অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেয়ার প্রায় পাঁচ মাস পর চলমান ২০২৪-২৫ অর্থবছরের মাঝপথে এসে রাজস্ব আয় বাড়ানোর জন্য মূল্য সংযোজন কর তথা পরোক্ষ কর বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এটি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ধারা, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ও রাজনৈতিক বাস্তবতার পরিপ্রেক্ষিতে অত্যন্ত অদূরদর্শী একটি সিদ্ধান্ত। বিগত বছরগুলোয় আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অর্থনীতির আকার, মাথাপিছু আয়, রফতানি আয়সহ বিভিন্ন অর্থনৈতিক সূচক ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে দেখানো হয়েছিল। এসব মিথ্যা পরিসংখ্যানের ফলে বাংলাদেশের অর্থনীতির দুর্বলতাগুলো দীর্ঘ সময় ধরে লুক্কায়িত থাকলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোয় তা ক্রমে প্রকাশ হচ্ছিল। একই সঙ্গে সেই সরকারের মিথ্যা পরিসংখ্যানের জারিজুরি প্রকাশ্যে আসতে শুরু করে। একনায়ক শেখ হাসিনা সরকারের আমলে বাংলাদেশের অর্থনীতি থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ লুটপাটের ফলে মূলত বাংলাদেশের অর্থনীতির ভিত্তি ঝাঁজরা হয়ে গেছে। এমন পরিস্থিতিতে বর্তমান সরকার বিগত সরকারের ভুল অর্থনৈতিক নীতিমালা ও ব্যাপক লুটপাটের ফলাফল হিসেবে ব্যাপক রাজস্ব সংকটে ভুগছে। অবস্থা উত্তরণের জন্য অন্তর্বর্তী সরকার আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের কাছ (আইএমএফ) থেকে হাসিনা আমলে চুক্তি হওয়া ঋণের অর্থ ছাড় করার চেষ্টার অংশ হিসেবে দাতা সংস্থাটির দেয়া প্রেসক্রিপশনে পরোক্ষ কর বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সাময়িকভাবে এর মাধ্যমে রাজস্ব আয় বৃদ্ধি ও আইএমএফের ঋণের অর্থ ছাড় করা সম্ভব হলেও বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের ওপর সরকারের এ সিদ্ধান্তের প্রভাব হবে তীব্র ও নেতিবাচক।
বিগত সরকারের আমলে উন্নয়নের সরকারি বয়ানের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশী ও বিদেশী সংস্থা উন্নয়নের মিরাকল হিসেবে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে উপস্থাপন করেছে। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোয় বিদেশী উন্নয়ন ও দাতা সংস্থাগুলোর পরামর্শ দেয়ার প্রবণতা দীর্ঘদিনের। ঐতিহাসিকভাবে দেখা যায়, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বিশ্বব্যাংক, এডিবি, আইএমএফসহ বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী ও দাতা সংস্থাগুলোর প্রেসক্রিপশন বা পরামর্শ খুব একটা কাজে আসেনি। মূলত বাংলাদেশের বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন এসব পরামর্শ ভিন্ন দেশের বাস্তবতায় কার্যকর হলেও বাংলাদেশে সুফল মেলেনি। বরং অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পরিস্থিতি আরো জটিল ও শোচনীয় হয়েছে। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার আইএমএফের পরামর্শে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের ওপর ভ্যাট আরোপের যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেটিও ব্যর্থতায় পর্যবসিত হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে।
বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য ও সেবার ওপর ভ্যাট আরোপের আওতা বেশ বিস্তৃত। নন-এসি রেস্তোরাঁ, মিষ্টি, বিস্কুট-কেকসহ বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য, কাপড়, টয়লেট টিস্যু, স্যানিটারি ন্যাপকিন, চশমা-সানগ্লাস, মোটর ওয়ার্কশপ ও লুব্রিক্যান্ট তেল, ওষুধ প্রভৃতির ওপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) আরোপের ফলে সাধারণ জনগণের ব্যয় বাড়বে। ফলে তাদের জীবনযাত্রার ওপর বাড়তি চাপ পড়বে। বাংলাদেশের জনসংখ্যার অধিকাংশের মাথাপিছু আয় গ্রহণযোগ্য মাত্রার চেয়ে অনেক কম হওয়ায় সার্বিকভাবে দেশের সামগ্রিক জনগোষ্ঠীর ওপর এ প্রভাব হবে তীব্র। বিশেষত প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মানুষ, অর্থাৎ মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তের ওপরই মূলত পরোক্ষ করের বাড়তি বোঝা চেপে বসবে।
বাংলাদেশের বাজারে নজর দিলে দেখা যাচ্ছে, সাম্প্রতিক সময়ে চালের বাজারদর বেশ অস্থিতিশীল। প্রকারভেদে ৩ থেকে ৮ টাকা পর্যন্ত চালের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। আমাদের খাদ্য তালিকায় চাল প্রধানতম উপাদান। চালের বাজারের অস্থিতিশীলতার মূল কারণ অবশ্য পুরনো; চালকল মালিক, সরবরাহকারী তথা মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য। ফলে ক্রেতা পর্যায়ে চালের উচ্চ মূল্য দৃশ্যমান হলেও কৃষক বরাবরের মতোই শোষিত ও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বাংলাদেশের কৃষকের জীবনযাত্রার মান ক্রমে নিম্নগামী। চালের এ অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব তাই সুবিস্তৃত।
একটি ন্যায্যতাভিত্তিক সমাজে প্রত্যক্ষ করের আওতা হওয়া উচিত বিস্তৃত এবং পরোক্ষ করের আওতা হওয়া উচিত সংকীর্ণ। কেননা প্রত্যক্ষ কর সমাজের বিভিন্ন আর্থিক শ্রেণীর মাঝে আয়ের অনুপাতে নির্ধারিত হয়, ফলে ধনিক শ্রেণীর ওপর প্রত্যক্ষ করের ভার পড়ে বেশি এবং অপেক্ষাকৃত দরিদ্র শ্রেণীর ওপর করের অতিরিক্ত বোঝা বহনের বাধ্যবাধকতা থাকে না। অন্যদিকে পরোক্ষ কর সবার ওপর একই হারে বোঝা চাপিয়ে দেয়। ফলে দরিদ্র শ্রেণীর ওপর এ করের মাত্রা ও প্রভাব হয় সরাসরি এবং তীব্র, যা সমাজে অন্যায্যতা, বৈষম্য এবং অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতাকে বৃদ্ধি করে। বাংলাদেশের মতো দুর্বল কর ব্যবস্থাপনাবহুল দেশগুলোয় পরোক্ষ কর ফাঁকি দেয়ার সুযোগ থাকে অত্যন্ত সীমিত। অন্যদিকে ধনিক ও ব্যবসায়ী শ্রেণী নানা আইনি কাঠামোর ফাঁক গলে প্রত্যক্ষ কর ফাঁকি দেয়ার সুযোগ পায়।
বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম বড় দুর্বলতা কর ব্যবস্থাপনার গুরুতর ত্রুটি। বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৩০ শতাংশের ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নাম্বার (টিআইএন) থাকলেও প্রতি বছর আয়কর রিটার্ন দাখিল করেন মাত্র ১০ শতাংশের মতো নাগরিক। প্রগ্রেসিভ ট্যাক্স অর্থাৎ প্রত্যক্ষ কর আদায়ের ক্ষেত্রে এ হার অত্যন্ত হতাশাজনক। বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনের ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রগ্রেসিভ ট্যাক্সিংয়ের ব্যাপারে মনোযোগী হতে হবে এবং সেজন্য প্রয়োজন কর ব্যবস্থাপনার আমূল সংস্কার। অন্যথায় ভ্যাট, সারচার্জের মতো পরোক্ষ কর বৃদ্ধির মাধ্যমে রাজস্ব আহরণে পরিমাণ বাড়লে সমাজে আয়বৈষম্য বৃদ্ধি ঠেকানো যাবে না, যা সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশের মানুষের জীবনকে কঠিন করে তুলবে।
