আলোকপাত

কৃষি খাতে উপসাগরীয় সংকটের অভিঘাত

ইরান, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রভাব ছড়িয়ে পড়েছে উপসাগরীয় দেশগুলোয়। তাতে বিপর্যস্ত হচ্ছে জনজীবন। বিধ্বস্ত হচ্ছে অর্থনীতি। এ ধরনের সংঘাতের মানবিক ও অর্থনীতির ক্ষতি অনেক।

ফলে মানুষের জীবনে নেমে এসেছে সীমাহীন ভোগান্তি। মানবিক ক্ষতিগুলোর মধ্যে রয়েছে জীবনহানি ও পঙ্গুত্ব, বাস্তুচ্যুতি, মানবিক আঘাত, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের ভগ্নদশা, পারিবারিক ও সামাজিক বিচ্ছেদ ইত্যাদি। অর্থনৈতিক ক্ষতির মধ্যে রয়েছে সামরিক বাহিনীর অস্ত্র ও রশদের খরচ, অবকাঠামো বিনাশ, কৃষি ও কলকারখানায় উৎপাদন হ্রাস, মূল্যস্ফীতি, কর্মসংস্থান হারানো ও বাণিজ্য সংকট। তাতে পুরো অর্থনীতির ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পরিলক্ষিত হয়। ফলে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হ্রাস পায়। উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও কর্মহীনতা এবং প্রবৃদ্ধি হ্রাসে মানবজীবনে নেমে আসে দুর্বিষহ ভোগান্তি।

সাম্প্রতিক পারস্য উপসাগরীয় সংঘাতের একটি বড় সমস্যা পরিলক্ষিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে। ইরানের নিয়ন্ত্রণে থাকা হরমুজ প্রণালি প্রায় বন্ধ থাকায় জাহাজ চলাচল দারুণভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। বিশ্বের মোট তেল ও তরল গ্যাসের প্রায় ২০ শতাংশ পরিবাহিত হয় এ প্রণালি দিয়ে। এক মাসে পারস্য উপসাগরে অন্তত ২ হাজার ১৯০ জাহাজ আটকা পড়েছে। এদের মধ্যে রয়েছে কয়েকশ তেল ও গ্যাসবাহী ট্যাংকার। রয়েছে রাসায়নিক সার ভরা জাহাজ। তাতে উপসাগরীয় দেশগুলোর জ্বালানি রফতানি ব্যাহত হচ্ছে। ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সংকট তীব্র হচ্ছে। ফলে জ্বালানির দাম বেড়ে গেছে ক্ষেত্রবিশেষে দেড় থেকে প্রায় দ্বিগুণ। প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের মূল্য পৌঁছে গেছে ১২০ ডলারে। গত জানুয়ারিতেও যা ছিল ৬৫ ডলার। তাতে পরিবহন খরচ বেড়েছে। বেড়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। সেই সঙ্গে মূল্যস্ফীতি দ্রুত বাড়ছে ও বিনিয়োগ কমছে। পাশাপাশি কর্মসংস্থান কমে যাচ্ছে। বন্ধ্যত্ব সৃষ্টি হচ্ছে জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে। একটা ‘স্টেগফ্লেশন’ অবস্থা বিরাজ করছে বিশ্বব্যাপী।

বিশ্ববাণিজ্য সংস্থা (ডব্লিউটিও) প্রকাশিত ‘গ্লোবাল ট্রেড আউটলুক অ্যান্ড স্ট্যাটিসটিকস’ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যদি তেল ও গ্যাসের দাম বছরজুড়ে ঊর্ধ্বমুখী থাকে তবে বৈশ্বিক জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমতে পারে দশমিক ৩ শতাংশ। বিশ্ববাণিজ্য কমতে পারে দশমিক ৫ শতাংশ। জ্বালানির দাম দীর্ঘমেয়াদে বাড়তে থাকলে কৃষিতে সেচের সুবিধা সংকুচিত হবে। সার ব্যবহার কমে আসবে। উৎপাদন খরচ, ব্যবসা খরচ, ভোক্তা ব্যয় বেড়ে যাবে। তাতে বৈশ্বিক খাদ্যনিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়বে।

