প্রজাদের
জন্য রাজা
হঠাৎ এক
দৌড় প্রতিযোগিতার
আয়োজন করলেন।
নিয়ম হলো,
পরদিন সূর্যোদয়ের
সময় রাজপ্রাসাদ
থেকে পূর্ব
দিকে দৌড়
শুরু করতে
হবে। প্রত্যেকের
হাতে থাকবে
কোদাল, যা
দিয়ে কিছুদূর
পরপর মাটিতে
একটা করে
কোপ দিতে
হবে। যে
ব্যক্তি সবচেয়ে
বেশি দূর
পর্যন্ত কোপ
দিয়ে সূর্যাস্তের
আগেই রাজদরবারে
ফিরতে পারবে,
তাকে এককালীন
সেই জমির
মালিকানা দেয়া
হবে!
নির্ধারিত দিনে
অসংখ্য প্রতিযোগী
দৌড় শুরু
করল। দুপুর
গড়িয়ে গেলেও
অনেকে সামনে
অগ্রসর হতে
থাকল। এক
পর্যায়ে শুরু
হলো রাজদরবারে
ফেরার প্রাণান্তকর
চেষ্টা। শরীর
ক্লান্ত, মন
অস্থির, পিপাসায়
বুক ফেটে
যায়... তবুও
দৌড় থামে
না। তারা
ভাবে আরেকটু
কষ্ট করলেই
বিশাল ভূখণ্ডের
মালিক হওয়া
যাবে। বিজয়ীকে
অভিনন্দন জানাতে
রাজা স্বয়ং
সিংহদ্বারে উপস্থিত
হলেন।
সর্বপ্রথম ফিরে
আসা ব্যক্তিটি
উচ্ছ্বাসে ফেটে
পড়লেন। তবে
দাঁড়িয়ে থাকতে
পারলেন না।
বিজয়ের আনন্দ
উপভোগের ক্ষণেই
মুখ থুবড়ে
পড়লেন রাজার
পায়ের কাছে।
আসলে তিনি
এরই মধ্যে
হার্টফেইল করে
মারা গেছেন!
রাজা তখন
জিজ্ঞাসা করলেন,
এখন তার
কী পরিমাণ
জমি দরকার?
উজির সবিনয়ে
জানাল, হুজুর
মাত্র সাড়ে
তিন হাত!
রাজা বললেন,
ঠিক আছে,
দিয়ে দাও।
গল্পটা শুনেছিলাম
হাইস্কুলের হেড
স্যারের কাছে।
তবে এটা
হলো টলস্টয়ের
How Much
Land Does a Man Need গল্পের
বাঙালি সংস্করণ।
মূল গল্পটি
পড়ার সময়
চারপাশে এমন
অসংখ্য প্রতিযোগীর
উপস্থিতি টের
পাই। এ
যেন সর্বগ্রাসী
আকাঙ্ক্ষা। শুধু
চাই আর
চাই; কেন
চাই, যা
চাই, তা
ভোগের সুযোগ
পাব কিনা...এসব
ভাবার টাইম
নেই। এমন
পাগলপারা দৌড়ের
মাঝে স্বাভাবিক,
নির্ঝঞ্ঝাট, নিরিবিলি
জীবনযাপনে অভ্যস্ত
মানুষগুলোকে বড়
বেমানান ঠেকে।
নগরজীবনে অনেকেই
তাদের অচল
বা ব্যাকডেটেড
বলেও গণ্য করে!
অথচ কখনো
গভীরভাবে চিন্তা
করা হয়
না, আমরা
কেন এত
কিছু চাই?
আমাদের বাবা,
দাদা কিংবা
তার বাবার
এত বেশি
ডিগ্রি, অত্যাধুনিক
বাড়ি, খ্যাতিমান
ব্র্যান্ডের গাড়ি
ছিল না।
তাই বলে
তারা কি
খুব খারাপ
মানের জীবনযাপন
করে গেছেন?
