সুস্থ, সুন্দর, ফুটফুটে শিশুর জন্ম দিয়েছেন আপনি। তার টলটলে চোখ, নিটোল গাল, ছোট্ট চিবুক আর দুধ-দুধ সুগন্ধি ছোট্ট শরীর নিয়ে ঠিক যেন ছোট্ট এক বেহেশতি ফুল! পৃথিবীর সব আনন্দ যেন আপনারই কোলে ভিড় করেছে! আপনার নবজাতককে ঘিরেই এখন আপনার পুরো দুনিয়া আবর্তিত। তাকে খাওয়ানো, পরানো, ঘুম পাড়ানো, তার জন্য রাতভর জেগে থাকা, অপূর্ব মুখটির দিকে তাকিয়ে থেকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা পার করা। আপনার চেয়ে সুখী ও ভাগ্যবতী অন্য কেউ নেই। কিন্তু সপ্তাহ না ঘুরতেই হঠাত্ কেন আপনার মনে নিকষ কালো মেঘের আনাগোনা! মুখের হাসি মিলিয়ে গিয়ে চোখের তলে গভীর কালি! সন্তান ঘুমালেও কেন ঘুম আসে না ক্লান্তিডোবা এ মাতৃশরীরে! কাকভোরে কিংবা গাঢ় সন্ধ্যায় কেন আপনার শরীর নিংড়িয়ে কান্না পায়! কিচ্ছু ভালো লাগে না কেন আর!
আপনি পোস্ট-পারটাম বা পোস্ট-নেটাল ডিপ্রেশনে [Postpartum
depression (PPD) or Postnatal depression (PND)] ভুগছেন। ১০ থেকে ১৫ শতাংশ প্রসূতি মায়েরা এতে আক্রান্ত হয়ে থাকেন। সন্তান প্রসবের পর মায়ের শরীরের একাধিক হরমোন মাত্রায় ঘাটতির ফলে এ অসুস্থতা তৈরি হতে পারে। প্রসবজনিত ধকল ও রাত্রি জাগরণের ক্লান্তি একে আরো প্রভাবিত করতে পারে। ফলে জাঁকিয়ে বসতে পারে এ ডিপ্রেশন। ব্যক্তিভেদে মাত্রার তারতম্য হয়। কারো জন্য একটানা হালকা বিষণ্নতায় সীমাবদ্ধ থাকতে পারে আবার কারো জন্য অসহনীয় আকার ধারণ করে থাকে। উপসর্গগুলো অধিকাংশ মানসিক হলেও এর উত্স অনেকখানি শারীরবৃত্তীয়। মোটের ওপর এর আগমনে মা হিসেবে বা মানুষ হিসেবে আপনার নিজের কোনোই হাত নেই। অথচ পিএনডিতে ভুগতে থাকা মায়েদের সব কষ্টের সঙ্গে যোগ হয় এক অদ্ভুত অপরাধবোধ, যেন এত সৌভাগ্য আর আনন্দের অংশীদার হয়েও এ মুহূর্তে তারা সুখী হতে না পেরে দোষ করে ফেলছেন! নিজের মনের সঙ্গে যুদ্ধ তো তাদের চলেই, উপরন্তু প্রায়ই পরিবারের মানুষের কাছ থেকেও তারা অভিযুক্ত হয়ে থাকেন। সঠিক ধারণার অভাবে অনেক ক্ষেত্রে শিক্ষিত স্বামীরা পর্যন্ত ভুল বোঝেন নিজ স্ত্রীকে। পৃথিবীতে মানুষ কত রকম কষ্টে থাকে আর তার স্ত্রী কিনা এত সুস্থ, সুন্দর শিশু পেয়েও হাসিখুশি না থেকে ‘অকৃতজ্ঞ’ আচরণ করছেন! এই হলো অভিযোগ। একজন অসুস্থ মানুষের প্রতি এর চেয়ে নির্মম আচরণ আর কী হতে পারে!