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে পারস্য উপসাগরীয় সংঘাতের বহুমাত্রিক নেতিবাচক প্রভাব রয়েছে। তেল সংকটের কারণে পরিবহন খরচ বেড়ে যাচ্ছে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। কৃষির উৎপাদন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তাতে উৎপাদন হ্রাস ও প্রয়োজনী নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যাচ্ছে। ফলে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মান কমে যাচ্ছে। সামগ্রিকভাবে তা দেশের জিডিপির প্রবৃদ্ধিকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে। যুদ্ধকাল দীর্ঘ হলে আমাদের অর্থনীতির ক্ষতিও বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বাংলাদেশ তার মোট জ্বালানি চাহিদার ৯৫ শতাংশ আমদানির মাধ্যমে পূরণ করে থাকে। এর দুই-তৃতীয়াংশ আসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে। ইরান-আমেরিকা ও ইসরায়েল সংঘাতের ফলে সৃষ্ট উপসাগরীয় যুদ্ধ আমাদের জ্বালানি খাতে গভীর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। হরমুজ প্রণালি বদ্ধ থাকায় কাতার, ওমান, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে তেল, গ্যাস ও সার সরবরাহ বিঘ্নিত হচ্ছে। জ্বালানি সংকটের মুখে সরকার তেল ও বিদ্যুৎ ব্যবহারে কঠোর রেশনিং ব্যবস্থা চালু করছে। আপাতত দেশে তেলের অভাব না থাকলেও অনেক পেট্রল পাম্প এরই মধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে। চালু থাকা পেট্রল পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন এবং প্রয়োজনমতো তেল না পাওয়া থেকে মনে হয় সংকট অনেক গভীর। জ্বালানি তেল ও গ্যাসের অভাবে দেশের মোট ১৪৩ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মধ্যে অন্তত ৩০টির উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। ডিজেলের অভাবে বিএসআরএসের মতো বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোয় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। প্রধান রফতানি আয়ের উৎস তৈরি পোশাক খাতে দৈনিক ৫ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছে। গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় টেক্সটাইল মিলগুলোর উৎপাদন ক্ষমতা ৩০-৪০ শতাংশ কমে গেছে। সবচেয়ে বড় সমস্যা দেখা দিয়েছে কৃষির উৎপাদনে। এখন বোরো মৌসুম। মাঠে বোরো ধান বাড়ন্ত অথবা থোর অবস্থায় আছে। তাতে তায়ে তায়ে সেচ দেয়া দরকার।

আমাদের সেচ পাম্পগুলো প্রায় অর্ধেক ডিজেলচালিত। অথচ কৃষক প্রয়োজনীয় ডিজেল পাচ্ছেন না। তাতে বিঘ্নিত হচ্ছে সেচ। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গের রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের ১৬ জেলায় ডিজেলচালিত পাম্পগুলো অধিকাংশই জ্বালানি সংকটে অচল হয়ে পড়েছে। তাতে এবার কমবে বোরোর উৎপাদন। আমাদের দেশের মোট ধানের ৫৪ শতাংশই উৎপাদন হয় বোরোর মৌসুমে। এ সময় উৎপাদন বিঘ্নিত হলে তা খাদ্যনিরাপত্তায় ব্যাঘাত সৃষ্টি করবে। তাছাড়া বর্তমানে কৃষককে নির্ধারিত দামের চেয়ে লিটারপ্রতি ১৫-২০ টাকা বেশি দামে ডিজেল কিনতে হচ্ছে। ক্ষেত্রবিশেষে খোলা বাজারে ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির পরিমাণ লিটারপ্রতি ৪০-৫০ টাকা। তাতে বেড়েছে ধানের উৎপাদন খরচ। পোলট্রি এবং ফিশারিজ সেক্টরেও দেখা দিয়েছে বিরূপ প্রভাব। চিকেনের মৃত্যু হার বেড়ে যাচ্ছে। মাছ ধরার ট্রেলারগুলো অপেক্ষাকৃত কম পরিচালন ক্ষমতায় মৎস্য আহরণ করছে। এঅবস্থায় কৃষি উৎপাদনের ক্ষেত্রে জ্বালানি সরবরাহ নির্বিঘ্ন রাখার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া উচিত। অবশ্য সাম্প্রতিক নিয়মিত বৃষ্টি দেশের কৃষকদের জন্য আশীর্বাদ হয়ে এসেছে। তাতে পানি সেচের জন্য ব্যবহৃত ডিজেল কিছুটা সাশ্রয় হচ্ছে।