বলতে পারেন,
সেগুলো তো
দেখিনি। তাহলে
আজ থেকে
২০-৩০
বছর আগে
(পূর্ববর্তী প্রজন্মের)
যাদের দেখেছেন,
তাদের সঙ্গে
তুলনা করেই
বলুন। তাদের
চোখ ধাঁধানো
আর্থিক সমৃদ্ধি
ছিল না।
কিন্তু তাদের
মনে সুখ
ছিল। দিন
শেষে তৃপ্তির
ঘুম দিতে
পারতেন। বিপদে-আপদে
হাত বাড়ানো
লোকের ঘাটতি
ছিল না।
আজ আমাদের
প্রত্যাশার চেয়েও
বেশি অর্জন
হয়েছে। কিন্তু
দিন শেষে
ঘুমানোর ক্ষণটি
সত্যিই কি
তৃপ্তিদায়ক হয়?
আপাতদৃষ্টিতে ‘সফল’দের
সিংহভাগই এমন
প্রশ্নে নেতিবাচক
মত দেন।
তাদের একেকটি
অর্জন আরো
বড় কিছু
পাওয়ার জন্য
আগ্রাসী করে
তোলে। আর
সেগুলো পাওয়ার
পথে হাজারো
সমস্যা প্রতিনিয়ত
মোকাবেলা করতে
হয়। পাওয়া
না-পাওয়ার
হিসাব মেলাতে
গিয়ে উচ্চমাত্রার
ঘুমের ওষুধও
মাঝেমধ্যে কাজ
করে না।
তবে এই
টেনশনভোগীদের সিংহভাগই
মধ্যবিত্ত গোষ্ঠীর।
সমাজের খুব
উপরে এবং
একেবারে নিচে
থাকাদের এসবের
বালাই নেই।
তারা চলে
নিজেদের নিয়মে,
নিজস্ব গতিতে।
কিন্তু বড়
সমস্যা হলো,
নিজেদের সামাজিক
অবস্থান নিয়ে
সর্বদা ‘হীনম্মন্যতায়’
ভোগা গোষ্ঠীর।
তারা একেকটা
গোল সেট
করে আর
ভাবে সেটা
অর্জন করলেই
বুঝি নিজের
সামাজিক স্তরের
উন্নয়ন হবে।
তখন সেটা
অর্জনের জন্য
গল্পের সেই
কৃষকের মতো
দৌড়াতে থাকে!
অনেকেই বলেন,
না করে
উপায় কী?
সিস্টেম আমাদের
বাধ্য করছে।
নগরজীবনে সেটাকে
অবজ্ঞা করার
সুযোগ কোথায়?
হয়তো তাই,
আবার না-ও
হতে পারে।
কারণ যাকে
মডেল ভেবে
নিজের লেভেল
বাড়াতে মরিয়া
হচ্ছেন, কখনো
তাকে গভীরভাবে
বিশ্লেষণ করেছেন?
তার অভিজাত
এলাকায় বসবাস,
কয়েকটা গাড়ি,
সন্তানকে নামিদামি
স্কুলে পড়ানো,
ছুটি কাটাতে
বিদেশ ভ্রমণ
ইত্যাদি বিষয়
কি সত্যিই
তাকে সুখী
করেছে? সুযোগ
হলে একান্তে
জিজ্ঞাসা করবেন।
দেখবেন তিনি
আপনার চেয়েও
বড় দৌড়ে
শামিল আছেন!
