আলোকপাত

সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে অর্থের অপচয় ও দরিদ্র অঞ্চলগুলোর অবস্থা

সংসদ সদস্যদের কাজ ও দায়িত্ব কী? আইন প্রণয়ন হচ্ছে তাদের প্রধানতম কাজ—এতে কোনো সন্দেহ নেই। যার যার এলাকার ভালোমন্দ দেখাশোনা করা, মানুষের আর্থিক অবস্থা দেখাশোনা করা, উন্নয়ন কার্যক্রমে অবদান রাখা, দারিদ্র্য বিমোচনে সক্রিয় এবং উদ্যোগী ভূমিকা পালন করা নিশ্চয়ই তাদের দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে। যদি পড়ে, তাহলেই আমার প্রশ্ন বৃহত্তর রাজশাহী ও বৃহত্তর রংপুর বিভাগের সংসদ

সংসদ সদস্যদের কাজ দায়িত্ব কী? আইন প্রণয়ন হচ্ছে তাদের প্রধানতম কাজএতে কোনো সন্দেহ নেই। যার যার এলাকার ভালোমন্দ দেখাশোনা করা, মানুষের আর্থিক অবস্থা দেখাশোনা করা, উন্নয়ন কার্যক্রমে অবদান রাখা, দারিদ্র্য বিমোচনে সক্রিয় এবং উদ্যোগী ভূমিকা পালন করা নিশ্চয়ই তাদের দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে। যদি পড়ে, তাহলেই আমার প্রশ্ন বৃহত্তর রাজশাহী বৃহত্তর রংপুর বিভাগের সংসদ সদস্যরা কি জানেন তাদের অঞ্চল দেশের সবচেয়ে গরিব অঞ্চল? এবং এটা দীর্ঘদিনের ঘটনা। আমার প্রশ্ন আরো, যদি তারা জানেন তাদের এলাকা দেশের সবচেয়ে দরিদ্র অঞ্চল, তাহলে তারা এর থেকে মুক্তি পেতে কী কী করেছেন বা করছেন? এমনো হতে পারে তারা সারা দেশের দারিদ্র্যের তথ্য নিয়েই তৃপ্ত। অবশ্যই সারা দেশের দারিদ্র্য নিরসনের তথ্য আশাব্যঞ্জক। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী ২০১৬ সালে সারা দেশে দারিদ্র্যসীমার নিচে লোকসংখ্যা ছিল ২৪ দশমিক শতাংশ। ২০০০ সালে তা ছিল ৪৮ দশমিক শতাংশ। অবাক করা সাফল্য। সর্বশেষ বাজেট বক্তৃতায় দেখলাম সারা দেশে ২০১৮ সালে দারিদ্র্যসীমার নিচে লোকসংখ্যা ছিল ২১ দশমিক শতাংশ। আমি অতি দরিদ্রের আলোচনায় যাচ্ছি না। দারিদ্র্যসীমার নিচের লোকসংখ্যা স্পষ্টতই দেখা যাচ্ছে ধীরে ধীরে হ্রাস পাচ্ছে। কিন্তু গড়ের তথ্যের ভেতর বৃহত্তর রাজশাহী এবং বৃহত্তর রংপুর বিভাগের অবস্থা যে খুবই শোচনীয়, তা কি সংসদ সদস্যদের নজরে পড়েছে? বৃহত্তর রংপুর বিভাগের খবর আরো খারাপ। সেখানে ২০১০ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে দারিদ্র্যসীমার নিচে লোকসংখ্যা বেড়েছে। ছিল ৪২ দশমিক শতাংশ। তা বেড়ে হয়েছে ৪৭ দশমিক শতাংশ। রাজশাহী বিভাগের অবস্থা তথৈবচ। বিভাগে ২০১০-১৬ সময়সীমার মধ্যে দারিদ্র্যসীমার নিচের লোক বেড়েছে দশমিক ভাগ। ছিল ৩৫ দশমিক ভাগ, বেড়ে হয়েছে ৩৭ দশমিক ভাগ। ২০২০ সালের প্রায় পুরোটাই ছিলকভিড-১৯অতিমারী পীড়িত বছর। সারা দেশের মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। লাখ লাখ লোক কর্মচ্যুত হয়েছে, নতুন করে বেকার হয়েছে। ব্যবসাচ্যুত মানুষের সংখ্যা অগণিত। সন্দেহ করার কারণ আছে, এই দুই অঞ্চলে কারণে আরো অনেক লোক দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে গেছে। খবরের কাগজে বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের প্রকাশিত তথ্যে দেখা যাচ্ছে, দারিদ্র্যসীমার ওপরে ওঠা অনেক লোক সারা দেশেই আবার দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে গেছে। এর মধ্যে রংপুর এবং রাজশাহী বিভাগের লোক যে বেশি সংখ্যায় আছে তা মনে করার কারণ আছে। আবার কথা আছে। বিভাগের তথ্যের ভেতর আবার জেলা-উপজেলা পর্যায়ে গেলে ব্যতিক্রমী অনেক খবর পাওয়া যাবে। মনেই করা