উপসাগরীয় সংঘাতের কারণে বাংলাদেশ আমদানিনির্ভর সারের বড় সংকটের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে, যা খাদ্যনিরাপত্তার জন্য একটি চ্যালেঞ্জ। বর্তমানে আমাদের ইউরিয়া সারের ব্যবহার প্রায় ২৭ লাখ টন। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টন দেশে উৎপাদন হয়। বাকি ১৭ লাখ টনের সিংহভাগই আসে সৌদি আরব, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে। বর্তমান সংঘাতে এদের কাছ থেকে আমদানি বাধাগ্রস্ত হয়েছে। দেশে মোট পাঁচটি ইউরিয়া উৎপাদন ফ্যাক্টরি আছে। এর চারটিই গ্যাস সরবরাহের অনিশ্চয়তায় বন্ধ রয়েছে। একসময় দেশের মোট ব্যবহৃত ইউরিয়া সারের প্রায় ৮০ শতাংশই দেশে উৎপাদন হতো। আমদানি করতে হতো প্রায় ২০ শতাংশ। এখন বিভিন্ন কারণে উৎপাদন কমিয়ে দেয়া হয়েছে। বেড়েছে আমদানিনির্ভরতা। প্রয়োজনীয় সারের প্রায় ৮০ শতাংশই এখন আমদানি করতে হয়। বর্তমান বৈশ্বিক বাস্তবতার পরিপ্রেক্ষিতে দেশের অভ্যন্তরে সার উৎপাদন বাড়ানো উচিত। বিশেষ ব্যবস্থাপনায় গ্যাস সরবরাহ করে দেশের ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরিগুলো চলমান রাখা উচিত। বোরো মৌসুমের জন্য সারের কোনো সমস্যা নেই। তবে আউশ ও আমন মৌসুম এবং পরবর্তী রবি মৌসুমের জন্য সার সরবরাহ বাড়ানো দরকার।

এবার বোরো মৌসুমে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে রাসায়নিক সার সংকটের কথা শোনা গেছে। ক্ষেত্রবিশেষে সারের দামও বেড়ে গেছে কৃষক পর্যায়ে। ভবিষ্যতে সারের সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। প্রয়োজনে বিকল্প উৎস থেকে সার আমদানির ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি জৈব সার ব্যবহারের জন্য কৃষকদের উৎসাহিত করতে হবে। কম্পোস্ট তৈরির জন্য তাদের সহায়তা দিতে হবে। আগে গ্রামে প্রায় প্রতি ঘরে গরু পালন করা হতো। জমিতে দেয়া হতো প্রচুর গোবর সার ও ছাই। এখন প্রথাগত গরু পালন কমে গেছে। গোবর সারের মজুদ খুবই কম।

বিশ্ববাজারে তেল ও সারের দাম অনেক বেড়ে গেছে। তেলের দাম গড়পড়তা বেড়েছে প্রায় ৮০ শতাংশ। সারের দাম বেড়েছে প্রায় ৭০ শতাংশ। এর প্রভাব বাংলাদেশের কৃষি উপকরণ বাজারে পরিলক্ষিত হবে। তাতে উপকরণের মূল্যবৃদ্ধিজনিত খরচ তাড়িত মূল্যস্ফীতি কৃষিপণ্যের মূল্যকে সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে নিয়ে যেতে পারে। আরো বেড়ে যেতে পারে খাদ্য মূল্যস্ফীতি। এ অবস্থায় কৃষি উৎপাদনের ওপর ভর্তুকি বাড়িয়ে উপকরণ মূল্য স্থিতিশীল রাখা উচিত।

