প্রসঙ্গ: বৈদেশিক বিনিয়োগ

কোনো দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করতে হলে পুঁজি বিনিয়োগ পরিস্থিতিকে উৎসাহব্যঞ্জক করার বিকল্প নেই। যাতায়াত, যোগাযোগ, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ইত্যাদি অবকাঠামোগত উন্নত ব্যবস্থা বিনিয়োগকারীদের আকর্ষণ করে। বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়নের জন্য বৈদেশিক বিনিয়োগের দিকে দৃষ্টি দেয়া উচিত।

কোনো দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করতে হলে পুঁজি বিনিয়োগ পরিস্থিতিকে উৎসাহব্যঞ্জক করার বিকল্প নেই। যাতায়াত, যোগাযোগ, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ইত্যাদি অবকাঠামোগত উন্নত ব্যবস্থা বিনিয়োগকারীদের আকর্ষণ করে। বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়নের জন্য বৈদেশিক বিনিয়োগের দিকে দৃষ্টি দেয়া উচিত। বিশ্বব্যাপী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সর্বাধিক বৈদেশিক বিনিয়োগকারী দেশ। চীন ও পশ্চিমা বহু রাষ্ট্র বৈদেশিক বিনিয়োগকারী রাষ্ট্র হিসেবে সুপরিচিত। বাণিজ্য অর্থ দুই পক্ষের মধ্যে পণ্য বিনিময়। যে দুজনের মধ্যে পণ্য বিনিময় হয়, তারা যদি অভিন্ন দেশের বাসিন্দা হয়, তাহলে সেই বাণিজ্যকে অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য বলে এবং তারা যদি ভিন্ন দেশের হয়, তবে তাকে বৈদেশিক বাণিজ্য বলে। একইভাবে যে রাষ্ট্র বা ব্যক্তি পুঁজি বিনিয়োগ করে, সে যদি ভিন্ন রাষ্ট্র বা পৃথক দেশের ব্যক্তি হয়, তাকে বৈদেশিক বিনিয়োগ বলে। কোনো ব্যক্তি যেমন নিজে তার প্রয়োজনীয় সব দ্রব্য উৎপাদন করতে পারে না, তেমনি কোনো দেশের পক্ষেও তার প্রয়োজনীয় সব দ্রব্য উৎপাদন করা সম্ভব নয়। ব্যক্তি ও রাষ্ট্রের সম্পদ উৎপাদনক্ষমতার সীমাবদ্ধতা রয়েছে। কোনো দেশই এককভাবে স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। নিজ প্রয়োজনে যেকোনো দেশকে অন্য দেশের ওপর নির্ভর করতে হয়। কাজেই বৈদেশিক বিনিয়োগ যে লাভজনক, সেটা আজ প্রমাণিত।

ইউরোপ ও এশিয়ার অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যে বাংলাদেশের গুরুত্ব ঐতিহাসিকভাবে স্বীকৃত। বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগ রয়েছে। আগামী দিনগুলোয় আমেরিকা, জাপান, চীনের মতো অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ রাষ্ট্রগুলো যদি বিনিয়োগ বাড়িয়ে দেয়, তবে দৃশ্য পাল্টে যেতে পারে। সম্প্রতি বাংলাদেশে বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধির সম্ভাবনা প্রমাণ করে গত বছরগুলোয় বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ধনী বিল গেটসের দক্ষিণ এশিয়ায় আগমন। বিল ক্লিনটন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট থাকা অবস্থায় বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ায় তার সফরের ফলে ইতিবাচক বিনিয়োগ শুরু হয়েছিল। বাংলাদেশে বেশ বড় একটি প্রকল্প শুরু করতে যাচ্ছে বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন। ডিজিটাল লাইব্রেরি ও তথ্যপ্রযুক্তি কেন্দ্র স্থাপনে এ ফাউন্ডেশন বড় অংকের অনুদান দেবে বাংলাদেশকে। বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনের তিন সদস্যের একটি দল বাংলাদেশ সফরে এসেছিল। প্রতিনিধি দলটি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে বৈঠক করেছিল। বৈঠকে ‘পার্টনারশিপ উইথ বাংলাদেশ ব্যাংক টু কিক-স্টার্ট জিওস্পেশাল ম্যাপিং ফর ফিন্যান্সিয়াল ইনকুশন ইন বাংলাদেশ অ্যান্ড আপডেট অন গেটস ফাউন্ডেশন প্ল্যানস ফর স্কেলিং মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস ইন বাংলাদেশ’ বিষয়ে কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হয়েছিল।

বিশ্বব্যাংক ও আইএফসি কর্তৃক প্রস্তুতকৃত ‘ডুয়িং বিজনেস ২০১০’ প্রতিবেদন মতে, ব্যবসায় পরিবেশের ক্ষেত্রে

আরও