বাজারকে ক্রমান্বয়ে সংকট কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করেছিল। ২০০৯-এর মার্চ থেকে ২০২০-এর মার্চ, এই ১১ বছরে এসঅ্যান্ডপি-৫০০ সূচক প্রায় পাঁচ গুণ বেড়েছে। এই অভিজ্ঞতা বিনিয়োগকারীদের মনে বিশ্বাসের জন্ম দিয়েছে যে প্রণোদনা প্যাকেজে যা-ই থাকুক, বাজার ক্রমান্বয়ে ঘুরে দাঁড়াবে। সবার ভাবনা যখন একই বিন্দুতে হয়, বাজারের চাঙ্গা ভাব তার স্বাভাবিক ফল। নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ রবার্ট শিলারের মতে, সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীরা পরিতাপ করেন যখন বাজারের সর্বনিম্ন অবস্থায় শেয়ার কিনতে অপারগ হন। আবার একই প্রতিক্রিয়া হয় বিক্রির ক্ষেত্রে যখন বাজার শীর্ষে অবস্থান করে। মার্চে যখন সূচকের অস্বাভাবিক দরপতন হলো, সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীরা এটাকেই বাজারের সর্বনিম্ন অবস্থা বিবেচনা করে শেয়ার কেনায় প্রবৃত্ত হলেন। সরকারি প্রণোদনা প্যাকেজ এখানে শুধু অনুঘটক (উদ্দীপক) মাত্র।

নিউইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জ হলো বিশ্বের সবচেয়ে বড় সংগঠিত শেয়ারবাজার। এখানেও সবসময় মৌলভিত্তির ওপর নির্ভর করে শেয়ারের দাম ওঠানামা করে না। কেইন্সের ‘বিউটি কনটেস্ট’ বা ‘মৌলিক অনিশ্চয়তার তত্ত্ব’ অথবা ‘দলগত আচরণ’ বাজারকে অনেক সময়ই প্রভাবিত করে, যেমন করোনাকালীন ওয়াল স্ট্রিটের অস্থিরতা। সেজন্যই নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ জোসেফ স্টিগলিত্জ বলেছেন, পৃথিবীতে সবচেয়ে কম বুঝতে পারা বিষয়গুলোর একটি হলো শেয়ার মার্কেট।

 

ড. মোহাম্মদ দুলাল মিয়া: সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, ফিন্যান্স ও অর্থনীতি বিভাগ

নিজওয়া বিশ্ববিদ্যালয়, ওমান

আরও