তেলের সরবরাহ সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির অভিঘাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য বিকল্প উৎস হিসেবে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ওপর গুরুত্ব দেয়া উচিত। বিশ্বের অধিকাংশ দেশেই নবায়নযোগ্য শক্তি হচ্ছে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সাশ্রয়ী উৎস। এক হিসাবে দেখা যায়, যদি শিল্প কলকারখানার ছাদ, অব্যবহৃত মাঠ এবং উন্মুক্ত জলাশয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনের অবকাঠামো গড়ে তোলা যায়, তাহলে প্রায় ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব। এর জন্য বিনিয়োগ দরকার। বেসরকারি উদ্যোক্তাদের জন্য অর্থায়নের সহায়ক নীতিমালা থাকা দরকার। প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে নগদ সহায়তা দিয়ে প্রান্তিক পর্যায় পর্যন্ত সৌরশক্তির ব্যবহার উৎসাহিত করা উচিত।

তিন বছর ধরে বাংলাদেশ লাগাতার উচ্চ মূল্যস্ফীতির কবলে রয়েছে। ফেব্রুয়ারি নাগাদ চার মাস নিরন্তর মূল্যস্ফীতির হার বেড়েছে। ফেব্রুয়ারিতে সাধারণ মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৯ দশমিক ১৩ শতাংশ। এটি ছিল ১০ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। খাদ্য মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৯ দশমিক ৩০ শতাংশ। এর আগে জানুয়ারিতে ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ। ২০২৫ সালে গড়ে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৮ দশমিক ৭৭ শতাংশ। এফএওর হিসাব অনুযায়ী গত মার্চে বৈশ্বিক খাদ্য মূল্যস্ফীতি ২ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়েছে। পণ্যের সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক না হলে জুন নাগাদ খাদ্যমূল্য প্রায় ২০ শতাংশ বাড়তে পারে। বর্তমান সংকটকালে তাই আমাদের সার্বিক প্রচেষ্টা থাকা উচিত মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য। নতুন সরকারের জন্য এটা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হওয়া উচিত। এক্ষেত্রে আপাতত নীতি-সুদহার না কমিয়ে সরকারি খরচের গুণগত মান বৃদ্ধি, ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং রাজস্ব আহরণে গতিশীলতা আনা দরকার।

বাংলাদেশ থেকে ৫৫ লাখের বেশি কর্মরত আছেন আরব বিশ্বে। ওদের তেল উৎপাদন আয় কমে গেলে সরাসরি অভিঘাত আসবে আমাদের রেমিট্যান্সের ওপর। প্রতি বছর আমাদের প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলার আয় হয় উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে। এখন প্রবাসী আয়ে ভাটা পড়বে। তাছাড়া বাংলাদেশ থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে পোশাক, চিংড়ি ও শাকসবজি রফতানি হয় ওই দেশগুলোতে। তাতে রফতানি আয়ও কমবে। তাছাড়া তেল ও সারের মূল্যবৃদ্ধিতে এসব খাতে আমাদের আমদানি ব্যয় প্রায় ৫০ শতাংশ বাড়তে পারে। তাতে আমাদের বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভের ওপর চাপ বাড়বে। টাকার মান কমবে। এ অবস্থায় আঁটসাঁট মুদ্রা ও রাজস্বনীতি অনুসরণ করা খুবই প্রয়োজন। সামনে সরকারি কর্মচারীদের পে-স্কেল বাস্তবায়নের চাপ থাকবে। তাতে প্রয়োজন হবে প্রায় ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা। দেশের রাজস্ব আদায়ের বর্তমান নাজুক অবস্থায় কর্মচারীদের বেতন বাড়ানোর চাপ যথাসম্ভব শামাল দেয়া উচিত।

ড. জাহাঙ্গীর আলম: একুশে পদকপ্রাপ্ত কৃষি অর্থনীতিবিদ। সাবেক উপাচার্য, ইউনিভার্সিটি অব গ্লোবাল ভিলেজ (ইউজিভি); সাবেক মহাপরিচালক, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই)

আরও