প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা: আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের যোগ্য উত্তরসূরি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একটি সুখী সমৃদ্ধ স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের জন্য নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছেন। পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্প, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন, রামপাল মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্রজেক্ট, মাতারবাড়ী আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল কোল ফায়ার্ড পাওয়ার প্রজেক্ট, ঢাকা মাস র‌্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রকল্প

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের যোগ্য উত্তরসূরি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একটি সুখী সমৃদ্ধ স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের জন্য নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছেন। পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্প, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন, রামপাল মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্রজেক্ট, মাতারবাড়ী আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল কোল ফায়ার্ড পাওয়ার প্রজেক্ট, ঢাকা মাস র‌্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রকল্প (মেট্রোরেল), এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ, মহেশখালী, কক্সবাজার, সোনাদিয়া গভীর সমুদ্র বন্দর, পায়রা গভীর সমুদ্র বন্দর, পদ্মা রেল সেতু সংযোগ প্রকল্প ও দোহাজারী থেকে ঘুমধুম পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণ তাঁর আইকনিক প্রকল্প। ভৌত অবকাঠামো নির্মাণের মাধ্যমে দেশের চেহারা বদলে দিয়েছেন তিনি। শত চ্যালেঞ্জের মধ্যেও উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে তাঁর দৃঢ়তা ইতিহাস রচনা করেছে।


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গৃহীত প্রকল্প একটি অপরটিকে অতিক্রম করে চলছে। তাঁর দৃঢ়তায় দেশজ অর্থায়নে পদ্মা সেতু বাস্তবায়ন বিশ্ববাসীকে নাড়া দিয়েছিল। তাঁর সকল প্রকল্প নিয়ে আলোচনা করলে নিবন্ধের কলেবর অনেক বড় হবে। তাই মেট্রোরেল এর দিকে দৃষ্টি দিতে চাই। স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার মুকুটে একটি অনন্য পালকের সংযোজন হচ্ছে মেট্রোরেল। যানজটের কারণে যখন রাজধানীবাসীর নাকাল দশা, তখন স্বস্তির শীতল হাওয়া বইয়ে দিয়েছে মেট্রোরেল। উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত বাসে যেতে কোনো কোনো সময় লেগে যায় প্রায় ৩ ঘন্টা। মেট্রোরেলের স্মার্ট সার্ভিস উত্তরা থেকে মতিঝিলে পৌঁছে দিচ্ছে মাত্র ৪০ মিনিটে। স্মার্ট পরিবহন মানুষের জীবনধারায় ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটায় এবং তাদের উৎপাদনশীল সময় বৃদ্ধি করে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। উৎপাদনশীলতার সাথে সম্পৃক্ত শ্রমিক শ্রেণী স্মার্ট দেশ গড়ায় ভূমিকা রাখতে পারছে।

 

২০২২ সালে মেট্রোরেল চালুর মাধ্যমে তিনি ইতিহাসে নাম লিখিয়েছেন। তার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে মেট্রোরেল চলাচলকারী দেশগুলোর তালিকায় নাম লেখাল বাংলাদেশ। সহজ যাতায়াতের জন্য পরিবহন মেট্রোরেল অনন্য। বাংলাদেশে মেট্রোরেল সম্পূর্ণরূপে একটি নতুন ধারণা। যতদূর জানা যায়, বিশ্বের ৫৬টি দেশের ১৭৮টি শহরে ১৮০টি দ্রুত ট্রানজিট রেলব্যবস্থা চালু রয়েছে। কোনটি মাটির নিচে, আবার কোনটি উপরিভাগে। বাস্তবতা হচ্ছে মেট্রোরেল এখন ঢাকায়। সরকার তথা প্রধানমন্ত্রীর সুদূরপ্রসারী নেতৃত্বে এটি সম্ভব হয়েছে। তিনি প্রমাণ করেছেন পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করা সম্ভব হলে সবই সম্ভব। তিনি বাস্তবায়ন করে দেখিয়েছেন- “আমরাও পারি”। জননেত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ২০৪১ সাল নাগাদ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলার আধুনিক, টেকসই, বুদ্ধিদীপ্ত, জ্ঞানভিত্তিক, উদ্ভাবনী, স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের নতুন রূপকল্প এর অংশ মেট্রোরেল। বর্তমান সরকারের প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে বিশ্বের অন্যতম সেরা রাষ্ট্রে পরিণত করবে বাংলাদেশকে। সব চ্যালেঞ্জ মোকাবেল করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ- সেই হোক আমাদের প্রত্যাশা।


আবদুল হক: ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) এর উপদেষ্টা ও জাপান বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি (জেবিসিসিআই) এর প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট 

আরও