একজন নতুন মা এমনিতেই তার নবজাতকের যত্ন, নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য নিয়ে উত্কণ্ঠিত থাকেন। পিএনডিতে আক্রান্ত হলে এ উত্কণ্ঠা স্বাভাবিকের গণ্ডি ছাড়িয়ে ভয়াবহ আকার ধারণ করে। সামান্য পিঁপড়াকেও তখন তার নবজাতকের জন্য চরম বিপজ্জনক মনে হতে পারে। ডিপ্রেশনে ক্লান্তি, অবসাদ ও অনাগ্রহ তীব্রমাত্রায় থাকলে তার পক্ষে নিজের ও সন্তানের সঠিক যত্ন নেয়া দুরূহ হয়ে দাঁড়াতে পারে। এমন কঠিন সময়ে প্রসূতি মায়ের দরকার অপরিমেয় সাপোর্ট। তাকে সাহস জোগানো, শিশুর দেখভালে তার পাশে থাকা, রাতে পালাক্রমে বিশ্রামের সুযোগ করে দেয়া, মায়ের পুষ্টিকর খাদ্য ও চাপমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা অপরিহার্য। সর্বোপরি ডাক্তারের সঙ্গে সমন্বয়ে মাকে আশ্বাস দেয়া প্রয়োজন যে, এটি সাময়িক অসুস্থতা এবং সতত নিরাময়যোগ্য। পরিবারের সবার সহমর্মিতা দরকার। বিশেষত স্বামীর ভূমিকা এক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সন্তান যেহেতু কোনোক্রমেই স্ত্রীর একার দায়িত্ব নয়, স্বামীকে সক্রিয়ভাবে স্ত্রীর সাহায্যে এগিয়ে আসতে হবে। পোস্ট-পারটাম ডিপ্রেশন নারীজীবনের সবচেয়ে আনন্দঘন সময়ে আঘাত হেনে তাকে মানসিক ও শারীরিকভাবে সংকটাপন্ন অবস্থায় ফেলে দিতে সক্ষম। মেয়েদের এ ব্যাপারে পরিষ্কার ধারণা থাকা প্রয়োজন, যাতে আক্রান্ত হলে লজ্জিত ও দিশেহারা না হয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারেন।
পোস্ট-পারটাম ডিপ্রেশন ছাড়াও নানা রকমের ডিপ্রেশনে মানুষ অসুস্থ হচ্ছে অহরহ। ডিপ্রেশনের উপসর্গগুলোর মধ্যে আছে— অবিরাম বিষণ্নতা, জীবনীশক্তির স্বল্পতা, কাজে অনাগ্রহ ও অক্ষমতা, ওজন হ্রাস, ক্ষুধামান্দ্য বা অতিরিক্ত ক্ষুধা, ঘুমের সমস্যা, অবসাদগ্রস্ত মস্তিষ্ক, অস্থিরতা, অপরাধবোধ, আত্মহত্যার ইচ্ছা ইত্যাদি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) ২০১৭-এর তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের ৩০ কোটির বেশি মানুষ ডিপ্রেশনে আক্রান্ত। গত এক দশকে প্রায় ২০ শতাংশ বেড়েছে রোগীর সংখ্যা। জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও ডব্লিউএইচও কর্তৃক পরিচালিত যৌথ জরিপ অনুসারে বাংলাদেশে ডিপ্রেশনে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা প্রায় ৭৪ লাখ। এটি যে সম্পূর্ণ পরিসংখ্যান নয়, তা বলা বাহুল্য। কারণ আমাদের মতো দরিদ্র দেশে জনমানুষের সাধারণ স্বাস্থ্যই চরম অবহেলিত, মানসিক স্বাস্থ্য এখানে সামাজিকভাবে প্রায় গণ্যই হয় না। উপরন্তু, সচেতনতার অভাবে মানসিক অসুস্থতাকে পরিবার ও সমাজের পক্ষ থেকে রোগীর দুর্বলতা, পাগলামি, মনগড়া ভাবনা, ‘জিন-পরীর আছর’ বা উটকো ঝামেলা হিসেবে দেখা হয়। সামাজিক লাঞ্ছনার ভয়ে অনেকের অসুখ তাই ধামাচাপা দেয়া থাকে। এমনকি ধনী দেশগুলোয়ও ৫০ শতাংশ রোগীই চিকিত্সা করায় না। অজ্ঞতা ও সামাজিক স্টিগমা এর প্রধান কারণ।
সব বয়সী মানুষই ডিপ্রেশনে আক্রান্ত হতে পারে। পুরুষের তুলনায় নারীদের মধ্যে এর হার বেশি। বৃদ্ধ বয়সে ডিপ্রেশনের প্রবণতা বৃদ্ধি পায়। ডিপ্রেশনে ভুগতে থাকা মানুষদের ডায়াবেটিস, হার্টের অসুখ ইত্যাদি হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। আজকাল টিনএজারদের মধ্যে ব্যাপকভাবে ডিপ্রেশনের বিস্তার ঘটছে। কিশোর-কিশোরী, তরুণ-তরুণীরা আক্রান্ত হচ্ছে বেশি হারে। এর কারণ হিসেবে আছে ভঙ্গুর পারিবারিক বন্ধন, নিউক্লিয়ার পরিবারে মা-বাবার ব্যস্ততার কারণে সৃষ্ট একাকিত্ব, পড়াশোনার জগতে অসুস্থ প্রতিযোগিতা, মাদকের ব্যবহার, ইন্টারনেট আসক্তি, প্রকৃতির সঙ্গে সম্পর্কহীনতা, পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাসের অভাব ইত্যাদি। শরীরে হরমোনের ভারসাম্যহীনতায় মস্তিষ্কে যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে, তার ফলস্বরূপ ডিপ্রেশন তৈরি হতে পারে। মনে রাখতে হবে, ক্লিনিক্যাল ডিপ্রেশন একটি অসুস্থতা, সাধারণ বিষণ্নতার সমার্থক নয় একেবারেই। ডিপ্রেশনের রোগীর সঙ্গে তুলনা করে অনেককে বলতে শোনা যায়, ‘আমারও
কত সময় ভীষণ মন খারাপ হয় কিন্তু আমি তো মনের জোরে সব দুঃখ কাটিয়ে উঠি। দুর্বল মানুষেরই শুধু ডিপ্রেশন হয়।’ এভাবে মন খারাপের সঙ্গে ক্লিনিক্যাল ডিপ্রেশনের তুলনা করার অর্থ হলো, সর্দি লাগার সঙ্গে নিউমোনিয়াকে গুলিয়ে ফেলা!