আমার জানাশোনা
এমন দৌড়বিদদের
অধিকাংশই ভালো
নেই। বরং
ব্যয়ের একেকটা
খাত ওপেন
করার পর
সেগুলো কোনোভাবেই
ক্লোজ করতে
পারছেন না।
ফলে ঋণ-দেনা
বাড়ছে। এমনকি
সুদ-ঘুষ-দুর্নীতিতে
জড়িয়ে পড়ছেন...শুধু
সেই দৌড়ে
টিকে থাকার
জন্য। সবাই
তাদের সফল
বলে জানে।
কিন্তু তারা
নিজেরা সেটা
বিশ্বাস করেন
না! বাহ্যিক
চাকচিক্যকে নিতান্তই
খোলস মনে
হয়। সামান্য
দমকা হাওয়ায়
তা চুপসে
যাওয়ার ভয়ে
তারা তটস্থ
থাকেন।
কিন্তু লোকলজ্জার
ভয়ে মোড়কটা
টিকিয়ে রাখতে
স্ট্রাগল করেন।
অনেকে পালানোর
পথ খুঁজে
পান না।
ঘাটতি পোষাতে
কেউ ক্যাসিনো,
বিটকয়েন বা
প্রতারক এনজিওর
খপ্পরে পড়েন।
হতাশা ও
দুশ্চিন্তা থেকে
বাঁচতে নানা
আসক্তিতে জড়িয়ে
পড়েন। এক
পর্যায়ে অনেকে
আত্মহননের পথও
বেছে নেন।
গণমাধ্যমে মৃতদের
তথ্য জানা
গেলেও এমন
দুষ্টচক্রে আটকে
পড়া লাখ
লাখ হতভাগার
খবর আমরা
রাখি না।
করোনাসৃষ্ট সংকট
এ পরিস্থিতিকে
আরো জটিল
করে তুলছে।
অনেকের লড়াইয়ের
পুঁজি বেশ
দ্রুত শেষ
হয়ে আসছে।
২০০৮ সালে
বিশ্বব্যাপী সৃষ্ট
মন্দায় বহু
শিল্পোন্নত রাষ্ট্র
আর্থিকভাবে চরম
ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
অথচ আমাদের
অর্থনীতি তখনো
সেভাবে ক্ষতিগ্রস্ত
হয়নি! কারণ
আমাদের ঐতিহ্য
হলো সঞ্চয়
করা। প্রবাসী
বাঙালিরা যে
বিপুল পরিমাণ
অর্থ দেশে
পাঠাতে পারেন,
তার প্রধান
কারণও সেটা।
মার্কিনরা ১০
টাকা আয়
করলে ১২
টাকা খরচ
করার আয়োজন
করে। অথচ
বাঙালিরা সেখান
থেকে অন্তত
২-৩
টাকা জমান।
কিন্তু একশ্রেণীর
লোক হঠাৎ
অতি আধুনিক
হতে গিয়ে
ব্যয়ের বহু
খাত উন্মুক্ত
করেছেন। এখন
আয় কমে
গেলেও সেগুলো
বন্ধ করা
যাচ্ছে না।
সংকট কবে
দূর হবে
তাও বলা
যাচ্ছে না।
অনেকে পরিবারকেও
সমস্যাগুলো জানাতে
পারছে না।
ফলে হঠাৎ
করেই সেই
মানুষটা বড়
নিঃসঙ্গ হয়ে
পড়ছে। মানসিক
সাপোর্ট দেয়া
লোকের সংখ্যাও
দ্রুত কমে
যাচ্ছে। কারণ
সিস্টেমটাই হলো,
পকেটে পয়সা
না থাকলে
কোনো আলাপ
নেই। গতকাল
কেমন ছিলে,
সেটা ব্যাপার
না। আজ
পয়সা নেই,
তোমার জন্য
দরজা বন্ধ!