যায় রংপুর রাজশাহী বিভাগের সব উপজেলায় দারিদ্র্যের অবস্থা এক রকম নয়। এটা সারা দেশের বেলায়ই সত্য। যেমন সিলেট বিভাগ হচ্ছে কম দারিদ্র্যের অঞ্চল। ঢাকা বিভাগ তো বটেই। ঢাকায় দারিদ্র্যসীমার নিচের লোকসংখ্যা মাত্র ১৬ শতাংশ এবং সিলেট বিভাগে তা ১৬ দশমিক শতাংশ। যেখানে সারা দেশের গড় হচ্ছে ২৪ দশমিক শতাংশ। কিন্তু বোঝার বিষয় এই যে সিলেটের প্রত্যন্ত অঞ্চলের লোকদের অভাব-অনটনের কোনো সীমা নেই। সিলেটে মাটির নিচে তেল। মাটির ওপরে চা বাগান। বিদেশে কর্মরত সিলেটিদেররেমিট্যান্সপ্রচুর। অঞ্চলের তিন-তিনজন মন্ত্রী ছিলেন দেশের অর্থমন্ত্রী। তিনজনই দাপুটে মন্ত্রী। দুজন ১০ বছর করে অর্থমন্ত্রী ছিলেন সাইফুর রহমান আবুল মাল আবদুল মুহিত। শাহ এম এস কিবরিয়া অর্থমন্ত্রী ছিলেন পাঁচ বছর। অথচ বিভাগের প্রত্যন্ত অঞ্চলে দারিদ্র্য প্রকট। একটা ফসল নষ্ট হওয়া তাদের বার্ষিক ঘটনা। তখননা-খাওয়ারঅবস্থা হয়। এদিকে বৃহত্তর ঢাকা বিভাগের মধ্যে নেত্রকোনা কিশোরগঞ্জের অবস্থা ভালো নয়, অথচ এই কিশোরগঞ্জ তিনজন মহামান্য রাষ্ট্রপতি উপহার দিয়েছে এবং প্রভাবশালী নেতাও ছিলেন অনেকে। সে তুলনায় রংপুর রাজশাহী বিভাগ ততটা ভাগ্যবতী নয়, যদিও তারা দুজন মহামান্য রাষ্ট্রপতি পেয়েছেন। এসব খবর দিয়ে কী বোঝা যায়? তাহলে কি বলতে হবে জনপ্রতিনিধিদের কোনো ভূমিকা নেই দারিদ্র্য নিরসন কর্মকাণ্ডে? আসলে দারিদ্র্য নিরসনে কর্মকাণ্ড নির্ভর করে অনেক ভিন্ন উপাদানের ওপর। কথাই কীভাবে বলি? রাজনৈতিক নেতারাই আমাদের ভাগ্য নিয়ন্ত্রণ করেন। আমরা তাদের পছন্দ করি আর না করি, তাদের সমালোচনাও করতে পারি। কিন্তু বাস্তব সত্য হচ্ছে তারাই ঠিক করেন দেশের রাজস্ব কোত্থেকে আসবে, কোথায় তা খরচ করা হবে, উন্নয়নমূলক কাজ কোথায় কীভাবে হবে, জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলো কীভাবে চলবে, উন্নয়নের পর্যালোচনা, পরীক্ষা-নিরীক্ষা তারা করবেন। সংসদে আলোচনা হবে, মন্ত্রীরা জবাবদিহিতা করবেন। এতসব ব্যবস্থার মধ্যে দেশে কোথাও বেশি উন্নতি, কোথাও কম উন্নতি কীভাবে হয়। হলো, কিন্তু উন্নয়নের ফসল সবাই সমানভাবে পাবে না কেন? রাজশাহী রংপুর অঞ্চলে দারিদ্র্য বেশি। সেখানকার লোকদের রেমিট্যান্স আয় সামান্য, সেখানে শিল্প নগণ্য, ব্যাংক আমানত ঋণ খুবই কম। তারা প্রশাসনেও সেভাবে নেই। যেমন নেই কিশোরগঞ্জ নেত্রকোনার লোকরা। এসব বিষয়ে কি সংসদ সদস্যদের কোনো জবাবদিহিতা থাকবে না? বিষয়টি আমার কাছে পরিষ্কার নয়। তাদের কাজ কি শুধু আইন প্রণয়ন সংসদে বিতর্ক করা? হতে পারে আমারবোঝারভুল। যদি তা হয় তাহলে দারিদ্র্যের ক্ষেত্রেও যে বৈষম্য তৈরি হচ্ছে, তার দায়িত্ব কার, প্রশ্ন করাই যায়। দারিদ্র্য বলতে আমি কিন্তু মুহূর্তের দারিদ্র্যের সংখ্যার কথাই বলছি। আমরা যখন পুরোপুরি নিম্ন-মধ্য আয়ের দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পাব, তখন কিন্তু দারিদ্র্যের সীমা হিসাবকরণের সংজ্ঞা সম্পূর্ণ বদলে যাবে। এবং নিশ্চিতভাবেই বলা যায় তখন দারিদ্র্যসীমার নিচে লোকসংখ্যা হবে প্রচুর। শতকরা হিসাবে অনেক সময় বোঝা যায় না। যেমন যখন আমরা বলি ২৪ দশমিক শতাংশ লোক দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করে, তখন মনে হয় একটা ভালো অবস্থানেই আছি। কিন্তু সংখ্যা বললে দেখা যাবে তা হয়ে গেছে চার কোটি লোক। স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি বছরে সংবাদটি মোটেই সুখকর হয় না।