অনেক সময় আদর্শ জীবনযাপন করা একজন সুখী ব্যক্তির জীবনেও ডিপ্রেশনের কালো ছায়া পড়তে পারে। সেক্ষেত্রে এ ব্যাখ্যাতীত, নাছোড় বিষণ্নতার উত্স সন্ধানে তিনি ব্যর্থ হন এবং একসময় হয়তো অপরাধবোধে ভুগতে শুরু করেন পিএনডিতে আক্রান্ত প্রসূতি মায়েরই মতো। ক্লিনিক্যাল ডিপ্রেশনের কারণ সম্পর্কে বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত নন। বংশগত, শারীরবৃত্তীয়, সামাজিক-পারিপার্শ্বিক অনেক রকম প্রভাবের জটিল সমীকরণ এখানে নিয়োজিত। অনেকের মতে, মস্তিষ্কে সেরোটোনিন, ডোপামিন জাতীয় নিউরোট্রান্সমিটারের অভাব থেকে ডিপ্রেশনের সৃষ্টি হতে পারে। তবে এ ব্যাপারে মতভেদ আছে। আবার ডায়াবেটিস বা হার্টের অসুখের ন্যায় বংশগত প্রবণতাও থাকতে পারে। কারণ যা-ই হোক না কেন, ডিপ্রেশন কারো মনগড়া অসুখ নয় কিংবা কারো ‘দোষ’ নয় মোটেও!
রোগ মানেই তার চিকিত্সার সুযোগ আছে। প্রথমেই ডিপ্রেশনকে স্বাভাবিক দুঃখ-কষ্ট-শোক থেকে আলাদা করতে পারতে হবে। এজন্য প্রাথমিকভাবে রোগীর ও তার পরিবারের সচেতনতার প্রয়োজন। ডিপ্রেশনের উপসর্গগুলো সাধারণত দীর্ঘস্থায়ী হয়ে থাকে। কিন্তু সবার উপসর্গ এক হয় না। তাই বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকের পরামর্শ নেয়া উচিত। ডাক্তার রোগ শনাক্ত করে যথোপযুক্ত চিকিত্সার ব্যবস্থাপত্র প্রদান করবেন। এক্ষেত্রে চিকিত্সকের সহমর্মী আচরণ রোগীর ওপর ইতিবাচক প্রভাব রেখে থাকে। ডিপ্রেশনের চিকিত্সা সাধারণত বেশ দীর্ঘস্থায়ী হয়। ক্ষেত্রবিশেষে সাইকোথেরাপি বা কাউন্সিলিং দরকার হতে পারে। অনেক রোগীই সাইকিয়াট্রিস্টের সঙ্গে দিনের পর দিন কাউন্সিলিং করে প্রভূত উপকার পেয়ে থাকে। অ্যান্টি-ডিপ্রেস্যান্ট ওষুধ রোগীর জন্য সঠিক হবে কিনা, তা অবশ্যই শুধু বিশেষজ্ঞ বলতে পারবেন। কিন্তু মনে রাখা উচিত হবে যে, এসব ওষুধের অনেক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকে। তাছাড়া এ ধরনের অনেক ওষুধই হঠাত্ করে ছেড়ে দেয়া যায় না। রোগী সুস্থ বোধ করার পর আর কতদিন কী মাত্রায় ওষুধ ধরে রাখবেন, তা ডাক্তারের কাছ থেকে সম্যক বুঝে নেয়া দরকার। রোগের চিকিত্সায় আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হলো, চিকিত্সকের দিক থেকে রোগীর তথ্যের গোপনীয়তা (patient
confidentiality)। এটি অত্যাবশ্যকীয়। কিন্তু আমাদের দেশে এ দিকটি অনেক সময়ই অবহেলিত হয়ে থাকে।