এভাবে হতাশ
মানুষের সংখ্যা
বাড়ছে। নানা
রকম পারিবারিক
ও সামাজিক
সংকটের উদ্ভব
হচ্ছে। যে
সুখের আশায়
জীবনভর পরিশ্রম
করেছেন, হঠাৎ
করে যেন
তা দূরে
সরে যাচ্ছে।
এতে শরীরের
পাশাপাশি মানসিক
চাপ বাড়ছে।
প্রত্যেক পরিবারে
দু-একজন
সদস্যের ‘মানসিক
অস্থিরতা’ পুরো
পরিবারকে পীড়া
দিচ্ছে। কিন্তু
আমাদের বাস্তবতা
এখনো এগুলো
অ্যাড্রেস করার
জন্য তৈরি
নয়। ফলে
নিজেদেরই সেগুলোর
সমাধানে উদ্যোগী
হতে হচ্ছে।
এতে সমস্যার
গভীরতা আরো
বাড়ছে।
এভাবে চলতে
থাকলে আমাদের
পারিবারিক-সামাজিক-সাংস্কৃতিক
ঐতিহ্য বড়
হুমকির মধ্যে
পড়বে। আমাদের
মাথাপিছু আয়
বাড়ছে, ভোগ
প্রবণতা সমৃদ্ধ
হচ্ছে। কিন্তু
মানসিক সংকটকে
আর পাঁচটা
অসুখের মতো
গ্রহণ করতে
পারছি না।
ফলে ঘরে-বাইরে
অসংখ্য দ্বন্দ্ব-সংঘাত
দ্রুত বৃদ্ধি
পাচ্ছে। স্বাভাবিক
সময়ে যে
পরিবর্তন হতে
দশ বছর
লাগত, করোনা
এসে তা
এক বছরেই
ঘটিয়ে ফেলেছে।
এভাবে চলতে
থাকলে আগামী
প্রজন্ম আকস্মিক
নানা সংকটে
পড়বে।
স্বভাবতই মনে
প্রশ্ন জাগে,
তাহলে উত্তরণের
উপায় কী?
এ ব্যাপারে
বিস্তর গবেষণা
হওয়া দরকার।
তবে এগুলোর
সমাধানে বিশ্ব
সংস্থা কিংবা
উন্নয়ন সহযোগীরা
এগিয়ে আসবে
না। কারণ
তারা নিজেরাই
নানা ইস্যুতে
চাপে রয়েছে।
সরকার ও
অন্যান্য প্রতিষ্ঠান
অগ্রাধিকার যুক্ত
অসংখ্য কাজে
ব্যস্ত রয়েছে।
অদৃশ্য এ
সমস্যার সমাধানে
রাষ্ট্র মনোযোগী
হতে আরো
বহু বছর
সময় লাগবে।
তাহলে ততদিন
টিকে থাকার
উপায়?
ঘুরে দাঁড়ানোর
ব্যাপারে নিজেকেই
উদ্যোগী হতে
হবে। আয়
বুঝে ব্যয়ের
খাত ঠিক
করতে হবে।
এতদিন যেসব
দেশের মডেল
ফলো করছেন,
সেখানে হিরো
থেকে জিরো
হওয়া খুব
স্বাভাবিক ঘটনা।
ফলে গতকাল
খুব দামি
ব্র্যান্ডের গাড়ি
চালানো লোকটি
আজ অবলীলায়
পাবলিক পরিবহনে
চলাচল করে।
প্রয়োজনে বাড়ি
বিক্রি করে
মফস্বল অঞ্চলে
চলে যায়।
তাছাড়া সেই
সিস্টেমে টিকে
থাকা যায়
না। আপনাকেও
সেই পথে
হাঁটতে হবে।
কিছু ক্ষেত্রে
নির্মম হয়ে
দ্রুত ব্যয়
সংকোচন করুন।
পরিবারের প্রত্যেক
সদস্যকে অবস্থান
ও সামর্থ্য
মোতাবেক কাজে
নিযুক্ত করুন।
ঋণ করে
চলছেন অথচ
বাসায় একাধিক
কাজের লোক
ও ড্রাইভার
পুষছেন! আপনার
সন্তানরা এক
গ্লাস পানিও
ঢেলে খায়
না...এটা
বন্ধ করুন।
নইলে তারা
বাস্তবতা টের
পাবে না।
সুসময় যেমন
সবাই মিলে
উপভোগ করেছেন,
ঠিক তেমনিভাবে
দুঃসময়ও ভাগ
করে নিন।
নইলে দ্রুতই
হতাশার সাগরে
নিমজ্জিত হবেন।
বাস্তববাদী হোন,
অবস্থা বুঝে
ব্যবস্থা নিন।
কোনো রকমে
‘চালিয়ে
নেয়া’র
থিওরি বাদ
দিন।
চেনাজানা একজনের
কথা বলে
শেষ করি।
তিনি একাধিক
ফ্ল্যাট বুকিং
দিয়ে সেগুলোর
কিস্তি টানতে
অমানুষিক চাপ
নিচ্ছেন। একদিন
একান্তে বসে
তাকে বললাম,
কেন আপনার
এত কিছু
দরকার? তিনি
বললেন, প্রত্যেক
সন্তানের জন্য
একটা করে
ফ্ল্যাট করে
যেতে না
পারলে ভবিষ্যতে
তারা আমাকে
ক্ষমা করবে
না!