এর ওপর যদি দারিদ্র্যের সংজ্ঞা বদল হয়, তখন পরিস্থিতি কী দাঁড়াবে? আমার মনে হয় আমাদের সংসদ সদস্যদের এখন থেকেই প্রস্তুতি নেয়া দরকার, যাতে অতীতের ভুল শুধরে আমরা এগোতে পারি। ব্যাপারে বিশেষ শিক্ষা নেয়া দরকার দেশের সবচেয়ে দরিদ্র অঞ্চলের জনপ্রতিনিধিদের।

দারিদ্র্যের সঙ্গেই আমার আরেকটি প্রশ্ন জড়িত। দরিদ্রদের জন্য সরকার নানা রকমের ভাতার ব্যবস্থা করেছে। পত্রিকান্তরে প্রকাশিত একটি খবরে দেখলাম ২২টি মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রায় ১৫০টি কর্মসূচিতে সরকার লাখ লাখ দরিদ্রকে কম-বেশি সাহায্য প্রতি মাসে দিয়ে যাচ্ছে। এসবের মধ্যে আছে বয়স্ক ভাতা, বিধবা, স্বামী নিগৃহীতা, ভিজিএফ ইত্যাদি। রয়েছে অসচ্ছল প্রতিবন্ধী, মাতৃত্বকালীন ভাতা ইত্যাদি। এর জন্য বার্ষিক বাজেটের পরিমাণও কম নয়। ২০১৯-২০ অর্থবছরে খাতে বরাদ্দ ছিল ৮১ হাজার ৮৬৫ কোটি টাকা। ২০২০-২১ অর্থবছরে তা বৃদ্ধি করে করা হয়েছে ৯৫ হাজার ৫৭৪ কোটি টাকা। এক্ষেত্রে একটি প্রশ্নের ভেতরেই আরেকটি প্রশ্নও রয়েছে। প্রথম প্রশ্নটি হচ্ছে, সামাজিক নিরাপত্তা খাতের (সোস্যাল সেফটি নেট) বরাদ্দকৃত টাকা কি সব যোগ্য দরিদ্র পাচ্ছে? আবার এটাও প্রশ্ন যে অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি দরিদ্র, সে অঞ্চলের দরিদ্ররা কি সাহায্য/ভাতা পাচ্ছে? প্রশ্নটি দীর্ঘদিন ধরেই আমার মনে ছিল। খুঁজছিলাম এর জন্য তথ্য। পেয়েছি মাত্র কয়েক দিন আগে। একটি রিপোর্টে দেখলাম যোগ্য না হয়েও ৪৬ শতাংশ মানুষ সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির অধীনে ভাতা নেন। কয়েকটি উদাহরণ রিপোর্টটিতে উল্লেখ আছে, যথা বয়স্ক ভাতার শর্তপূরণ করেন না, এমন ৫৯ শতাংশ লোক ভাতা নেন। বিধবা স্বামী নিগৃহীতা নারী যারা ভাতা নেন তাদের ২৩ শতাংশই শর্তপূরণ করেন না। দরিদ্র না হয়েও ত্রাণ নেন এমন লোকের সংখ্যা ৫৬ শতাংশ।ভিজিডিযারা নেন তাদের ৪৭ শতাংশই শর্তপূরণ করেন না।ভিজিএফ’-এর অবস্থাও তা-ই। খবরের উৎস সরকারি দলিল। অতএব এর ওপর বিশ্বাস রাখা ছাড়া কোনো উপায় নেই। মজার ঘটনা হচ্ছে সরকারি রিপোর্টে এসব ভুলকেঅনিয়মবলা হয়নি, বলা হয়েছে তালিকাভুক্তির ভুল। তাহলেই প্রশ্ন তালিকাভুক্তি নির্ভুল করার উপায় কী? ব্যাপারে মোক্ষম জবাব দিয়েছেন আমাদের পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান সাহেব। তিনি বলেছেন, ‘সবাই ঠিকমতো দায়িত্ব পালন না করলে ভাতার তালিকা সম্পূর্ণ নির্ভুল করতে ২০-২৫ বছর সময় লেগে যাবে।