কর ব্যবস্থাপনা সংস্কারের আলাপে বাংলাদেশে ইউরোপের কল্যাণ রাষ্ট্রগুলোর উদাহরণ টানার প্রবণতা লক্ষ করা যায়। কিন্তু বাস্তবতা হলো বাংলাদেশের মতো অতি জনবহুল, দরিদ্র ও দুর্নীতিগ্রস্ত দেশে ইউরোপিয়ান মডেলের কার্যকারিতা আশানুরূপ না হওয়ার সম্ভাবনা তীব্র। বরং বাংলাদেশের উচিত একটি দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য নিয়ে কর ব্যবস্থাপনা সংস্কারে মনোযোগী হওয়া। বাংলাদেশে অর্থনীতিতে সেবা খাতের অবদান অপেক্ষাকৃত কম। তৈরি পোশাক, চা, চামড়াসহ অল্প কয়েকটি শিল্পের ওপর ব্যাপক নির্ভরতার বিষয়টি মাথায় রেখে নির্দিষ্ট সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে প্রত্যক্ষ করের আওতা বাড়ানো প্রয়োজন। একই সঙ্গে কর ফাঁকি রোধে প্রয়োজনীয় কাঠামো গড়ে তুলতে গুরুত্ব দেয়া জরুরি। সেক্ষেত্রে শিল্পের মালিকরা যেমন আগে থেকেই জানতে পারবেন একটি নির্দিষ্ট সময়ের পর কত শতাংশ হারে প্রত্যক্ষ করের হার বৃদ্ধি পাবে এবং সেই অনুযায়ী ব্যবসায়িক নীতিমালা গ্রহণের সুযোগ থাকবে। ফলে ব্যবসায়ীদের যেমন আর্থিক ক্ষতির অকারণ ভয় থাকবে না, তেমনি সরকারের রাজস্ব আদায়ের পথেও অনাকাঙ্ক্ষিত প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির সুযোগ কমে যাবে। সেবা খাতে যুক্ত অন্যান্য নাগরিকদের আয়ের ওপর করারোপ ও তা আদায়ের ক্ষেত্রেও নাগরিক সুবিধা নিশ্চিতের কিছু বিষয়কে যুক্ত করা যেতে পারে, যা মানুষকে নিয়মিত আয়কর প্রদানে উৎসাহী করবে।
বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার ত্রুটিজনিত কারণে মোট কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর একটি বিপুল অংশ অদক্ষ অবস্থায় কর্মবাজারে প্রবেশ করে। ফলে তাদের পক্ষে অর্জিত জ্ঞানের বিনিময়মূল্য লাভ করা সম্ভব হয় না। কর ব্যবস্থাপনা সংস্কারের ক্ষেত্রে তাই নাগরিকের দক্ষতা বৃদ্ধির বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে বিবেচ্য হওয়ার দাবি রাখে। রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারকদের পরিকল্পনায় জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার, দক্ষ জনগোষ্ঠীর শ্রমবাজারে প্রবেশের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা, দক্ষতার মাননির্ধারণ, কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীকে উপযুক্ত কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা ও তাদের কাছ থেকে আয়কর গ্রহণের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি। পাশাপাশি দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনযাপনের মান স্বাভাবিক বা অন্তত স্থিতিশীল করতে যথাযথ ভর্তুকি প্রদানের জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ।