মানসিক রোগীমাত্রই ‘পাগল’ না, এই সামাজিক সচেতনতা জরুরি। এখনো গ্রামে-গঞ্জে কোথাও কোথাও যে ঝাড়ফুঁক চালু আছে, তাতে যেকোনো কাজ হয় না, বরং বিষণ্ন রোগীকে ডাক্তার দেখানো দরকার— এ সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। প্রসূতি মায়েদের কারো মধ্যে পোস্ট-পারটাম ডিপ্রেশনের লক্ষণ দেখলে গ্রামের স্বাস্থ্যকর্মীরা যেন তাকে ও তার পরিবারকে প্রয়োজনীয় সাপোর্ট প্রদান করতে পারেন, সেজন্য স্বাস্থ্যকর্মীদেরও প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দরকার।
অসুস্থ হলে ডাক্তারের শরণাপন্ন তো হতেই হবে। কিন্তু এর সঙ্গে সঙ্গে রোগী ও তার পরিবারেরও অনেক করণীয় থাকে। অসুস্থ ব্যক্তির প্রতি বাড়ির লোকজনের সহানুভূতিশীল আচরণ কাম্য। বাড়িতে চাপমুক্ত ও নন-জাজমেন্টাল পরিবেশ দরকার। রোগীর তরফ থেকেও কিছু পদক্ষেপ ডিপ্রেশনের প্রতিকূলে শক্তিশালী ভূমিকা রাখবে। যেমন— নিয়মিত ব্যায়াম, মেডিটেশন ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস। যদিও ডিপ্রেশনে পর্যুদস্ত একজন মানুষের পক্ষে এর একটিও সহজসাধ্য নয়। ব্যায়ামের শক্তি সে তার নির্জীব শরীরে খুঁজে পায় না। মেডিটেশনে একাগ্রতা বজায় রাখা প্রায় অসম্ভব, কারণ মন-মস্তিষ্ক তার নিয়ন্ত্রণে নেই। আর পুষ্টিকর খাবার তার কাছে ঘাসের মতো, কারণ comfort eating তার বিষণ্নতার প্রিয় সঙ্গী। তথাপি চেষ্টা তো করা যেতেই পারে আর প্রচেষ্টা উপকার বয়ে আনবে। সন্তানের ডিপ্রেশনে মা-বাবার অনেক কিছু করার আছে। ডিপ্রেশনের স্বরূপ সন্তানকে বুঝিয়ে বলতে হবে, যাতে সে নিজেকে দোষী না ভাবতে পারে। সন্তানকে বেশি বেশি সময় দেয়া খুব জরুরি। তার যেকোনো সংকট বা সংশয়ে তার পাশে থাকা আবশ্যক। যে সন্তানের সামান্য মন খারাপেও মা কষ্টে কাতর হন, সেই সন্তানের দীর্ঘস্থায়ী, তীব্র মানসিক যাতনা অবলোকন করার মতো কষ্টকর কিছু মায়ের (বাবারও) জন্য আর হতে পারে না। তবু এই অসহ্য বেদনা বহন করেই সন্তানকে বুকে জড়িয়ে ধরতে হবে, সাহস জোগাতে হবে। ডিপ্রেশনে কিশোর বা তরুণ সন্তান দিশেহারা হয়ে যেন নিজের বড় বিপদ না ডেকে আনে সেজন্য মা-বাবাই তার অতন্দ্র প্রহরী।
শহর হোক বা গ্রাম, মধ্যবিত্ত শিক্ষক কিংবা শিক্ষাবঞ্চিত কৃষক, ধনী অথবা দরিদ্র ডিপ্রেশন আক্রান্ত করতে পারে যে কাউকে, যেকোনো বয়সে। ডব্লিউএইচও ডিপ্রেশনকে ‘the leading
cause of disability worldwide’
হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। আধুনিক বিশ্বের এক ভয়াল অভিশাপ যেন! একে হালকাভাবে নেয়ার কোনো অবকাশ নেই। সম্যক উপলব্ধি প্রয়োজন যে ডিপ্রেশন একটি গুরুতর রোগ, কোনো দুর্বলতা বা সামাজিক লজ্জা নয়!
লেখক: অধ্যাপক, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়