এর চেয়ে ভালো জবাব হয় না। মন্ত্রী মহোদয় যা বলেছেন তা বাস্তব অবস্থার প্রতিফলন। সাহায্য/ভাতা/সুবিধা প্রাপ্তির কোনো তালিকা করতে গেলেই প্রভাবশালীরা তালিকায় স্থান পান প্রথম। তারপর অন্য কথা। ওয়ার্ডের কাউন্সিলরের স্ত্রী হচ্ছেন প্রাইমারি স্কুল কমিটির সভাপতি। দুই ছেলে সিঙ্গাপুরে থাকে, তবু তিনি সাহায্যের একটা কম্বলের জন্য লাইন ধরেন। এসব ঘটনা নিত্যদিনের। ছোটবেলায় গ্রামাঞ্চলের এসব ঘটনার কথা অনেক শুনেছি। যোগ্য লোকের ভাতা/সুবিধা পাওয়া কঠিন। চেয়ারম্যান, মেম্বার, সংসদ সদস্য, তাদের আত্মীয়-স্বজন, প্রভাবশালী লোকজন পেছনে না থাকলে সরকারি সাহায্য পাওয়া দুষ্কর। ঘটনা দীর্ঘদিন ধরে চলছে। বস্তুত এসবকে কেন্দ্র করে গ্রামাঞ্চলে প্রভাবশালীদের এক বিশাল নেটওয়ার্ক তৈরি হয়েছে। এখানে দলের কোনো স্থান নেই। সবাই মিলেই জোটবদ্ধ। একে ভাঙা বড়ই কঠিন। অথচ এর ফলে বছরে কোটি কোটি কি, হাজার হাজার কোটি টাকার অপচয় হচ্ছে। ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটের কথাই ধরা যাক। এখানে বরাদ্দ ৯৫ হাজার ৫৭৭ কোটি টাকা। যদি ধরেও নিই যে টাকার এক-তৃতীয়াংশইঅযোগ্যরাপাচ্ছে, তাহলেও এর পরিমাণ দাঁড়াবে ৩২ হাজার কোটি টাকা। শুধু টাকা নয় গ্রামাঞ্চলে নানাবিধ উন্নয়নমূলক কাজ, কৃষি ঋণ, ভূমি অফিসের অনিয়ম ইত্যাদি ক্ষেত্রে বছরে হাজার হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি/অনিয়ম/ঘুষ সংঘটিত হয়। বস্তুত গ্রামীণ অর্থনীতির প্রাণেও এতে কিছুটা চাঞ্চল্য আসে। সহজ রোজগার, সহজ খরচ। এসব টাকার হিসাব করলে ব্যাংকের শ্রেণীবদ্ধ ঋণের টাকা কম হবে না। ব্যাংকের শ্রেণীবদ্ধ ঋণের টাকার একটা হিসাব আছে। খেলাপিদের বিরুদ্ধে কোর্টে মামলা আছে। আসামিও আছে। ৫০ বছর ব্যাংকিং করার পর কত টাকা খেলাপি কথা আমরা সবাই জানি এবং এতে সারা দেশ উদ্বিগ্ন। কিন্তু পাশাপাশি যদি সামাজিক নিরাপত্তা খাতের বার্ষিকঅপচয়’, উন্নয়ন ব্যয়ের বার্ষিকদলগত দুর্নীতি’ (পরিকল্পনামন্ত্রী কথিত) সামনে রাখা যায়, তাহলে এক ভয়াবহ চিত্র আমাদের সামনে হাজির হবে। প্রসঙ্গে এবার যাচ্ছি না। আমার শেষ প্রশ্ন হচ্ছে, দেশে যারা দরিদ্র ভাতা পায়, তাদের ৪৬ শতাংশই ভাতা পাওয়ার যোগ্য নয়। দরিদ্রতম অঞ্চলের অবস্থা কী?

 

. আরএম দেবনাথ: অর্থনীতি বিশ্লেষক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক

 

আরও