প্রফেসর ইউনূস সরকারের একটি আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত হলো স্বাস্থ্য খাতে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দ্রব্য ও ওষুধের ওপর ভ্যাট বসানো। বাংলাদেশের অন্যতম জটিল সমস্যা হলো স্বাস্থ্য ব্যবস্থা। চিকিৎসা ক্ষেত্রে বাংলাদেশের মানুষের ব্যয়ের পরিমাণ দক্ষিণ এশিয়ান দেশগুলোর মাঝে সর্বোচ্চ। গ্লোবাল হেলথ সিকিউরিটি ইনডেক্স ২০২১ অনুযায়ী বাংলাদেশের স্কোর মাত্র ৩৫/১০০ এবং অবস্থান বিশ্বের ১৯৫টি দেশের মাঝে ৯৫তম। এ পরিসংখ্যান থেকেই কিছুটা স্পষ্ট হয় বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের প্রকৃত চিত্র কতটা ভঙ্গুর। এ অবস্থায় ওষুধ ও অন্যান্য স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্ট দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি বাংলাদেশের মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তের ক্রয়ক্ষমতাকে সংকুচিত করবে এবং জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলবে।
নাগরিকের অর্থনৈতিক অবস্থার সঙ্গে জননিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলার একটি নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। কোনো দেশের মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে গেলে অপরাধপ্রবণতা বৃদ্ধি পায়। গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে শেখ হাসিনার একনায়কতান্ত্রিক শাসনক্ষমতার পতনের সাড়ে পাঁচ মাস পরও বাংলাদেশের পুলিশ এখনো পূর্ণোদ্যমে কাজ শুরু করেনি। জনতার আক্রোশে শেখ হাসিনা সরকার উৎখাত হলেও বাংলাদেশে জনপ্রশাসনের আমলা, বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মী, শিল্পী-সাহিত্যিক ও বুদ্ধিজীবী, বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, আইন-আদালতের পেশাজীবী, ব্যবসায়ী, নিরাপত্তা বাহিনীসহ বিভিন্ন পেশাসংশ্লিষ্ট আওয়ামী ফ্যাসিবাদের দোসররা জিঘাংসার মনোবৃত্তি নিয়ে অপেক্ষা করছে। এ অবস্থায় জনমানুষের মাঝে অর্থনৈতিক কারণে সৃষ্ট যেকোনো ক্ষোভকে তারা অপব্যবহার করতে দ্বিধাবোধ করবে না বলে আশঙ্কা করা যায়। বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকা ব্যক্তিদের অবশ্যই জনগণের আকাঙ্ক্ষা ও জনগণ প্রদেয় ক্ষমতার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন তথা আস্থাশীল হতে হবে। সরকারের কর্মকাণ্ড ও নীতিনির্ধারণের মূল লক্ষ্য হবে জনগণের কল্যাণ। কোনো বিদেশী শক্তি বা প্রতিষ্ঠানের পরামর্শ সাময়িকভাবে বাংলাদেশ সরকারকে একটি সমাধান দিলেও তা দীর্ঘস্থায়ী হবে না। বিদেশী শক্তির প্রতি অতিনির্ভশীলতা দোর্দণ্ডপ্রতাপশালী হাসিনা সরকারকেও শেষ পর্যন্ত ক্ষমতায় টিকতে দেয়নি, বরং জনমানুষের আকাঙ্ক্ষার কাছে পরাজিত হয়ে শেখ মুজিবের কন্যাকে বাংলাদেশ থেকে কলঙ্ক তিলক নিয়ে বিতাড়িত হতে হয়েছে। তাই বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে নিবেদন থাকবে যেন সাধারণ মানুষের ওপর বোঝা রূপে আরোপিত ভ্যাট সম্ভাব্য সর্বোচ্চ মাত্রায় প্রত্যাহারসহ স্বাস্থ্য খাতে ভর্তুকির ব্যবস্থা ও প্রত্যক্ষ কর আদায়ের ওপর অধিক মনোযোগী হওয়ার মাধ্যমে রাজস্ব ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা। পাশাপাশি দেশের অর্থনীতি আরো স্থিতিশীল করার প্রয়াস করা। ভুলে গেলে চলবে না যে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সামগ্রিক সংস্কারের ম্যান্ডেট অন্তর্বর্তী সরকার পেয়েছে। এটি কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনগণের জীবনমানকে উন্নত করা তথা একটি কল্যাণকর নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের সুযোগ অক্লেশে হাতছাড়া করা কার্যত আত্মহত্যার শামিল।
কায়সুল খান: গবেষক ও কলামিস্ট, নোভা স্কুল অব বিজনেস অ্যান্ড ইকোনমিকস, লিসবন, পর্তুগাল