তখন বললাম,
তার মানে
আপনি আপনার
মৃত বাবাকে
আজও ক্ষমা
করেননি? অবাক
হয়ে তিনি
জানতে চাইলেন,
এ প্রশ্ন
আসছে কেন?
তখন বললাম:
বা রে,
আপনার বাবা
তো ঢাকা
শহরে একটা
ফ্ল্যাটও রেখে
যাননি! সেজন্য
আপনি কি
প্রতিনিয়ত তাকে
অভিশাপ দেন?
তিনি জানালেন,
বিষয়টা কখনো
এভাবে ভাবা
হয়নি।
তখন জানতে
চাইলাম: আপনার
কেন মনে
হচ্ছে যে
আপনার সন্তানরা
দুনিয়ার সবচেয়ে
অপদার্থ ও
অকর্মণ্য হবে?
তাদের নিজেদের
পক্ষে কিছুই
করা সম্ভব
হবে না।
তাই আপনার
দায় ঠেকেছে
তাদের জন্য
এত অর্থ-সম্পদ
রেখে যাওয়া
যে তারা
যেন সারা
জীবন বসে
বসে খেতে
পারে! নইলে
একজন মানুষের
জীবনে সাধ্যাতীত
সম্পদ অর্জনের
জন্য এমন
পাগলপারা হওয়ার
কী কারণ
থাকতে পারে?
আসলে আমাদের
পূর্বপুরুষদের প্রতিষ্ঠিত
সুখময় জীবনের
মডেল ফেলে
আমরা অন্যের
শেখানো পথে
সুখী হতে
চাইছি। মাঝেমধ্যে
মনে হয়,
পূর্বপুরুষরা আমাদের
সুখ পাখিটা
হাতে ধরিয়ে
দিয়েছিল। কিন্তু
অন্যদের প্ররোচনায়
সেটা ছেড়ে
দিয়ে তার
প্রয়োজনটা উপলব্ধি
করছি। ফলে
আবার তাকে
ধরার জন্য
ছুটছি।
পাখিরূপী সুখটাকে
ধরতে পেছন
পেছন ছুটলেও
সহসা তার
নাগাল মিলছে
না। তদুপরি
দৌড়ানোর সময়
করোনা নামক
প্রস্তরখণ্ডে অপ্রত্যাশিত
হোঁচট খেলাম।
ফলে পাখি
আরো দূরে
উড়ে যাচ্ছে।
এভাবেই ছুটতে
ছুটতে একদিন
নির্ধারিত সময়
শেষ হয়ে
যাবে। একটু
স্থির হয়ে
বসা কিংবা
এরই মধ্যে
অর্জিত সম্পদগুলো
ভোগের ফুরসত
বুঝি ইহজনমে
আর মিলবে
না!
মো. আব্দুল হামিদ: শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের শিক্ষক ও ‘মস্তিষ্কের মালিকানা’ বইয়ের লেখক